Tag: ফেসবুক

  • শবনম ফারিয়াকে আপত্তিকর মন্তব্য করে শাস্তি পাচ্ছেন যুবক

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের বিশেষ করে অভিনেত্রীদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার হার দিন দিন বাড়ছে। এবার যার শিকার হয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। তবে এর প্রতিকারও পেয়েছেন তিনি। তাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা ওই যুবকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে যুবকের কর্মস্থান সাজিদা ফাউন্ডেশন।

    সম্প্রতি ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খান, ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ ও তানজিদ হাসান তামিমদের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে একমঞ্চে হাজির হয়েছিলেন শবনম ফারিয়া। সেখানে মঞ্চে ফটোসেশনের সময় শবনম ফারিয়াকে হাসতে হাসতে বলতে শোনা যায়- ‘আমি তাসকিনের পাশে দাঁড়াবো না, আমাকে খাটো লাগবে। তামিম ভাইয়া তুমি আসো’।

    ফেসবুকে ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে সেখানে আপত্তিকর কমেন্ট করেন রাকিবুল হাসান নামে এক যুবক। যা চোখে পড়তে কমেন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন শবনম ফারিয়া। সেই সঙ্গে পোস্টে যুবকের প্রোফাইলজুড়ে দেন তিনি। যেখানে দেখা যায় ওই যুবক সাজিদা ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিওতে চাকরি করছেন।

    অভিনেত্রীর সেই স্ট্যাটাসের পরপরই সাজিদা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে এক স্ট্যাটাসে জানানো হয়, রাকিবুল হাসান নামের সেই যুবকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার (১৯ মার্চ) রাতে প্রতিষ্ঠানটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক স্ট্যাটাস দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

    যেখানে বলা হয়, ‘গত ১৮ মার্চ শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্টে সাজিদা ফাউন্ডেশনের কর্মী রাকিবুল হাসান আপত্তিকর কমেন্ট করেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এ ধরনের আচরণ (অফিস সময়ের ভেতরে বা বাইরে) সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য। এ নিয়ে ইতোমধ্যে আমাদের সুরক্ষা কমিটির তদন্ত চলছে এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    সাজিদা ফাউন্ডেশনের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন শবনম ফারিয়া। এ নিয়ে এক পোস্টে তিনি লেখেন– অনলাইনে বা অফলাইনে, কেউই কোনো নারীর প্রতি হয়রানি করার অধিকার রাখে না। অসম্মানজনক আচরণ কখনোই সহ্য করা উচিত নয়, আর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    আমি সাজিদা ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানাই বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য। তাদের এই দ্রুত সিদ্ধান্ত স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, এমন আচরণের ফলাফল ভোগ করতে হয়, তা যেখানেই হোক না কেন। আসুন, আমরা সবাই হয়রানির বিরুদ্ধে দাঁড়াই এবং সৌহার্দ্য ও শ্রদ্ধাশীলতার পরিবেশ গড়ে তুলি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যার চলে যায় সেই বোঝে হায় বিচ্ছেদের কী যন্ত্রণা: পরীমনি

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি।  বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং ফেসবুক পোস্টে প্রায়ই আলোচনায় আসেন তিনি। শুক্রবার পরীর প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এ ঘটনার মধ্যে পরীমনি তার ফেসবুকে জানিয়েছেন তিনি তার নানার মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য বরিশাল অবস্থান করছেন। পোস্ট করেছেন কয়েকটি ভিডিও। তা ছাড়া তিনি দুঃখভরা একটি পোস্টও দিয়েছেন।

    এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নিয়তির ডাকে দিলে যে সাড়া ফেলে গেলে শুধু নীরবতা। যার চলে যায় সেই বোঝে হায় বিচ্ছেদের কী যন্ত্রণা!’

    হঠাৎ পরীর এমন স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়ায় ভক্তরা এর কারণ খুঁজে পাচ্ছেন। অনেকেই মনে করছেন প্রথম স্বামীর মৃত্যুর খবরে এই স্ট্যাটাস দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    আবার অনেকেই পরীমনির নানা শামসুল হক গাজীর মৃত্যুর সঙ্গে এই স্ট্যাটাসের যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন। কারণ এক বছর আগে ঠিক এইদিনেই নানা শামসুল হক গাজীকে হারিয়েছেন তিনি।

    এর আগে, শুক্রবার ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কের শিবচরের পাচ্চর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তার প্রথম স্বামী ইসমাইল হোসেন জমাদ্দার।

    ইসমাইল জমাদ্দার পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের ছোট শৌলা গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন জমাদ্দারের ছেলে। ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

    ইসমাইলের চাচা কবির হোসেন জমাদ্দার বলেন, ‘ইসমাইল পরিমনির প্রথম স্বামী ছিলেন। তবে তাদের তালাকের পরে ইসমাইল আবারো বিয়ে করেছিলেন। সেই ঘরে তার স্ত্রী ও দুটি সন্তান রয়েছে।’

    অন্যদিকে পরী বরাবরই নিজের প্রথম বিয়ে নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন। মিডিয়াতেও কখনো ইসমাইলকে নিয়ে কোনো প্রশ্নের জবাব বা উত্তর দেননি তিনি।

    তবে নায়িকার ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, ইসমাইলের মৃত্যুর খবরে কষ্ট পেয়েছেন পরী। শুরু থেকেই যেহেতু এই বিয়ে নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন তিনি সে কারণে মৃত্যুর খবরেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রযোজকের নাম করে হোটেলে ডাক, অতপর…

    বিনোদন জগতের টালিউডে নতুন করে সক্রিয় জালিয়াত চক্র। প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতার নামে তৈরি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক প্রোফাইল থেকে টাকা চাইছে জালিয়াতরা। এরপর অভিনেত্রীদের শহরের হোটেলে ডাকা হচ্ছে অডিশনে। আনন্দবাজার অনলাইনের কাছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন টালিউড অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিত। 

    টালিউডের নামি প্রযোজনা সংস্থার অন্যতম কর্ণধার শ্রীকান্ত মোহতা। তিনি যদি কোনো অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তা হলে উল্টো দিক থেকে উত্তর আসাটাই স্বাভাবিক। মৌমিতাও উত্তর দিয়েছিলেন। কিন্তু ফাঁদে পড়ার আগেই ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী। আসলে সবটাই ছিল প্রতারণার ছক। সরাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হন মৌমিতা।

    আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শ্রীকান্তের নামের একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মৌমিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রথমে সেটিকে আসল প্রোফাইল ভেবেই কথা বলেন অভিনেত্রী। ইন্ডাস্ট্রির বহু পরিচিত শিল্পীকে ওই প্রোফাইলের বন্ধু হিসাবে দেখেছেন বলে, প্রোফাইলটি যে ভুয়া তা তিনি বুঝতে পারেননি। অভিনেত্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে সবার মোবাইল নম্বর থাকে না। অনেকে তাই সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ করতে চান। তাই প্রথমে সন্দেহ করিনি।

    মৌমিতা বলেন, ওই প্রোফাইল থেকে সরাসরি তাকে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। মেসেঞ্জারে কল করে নিজেকে প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা দাবি করে হিন্দিতে একজন ব্যক্তি কথাও বলেন। সেই মতো ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের সঙ্গে তাকে দেখা করতে বলা হয়।  তিনি বলেন, আমি সিড নামের একটি ছেলের সঙ্গে দেখা করি।

    মৌমিতা বাংলায় ‘কণ্ঠ’ ও ‘সূর্য’র মতো ছবির পাশাপাশি বলিউডেও কাজ করেছেন। একসময় বলিউডে পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের কাস্টিং ডিরেক্টর হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। সাধারণত ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠিত প্রযোজনা সংস্থা অডিশন বা কাজের প্রস্তাব সংক্রান্ত আলোচনা তাদের অফিসেই করে থাকে। মৌমিতা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি কসবার একটি ক্যাফেতে তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু চিত্রনাট্যের ‘গোপনীয়তা’র স্বার্থে তিনি অভিনেত্রীর গাড়িতেই বসেন। সেই সময় গাড়িতে মৌমিতার গাড়ির চালকও উপস্থিত ছিলেন। মৌমিতা বলেন, রাস্তার পাশে গাড়িতে বসেই তিনি আমাকে চিত্রনাট্য শোনান। ছেলেটি যেভাবে কথা বলে, তাতেই বুঝতে পারি ইন্ডাস্ট্রির কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে সে ওয়াকিফহাল। অদিতি রায়ের পরিচালনায় আবীর দার (আবীর চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে একটি ছবির জন্য আমাকে অডিশন দিতে বলা হয়। প্রযোজনা সংস্থার নামাঙ্কিত চুক্তিপত্রেও মৌমিতাকে স্বাক্ষর করানো হয়। নেওয়া হয় তার সরকারি পরিচয়পত্রের প্রতিলিপিও।

    এই পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু তারপর অডিশনের জন্য নিকটবর্তী একটি হোটেলে মৌমিতাকে নিয়ে যাওয়া হয়। মৌমিতার দাবি, ততক্ষণে তিনি বুঝে গেছেন কোনো গোলমাল হচ্ছে। তাই হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন এবং বলেন, অডিশনের ভিডিও রেকর্ড করে পরে কাস্টিং ডিরেক্টরকে পাঠিয়ে দেবেন। মৌমিতা বলেন, তারপরও ইচ্ছে করেই কথোপকথন এগিয়ে নিয়ে যাই, যাতে আমার কাছে জলঘোলা এ বিষয় আরও পরিষ্কার হয়।

    মৌমিতার টালিপাড়ার ‘আর্টিস্ট ফোরাম’-এর সদস্যপদ নেই। ওই ব্যক্তি অভিনেত্রীর কাছে দাবি করেন, তিনি বিশেষ সূত্রে কার্ড করিয়ে দিতে পারবেন। কিন্তু তার জন্য টাকা দিতে হবে। কারণ সদস্যপদ না থাকলে তিনি নাকি ওই ছবিতে সুযোগ পাবেন না। অভিনেত্রী বলেন, এত বছর অভিনয় করছি, আর্টিস্ট ফোরামের কার্ড না থাকলে যে অভিনয় করতে পারব না, সেটি এই প্রথম শুনলাম।

    বুধবার সকালে শ্রীকান্তের ভুয়া প্রোফাইল থেকে মৌমিতার কাছ থেকে কার্ডের জন্য টাকা চাওয়া হয়। তারপর কিউআর কোড পাঠিয়ে ইউপিআই আইডির মাধ্যমে ৭ হাজার ৫০০ টাকা পাঠাতে বলা হয়। অভিনেত্রী প্রযোজনা সংস্থার দপ্তরে গিয়ে টাকা দিতে চাইলে তাকে ব্যাংকের মারফত টাকা পাঠাতে বলা হয়। মৌমিতা বলেন, টাকা দিতে অস্বীকার করায় তখন ওই প্রোফাইল থেকে আবার কল আসে। তখন আর হিন্দি নয়, বাংলায় আমাকে হুমকি দেওয়া হয় যে টাকা না দিলে ক্যারিয়ারের ক্ষতি করে দেওয়া হবে।

    মৌমিতা জানালেন, পুরো ঘটনাটি জানিয়ে বুধবার তিনি সোনারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশের সাইবার অপরাধ দমন শাখাতেও বিষয়টি জানিয়েছেন। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতোমধ্যেই তদন্তে নেমেছে। মৌমিতা বলেন, আমার কাছে ছেলেটির কোনো ছবি নেই। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ওই ক্যাফে ও হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখবে। পুরো ঘটনায় টালিপাড়ার সুদীপ্তা চক্রবর্তী, দামিনী বেণী বসু, তানিকা বসুর মতো অনেকেই তাকে সাহায্য করেছেন বলে জানালেন মৌমিতা।

    উল্লেখ্য, ফেসবুকে শ্রীকান্তের নামে একাধিক ভুয়া প্রোফাইল রয়েছে। তার মধ্যে কোনো একটিকে জালিয়াতির উদ্দেশে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ঘটনা নজিরবিহীন বলেই মনে করছে টলিপাড়ার একাংশ। 

    মৌমিতা অভিনয় জগতে পরিচিত মুখ। নিয়মিত অভিনয় কর্মশালার আয়োজনও করে থাকেন। তার আশঙ্কা, তিনি একা নন, হয়তো একাধিক নতুন অভিনেতাই জালিয়াতদের শিকার হয়েছেন। মৌমিতা বলেন, আমার সঙ্গে যদি এটা ঘটতে পারে, তা হলে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতি দিন সুযোগের অপেক্ষায় থাকা নতুন শিল্পীদের সঙ্গে কী ঘটতে পারে, তা ভেবেই দুশ্চিন্তা হচ্ছে। 

    মৌমিতা ইতোমধ্যে বিষয়টি প্রযোজনা সংস্থাকে জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, প্রযোজনা সংস্থাও ভুয়া প্রোফাইলটি নিষ্ক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তারেক রহমানের প্রশংসা করে পোস্ট, তোপের মুখে চিত্রনায়ক জয়

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে হঠাৎ প্রশংসা ও দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়ে চিত্রনায়ক জয় চৌধুরীর ফেসবুক পোস্টে তার সমসাময়িক অনেকেই বিভ্রান্ত। কারণ বিএনপি নিয়ে তিনি আগে কখনোই কোনো কথা বলেননি। জয় চৌধুরীর চলাফেরা ও ওঠাবসাও ছিল আওয়ামী ঘরানার সবার সঙ্গে। 

    তাই তো ফেসবুক অনুসারীদের কেউ কেউ জয় চৌধুরীর উদ্দেশে মন্তব্যে লিখেছেন, ‘হঠাৎ সুর বদলানো বন্ধ করেন।’ কেউ বলছেন, ‘নতুন করে সুবিধা নিতেই এমন ফেসবুক পোস্ট করেছেন তিনি’। শুধু তা–ই নয়, জয় চৌধুরীর দীর্ঘদিনের সহকর্মী আরেক অভিনেতা সাইফ খান পোস্টের মন্তব্যের ঘরে জয় চৌধুরীর আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। এসব নিয়ে সোমবার রাত থেকে তোপের মুখে জয় চৌধুরী।

    ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’, ‘অমানুষ হলো মানুষ’, ‘আজব প্রেম’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন জয়। শেষবার চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের সঙ্গে পর্দায় দেখা গেছে তাকে। কিন্তু সেই সিনেমাও বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। ক্যারিয়ারে সিনেমা দিয়ে আলোচনায় না এলেও শিল্পী সমিতির নির্বাচন এবং পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকের গায়ে হাত তোলার কারণে আলোচনায় আসেন জয় চৌধুরী।

    চলচ্চিত্র অভিনেতাদের কেউ কেউ জানান, জয় আরেক সমালোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খানের সমর্থক। জায়েদ খানের একনিষ্ঠ ছোট ভাই হিসেবেও তিনি বিভিন্ন মহলে পরিচিত। জয় চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা–কর্মীর সঙ্গে এমনকি বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও দেখা গেছে। নির্বাচনি প্রচারণা থেকে শুরু করে, বিভিন্ন সময় মুজিব কোট পরিহিত অবস্থায় আওয়ামী লীগের র্যালিসহ নানা আয়োজনে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন।

    সেই জয় চৌধুরী সোমবার রাতে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘তারেক রহমান, আপনি স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান। আপনি সংস্কৃতিবান্ধব তারুণ্যের অহংকার, গণমানুষের নেতা। সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে দ্রুত ফিরে আসুন আমাদের মাঝে, আপনার অপেক্ষায় প্রিয় বাংলাদেশ।’

    হঠাৎ করে তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে এমন পোস্টের কারণে অনেকেই জয় চৌধুরীকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অবাক হয়েছেন এই অভিনেতার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরাও। 

    সাইফ খান নামের একজন জানান, এই জয় চৌধুরীকে তিনি ক্যারিয়ারের শুরু থেকে চেনেন। বিভিন্ন সময় তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগ থেকে সুবিধা নিয়েছেন। তাকে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যেত। সাইফ বলেন, ‘একজন শিল্পীর মতাদর্শ আলাদা থাকতেই পারে, তার সঙ্গে শ্রদ্ধা–ভালোবাসা জড়িত। কিন্তু হঠাৎ করে জয়ের রূপ বদলে হতবাক হয়েছি। এটা কীভাবে সম্ভব! সবাই জানে, সে মুজিব কোট পরে সুবিধা নিয়েছে। দলের বিপদের মুহূর্তে কীভাবে খোলস বদলাতে পারে! রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে একের পর এক সুবিধা নিয়ে এখন ভোল পাল্টানো, বিষয়টা মোটেও সুবিধার মনে হচ্ছে না।’

    এ সময় সাইফ আরও জানান, তিনিও আওয়ামী লীগ সমর্থন করেন। কিন্তু কখনোই সুবিধা নেননি। কিন্তু জয় গোপনে নয়, প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ থেকে সুবিধা নিয়েছেন। বিভিন্ন র্যালি থেকে শুরু করে দলীয় বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নিয়ে আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। সরকারি অনুদানের সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন। সাইফ বলেন, ‘তার উচিত নুন খেয়ে গুণ গাওয়া, না পারলে চুপ থাকতে পারেন। তাই বলে ভোল পাল্টাতে পারেন না। এই সব সুবিধাবাদীর জন্য আমাদের ইন্ডাস্ট্রির ভোগান্তি।’

    সাইফ জানান, জয়ের আচরণ দেখে আগেই তার ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট নিয়ে রেখেছিলেন। সেগুলো তিনি মন্তব্যের ঘরে পোস্ট করেছেন। এসবের কারণে সাইফকে ফেসবুকে ব্লক করেছেন জয় চৌধুরী। ‘আমার মন্তব্য দেখে ফেসবুকে ব্লক করে দিয়েছে আমাকে। তার কাছে হিসাব আরও বাকি রয়েছে। গেল পরিচালক সমিতির পিকনিকে আমরা ক্রিকেট খেলে আর্থিক পুরস্কার পাই, সেটা নিয়ে সবার খাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই টাকাও সে নিজের পকেটে রেখে দিয়েছে,’ বলেন সাইফ খান।

    একটা দল দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে বিভিন্ন পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। মন চাইলেও অনেক কিছু করার ক্ষমতা থাকে না। যে কারণে আগে সরাসরি দলীয় পরিচয় নিয়ে মুখ খুলতে না পারলেও এখন কথা বলতে পারছেন বলে জানান জয় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমি কাদের সঙ্গে নির্বাচন করেছি, সেটা অনেকেই জানেন। আমার প্যানেলের অনেকেই বিএনপি সমর্থক ছিলেন। আমাদের বিপরীতে ছিলেন নিপুণ আপু, তিনি নানা ভাবে আমাকে চাপ দিয়েছেন। এটা কিন্তু তখনই পরিষ্কার হয়েছে। তাহলে কী দাঁড়ায়?’

    জয়ের দাবি, সংগঠনের দায়িত্ব পালনের সময় আলাদা মতাদর্শ বা দলীয় পরিচয়ের কারণে তিনি রোষানলে পড়েছিলেন। 

    জয় বলেন, ‘আমি কিন্তু সর্বপ্রথম ছাত্রদের আন্দোলনে প্রতিবাদ করেছি। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছি। এখন ফেসবুক পোস্ট দেওয়ায় কেউ কেউ আমার মুজিব কোট পরা ছবি পোস্ট করেছেন। ওটা তো পিকনিকের ড্রেস কোড ছিল, সমিতির সদস্যদের স্বার্থে পোশাক পরেছি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বাইরে ফারুক ভাইয়ের নির্বাচনের সময় ভাই হিসেবে প্রচারণা করেছি। এটা কি অপরাধ? আর ১৫ বছর একটা দল ক্ষমতায় থাকলে কী করার থাকে? আমার প্যানেলে আমি একা কী করব? আমার কিছুই করার ছিল না, চুপ ছিলাম।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করলেন সাদিয়া আয়মান

    সমালোচনার মুখে ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করে রেখেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সম্প্রতি ফেসবুকে একটি নাটকের প্রমোশনের লাইভ করেছিলেন তিনি, ওই লাইভে ভক্ত-অনুরাগীদের আবেগ নিয়ে খেলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এখন আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করে রেখেছেন এ অভিনেত্রী। ফেসবুকে তার আইডি সার্চ দিলে কোনো তথ্য দেখা যাচ্ছে না। 

    মূলত দিপ্ত প্লে’র একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছেন সাদিয়া। যেটি মূলত ঢাকার রহস্যজনক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই সাদিয়ার এই ‘ফেসবুক লাইভ’ নাটক করেছেন।

    ফেসবুবে সমালোচনা করে সাদিয়া ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, ‘আপনার কি কমনসেন্সের অভাব? আপনি যদি কাজের প্রমোশন করবেন তাহলে লাইভ শেষে বলতে পারতেন এটা। না বলে হুট করে কেটে দিলেন। মাঝ রাতে জাতির ইমোশন নিয়ে খেলার কি দরকার ছিল।’

    আরেকজন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘পিও সাদিয়া আয়মান মধ্যরাতে এই নাটকটা না করলেও পারতেন। আজকাল প্রমোশন এতো সস্তা কেন হয়ে যাচ্ছে যে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলতে হবে?’

    যে কারণে প্রশিক্ষণরত ২৫২ এসআইকে অব্যাহতিযে কারণে প্রশিক্ষণরত ২৫২ এসআইকে অব্যাহতি

    সাদিয়া আয়মান টেলিভিশন নাটক ও ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।  তিনি ‘তাকদীর’ নামক ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত হন, যেখানে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাদিয়া আয়মান লাইভ করে মিথ্যা আতঙ্ক ছড়ালেন

    বর্তমানে নাটক ও সিনেমার প্রচারণায় তারকারা নানা অভিনব কৌশল অবলম্বন করছেন। কখনো কখনো এসব প্রচারণা দর্শকদের জন্য বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান ফেসবুক লাইভে এসে এমনই একটি নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন, যা অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

    সাদিয়া লাইভে এসে এক ভৌতিক ঘটনার বর্ণনা দেন, যার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের সিমপ্যাথি অর্জনের চেষ্টা করেন। কিন্তু পরে জানা যায়, এই পুরো ঘটনাটি ছিল সাজানো। এর আগে গায়ক তাহসান ও অভিনেত্রী ফারিণও একই ধরনের নাটকীয় প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে তারা একটি শপে আটকে পড়ার গল্প বলে দর্শকদের বোকা বানান।

    সোমবার মধ্যরাতে ফেসবুকে একটি লাইভ নিয়ে হাজির হন সাদিয়া আয়মান। সেখানে অভিনেত্রী জানান, আমি বেশ কিছুদিন ধরে একটা বাজে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমি জানি না, এটা কেনো হচ্ছে। তবে বিষয়টা কয়েকবার ঘটেছে দেখেই আজকে লাইভে এসেছি।

    এরপর ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে সাদিয়া বলেন, ‘গত কয়েকদিন আগে আমি একটা শুট শেষ করে বাসায় ফিরছিলাম, তখন রাস্তায় যাওয়ার পথে দেখি পা থেকে মাথা পর্যন্ত একজন কালো কেউ আমার গাড়ির সামনে চলে আসে। এরপর গাড়ি থামিয়ে নেমে দেখি সেখানে কেউ নেই।’

    অভিনেত্রী বলেন, ‘এরপরে আমরা নিরাপদে সেখান থেকে বাসায় চলে আসি। তবে চলে আসার পরেও বাসার বিপরীত দিকে আবারও সেই ব্যক্তিকে দেখতে পাই।’

    এসময় একটু থেমে সাদিয়া বলেন, ‘আমি কথা বলতে কাঁপছি। কিছুক্ষণ আগেও বারান্দা থেকে দেখেছি সেই ব্যক্তি আমার বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে আছে।’

    এরপর মোবাইলটা হাতে নিয়ে বারান্দায় চলে যান এই অভিনেত্রী। সেখানে গিয়ে লাইভে কালো পোশাকে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ব্যক্তিকে দেখান সাদিয়া। এসময় পুরো চেহারায় আতঙ্কের ছাপ ছিল অভিনেত্রীর। রীতিমতো কান্না করতে শুরু করেন। বাড়িতে তিনি বাদে আর কেউ নেই উল্লেখ করে সাদিয়া বলেন, ‘দেখুন আপনারা, ওই ব্যক্তি নিচে দাঁড়িয়ে আছে। বাড়িতে আমি বাদে এখন কেউ নেই……’ বলেই কাঁদতে থাকেন অভিনেত্রী।

    একপর্যায়ে বারান্দার দরজা লাগিয়ে রুমে চলে আসেন সাদিয়া আয়মান। এসময়ও তার ফেসবুক লাইভটি চলছিল। লাইভ চলাকালীন অবস্থায় হঠাৎই আঁতকে ওঠেন অভিনেত্রী। একপর্যায়ে ‘ও মাই গড’, ‘ও মাই গড’ বলতে বলতে লাইভটি কেটে দেন তিনি। 

    সাদিয়া আয়মানের লাইভটি শেষ হতেই ফেসবুকজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তরা অভিনেত্রীকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে একের পর এক স্ট্যাটাস দিতে শুরু করেন। সকলেই ধারণা করে নেন, সাদিয়ার সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটেছে। 

    তবে এর কিছুক্ষণ পরই ফেসবুক থেকে লাইভটি সরিয়ে নেন সাদিয়া আয়মান। ঘণ্টাখানেক বাদে একটি ওয়েব ফিল্মের পোস্টার শেয়ার করেন তিনি। ভক্তরাও বুঝে নেন, পুরো ঘটনাই ছিল সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার অংশ। 

    মুলত দিপ্ত প্লে’র একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছেন সাদিয়া আয়মান। ‘বিভাবরী’ শিরোনামের সেই ফিল্মটি শিগগিরই আসছে দীপ্ত প্লে’তে। যেটি মূলত ঢাকার রহস্যজনক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই সাদিয়ার এই ‘ফেসবুক লাইভ’ নাটক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দয়া করে কোনো প্রকার মিথ্যা সংবাদ প্রচার করবেন না: তনি

    নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। সেইসঙ্গে তিনি ইনফ্লুয়েন্সার। তনির স্বামী শাহাদাৎ হোসাইন একজন সফল ব্যবসায়ী। যদিও এ দুজনের বয়সের ব্যবধান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই কটাক্ষের মুখে পড়েন এ নারী উদ্যোক্তা। এসবের জবাবও দেন তিনি। শাহাদাৎ হোসাইন তনির দ্বিতীয় স্বামী। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তিনি। এরপর ভালোবেসে বিয়ে করেন শাহাদাৎকে। প্রথমে পরিবার মেনে না নিলেও পরে সব ঠিক করে নেন তিনি। তারপরও তাদের দুজনের অসম বয়সের ব্যবধানের কারণে সামাজিকমাধ্যমে নেটিজেনদের সমালোচিত হন তনি। 

    এ মুহূর্তে তার স্বামী শাহাদাৎ হোসাইন অসুস্থ হয়ে লাইফ সাপোর্টে আছেন। এর আগে গত ৫ অক্টোবর সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তনি। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংকক নেওয়া হয়। বর্তমানে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন শাহাদাৎ হোসাইন।। 

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তনির স্বামীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে আবার দাবি করেছেন— ব্যবসার প্রচারণা বৃদ্ধির জন্যই স্বামীর অসুস্থতা নিয়ে ‘নাটক’ করছেন তনি। এ বিষয়গুলো নিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ভোরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন আলোচিত এ নারী উদ্যোক্তা। যেখানে তনি লিখেছেন— কিছু ভিউ ব্যবসায়ীর অত্যাচারে আমি বিরক্ত এবং মর্মাহত।  তিনি বলেন, এখন ব্যাংককে সকাল ৬টা বাজে। আমি আইসিইউ রুমের সামনে বসে পোস্টটা লিখছি, দয়া করে আমি এবং আমার স্বামীকে নিয়ে কোনো প্রকার মিথ্যা সংবাদ প্রচার করবেন না।

    কয়েকটি শিরোনাম তুলে ধরে তনি লিখেছেন— ‘তনির বুড়া স্বামী মারা গেছে’, ‘টাকার জন্য চিকিৎসা হচ্ছে না তনির স্বামীর’, ‘ব্যবসায়িক পলিসি’, ‘মৃত্যুর খবর গোপন করছে’— ভিউয়ের আশায় এসব মনগড়া খবর ছড়াবেন না ইত্যাদি। 

    উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বামীকে দেশের বাইরে নিয়ে গেছেন উল্লেখ করে তনি বলেন, বাংলাদেশে তার চিকিৎসা আশানুরূপ ছিল না দেখে অনেক রিস্ক নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আল্লার রহমতে এখানে নিয়ে আসতে পেরেছি। আমার স্বামী লাইফ সাপোর্টে, তাকে সুস্থ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সবকিছু আল্লাহতায়ালার হাতে, তিনি চাইলে সব সম্ভব, ডাক্তার উছিলা মাত্র।

    তনি বলেন, ‘আপনাদের মতো কিছু অযোগ্য লোকের ভিউ দরকার, আমার না! আমি নিজের যোগ্যতায় ব্যবসা করি, ভিউয়ের জন্য না। মানুষ আমার পন্যের কোয়ালিটি এবং বেস্ট প্রাইস দেখে কেনাকাটা করে, আমার চেহারা দেখে নয়।’

    তনি আরও বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে অনেক মানুষ কাজ করে। অনেক পরিবার জড়িত। আমাদের একটা নির্দিষ্ট চলমান গতি আছে। আমার স্টাফরা সবাই মিলে আমার অনুপস্থিতিতে আপ্রাণ চেষ্টায় ব্যবসা সামাল দিচ্ছেন। পারলে উৎসাহ দিয়েন, না পারলে আজেবাজে কথা বলবেন না,  আল্লাহতায়ালা আপনাদের হেদায়েত দান করুণ।

    তিনি বলেন, ‘আমি একজন আত্মবিশ্বাসী নারী। আল্লাহর ওপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস আছে আমার। যুদ্ধ করে আমি অভ্যস্ত। তবে এটা জীবনের সবচেয়ে কঠিন যুদ্ধ। আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ চাইলে সবকিছু সম্ভব।’

    এর আগে এক পোস্টে তনি বলেন, ‘জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছি। আমি কোনোভাবেই তাকে হারাতে চাই না। সবকিছু অনিশ্চিত জেনেও আল্লাহর বিশেষ কোনো রহমতের আশায় অনেক কষ্ট করে আজকে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে বাংলাদেশে এনে তারপর ব্যাংকক নিয়ে আসছি। আমার জীবনের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করছি, বাকি আল্লাহর ইচ্ছা। সবাই দোয়া করবেন আমার ছেলের জন্য হলেও আল্লাহ যেন তাকে বাঁচিয়ে রাখে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাঁধনকে নিয়ে যা বললেন পিনাকী ভট্টাচার্য

    ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সরব ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। রাজপথ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছিলেন তিনি। রুখে দাঁড়িয়েছিলেন হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে।

    অন্যদিকে ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে দেশের বাইরে থেকে এক অনবদ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে নিজের কিছু মন্তব্য প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী বাঁধনকে নিয়ে। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বাঁধন সাহসী অবদান রাখায় কৃতজ্ঞতাও জানালেন এই অ্যাক্টিভিস্ট।

    বুধবার এক ফেসবুক পোস্টে পিনাকী উল্লেখ করেন, ‘আজমেরি হক বাঁধনের ওপরে আওয়ামী মহল মহা বিলা। তাকে নিয়ে যা খুশি তাই বলছে। কারণ বাঁধন পক্ষ ত্যাগ করেছে। বাঁধন নৌকার লোক বলে বিজ্ঞাপন করেছিল। আমি আমার ভিডিওতে সেটা দেখিয়ে তাকে গালমন্দও করেছিলাম। বলেছিলাম ইন্ডিয়াতে গিয়ে সিনেমা কর, বাংলাদেশে ঠাঁই হবে না।’

    পিনাকী লেখেন- ‘আওয়ামী সমর্থক এমন অনেকেই লড়াইয়ে সহযোদ্ধা হয়েছিল বলেই হাসিনাকে পালাতে হয়েছে। এই জন্যই ডাবল বিলা বাঁধনের ওপরে। ব্যাপার না, ওরা যত বেশি বিলা হবে বাঁধন ফ্যাসিবাদের বিরোধীদের কাছে তত বেশি আপন হবে।’

    এই অ্যাক্টিভিস্ট লেখেন, ‘জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবের ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণে বাঁধন রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছিল। গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। ওই মুহূর্তেই বাঁধন মহৎ হয়ে ওঠে। বাঁধনের জন্য এই কাজটা খুবই কঠিন ছিল। বিপ্লব সফল না হলে বাঁধনকে পরিণতি ভোগ করতে হত। সে দ্বিধা করেনি জনতার পক্ষে দাঁড়াতে।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘ওরা যা খুশি বলুক। ভয় পেয় না, মন খারাপ করিও না। ইতিহাসের সঠিক দিকে থাকার হিম্মত আর সৌভাগ্য সবার হয় না।’

    পিনাকীর এই পোস্টটির নজর এড়ায়নি বাঁধনের। সেই পোস্টের মন্তব্য ঘরে পিনাকীকে ধন্যবাদও জানান বাঁধন, সঙ্গে পোস্টটি নিজের টাইমলাইনেও শেয়ার করেন।  

    তবে পিনাকী ও বাঁধন, একই পোস্টের উভয়ের মন্তব্য ঘরেই নেটিজেনরা অভিনেত্রীর এই অবস্থানের প্রতি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল পেজে চিরকুটের ‘জাদুর শহর’

    ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য ফিফার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’-এর রিলে বাজছে বাংলা গান। ফুটসাল টুর্নামেন্ট নিয়ে পোস্ট করা সে রিলে বাংলা ক্যাপশনের সঙ্গে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাংলাদেশি ব্যান্ড চিরকুটের ‘জাদুর শহর’ গানটি জুড়ে দিয়েছে ফিফা।

    ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ পেজের ওয়াল ঘুরে দেখা যায়, শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফুটসাল টুর্নামেন্ট নিয়ে একটি কাস্টম রিল পোস্ট করা হয়েছে। রিলের ক্যাপশনে লেখা, ‘ছোট্ট ফুটবলের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রদর্শনী এখন আমাদেরই মাঝে।’

    আর ব্যাকগ্রাউন্ডে জুড়ে দেওয়া হয় ১১ বছর আগে পরিচালক নুরুল আলম আতিকের ‘জাদুর শহর’ ধারাবাহিকে ‘জাদুর শহর’ শিরোনামে চিরকুটের করা গানটি। এই গান দিয়ে সে সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় ব্যান্ডদল চিরকুট।

    ফিফার পেজে ‘জাদুর শহর’ গানের উপস্থিতি জানতে পেরে চিরকুট ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য শারমিন সুলতানা সুমী একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের ফেসবুক পেজে যে গানটা শেয়ার হয়েছে, আমরা এটা জেনেছি আমাদের ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ফোন, টেক্সট থেকে। পরে দেখলাম সত্যি। ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, শুনে আসছি, বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই ফিফার কথা। সেখানে তাদের অফিশিয়াল পেজে একটা বাংলা গান গেছে, এটা ভালো লেগেছে। এভাবে আরও একবার জাদুর শহর গানটার খবর সবার সামনে যখন এল, তখন দেখলাম আমাদের চেয়ে ভক্তদের আনন্দটা বেশি। ভক্তদের এই ভালো লাগা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার।’

    প্রসঙ্গত, ‘জাদুর শহর’ গানটির কথা যৌথভাবে লিখেছেন আনন্দ ও সুমী। সংগীত পরিচালনা করেছেন সুমী, পিন্টু ঘোষ ও ইমন চৌধুরী। শব্দ প্রযোজক হিসেবে ছিলেন পাভেল আরীন। ‘জাদুর শহর’ গানে সম্পৃক্ত হলেও এখন আর চিরকুট ব্যান্ডের সঙ্গে নেই পিন্টু ঘোষ ও ইমন চৌধুরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তারকাদের রাজনৈতিক পদে থাকা নিয়ে ফেসবুক লাইভে যা বললেন সোহিনী

    ভারতে বিজেপি বা তৃণমূল- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেই তারকারা রয়েছেন। তারকাদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নতুন কিছু নয়। তবে কোনো শিল্পীর রাজনৈতিক পদে থাকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ফেসবুক লাইভে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিনেত্রী সোহিনী।

    rnrn

    সোহিনী বলেন, আমার মতে- কোনো শিল্পী যেকোনো রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করতেই পারেন কিন্তু কোনো পদে যেতে পারেন না। কোনো শিল্পীর এই ২০২৪ সালে কোনো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা উচিতই নয়। পদ আর ক্ষমতা পেয়ে গেলে কেউই আর ঠিক থাকেন না। 

    rnrn

    তিনি বলেন, আমার ওপরে যিনি রয়েছেন তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত হলে তার মতো করেই আমাকে কাজ করতে হবে। গদিতে এমন মোহমায়া রয়েছে, যে মানুষকে আর মানুষ থাকতে দেয় না। 

    rnrn

    কোনো শিল্পীর রাজনৈতিক চেতনা থাকতেই পারে; কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো শিল্পীর পদে যাওয়াকে বিশ্বাস করি না। কেউ গেলেও তার বিরোধিতা করি।

    rnrn

    ভারতে আর জি কর কাণ্ডে এক মেয়ে চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সাধারণ জনগণের পাশাপাশি তারকারাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অভিনেত্রী সোহিনী সরকার রাজপথ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছেন। এবার ফেসবুক লাইভে এলেন শিল্পীদের রাজনৈতিক পদে থাকা নিয়ে।

    rnrn

    আগামী সেপ্টেম্বরের ‘মহামিছিল’-এর ১১ দফা দাবির কথাও জানিয়েছেন তিনি। ‘আমরা তিলোত্তমা, আমাদের দাবি’ শীর্ষক একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

    rnrn

    গত ১৩ আগস্ট থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ঘটনার আর জি কর কাণ্ডে তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এ ঘটনা সংক্রান্ত তথ্যের খোঁজে এখনো পর্যন্ত একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। 

    rnrn

    বেশ কয়েকজনের পলিগ্রাফ টেস্টও হয়েছে। তবে তদন্ত নেওয়ার পর নতুন করে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করেনি সিবিআই। কবে তরুণী চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের রহস্যের জট খুলবে? কবে সুবিচার পাবেন সদ্য সন্তানহারা বাবা-মা?

    বিনোদন ডেস্ক