Tag: পোস্ট

  • বাংলাদেশ নিয়ে পোস্ট দিয়ে বিপাকে কলকাতার গায়িকা, মুছলেন সব লেখা

    বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করার পর থেকেই কটাক্ষের শিকার সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তী।  ফেসবুকে এই পোস্ট করতেই গায়িকাকে নিয়ে ট্রোল-সমালোচনা শুরু হয়ে যায়।  পরে মুছে ফেলেন সব পোস্ট। এ ঘটনায় তার মনের অবস্থা কী রকম? লিখলেন গায়িকা।

    লগ্নজিতা বলেন, ‘ভেবে অবাক হচ্ছি, মানুষের মধ্যে কত ঘৃণা জমে রয়েছে! শনিবার রাতে ফেসবুকে ভারত এবং বাংলাদেশের সম্প্রীতি বিষয়ক একটি পোস্ট করার পর থেকেই দেখলাম, ‘ট্রোলিং’ শুরু হল। তারই জবাবে রোববার আরও কয়েকটা পোস্ট করেছিলাম। কিন্তু দেখলাম, আমি কোনো ভাবেই আলোচনা থামাতে পারব না। কারণ সব সময়েই মনে হয়েছে, এই কঠিন সময়ে মানুষ রেগে রয়েছেন। শেষ পর্যন্ত আমার পরিবার এবং ব্যান্ডের সদস্যদের অনুরোধে যাবতীয় পোস্ট মুছে দিলাম সমাজমাধ্যম থেকে।’

    ‘তবে এই পুরো ঘটনায় কয়েকটা বিষয় আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, আমরা অনেক সময়েই পরিস্থিতির তুলনায় নিজেদের অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। তাই মতামতের আদানপ্রদানও চলতে থাকে। আমার পোস্টে একের পর এক নেতিবাচক মন্তব্য দেখে আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম। মনখারাপ হয়ে যাচ্ছে এই ভেবে যে, এখনও এক সম্প্রদায়ের মানুষ অন্যের প্রতি কতটা অসম্মান পুষে রাখেন মনের ভেতর। বার বার আমাকে বলা হল, আমি দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত এলাকার বাসিন্দা। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে নাকি সবটা বিচার করা উচিত। আমার প্রশ্ন, প্রত্যেক মানুষের বাস্তবতার একটা পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। এটা ঠিক, আমার জীবনের সত্যের থেকে হয়তো মুর্শিদাবাদের গ্রামের মানুষের বাস্তবতা আলাদা। হতেই পারে। কিন্তু আমি শুধু আমার সত্যকে সম্বল করে কিছু কথা বলেছিলাম। তাতে কারও সমস্যা হলে, আমার সত্যিই কিছু বলার নেই।’

    ‘কলকাতার যেকোনো বাঙালি শিল্পীর পোস্ট করা গানের নীচে মন্তব্য লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, অর্ধেক যদি এ পার বাংলার বাঙালিদের মন্তব্য আসে, তা হলে বাকিটা ও পারের। আমি এখনও বাংলাদেশে গিয়ে অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাইনি। কয়েক বছর আগে ওপার বাংলার আইয়ুব বাচ্চু দমদমে অনুষ্ঠান করতে এসেছিলেন। তার আগে আমি অনুষ্ঠান করি। কিন্তু মনে আছে, তার শো শুরু হওয়ার পর আমি মাটিতে বসে পড়েছিলাম। পরমদা (অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়) সঞ্চালক ছিলেন। পরে তিনিই আমাকে একটা চেয়ারে বসার ব্যবস্থা করে দেন। আমি বলতে চাইছি, তখন আইয়ুব বাচ্চু আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন, কোথায় বসছি সেটা নয়।’

    ‘অনেকেই এখন বলেন, শিল্পীরা হলেন ‘সফট টার্গেট’। কোনো জিনিসের ভালো এবং খারাপ— দুই নিয়ে পথ চলায় আমি বিশ্বাসী। আমি নিজেকে সঙ্গীতশিল্পী বলে পরিচয় দিয়ে থাকি। কিন্তু কোনো দিনই নিজেকে তারকা মনে করি না। হয়তো কিছু মানুষ আমাকে চেনেন। শিল্পী হিসেবে মানুষ আমাকে ভালোবাসেন বলে জীবনে অনেক সুবিধাও আমি পাই। সুবিধা যদি হাসিমুখে মেনে নিই, তা হলে অসুবিধাও আমাকে মেনে নিতে হবে।’

    ‘একটা জিনিস স্পষ্ট করে দিই। এই সব কটাক্ষ কিন্তু আমাকে নাড়া দেয়নি। বরং মানুষের প্রতি মানুষের এই ঘৃণা দেখে আমি বিচলিত। কেউ বলতেই পারেন, তা হলে আমি কেন একের পর এক পোস্ট করলাম? আমি কাউকে জবাব দিতে চাইনি। আমার আশপাশের মানুষ যে এতটা অসহিষ্ণু, সেটা ভেবে কষ্ট পেয়েছি। তাই পোস্ট করেছি। ইতিহাস আমি অস্বীকার করছি না। কিন্তু আমার প্রশ্ন, আমরা কি এতটা তীব্র রাগ নিয়েই বেঁচে থাকব? আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও কি এই রাগের উত্তরাধিকার দিয়ে যাব?’

    ‘মানুষ এখন রেগে রয়েছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে আমি তো তাদের আরও মারামারি করতে বলতে পারি না। আমি সেখানে সম্প্রীতির বার্তাই দিতে পারি। সেটাই করেছিলাম। আমি বিশ্বাস করি, ‘এক দিন পৃথিবী আবার শান্ত হবে’। তখন আবার ‘জেমস’ পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠান করতে আসবে। আবার এপার বাংলার শিল্পীরা ওপার বাংলায় অনুষ্ঠান করতে যাবেন। এখন সম্ভব না হলেও গত ন’বছরে আমি যত বাংলাদেশি শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছি, তারা নিশ্চয়ই আমাকে ভুলে যাবেন না। শান্তি ফিরে এলে, তাদের সঙ্গে কাজের সুযোগ হলে আমি নিশ্চয়ই আবার তাদের সঙ্গে কাজ করব। দুই বাংলা আবার একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।’

    তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

    বিনোদন ডেস্ক

  • অর্জুনকে নিয়ে রহস্যময় পোস্ট মালাইকার

    বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা তার ব্যক্তিগত জীবনে সবসময় আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি একটি রহস্যময় পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি, যা রীতিমতো সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যারা সুখে-দুঃখে একসঙ্গে থাকেন, তাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন এ অভিনেত্রী।

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মালাইকা লিখেছেন, ‘সবসময় তাদের গুরুত্ব দিন, যারা আপনার সুখে খুশি এবং আপনার দুঃখে দুঃখী হবে। তারাই একমাত্র ব্যক্তি, যারা আপনার হৃদয়ে নিজেদের কাজ দিয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।’

     যদিও অভিনেত্রী ক্যাপশনে সম্পর্ক ভাঙা প্রসঙ্গে আর কিছুই লেখেননি। তবে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে তার বিচ্ছেদের খবর এখন শিরোনামে।

    সম্প্রতি মালাইকা যখন বিদেশে ছুটি কাটাচ্ছিলেন, তখন তিনি একটি রহস্যময় ব্যক্তির ছবি শেয়ার করেছিলেন। নেটিজেনরা এ ছবি দেখে এমনটিও দাবি করেছেন যে, অর্জুনের সঙ্গে তার প্রেম ভেঙেছে। নতুন কারও সঙ্গেই তিনি ডেটিং করছেন। তবে মালাইকা এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

    ৫০ বছর বয়সি মালাইকা সবসময়ই ফিটনেসের প্রতি ভীষণভাবে মনোযোগী। তিনি জিমে অনেকটা সময় কাটান এবং যোগব্যায়ামও করেন। অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব সক্রিয় এবং তার ভিডিওগুলো মাঝেমধ্যেই শেয়ার করেন ভক্তদের সঙ্গে।

    উল্লেখ্য, অর্জুন কাপুর ২০১২ সালে ‘ইশাকজাদে’ সিনেমা দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘দ্য লেডি কিলার’-এ, যা ২০২৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল। এবার তাকে দেখা যাবে ‘মেরি পত্নী কা রিমেক’-এ। ‘সিংহম এগেইন’-এও দেখা যাবে তাকে। তবে ছবি মুক্তি থেকে বিভিন্ন বিষয়ের মাঝেও তাদের প্রেম ভাঙা নিয়ে একঝাঁক প্রশ্ন রয়েছে সবার মনে। আর কি একসঙ্গে দেখা যাবে না এ তারকা জুটিকে?

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিতর্কের মুখে পোস্ট সরালেন তামান্না

    ভারতের দক্ষিণী সিনেমার অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। কয়েক দিন আগে একটি পোশাক বিপণন প্রতিষ্ঠানের জন্য রাধা সেজে ফটোশুট করেন তিনি। জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে বিশেষ সেই ফটোশুটের ছবি সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করেন এই অভিনেত্রী। এরপর তৈরি হয় বিতর্ক; ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে আক্রমণের মুখে পড়েছেন তামান্না। বাধ্য হয়ে এসব ছবি সামাজিকমাধ্যম থেকে মুছে ফেলেছেন তামান্না।

    সম্প্রতি সেসব ছবি তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছিলেন। কিন্তু কয়েকটা দিন যেতে না যেতেই, সেই পোস্টে প্রশংসার বদলে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন তামান্না।

    ফটোশুটে বিপণী সংস্থার হয়ে রাধা-কৃষ্ণের সম্পর্ককে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। যেখানে কৃষ্ণের প্রেমে মগ্ন রাধিকা। শয়নে, স্বপনে, জাগরণে তিনি কেবল শ্রীকৃষ্ণকেই দেখতে পাচ্ছেন।

    তবে কখনোই তিনি যেন কৃষ্ণকে কাছে পাচ্ছেন না। এই ছবিগুলোতে মূলত তুলে ধরা হয়েছিল রাধিকার বেশে তামান্নাকেই। কৃষ্ণকে সেভাবে প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ওই বিপণীর মালিক বলেছিলেন তামান্নার সারল্যের কারণেই রাধা সাজ এতো সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

    এই পোস্ট নেটিজেনদের মতে, পোশাক বিক্রির জন্য রাধাকৃষ্ণের পবিত্র প্রেমে যৌনতা টেনে আনা হয়েছে যা অনুচিত। একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মূর্খের দল, নিজের পণ্যের বিক্রির জন্য রাধাকৃষ্ণের পবিত্র সম্পর্কে যৌনতা নিয়ে আসবেন না। এতো বড় সাহস কী ভাবে হয় আপনাদের।’ 

    এই সমস্ত কটাক্ষ আসতে থাকার পরে, রাধাকৃষ্ণের পোস্ট মুছে দিয়েছেন তামন্না। তার প্রোফাইলে এখন এই সংক্রান্ত আর কোনো পোস্টই নেই। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম, দুই জায়গা থেকেই এ সমস্ত পোস্ট দেখা যাচ্ছে না। অনেকে মনে করছেন বিতর্ক এড়াতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তামান্না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করছেন নাগা, আবেগঘন পোস্ট সামান্থার

    বলিউড অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু ও অভিনেতা নাগা চৈতন্য দীর্ঘ চার বছর সংসার করার পর বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আর তাদের এ বিচ্ছেদের মূল কারণ ছিল— সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন। 

    অবশ্য পরে এক সাক্ষাৎকারে নাগা চৈতন্য স্বীকার করে বলেছিলেন— সামান্থাকে তিনি ঠকিয়েছেন। নাগা বলেন, জীবন একটাই— সব রকম অভিজ্ঞতা থাকা দরকার। তবে এখন বয়স হয়েছে, নিজেকে বুঝতে শিখেছি। এখন মনে হচ্ছে, এবার থিতু হওয়ার সময় এসেছে। তবে হ্যাঁ— একটা সম্পর্কে থাকার সময় আমি ঠকিয়েছি তাকে।

    বহু আলোচনা-সামালোচনার মাঝে অবশেষে গত ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) বাগদান সারেন নাগা চৈতন্য ও শোভিতা ধুলিপালা। বাগদানের ছবি নিজের সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করেন নাগার বাবা নাগার্জুন আক্কিনেনি।

    এর পর থেকেই সাবেক স্ত্রী সামান্থাকে নিয়ে চলছে সামাজিকমাধ্যমে জল্পনা-কল্পনা। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন সাবেক স্বামীর নতুন বিয়ে নিয়ে তার মন্তব্য জানার জন্য। তার ভক্ত–অনুরাগীরা মুখিয়ে আছেন কিছু একটা শোনার অপেক্ষায়। এমন জল্পনা-কল্পনার মাঝেই সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। পোস্টে ভালোবাসা ও সম্পর্ক নিয়ে তিনি লিখেছেন— ভালোবাসার আরেক নাম ত্যাগ। এটি অর্থ এমন হতে পারে— সম্পর্কে একজন নিজের সবটা উজাড় করে দেন।

    কেউ কেউ জীবনসঙ্গীর মন জয় করার জন্য অনবরত চেষ্টা করে যান। অধিকাংশ প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগ যেন তার দিক থেকেই আসে। কিন্তু অন্যজন সেই সময় নিজেকে ভালোবাসায় মুড়ে রাখতে পছন্দ করেন। ভালোবাসা পাওয়াই তার উদ্দেশ্য— অধিকাংশ সম্পর্কের কাঠামোই এমনই।

    নিজের মতামত স্পষ্ট করে এ অভিনেত্রী লিখেছেন— সবাই ভাবে বন্ধুত্ব বা যে কোনো সম্পর্কেই আদান–প্রদানের একটা সমীকরণ থাকে। তুমি কিছু দেবে, আমি কিছু দেব। কিন্তু বছরের পর বছর আমি একটা বিষয় শিখেছি— ভালোবাসা এমনই যে তুমি শুধুই দিয়ে যাবে; বরং তুমি যত দিন না আমাকে ভালোবাসা ফেরত দিচ্ছ, তত দিন আমিই শুধু ভালোবেসে যাব।

    সেই সঙ্গে কিছু মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করে সামান্থা বলেন, আমি সত্যি কৃতজ্ঞ যে কিছু মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। আমি তাদের পাল্টা ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে পারি না।

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৭ অক্টোবর অভিনেতা নাগা চৈতন্যকে বিয়ের মধ্য দিয়ে অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু হয়েছিলেন ‘আক্কিনেনি’ পরিবারের একজন— সামান্থা আক্কিনেনি। চার বছরের সংসারের পর ২০২১ সালে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন এ দম্পতি। বিচ্ছেদের মাত্র দুই মাস আগেও সন্তান নিতে চেয়েছিলেন সামান্থা। কিন্তু তখনই তাদের জীবনে ঘটে তৃতীয় ব্যক্তির আগমন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বন্যার্তদের সহায়তার কথা জানিয়ে ভিডিও পোস্ট, তোপের মুখে অপু বিশ্বাস

    ভয়াবহ বন্যা কবলিত দেশ। ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়িসহ আশপাশের জেলাগুলো প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে আছে প্রায় অর্ধকোটির বেশি মানুষ। এই মানবিক বিপর্যয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

    সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দেশের চলচ্চিত্রশিল্পী, অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও। বন্যার্তদের সহায়তায় ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। ভিডিও বার্তা দিয়ে সামাজিকমাধ্যমে পড়ছেন তোপের মুখে পড়েছেন অপু বিশ্বাস। এর আগে চঞ্চল চৌধুরীকেও বেশ কড়া সমালোচনার বানে জর্জরিত করা হয়েছিল। এবার শিকার হলেন অপু।

    সম্প্রতি অপু বিশ্বাস এক ভিডিও পোস্ট করে জানান, তিনিও আর্থিক সহযোগিতা করেছেন বন্যার্তদের জন্য। ভিডিও বার্তা পোস্ট দিয়ে অপু তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছিলেন- ‘দেশে আকস্মিক বন্যায় অসহায় হয়ে পড়া মানুষের জন্য আমার পক্ষ থেকে ছোট্ট একটু উপহার। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হওয়ায় মনটা ভালো নেই।’

    অসহায় হয়ে পড়া মানুষগুলোর আর্তনাদ দেখলে মন চায় ছুটে যাই তাদের কাছে। অসহায় বাচ্চাদের মায়াবী মুখগুলো দেখলে বুকটা ছটফট করে, কারণ আমার নিজেরও ছেলে আছে। এসব ছোট্ট বাচ্চাদের মাঝে আমি আমার ছোট্ট জয়কে খুঁজে পাই। কিন্তু আমার একমাত্র ছেলে জয়কে রেখে তাদের কাছে ছুটে যেতে পারছি না।’ 

    আর তাতেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সংস্পর্শে থাকা এ নায়িকা রোষানলে পড়েন নেটিজেনদের।

    তার এ কথার সূত্র ধরেই নেটিজেনরা মন্তব্য করে ক্ষোভ জানাচ্ছেন। কেউ লিখছেন, ‘ছোট্ট জয়কে রেখে সারা দেশে ফিতা কাটতে পারেন আর বন্যার্তদের কাছে যেতে পারেন না। এসব ভণ্ডামি ছাড়েন।’ 

    কেউ লিখছেন, ‘আপার (শেখ হাসিনা) সঙ্গের ছবিগুলো কেন সরালেন।’ কেউ লিখেছেন, ‘দান করছেন সেই জন্য ধন্যবাদ। বাট যে বাটপারি করেছেন সেই গুলো মানুষ মনে রাখবে।’ 

    কেউ কেউ শেখ হাসিনার দোসর বলে যেমন তকমা দিচ্ছেন অভিনেত্রীকে, কেউ বা বলছেন সুবিধাবাদী। এছাড়া অপুর সেই পোস্টে শত শত কমেন্ট পড়েছে যার অধিকাংশই নেতিবাচক।

    অনেকেই তাদের ক্ষোভ ঝাড়ছেন এ নায়িকার ওপর। এর কারণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নীরব ছিলেন অপু বিশ্বাস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিকিনি পরা ছবি পোস্ট করে যা বললেন সোহিনী

    এই প্রথমবারের মতো মালদ্বীপ ভ্রমণে টালিউড অভিনেত্রী সোহিনী গুহ রায়। শুটিংয়ের ফাঁকে কয়েক দিনের ছুটি আছেন তিনি। তাই সময় নষ্ট না করে শহরের বাইরে একান্ত যাপনে গা ভাসাতে মালদীপে পৌঁছেন এ অভিনেত্রী । একা নয়, বন্ধুদের সঙ্গে গেছেন তিনি। সমুদ্রের ধারে একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে বিকিনিতে দেখা যাচ্ছে তাকে। 

    মালদ্বীপে ভ্রমণের বিভিন্ন ঝলক সামাজিকমাধ্যমে তার ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে সোহিনী বলেন, প্রচুর ছবি আর ভিডিও তুলছি। স্থানীয় খাবারও খাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। ভালো সময় কাটছে তার।

    মালদ্বীপে পা রেখেই সোহিনী উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সেখান থেকে এক ফাঁকে আনন্দবাজার অনলাইনকে তিনি বলেন, অনেক দিন ধরেই পরিকল্পনা ছিল। অবশেষে সেটি বাস্তবায়িত হলো। মুম্বাই থেকে এখানে পৌঁছে তারপর সিপ্লেনে দ্বীপে পৌঁছাতে হয়। অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়েছে। 

    সামাজিকমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন সোহিনী। এ ছবি থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায়, অভিনেত্রী রয়েছেন সমুদ্রের ধারে একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে। তিনি বলেন, মালদ্বীপের মানুষের আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধ। প্রচুর ছবি আর ভিডিও তুলছি। স্থানীয় খাবারও খাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। ভালো সময় কাটছে তার।

    মালদ্বীপ থেকে সোহিনী সামাজিকমাধ্যমে বিকিনি পরা ছবি ছেড়েছেন। বর্তমান সময়ে পান থেকে চুন খসলেই তারকাদের নিয়ে শুরু হয় ট্রোলিং। আর সোহিনী কিনা তার ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য বিকিনি পরে ছবি পোস্ট করেছেন। তিনি কি ভয় পাচ্ছেন?—এমন প্রশ্নের উত্তরে সোহিনী বলেন, জানি কটাক্ষ হতে পারে। এটি জীবনের অংশ। কিন্তু আমার ভালো লেগেছে, তাই পোস্ট করেছি। আমার বিশ্বাস— আমাকে যারা পছন্দ করেন, তাদেরও পছন্দ হবে।

    উল্লেখ্য, এ মুহূর্তে সোহিনী ‘দ্বিতীয় বসন্ত’ ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন। আগামীকাল সোমবার শহরে ফিরছেন এ অভিনেত্রী। মঙ্গলবার থেকে শুটিংয়ে যোগ দেবেন বলে জানান সোহিনী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন সাকিবকে নিয়ে দেওয়া পোস্ট মুছে দিলেন মিথিলা

    গার্মেন্টসকর্মী রুবেল হত্যা মামলায় সাকিব আল হাসানকে আসামি করায় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মডেল তানজিয়া জামান মিথিলা। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সাকিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করার বিষয়টিকে ‘দুঃখজনক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন সাকিবের এই প্রাক্তন।

    তবে এখন আর আলোচিত সে পোস্টটি মিথিলার পেজে সে পোস্টটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, সমালোচনার মুখে পড়ে পোস্টটি নিজের পেজ থেকে সরিয়ে নিয়েছেন এই আলোচিত মডেল।

    সাকিবকে নিয়ে করা পোস্টে মিথিলা লিখেছিলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগের মাধ্যমে তারা বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে এবং অবশ্যই জনগণের কাছে আমাদের ন্যায়বিচারের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এ ধরনের গ্রেফতার দিয়ে কী বোঝানো হচ্ছে?’

    পোস্টে অর্থ লোপাটে অভিযুক্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক শাহ আলমের প্রসঙ্গ টেনে মিথিলা লিখেছেন, ‘শাহ আলমের মতো বড় অপরাধীরা এখনো মুক্ত। সাকিব যা–ই করুক না কেন, সে খুনি নয়। তার এত বড় অর্জনের কথা ভুলে যান কী করে? বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে চলেছেন তিনি। আমরা যদি আমাদের মেধাবীদের মূল্যায়ন না করি, তবে তা আমাদের জন্য দুঃখজনক। সাকিবের জন্য সত্যিই আমার খারাপ লাগছে।’

    প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রাণ হারান গার্মেন্টকর্মী রুবেল। আদাবর থানায় রুবেল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সে মামলায় ২৮ নম্বর আসামি করা হয় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাতে রহস্যময় পোস্টের পর দিনে মামলা করলেন ওমর সানী

    মধ্যরাতে ফেসবুকে রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়ে দিনের বেলা মামলা করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের দর্শকপ্রিয় নায়ক ওমর সানী।  মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে নায়ক নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

    ওমর সানী জানান, রাতে যাকে হুমকি দিয়েছিলেন তার বিরুদ্ধেই মামলা করেছেন তিনি। ওমর সানী বলেন, সকালে আমি কোর্টে ছিলাম। সেখান থেকে বাসায় ফিরছি।

    মামলা ও হুমকির কারণ ব্যাখ্যা করে ওমর সানী বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে যে ব্যবসায় প্রতারণা করেছিল তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি। একইসঙ্গে একজনকে কিছু টাকা ধার দিয়েছিলাম। তার নামেও মামলা দিয়েছি।

    কত টাকা পাওনা ছিলেন, জবাবে নায়ক বললেন, টাকার পরিমাণ সামান্য। তবে যার কাছে পাই, তার যথেষ্ট সামর্থ্য আছে। চাইলে ১০ মিনিটে দিতে পারে। কিন্তু দিচ্ছে না। উল্টো হুমকির সুরে কথা বলছে। এটা নিয়ে আদালত পর্যন্ত আসতাম না। কিন্তু যখন হুমকির সুরে কথা বলল তখন মামলা করে দিয়ে এসেছি।

    তবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন তাদের নাম বা পরিচয় বলতে চাননি এই নায়ক। শুধু বলেছেন, পরিচিতদের মাঝেই একজন। 

    সোমবার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে এক রহস্যময় পোস্ট দেন ওমর সানী।। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আজকে আমি কোর্টে যাচ্ছি, তোরে আমি…।’

    এমন রহস্যময় স্ট্যাটাস দেওয়ার পরই নেটিজেনরা তাকে বিভিন্ন প্রশ্নে জর্জরিত করছেন। অনেকের প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন তিনি। কারও ওপর রেগেও যেতে দেখা গেছে জনপ্রিয় এ অভিনেতাকে।

    নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রে দাপুটে অভিনেতা জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। ১৯৬৯ সালের ৬ মে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। চলচ্চিত্রে অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে যিনি জয় করে নিয়েছেন কোটি দর্শক হৃদয়। পরিবারের উৎসাহ আর বাবার অনুপ্রেরণায় রুপালি দুনিয়ায় পথচলা শুরু করেন সানী। ১৯৯২ সালে নুর হোসেন বলাইর এই নিয়ে সংসার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র শিল্পে অভিষেক ঘটে। ১৯৯৪ সালে দিলীপ বিশ্বাসের ‘দোলা’ চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে পোস্ট দিয়ে ডিলিট, কী লিখেছিলেন ফারুকী

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন। সে পোস্টে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সবাইকে লাল সালাম জানান তিনি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তার পোস্টটি আর ফেসবুকে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিতর্ক এড়াতেই পোস্টটি ডিলিট করেছেন তিনি। পোস্টে কী লিখেছিলেন ফারুকী?

    ফারুকী লিখেছিলেন, ‘ঢালাও কোটার নামে মেধাহীন রাষ্ট্রব্যবস্থাকে উৎসাহ দেওয়া বন্ধ হোক। সমাজের অনগ্রসরদের জন্য ১০ ভাগ কোটা থাকতে পারে। তার জন্য ৫৬ ভাগ?’

    আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ফারুকী আরও লেখেন, ‘এই আন্দোলনে যারা আছো, তাদের সবার জন্য লাল সালাম। নিজের সুস্থতার জন্য অনলাইনে খুব বেশি থাকি না। সকল উত্তেজনা থেকে দূরে থাকার চেষ্টায় আছি। কিন্তু এই কথাগুলা না বললে ইতিহাসের কাছে অপরাধী থেকে যাব। আমার মেয়েরা যখন বড় হবে, বলবে, বাবা যখন এইরকম একটা ব্যবস্থা করা হয়, তখন তোমরা কী করছিলে?’

    উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল। এই কোটা সংস্কারের দাবিতে ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ছাত্র আন্দোলন হয়। সেই আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ৪ অক্টোবর সব ধরনের কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর ফলে সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি বাতিল হয়ে যায়।

    তবে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের শুনানি শেষে গত ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করেন আদালত। ফলে কোটা বহাল হয়ে যায়।

    এতে ক্ষুব্ধ হন শিক্ষার্থীরা। কোটা বাতিলের দাবিতে আবার রাস্তায় নামেন তারা। ঈদুল আজহার আগে কয়েক দিন বিক্ষোভের পর দাবি মানতে সরকারকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে (আলটিমেটাম) দেন আন্দোলনকারীরা।  সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি না মেনে নেওয়ায় রাস্তায় নেমে জোর আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রোফাইল থেকে একের পর এক অশ্লীল পোস্ট, যা বললেন জাহ্নবী

    ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে ডিপফেক ছবি-ভিডিও তৈরি নতুন কিছু নয়। বলিউডে এমন ঘটনা বহুবার ঘটেছে। তেমনই ঘটনা ঘটল অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের সঙ্গে। ভুয়া অ্যাকাউন্টের খপ্পরে পড়েছিলেন জাহ্নবী, তাও আবার এক্স প্রোফাইলে। তবে শুধুই ভুয়া প্রোফাইল নয়। শ্রীদেবীকন্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তার এক্স প্রোফাইল থেকে নাকি অশ্লীল কনটেন্ট পোস্ট করা হচ্ছে নিয়মিত।

    এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়ে চড়ে বসলেন জাহ্নবী। অভিনেত্রীর সেক্রেটারির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো বিষয়টাই ভুয়া। জাহ্নবী শুধুই ইনস্টাগ্রামে রয়েছেন। তার নামে যে কয়টি এক্স প্রোফাইল, তার সবকটিই ভুয়া! অভিনেত্রীর সহকারী জানিয়েছেন, ডিজিটাল যুগে কারও নামে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ফেলা খুবই সহজ। টুইটারে জাহ্নবী কাপুরের কোনো অ্যাকাউন্ট নেই। এই অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা সমস্ত তথ্য এড়িয়ে চলুন।

    জাহ্নবীর বয়স তখন মাত্র বারো কি তেরো বছর! প্রাপ্তবয়স্কদের সাইটে তার ছবি ফাঁস হওয়ার জেরে স্কুলেও হেনস্তার মুখে পড়তে হয় তাকে! সেই পরিস্থিতি অভিনেত্রীর কাছে বিভীষিকার থেকে কোনো অংশে কম ছিল না। এত বছর বাদে সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন জাহ্নবী কাপুর।

    তিনি বলেন, তারকাসন্তান হওয়ায় শৈশব থেকেই লাইমলাইটে। আমাদের দেখলেই পাপ্পারাৎজিরা ছুটে আসত। সেইরকমই একটা ছবি ছড়িয়ে পড়ে যখন আমি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ছি। স্কুলের কম্পিউটার ল্যাবে ঢোকামাত্রই দেখতে পাই স্ক্রিনে সবাই আমার ছবি দেখে হাসাহাসি করছে। খুব অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মধ্যে পড়তে হয়েছিল। এমনি শিক্ষিকাদের ব্যবহারেও পরিবর্তন লক্ষ্য করেছিলাম।

    তিনি বলেন, প্রথমটায় বুঝতে পারিনি যে কেন আমাকে খারাপ মেয়ে ভেবে দূরে ঠেলে দিচ্ছেন তারা। বন্ধুরাও কেমন আড়চোখে তাকাত। সবাই জিজ্ঞেস করত কবে স্কুলের পাঠ চোকাব? কিংবা ইয়াহু সার্চিং সাইটে আমার ছবিই বা গেল কী করে?

    বিনোদন ডেস্ক