Tag: ফেসবুক

  • লাইভে এসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের জ্যোতিকা

    টেলিভিশন ও সিনেমার পরিচিত মুখ এবং আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ তারকাদের মধ্যে অন্যতম এক অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। যিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টায় অভিযুক্ত এবং হোয়াটসঅ্যাপের ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য। আর এ অভিনেত্রী এবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে নিজের বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন।

    সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় ফেসবুক ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জ্যোতিকা জানান― দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ, অনলাইনে হয়রানি ও কাজের সংকটে ভীষণভাবে বিপর্যস্ত তিনি। আর একপর্যায়ে এ অভিনেত্রী বলেন, আমি আর পারছি না।

    জ্যোতিকা শুরুতেই বলেন, নিজের কষ্ট ভাগ করে নেওয়ার মতো কেউ নেই। তিনি বলেন, কোনো দুর্ঘটনার পর অনেক কথা বলি আমরা। কিন্তু যে মানুষটি এমন অবস্থার মধ্যে থাকে, তার কষ্ট শুধু তিনি নিজেই জানেন। আমি নিজেকে সবসময় শক্ত রাখার চেষ্টা করেছি, যা এখন আর পারছি না।

    তার দাবি―গত দুই বছর ধরে তেমন কোনো কাজ নেই তার। কিন্তু এই সময় নিয়মিত অনলাইনে হয়রানি, কটূক্তি ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েছেন। আর্থিক সংকটের কথাও জানান তিনি। বলেন, অনেক সময় মা-বাবার কাছ থেকে সাহায্য নিতে হচ্ছে, যা তাকে অধিকতর মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ সময় জ্যোতিকা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের পর থেকে তার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ও হয়রানি বেড়ে যায়। তার ভাষ্য, তার রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থানের কারণে একাধিক পক্ষের সমালোচনা, হুমকি এবং অনলাইন বুলিংয়ের মুখে পড়তে হয়েছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলেও দাবি করেন।রাজনৈতিক সংবাদ

    তিনি বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণ দীর্ঘ সময় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেননি। নানা সময় তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিকর মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে। যা তার জন্য খুবই কষ্টের। আর এসব ঘটনার প্রভাব তার পেশাগত জীবনে পড়ছে বলেও জানিয়েছেন জ্যোতিকা।

    এ অভিনেত্রীর দাবি, তাকে নিয়ে কাজ করতে এখন অনেকেই ভয় পান। এ কারণে তার পেশাগত জীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, আমি কারও কাছে গিয়ে কাজ চাইতে পারি না। আবার আপস করেও কাজ করতে পারি না। আমার জীবন একদম নরকের মতো হয়ে গেছে।

    এছাড়া লাইভের শেষ দিকে জ্যোতিকা বলেন, আমি হেল্পলেস। আমি দুঃখিত, এভাবে আমার দুর্বলতা প্রকাশ করতে হলো। কিন্তু আমার আর শক্তি নেই। মনে হচ্ছে, আর ঘুরে দাঁড়াতে পারব না।

    এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে ঘিরেও আলোচনায় আসেন জ্যোতিকা জ্যোতি। সে সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, তাকে অফিসকক্ষে আটকে রাখা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড, যা বললেন তামান্না সেতু

    ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের  ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিনেত্রীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আর দেখা যাচ্ছে না।

     এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়লেও মেহের আফরোজ শাওনের ঘনিষ্ঠজন ও লেখক তামান্না সেতু দাবি— বিপুলসংখ্যক সংবাদের কারণে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ (সাসপেন্ড) করেছে। রোববার (৫ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে বান্ধবী শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধে এ কথা জানিয়েছেন তামান্না সেতু।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে তামান্না সেতু লিখেছেন— ‘বন্ধু মেহের আফরোজ শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিতে প্রচুর রিপোর্টের কারণে ফেসবুক থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর আগে তার যে পোস্টটি ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়, সেই পোস্টটিও সে নিজে ডিলিট করেনি।’ এ বিষয়টি তাকে মেহের আফরোজ শাওন ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন বলে জানান তামান্না সেতু।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মেহের আফরোজ শাওনের কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সেই সঙ্গে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাও অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড হওয়ার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেয়নি। আর শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি কেন অদৃশ্য হয়েছে, সেটি নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তামান্না সেতুর বক্তব্যই এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা একমাত্র দাবি।

    এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় শাওনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। 

    সেই অভিযোগে বলা হয়েছে— জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং আন্দোলনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাকে ‘ভণ্ড হুজুর’ বললেন মারিয়া মিম

    মডেল মারিয়া মিমের একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই পোস্টে নাম উল্লেখ না করে একজনকে ‘ভণ্ড হুজুর’ বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বেশ কৌতূহল।  অংশের ধারণা, মিম তার সাবেক স্বামীকে ইঙ্গিত করেছেন।

    সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এই রহস্যময় পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

    পোস্টে মারিয়া মিম লিখেছেন, ‘ভণ্ড হুজুর ফেসবুকটা নোংরা বানায় ফেলতেছে।’ 

    মিমের এই পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনরা বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। অনেক মন্তব্যকারী সরাসরি অভিনেতা সিদ্দিকের নাম উল্লেখ করে ‘সাবেক হাজব্যান্ড’ লিখে সম্বোধন করছেন। অনেকের মতে, সিদ্দিকের সাম্প্রতিক ধর্মীয় বেশভূষা এবং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই মিম এই খোঁচা দিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর গত ১৮ মার্চ মুক্তি পান। জেল থেকে বের হওয়ার পর তার চেহারায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে তিনি নিয়মিত মাথায় টুপি পরেন এবং দাঁড়ি রেখেছেন। 

    সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিদ্দিক জানিয়েছেন, কারাগারের নির্জনতায় তিনি ধর্মীয় জীবন যাপন ও নিয়মিত নামাজ-কালাম পড়ার সুযোগ পেয়েছেন এবং এখন তিনি ‘আলোর পথে’ চলছেন। 

    এরপর এক সাক্ষাৎকারে মারিয়া মিমকে নিজের ‘দুর্বল জায়গা’ হিসেবেও উল্লেখ করেন এই অভিনেতা। তাই ধারণা, সিদ্দিকের এসব ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার বিষয়টি মিমের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সে থেকেই এই পোস্ট মিমের।

    এছাড়া সম্প্রতি এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত জীবন ও প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেজাজ হারিয়ে বুম বা মাইক্রোফোন ছুড়ে ফেলে দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মিম। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এই রহস্যময় পোস্টের মাধ্যমে তিনি আবারও নতুন আলোচনার জন্ম দিলেন।

    ২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া সিদ্দিক ও মিমের বিচ্ছেদ ঘটে ২০১৯ সালে। তাদের সংসারে আরশ হোসাইন নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে এই সাবেক দম্পতি একে অপরের প্রতি অভিযোগ ও পালটা অভিযোগ করে আসছেন। তবে সর্বশেষ এই ‘ভণ্ড হুজুর’ মন্তব্যের মাধ্যমে মিম সরাসরি সিদ্দিককে বুঝিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • শিক্ষামন্ত্রীর ছবি পোস্ট করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যা বললেন ইরফান

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে ইরফান লিখেছেন, শিক্ষার্থীরা, যারা আগের দিন টিকটক করে পরের দিন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছ, আল্লাহর ওয়াস্তে পড়তে বসো। এই লোক কী জিনিস, তোমাদের কোনো আইডিয়া নাই।

    পোস্টের সঙ্গে তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের একটি ছবি সংযুক্ত করেছেন। সেখানে তিনি নিজের এসএসসি পরীক্ষার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে লিখেছেন, আমাদের সময়ে পাশের হার ছিল মাত্র ২৮ শতাংশ। সেই সময়ে এই ভদ্রলোক (এহছানুল হক মিলন) ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ইরফানের পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং ভক্তদের মধ্যে নানা ধরনের মজার মন্তব্যও দেখা গেছে। 

    তাহের রাব্বী নামের একজন লিখেছেন, আবার সেই পুরোনো দিনের মতো এসএসসি, এইচএসসি পাশ করলে এলাকাবাসী দেখতে আসবে।

    শোয়েব তাহসিন মন্তব্য করেছেন, এখন যদি সবাই পড়তে বসে, তাহলে তোমাদের নাটক কে দেখবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি নিয়ে মুখ খুললেন হাসান মাসুদ

    অভিনয়শিল্পী হাসান মাসুদের একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিটিতে একটি পোস্টার হাতে তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যেখানে লেখা রয়েছে—‘যদি ফ্যাসিস্ট দিয়ে ভালো কিছু হয়, তবে ফ্যাসিস্টই ভালো।’ তবে ছবিটির সঙ্গে নিজের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

    সোমবার হাসান মাসুদ গণমাধ্যমে বলেন, এই ছবিটি কে বা কারা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন, তা তিনি জানেন না। তিনি বলেন, ‘এমন ছবির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। বিষয়টি নিয়ে আমি বিব্রত। এটি কোনোভাবেই আমার ছবি না। সম্ভবত এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কেউ আমাকে নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

    এ বিষয়ে আরও বলতে গিয়ে তিনি জানান, বর্তমান সময়ে এ ধরনের ভুয়া ছবি অনেক মানুষ বিশ্বাস করে ফেলতে পারে। ‘‘এগুলো খুবই বিব্রতকর। এমন কোনো কিছুর সঙ্গে আমি কোনোভাবে যুক্ত নই। হয়তো আমাকে পছন্দ করেন না, এমন মানুষেরা এটা তৈরি করেছেন। এমন ঘটনায় আমাদের বিব্রত হতে হয়। এখন সময় ভালো না। ছবিটাকে অনেকেই বিশ্বাস করবেন। মনে করবেন, আমি এর সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু সত্য এটাই, এটি ভুল ছবি’, বলেন তিনি।

    এদিকে, গত বছর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর দীর্ঘদিন চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে হাসান মাসুদকে। তিনি জানান, বর্তমানে বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকেন এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হচ্ছে। ‘রাত ৮টার মধ্যে ওষুধ খেতে হয়। কিন্তু শুটিং শেষ হয় অনেক সময় রাত ১০টার পর। সে কারণে আপাতত নিয়মিত শুটিং করা সম্ভব হচ্ছে না,’ বলেন তিনি।

    অভিনেতা আরও জানান, সম্প্রতি সিনেমার কিছু প্রস্তাব পেলেও সেগুলোতে যুক্ত হননি। ‘একটি রাজনৈতিক গল্পের সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছিলাম, কিন্তু করিনি। আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই। কারও পক্ষে বা বিপক্ষে যায়, এমন কোনো কাজ করতে চাই না,’ বলেন হাসান মাসুদ। বর্তমানে তিনি সীমিত আকারে কিছু বিজ্ঞাপনের কাজ করছেন বলে জানান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কন্যাসন্তানের বাবা হলেন নিলয় আলমগীর

    বাবা হলেন ছোটপর্দার আলোচিত ও জনপ্রিয় অভিনেতা নিলয় আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন অভিনেতার স্ত্রী তাসনুভা তাবাসসুম হৃদি। এটি তাদের প্রথম সন্তান।

    অভিনেতা নিলয় আলমগীর নিজেই বাবা হওয়ার এই সুখবর জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে নবজাতকের সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। আর সেখানে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। নাম রুশদা মাইমানাহ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

    এদিকে বাবা হওয়ার সুখবর জানাতেই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন নিলয়-হৃদি দম্পতি। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা নানা ধরনের শুভেচ্ছামূলক বার্তা দিচ্ছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৭ জুলাই তাসনুভা তাবাসসুম হৃদিকে বিয়ে করেন অভিনেতা নিলয় আলমগীর। সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক থেকে তাদের পরিচয়। এরপর পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে হয়। এটি হৃদির প্রথম বিয়ে হলেও অভিনেতার দ্বিতীয় বিয়ে।

    এর আগে ২০১৬ সালে মডেল-অভিনেত্রী আনিকা কবির শখকে বিয়ে করেছিলেন নিলয় আলমগীর। কিন্তু সেই বিয়ে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘সাহস তো দ্যাহাইছি, এবার দুঃসাহস দেহাতি আইছি’

    মুখ দেখা যাচ্ছে না। পুরোনো জীর্ণ, পলেস্তারা ওঠা এক বাড়ির বারান্দা। বৃহস্পতিবার সকালে ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেন অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। পরে এটা শেয়ার করেন আরও কয়েকজন অভিনেতা ও পরিচালক। 

    ক্যাপশনে লেখা, ‘এইবার বিচার হবেই, তোরা চাইয়ে চাইয়ে দেখপি! সাহস তো দ্যাহাইছি, এবার দুঃসাহস দেহাতি আইছি!’ ঘটনা কী? অভিনেতাকে ফোন করতেই জানা গেল, এটা নতুন সিনেমা ‘দুঃসাহস’-এর পোস্টার।

    ‘ন ডরাই’, ‘শাটিকাপ’, ‘সাহস’ থেকে ‘সিনপাট’—গত কয়েক বছরে স্থানীয় পটভূমিতে নির্মিত বেশ কয়েকটি সিনেমা ও সিরিজ আলোচিত হয়েছে। এর মধ্যে ২০২২ সালের জুনে চরকিতে মুক্তি পায় সাজ্জাদ খানের সিনেমা ‘সাহস’। পুরোপুরি বাগেরহাটের প্রচলিত ভাষায় তৈরি সিনেমাটি আঞ্চলিক নিজস্বতার জন্য প্রশংসিত হয়। এর প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিয়া হক অর্ষা। এবার ‘সাহস’-এর পর মোস্তাফিজুর আসছেন ‘দুঃসাহস’ নিয়ে।

    নির্মাতারা বলছেন, এটা পুরোপুরি দক্ষিণবঙ্গে তৈরি সিনেমা। মোস্তাফিজুর বললেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম ১০০ শতাংশ লোকাল সিনেমা হলো ‘সাহস’, এবার আবার আমরা আসছি দুঃসাহস নিয়ে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বাগেরহাটে নির্মিত সিনেমা, দক্ষিণবঙ্গের ১০০ শতাংশ লোকাল সিনেমা।’ মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন কৌতূহল। এতে মোস্তাফিজুর অভিনয় করেছেন। আর কে আছেন? সিনেমাটিই–বা কী নিয়ে? কিছুই ভাঙতে চাইলেন না অভিনেতা।

    প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক দিন থেকেই সিনেমার বিকেন্দ্রীকরণ চাইছি। বলছি উত্তরে যারা উত্তরে যাও, পুবে যারা যাবা পুবে যাও, পশ্চিমে যারা যাবা পশ্চিমে যাও, আমরা যারা দক্ষিণে আছি আসেন ইন্ডাস্ট্রির বিকেন্দ্রীকরণ করি। বিনিয়োগ করুন, হল বানান। সেই লক্ষ্যে সাহস দিয়ে শুরু করেছিলাম। এ সিনেমা নিয়েও আমাদের অনেক পরিকল্পনা আছে, ধীরে ধীরে সবই জানতে পারবেন।’

    বোহিমিয়ান ফিল্মসের ব্যানারে তৈরি হওয়া সিনেমাটির পরিবেশনার দায়িত্বে আছে মেথডিকা। শিগগিরই সিনেমাটি দর্শকের সামনে নিয়ে আসবেন বলেও জানান মোস্তাফিজুর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের বিষয়ে যা বললেন কনার স্বামী

    দীর্ঘ ছয় বছরের সংসার ভেঙে গেছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা তিনি নিজেই দিয়েছেন। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার পর নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বিচ্ছেদের কথা জানান গায়িকা। 

    এবার মুখ খুললেন কনার স্বামী মো. ইফতেখার গহিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানান, কনার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়নি তার। 

    নিজের ফেসবুকে কনাকে মেনশন করে গহিন লিখেছেন, ‘যারাই কনাকে নিয়ে এমন অযাচিত আর বাজে সংবাদ ছড়াচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্য করে আমি গোলাম মো. ইফতেখার এখন পর্যন্ত দিলশাদ নাহার কনাকে নিয়ে যা লিখছেন তার নিতান্তই কিছু কুচক্রী ও কুরুচিপূর্ণ মানুষের তার মানুষের বানানো।’

    এরপর তিনি লেখেন, ‌‘আমাদের কিছু পারিবারিক সমস্যা চলছে যা আমরা দুজনই সমাধান করার চেষ্টা করছি। আমাদের কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি। আল্লাহ মাফ করুন যদি কোনোদিন আলাদা হতে হয় তার কারণ আমাদের বহুদিন চলে আসা পারাবারিক দ্বন্দ্ব হতে পারে। কোনো পরকীয়া বা এই ধরণের যত্তসব নোংরা মিথ্যা বানোয়াট নিয়ে যদি কোনো সংবাদ প্রকাশ করেন তাহলে আমি সকলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য থাকব। তাই সকলকে অনুরোধ না জেনে না বুঝে কোনো তথ্য ছাড়া আর কেউ এই ধরণের সংবাদ প্রকাশ করবেন না দয়া করে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে কনা নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, আমি আপনাদের ভালোবাসার কনা। জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে -সবই আল্লাহর ইচ্ছা। ঠিক তেমনি যে কোনো বিচ্ছেদ ও হয় তারই ইশারায়।’

    এরপর বিচ্ছেদের খবর দিয়ে লেখেন, ‘আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রিয়জনদের উদ্দেশ্যে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি জানাচ্ছি যে, দীর্ঘ ছয় বছরের বিবাহিত জীবনের পর আমি এবং  গোলাম মোহাম্মাদ ইফতেখার গহিন গত ১৬ জুন, ২০২৫ তারিখে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন করেছি। এটি আমাদের দুজনের জন্যই একটি অত্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল এবং আমরা উভয়ই পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই এই পথে হেঁটেছি।’

    কনার কথায়, ‘আমরা একে অপরের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল থাকব। জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে আমরা দুজনেই যেন শান্তিতে এবং সম্মানের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারি, তার জন্য আপনাদের সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।’

    আপাতত গানে মনোনিবেশ করতে চান উল্লেখ করে গায়িকা লেখেন, ‘এই মুহূর্তে আমি আমার গানের কাজে মনোনিবেশ করতে চাই, যেই কাজের মাধ্যমেই আমি এতদূর পর্যন্ত আসতে পেরেছি।’

    কনা আশা ব্যক্ত করে লেখেন, ‘আশা করি আপনারা আমার এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাবেন এবং সবসময় আমাকে যেভাবে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আগলে রেখেছেন, ভবিষ্যতেও সেভাবেই রাখবেন। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদান্তে, আপনাদের স্নেহধন্য, দিলশাদ নাহার কনা।’

    বলে রাখা ভালো ২০১৯ সালের ২১ শে এপ্রিল গোলাম মো. ইফতেখার গহীনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কণা। এর মাধ্যমে দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের সম্পর্ক পূর্ণতা পায় তাদের। ছয় বছর এক ছাদের নিচে বসবাসের পর ছেদ পড়ল সে সম্পর্কে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমাকে খোলামেলা পোশাকে দেখার এতো ইচ্ছা কেন: শবনম ফারিয়া

    তারকাদের প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ার কথা শোনা যায়। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ নিয়ে। মাঝে মধ্যেই সেসব ভুয়া ফ্যান পেজ থেকে তাদের নামে ভুল তথ্য ছড়ানো এবং প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসে। এবার এমনই এক পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।

    সোমবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এ অভিনেত্রী ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে নিশ্চিত করেছেন বিষয়টি।

    শবনম ফারিয়া লিখেছেন, ‘এবার এক গণ্ডার বড় ভাই এই আপার ছবিতে আমার মুখ এডিট করে বসিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। আমি বুঝলাম না, এই ভাইয়াদের আমাকে এতো খোলামেলা পোশাকে দেখার ইচ্ছা কেন? এতো কষ্ট করে এডিট করে!’

    অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘আমি তো এমনেই স্লিভলেস পরে ছবি দিই। ওইগুলো যথেষ্ট অশালীন না লাগায় ওনাদের হতাশা দেখলে মাঝে মাঝে আমার মন চায়, এমন কয়েকটা ছবি তুলেই ফেলি। প্রমিজ করলাম, নেক্সট বিদেশ ঘুরতে গেলে আপনাদের এই এডিটিংয়ের কষ্ট কমায় দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিয়ে অপি করিমের ক্ষোভ

    শোবিজ অঙ্গনের নন্দিত অভিনেত্রী অপি করিম।  যদিও এ নামেই তিনি পরিচিত, তবে তার পুরো নাম সৈয়দা তুহিন আরা করিম।  একই নামে (সৈয়দা তুহিন আরা করিম) তার ফেইসবুকে একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তবে অভিনেত্রীর পরিচিত নাম-‘অপি করিম’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেইজ রয়েছে।  এসব অ্যাকাউন্ট থেকে তার নামে প্রতিনিয়ত ভুয়া পোস্ট দেওয়া হয়। যা নিয়ে খুবই বিরক্ত এ অভিনেত্রী।  

    অভিনেত্রীর নামে পোস্ট দেওয়ায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে অন্য কেউ তার মতামত প্রকাশ করছে, সেটাই তৈরি করছে বিভ্রান্তি। এবার এ বিষয়ে ভক্তদের সচেতন করতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক থেকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন অপি করিম। 

    অপি লিখেছেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মানুষ আমার নামে নানা অ্যাকাউন্ট বা পেজ খুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। আপনারা যা লিখেন আমার হয়ে, আমি ওইভাবে কথা বলি না, লিখিও না। আমার লেখার সঙ্গে আমার কাছের মানুষ আর অনেক ভক্ত পরিচিত। তাদেরকে আপনারা ওইগুলো “আমার কথা” বলে বিশ্বাস করাতে পারবেন না।’

    অভিনেত্রীর নাম ব্যবহার করে যারা লিখেছেন তাদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, ‘আপনার যদি এত ইচ্ছা থাকে লিখতে তাহলে নিজের নামে লিখতে বসুন। অন্যকে দিয়ে কেন আপনার মনের কথা বলাচ্ছেন। এত কষ্ট করে লিখছেন, কৃতিত্ব আপনারই প্রাপ্য। মিথ্যার ওপর ভর করে অন্যের নাম দিয়ে লেখার যদি সাহস থাকে, তাহলে নিজের নাম দিয়ে লেখার সাহস দেখান।’

    বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারীদের উদ্দেশে অপির বার্তা, ‘আপনারা এত কষ্ট করে আমার নাম ভাঙিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা থেকে অনুগ্রহপূর্বক নিজেদের বিরত রাখুন! সময় নষ্ট করছেন! তার চেয়ে চোখ বন্ধ করে গল্প শুনুন বা চোখ খুলে বই পড়ুন। প্রযুক্তির অনেক গুণ, ওটা ব্যবহার করি যথাযথভাবে।’

    অভিনয় জগৎ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম- কোনো জায়গাতেই বর্তমানে তেমন সরব নন অভিনেত্রী। অনলাইনে দেশ-বিদেশের ওটিটিতে সিনেমা-সিরিজ দেখলেও মুঠোফোনে খুব বেশি সরব থাকেন না। 

    অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আছে কিন্তু তাতে বিচরণ নেই বললেই চলে। এমনকি আমি পারতপক্ষে মোবাইল ফোনে কোনো কনটেন্ট দেখি না! আয়েশ করে টিভিতেই দেখি। আর হ্যাঁ, ট্রাফিক জ্যামে বসে শুনি ইউটিউব থেকে গল্প, চোখ বন্ধ করে! চোখের আরাম, মনেরও। তাই মনে হয় সময় অনেকটাই বেঁচে যায় আমার।’

    নিজের বর্তমান জীবনযাপন সমন্ধে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমার জীবনযাপন নিয়ে আমার অনেক আরাম। আমার অনেক বন্ধু নেই, আমি অনেক হট্টগোল পছন্দ করি না। পরিবার, কাজ, বই পড়া, ছবি আঁকা, গাছের যত্ন-আমার সারা দিন কেটে যায়। বোন ভাই আত্মীয়স্বজনের বাইরে থাকার কারণে ফোন বিশেষ প্রয়োজনীয় জিনিস। গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্যও অনেক সময় ব্যবহার করতেই হয়। এর বাইরে আমার সঙ্গে ফোন থাকে খুবই কম। হয় ব‍্যাগেই পড়ে থাকে, নয়তো বাসায় ফোন রেখেই বাইরে বের হয়ে যাই। ফোনে তেমন ছবিও তোলা হয় না, সেলফির অভ্যাস নেই এবং আমার তাতেই শান্তি।’

    বিনোদন ডেস্ক