Tag: প্রার্থনা ফারদিন দীঘি

  • মাসে কত আয় দীঘির? জানালেন নিজেই

    জংলি’ সিনেমায় সিয়াম আহমেদের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় ফেরেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। যদিও এরপর আর কোনো নতুন সিনেমায় দেখা যায়নি তাকে, তবে সামনে তার হাতে রয়েছে একাধিক প্রজেক্ট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান ব্যস্ততা, মাসিক আয় এবং বিয়ে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা অকপটে জানিয়েছেন এই ঢালিউড অভিনেত্রী।

    আয়ের বিষয়ে দীঘি বলেন, ‘যদি কাজ বেশি থাকে তাহলে মাসে ৫ লাখেরও বেশি ইনকাম হয়। কখনো কখনো তা ৭ লাখ পর্যন্ত চলে যায়। আবার কোনো সময় এক থেকে দেড় লাখের মতোও হতে পারে।’

    আপাতত বিয়ের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন দীঘি। তিনি বলেন, ‘বিয়ে নিয়ে এখনো ভাবছি না। আরও দশ-পনেরো বছর পর যখন মনে হবে ক্যারিয়ারে যা চেয়েছি সবই অর্জন করেছি, তখন বিয়ের কথা ভাববো।’

    সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সরব এই অভিনেত্রী। নিয়মিত টিকটক ভিডিও তৈরি করেন, বিশেষ করে তার মামার সঙ্গে। সেই অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে দীঘি বলেন, ‘আমার ছোটবেলায় নিজের ফোন ছিল না। মামার ফোনে প্রথম টিকটক ডাউনলোড করি। তাকে জোর করেই ভিডিওতে আনি। পরে দেখি মানুষ এটা দেখছে, লাইক করছে। তখন মামাও মজা পেতে শুরু করেন।’

    মামার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে অ্যাসিস্টেন্ট নিয়ে ঘোরে, আর আমি আমার গার্ডিয়ান— মানে মামাকে নিয়েই শুটিংয়ে যাই।’

    দীঘি প্রখ্যাত অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী ও প্রয়াত অভিনেত্রী দোয়েলের মেয়ে। শিশুশিল্পী হিসেবে দীঘি পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বর্তমানে তিনি কাজ করছেন সিনেমা ও ওয়েব কন্টেন্টে নিয়মিতভাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কবে বিয়ে করছেন, জানালেন দীঘি

    এম রহিম পরিচালিত ‘জংলি’ সিনেমায় সিয়াম আহমেদের বিপরীতে অভিনয় করে সর্বশেষ আলোচনায় আসেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। যদিও এরপর আর কোনো নতুন সিনেমায় দেখা যায়নি তাকে, তবে সামনে তার হাতে রয়েছে একাধিক প্রজেক্ট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান ব্যস্ততা, মাসিক আয় এবং বিয়ে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা অকপটে জানিয়েছেন এই ঢালিউড অভিনেত্রী।

    আপাতত বিয়ের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন দীঘি। তিনি বলেন, ‘বিয়ে নিয়ে এখনো ভাবছি না। আরও দশ-পনেরো বছর পর যখন মনে হবে ক্যারিয়ারে যা চেয়েছি সবই অর্জন করেছি, তখন বিয়ের কথা ভাববো।’

    সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সরব এই অভিনেত্রী। নিয়মিত টিকটক ভিডিও তৈরি করেন, বিশেষ করে তার মামার সঙ্গে। সেই অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে দীঘি বলেন, ‘আমার ছোটবেলায় নিজের ফোন ছিল না। মামার ফোনে প্রথম টিকটক ডাউনলোড করি। তাকে জোর করেই ভিডিওতে আনি। পরে দেখি মানুষ এটা দেখছে, লাইক করছে। তখন মামাও মজা পেতে শুরু করেন।’

    মামার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে অ্যাসিস্টেন্ট নিয়ে ঘোরে, আর আমি আমার গার্ডিয়ান— মানে মামাকে নিয়েই শুটিংয়ে যাই।’

    দীঘি প্রখ্যাত অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী ও প্রয়াত অভিনেত্রী দোয়েলের মেয়ে। শিশুশিল্পী হিসেবে দীঘি পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বর্তমানে তিনি কাজ করছেন সিনেমা ও ওয়েব কন্টেন্টে নিয়মিতভাবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বেশির ভাগ নায়কই এনগেজড বা বিবাহিত, প্রেম করব কীভাবে: দীঘি

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের নায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে জড়িত দীঘি। শিশুশিল্পী হিসেবে তিনটি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ পেয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। 

    তবে নায়িকা হিসেবে অভিষেকের পর খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। অনেকেই বলছেন দীগি এখনো পুরোদস্তুর নায়িকা। তবে সম্প্রতি ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’ সিনেমায় অভিনয়ে করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন দীঘি। সিনেমাটি যেমন আবেগে ভাসিয়েছে, তেমনি অল্প সময়ের উপস্থিতিতে দর্শকনজর কেড়েছেন এ অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রেম ও ব্যক্তিগত অনুভূতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন দীঘি। প্রশ্নোত্তর পর্বে কাজ করতে গিয়ে কারো প্রেমে পড়েছেন কখনো? 

    এমন প্রশ্নের জবাবে দীঘি বলেন, ‘প্রেম করব কীভাবে, সব নায়ক তো বিবাহিত! আমি যখনই কোনো সেটে যাই, দেখি বেশির ভাগ নায়কই এনগেজড বা বিবাহিত। এমনকি ইন- আ-রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসে থাকা নায়কদের সঙ্গেই বেশি কাজ হয়েছে। তাই কাজ করতে গিয়ে এমন কিছু অনুভব করার সুযোগই হয়নি। আমি সবসময় নিজের ফোকাস কাজের ওপর রাখি। যাতে কোনো ব্যক্তিগত অনুভূতি শুটিং সেটে প্রভাব না ফেলে সেদিকে লক্ষ্য রাখি।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার সিনেমায় ইমনের নায়িকা দীঘি

    জনপ্রিয় অভিনেতা মামনুন ইমন ও অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি একসঙ্গে অনেক কাজই করেছেন। কিন্তু তাদের কখনো একসঙ্গে সিনেমায় দেখা যায়নি। দুই প্রজন্মের দুই তারকা এবার জুটি হয়ে প্রথমবারের মতো রুপালি পর্দায় আসতে চলেছেন। এবার তাদের দেখা যাবে সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘দেনাপাওনা’ সিনেমায়।

    এ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন মিরন মহিউদ্দিন। ইমন ও দীঘির পাশাপাশি সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করবেন মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, অনন্ত হিরা, ইরা শিকদার, তানিন সুবাহ, সুমনা সোমা, রিপা, অভি, সাব্বিরসহ আরও অনেকে।

    বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘দেনাপাওনা’ অবলম্বনে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সাদেক সিদ্দিকী। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, নিরুপমা চরিত্রে অভিনয় করবেন সুব্রতকন্যা দীঘি। এবার যুক্ত হলেন অভিনেতা ইমন। পরিচালক বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসে সিনেমাটির শুটিং শুরু করবেন তিনি।

    ‘দেনাপাওনা’ সিনেমায় ইমনকে দেখা যাবে কলকাতায় কর্মরত এক ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকায়, যিনি জমিদার পরিবারের সন্তান। গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে নিরুপমার সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হয়। তবে পণ দিতে না পারায় নিরুপমার বাবা আত্মহত্যা করে। এরপরই গল্পের মোড় নেয় করুণ পরিণতির দিকে।

    এ সিনেমা প্রসঙ্গে অভিনেতা ইমন বলেন, রবীন্দ্রনাথের এই গল্পটি অনেক জনপ্রিয় এবং বহুল পঠিত। এ জন্য চ্যালেঞ্জটা বেশি। মানুষ চরিত্রগুলোর খুঁটিনাটি জানেন। সেগুলো সিনেমার পর্দায় সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন ‘জংলি’ লিখে হাতে মেহেদির আলপনা এঁকেছেন দীঘি?

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির এবারের ঈদটা বিশেষ।এই ঈদে তার একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।যেটি নিয়ে রোমাঞ্চিত এই নায়িকা।

    এ বিষয়ে দীঘি বলেন, ‘প্রতিবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ ঢাকাতেই করা হয়। এবারও করছি। তবে এবার ঈদটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল। কারণ, আমার জংলি ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি নিয়ে যেমন অনেক বেশি উত্তেজনা কাজ করছে, ঠিক তেমনি বেশ নার্ভাসও আমি। ঈদের দিন সকাল থেকে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেও পরে হল ভিজিটে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। 

    প্রথমবার ঈদ উৎসবে মুক্তি পাওয়া নিজের অভিনীত সিনেমা নিয়ে উচ্ছ্বাসের শেষ নেই দীঘির। ‘জংলি’ লিখে হাতে মেহেদির আলপনা এঁকেছেন এই নায়িকা।

    দীঘি জানান, শুধু হাতে নয় এখন মনে–প্রাণে ধ্যানে-জ্ঞানেও তার মধ্যে জংলি বসবাস করছে। 

    ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’সিনেমায় দীঘির নায়ক সিয়াম।

    সিনেমার বিষয়ে দীঘি বলেন, জংলি আমাদের স্বপ্নের একটি সিনেমা। দারুণ একটি গল্পের সিনেমা। এই সিনেমার টিমের প্রতিটি সদস্য সিনেমাটিকে নিজের মধ্যে ধারণ করছে। প্রতিবার ঈদেই নিজের খুশিমতো হাতে মেহেদির আলপনা আঁকি। 

    এবার আঁকলাম প্রিয় সিনেমা জংলির নাম। আমার বিশ্বাস, জংলি সিনেমা মুক্তির পর সবার আপন হয়ে উঠবে।

    এদিকে ছবি নিয়ে কথা বলার ফাঁকে ঈদ নিয়েও মজার স্মৃতির কথা জানালেন দীঘি। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলার ঈদের দিনের কথা মনে পড়লে এখন হাসিই পায়। তবু অন্য রকম এক ভালো লাগা কাজ করে মনে। কত সহজ-সরল আর ভাবনাহীন ছিল শৈশবের ঈদ। সকালে গোসল সেরে বড়দের সালাম দিয়ে শৈশবের ঈদ শুরু হতো। সালাম দিয়ে সালামির জন্য দাঁড়িয়ে থাকতাম! সালামি নিয়ে সে কত কত স্মৃতি, কত কী কিনতাম! তখন একমাত্র সালামির টাকাগুলো নিজের টাকা মনে হতো। এ ছাড়া তেমন টাকাই হাতে পেতাম না নিজের মতো করে। তাই তো সালামি হাতে পেলে বসতাম রাজ্যের পরিকল্পনায়। যদিও শেষ পর্যন্ত তেমন কিছুই করা হতো না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ক্যারিয়ারে কেন পিছিয়ে পড়ছেন দীঘি?

    শিশুশিল্পী হিসাবে বেশ সুনাম কুড়ালেও ‘নায়িকা’ প্রার্থনা ফারদিন দীঘি যেন পুরোটাই ব্যর্থ। ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমা দিয়ে নায়িকা হিসাবে অভিষেক হয় দীঘির। এটি মুক্তি পায় ২০২১ সালে। প্রথম সিনেমা দিয়েই নিজের নামের সঙ্গে ব্যর্থতার তকমা লাগান এ অভিনেত্রী। এরপর একাধিক সিনেমা করলেও দেখেননি সাফল্যের মুখ। 

    সিনেমার অভিনয়শিল্পী দোয়েল ও সুব্রত চক্রবর্তীর মেয়ে দীঘি। শিশু বয়সেই বিজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পান। প্রথম সিনেমা করেন কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘কাবুলিওয়ালা’। এ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসাবে ২০০৬ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান তিনি। এরপর একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। 

    ২০০৮ সালে ‘এক টাকার বউ’ ও ২০১০ সালে ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’ সিনেমার জন্যও শিশুশিল্পী হিসাবে জাতীয় পুরস্কার পান। 

    বলা যায় শিশুশিল্পী হিসাবে দীঘি দর্শক হৃদয় জয় করতে পেরেছিলেন। কিন্তু নায়িকা দীঘি কেন বারবার পিছিয়ে পড়ছেন? 

    নায়িকা হিসাবে এরইমধ্যে একাধিক সিনেমা মুক্তি পেলেও সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না তিনি। এদিকে নির্মাতার সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েও বাদ পড়ছেন এ অভিনেত্রী। একাধিকবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি দীঘির ক্যারিয়ার কি হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে? 

    নায়িকা হিসাবে দীঘিকে প্রথম সিনেমায় সুযোগ দেন ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমার পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। সিনেমার ট্রেলার নিয়ে এ নির্মাতার সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন দীঘি। সেসময় এ অভিনেত্রীকে নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। এরপর নির্মাতা রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ থেকেও বাদ পড়েছিলেন তিনি। সেসময়ও একই কাণ্ড ঘটিয়ে সমালোচনার পাত্রী হন। সম্প্রতি একই ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি ঘটল। 

    বছরের শুরুতেই এক জানুয়ারি ‘টগর’ নামে একটি সিনেমার টিজার প্রকাশ হয়। টিজারে চিত্রনায়ক আদর আজাদ ও দীঘিকে দেখা যায়। প্রযোজনা সংস্থা থেকে জানানো হয়, টগর নামের এ সিনেমাটিতে জুটি বাঁধতে চলেছেন তারা। কিন্তু দুই মাসের মাথায় প্রযোজনা সংস্থা থেকে নতুন মোশন পোস্টার প্রকাশ করে জানানো হয় সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে দীঘিকে। পোস্টারে দীঘির জায়গায় দেখা যাচ্ছে পূজা চেরীকে। 

    প্রযোজনা সংস্থা বলছে, আদরের সঙ্গে পূজাকে জুটি করেই নির্মাণ হতে যাচ্ছে সিনেমা ‘টগর’। তবে ‘টগর’ সিনেমার পরিচালক দিঘীকে নিয়ে করেছেন বিস্তর অভিযোগ। 

    একের পর এক সিনেমা থেকে বাদ পড়া নিয়ে দীঘি কি তাহলে চিন্তিত? যদিও এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। 

    এদিকে দীঘির হাতে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে মাত্র একটি সিনেমা। ‘জংলি’ নামে একটি সিনেমায় তাকে দেখা যাবে। এতে তিনি নায়ক সিয়াম আহমেদের বিপরীতে অভিনয় করেছেন। আসছে ঈদে এম রাহিম পরিচালিত এ সিনেমাটি মুক্তি পাবে। এছাড়া আপাতত কোনো সিনেমার কাজ করছেন না দীঘি, এমনটাই জানা গেছে। 

    তবে তিনি ব্যস্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রচার ও শো-রুম উদ্বোধনের কাজে। মাঝে ওটিটির কয়েকটি কনটেন্টে তাকে দেখা গেলেও, সেখানেও নিয়মিত নন এ অভিনেত্রী।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • ‘টগর’ সিনেমা থেকে বাদ দীঘি, নেপথ্যে কী?

    ‘টগর’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। এ সিনেমার টিজারও প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি থেকে বাদ পড়েন দীঘি। তার পরিবর্তে নেওয়া জয় পূজা চেরীকে। 

    এর কারণ হিসাবে সিনেমাটির পরিচালক আলোক হাসান দীঘির অপেশাদার আচরণের কথা উল্লেখ করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি নতুন করে মোশন পোস্টার প্রকাশ করে সিনেমাটির নতুন নায়িকার নাম প্রকাশ করে প্রযোজনা সংস্থা। মোশন পোস্টারে দেখা যায় আদরের সঙ্গে পূজা চেরীকে।

    তবে সিনেমা থেকে বাদ পড়ায় শিল্পী সমিতিতে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি মানহানির কারণে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন দীঘি।

    দীঘির এমন মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি টগর সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এ আর মুভি নেটওয়ার্ক। দীঘির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে সিনেমার টিমের সঙ্গে তার অডিও বার্তা অনলাইনে প্রকাশের হুমকি দিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি। 

    এ বিষয়ে এ আর মুভি নেটওয়ার্কের ফেসবুক পেজ থেকে লেখা হয়, ‘(দীঘি) বরং নিজের পেশাদারত্বের দিকে মনোযোগ দিলে ভালো করতেন। একটি প্রজেক্টে অনবোর্ড হওয়ার পর দিনের পর দিন পার হয়ে যায়, তিনি স্ক্রিপ্টের ফাইনাল ড্রাফট পড়ার সময় পান না। পরিচালকের ফোন, মেসেজের রিপ্লাই করতে ২৪-৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে যায়, কনটেন্ট প্রমোশনের সময় পান না, এমন পরিস্থিতিতে একটা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের করণীয় কী থাকে? একটা প্রজেক্টের শুরুতেই যদি এত অনীহা ও দায়িত্বহীনতা কাজ করে, তাহলে রিলিজের সময় কী হবে?’

    দীঘির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি লেখেছে, ‘পরিচালক নিজে তাকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি জানান। এরপর তিনি পরিচালককে কল করেন।  তবে তিনি দাবি করেছেন আমরা যুক্তিসংগত কারণ দেখাতে পারিনি। অথচ তিনি বাদ পড়েছেন গত ২২ জানুয়ারি। সেদিন তিনি পরিচালকের সঙ্গে ২০ মিনিট কথা বলেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের সিদ্ধান্ত মেনেও নিয়েছেন। এরপর তিনি তার কো-আর্টিস্ট আদর আজাদের সঙ্গে ৩৪ মিনিট কথা বলেছেন। তারও ঠিক এক মাস পর যখন আমরা তাকে বাদ দিয়ে মোশন পোস্টার প্রকাশ করে টগরের নায়িকার নাম ঘোষণা করলাম, এখন তিনি শিল্পী সমিতিতে অভিযোগের কথা বলছেন। মানহানির কথা বলছেন। অভিযোগ তো আমাদের করার কথা তার অপেশাদারত্বের কারণে।’

    দীঘিকে পাল্টা হুমকি দিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ‘প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করবে; আর্টিস্টরা যদি কাজে কমিটেড না থাকেন, তাহলে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আমরা তো শুধু অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার শুট করেছি, বিশ্বব্যাপী সিনেমার মূল শুটিংয়ের পরও কাস্টিং পরিবর্তনের অসংখ্য নজির রয়েছে। দীঘির অপেশাদারত্বের আরেকটি নমুনা হচ্ছে, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে এক মাস পর অভিযোগের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি যদি এ বিষয়ে আর জল ঘোলা করেন, তাহলে প্রমানস্বরূপ ২২ জানুয়ারি হওয়া তার সঙ্গে টিমের দুটি কনভারসেশনের অডিও অনলাইনে আপলোড করে দেব।’

    এবারই প্রথম নয়, এর আগেও নির্মাতার সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন দীঘি। ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমার ট্রেলার নিয়ে নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। এরপর রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ থেকে বাদ পড়েও একই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন দীঘি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিয়াম-দীঘির রসায়নে মুগ্ধ দর্শক

    ‘জংলি সিনেমার প্রথম গান মুক্তি পেয়েছে। ‘জনম জনম’ শিরোনামের গানটিতে সিয়াম আহমেদ ও প্রার্থনা ফারদিন দীঘির রসায়ন নজর কেড়েছে দর্শকদের। 

    এই গানটিতে নায়ক সিয়ামকে অন্য এক লুকে দেখে উচ্ছ্বসিত তার ভক্ত-অনুরাগীরাও।  এছাড়া সিয়াম-দিঘির জুটিকে বেশ ভালো মানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।

    ‘জনম জনম’ গানের কথা ও সুর করেছেন অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা প্রিন্স মাহমুদ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান খান ও আতিয়া আনিসা। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সিনেমার আবহ সংগীতে কাজ করলেন তারা। গানের সংগীতায়োজনে ছিলেন ইমরান মাহমুদুল।

    ‘জংলি’ সিনেমায় নায়ক সিয়াম একাধিক লুকে দর্শকদের সামনে হাজির হবেন।  সিনেমাটির পোস্টারে সিয়ামের ভয়ংকর লুক ইতোমধ্যে ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।  সিনেমাটি পরিচালনা করছেন এম রাহিম। 

    উল্লেখ্য, আগামী ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • সমালোচনায় কান দিই না: দীঘি

    ঢাকাই সিনেমাতে প্রায় ২০ বছরের পথ পাড়ি দিতে চলেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ২০০৬ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘কাবুলিওয়ালা’ সিনেমাতে শিশুশিল্প হিসেবে ঢালিউডে তার ক্যারিয়ার শুরু হয়। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা মান্না। 

    এরপর বেশকিছু সিনেমায় শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান দীঘি। বর্তমানে নায়িকা হিসেবেও কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন, দর্শকের ভালোবাসাও পেয়েছেন। 

    তবে অভিনেত্রীকে তার কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মাঝে মধ্যেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।  এ নিয়ে অভিনত্রেী জানালেন, এসব সমালোচনায় কখনো কান দেন না তিনি। 

    দিঘী বলেন, সমালোচনায় কখনো কান দিই না। তবে যদি সামনে পড়ে যায়, তাহলে শোনা উচিত। মাথা ঘামানো উচিত নয়। যখন নতুন ছিলাম, তখন সমালোচনা আমাকে অনেক বেশি হিট করত। 

    নায়িকা বলেন, এখন তো সমালোচনা করাটা ট্রেন্ডি হয়ে গেছে। কাউকে নিয়ে নেতিবাচক কথা বললে মনে করেন, তিনি অনেক বোঝেন। অনেক জানেন। অনেকে আরেকজনকে ছোট করে নিজেকে বড় মনে করেন। তারা শোধরানোর জন্য সমালোচনা করেন না।

    কাজের ক্ষেত্রে নিজের বাবাকে বড় সমালোচক মানেন দীঘি। সেই সঙ্গে কে এখন তার ভালো চায়, আর কে খারাপ চায়- সেটাও তিনি এখন বুঝতে পারেন। 

    দীঘির কথায়, আমি এটা বুঝতে পারি, কে আমার ভালো কিংবা খারাপ চান। যদি ভুল শোধরানোর কিছু থাকে, তাহলে বাসায় বাবা আছেন, যিনি আমার সবচেয়ে বড় সমালোচক, কখন কোনটা করা উচিত, তিনিই আমাকে বলে দিতে পারবেন। বাদ বাকিগুলো না কানে শুনি, না গায়ে লাগাই।

    এদিকে আসছে ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে দীঘি অভিনীত সিনেমা ‘জংলি’। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • কেন স্টেরয়েড নিতে হয়েছিল দীঘিকে?

    একটা সময় প্রচুর বডি শেমিংয়ের শিকার হয়েছিলেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অসুস্থতার কারণে শারীরিক স্থূলতা, এবং সে থেকে সমালোচকদের নানান মন্তব্য অনেকটা প্রভাবিত করে দিঘীকে।

    শোবিজ অঙ্গনের তারকাদের ব্যক্তিজীবন নিয়েও তুমুল আগ্রহ থাকে ভক্তদের।বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল দীঘিকে নিয়েও আগ্রহের শেষ নেই ভক্তদের মনে।শোবিজ অঙ্গনে কাজ করতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার ভাগ নিতে হয়েছে দীঘিকেও।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই খারাপ সময়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন দিঘী। 

    বডি শেমিংয়ের শিকার যে কেউ অনেক ট্রমাটাইজড-ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে পড়তে পারেন; অথচ মানুষ সেগুলো না ভেবেই বডি শেমিং করে ফেলেন বলে জানান এ অভিনেত্রী।

    দীঘির কথায়, ‘যে মানুষটার বডি শেমিং আরেকটা মানুষ করছে, আদৌ সেই মানুষটি বডি শেমিং নিয়ে কতটা সিরিয়াস, কিংবা সে কীভাবে এটিকে গ্রহণ করছে, তার গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, তা না চিন্তা করেই তো বলে ফেলি আসলে। হতে পারে সে অনেক ট্রমাটাইজড এটা নিয়ে, সে অনেক ফ্রাস্ট্রেটেড বডি শেমিংটা নিয়ে।’

    বডি শেমিং নিয়ে একটা সময় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন জানিয়ে দীঘি বলেন, ‘একটা সময় ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ এত এত শুনতাম, এতে একের পর এক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। একটা সময় আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন ডায়েট হচ্ছে না, জিমও হচ্ছে না; আবার মোটা হয়ে গেলাম। এরপর যখন ঠিক করলাম, আমাকে শুকাতেই হবে, তখন আবার হলো কোভিড।’

    দীঘি আরও বলেন, ‘সুস্থ হতে আমাকে অসম্ভব হাই পাওয়ারের ওষুধ দেওয়া হলো, যেটাতে স্টেরয়েড থাকে। ওটা শরীরে যাওয়াতে এতটা লেভেলে ফুলে গেলাম, আমার নিজেরই মনে হচ্ছিল কি একটা হয়ে গেছি আমি। আমার বডি অনেক ভারি হয়ে গেল এবং দুর্বল হয়ে গেলাম। আমি যে একটু না খেয়ে থাকব এটা আমার পক্ষে সম্ভবই হয়ে উঠছিল না, তখন আমি খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। স্টেরয়েডের জন্য যেটা হয়, কিছুতেই শুকানো যায় না। একটা বছরের মতো ভুগতে হয়েছে, প্রচুর কষ্ট হয়েছে শুকাতে। তখনই মনে হয়েছে আমি মনে হয় আর পারব না।’

    বিনোদন ডেস্ক