Tag: পূর্ণিমা

  • অভিনয়ে নেই কেন, জানালেন পূর্ণিমা

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে
    অনেক দর্শকনন্দিত সিনেমা উপহার দিয়েছেন। বর্তমানে অভিনয়ে অনিয়মিত তিনি। তবে টিভির পাশাপাশি
    বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লাইভ অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় দেখা যায় তাকে। এ ছাড়া কাজ
    করছেন রিয়েলিটি শোয়ের বিচারক হিসাবে। আজ এ অভিনেত্রীর জন্মদিন। বিশেষ দিনের কী পরিকল্পনা
    ও বর্তমান ব্যস্ততা নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

    যুগান্তর: বিশেষ দিনটি কীভাবে উদ্যাপন করছেন। কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি?

    পূর্ণিমা: জন্মদিন বা বিশেষ দিনগুলো আমাকে খুব বেশি টানে না। তাই কখনোই
    বড় করে কোনো পরিকল্পনাও থাকে না। সাদামাটাভাবেই কাটে এসব দিন। এ জন্মদিনে ঢাকার বাইরে
    থাকব আমি, তাই তেমন কোনো আয়োজন নেই। তারপরও পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে এ দিনে বিভিন্ন
    সারপ্রাইজ পাই। যা আমাকে অনেক আনন্দ দেয়। জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাই।

    যুগান্তর: বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?

    পূর্ণিমা: একটি রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শোয়ের প্রধান বিচারক হিসাবে দায়িত্ব
    পালন করছি। এখানে দেশসেরা রন্ধনশিল্পীরা অংশগ্রহণ করেছেন। কয়েক মাস আগে থেকেই অনুষ্ঠানটি
    শুরু হয়েছে। আগামীতে এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। বলা যায়, আপাতত এটি নিয়েই ব্যস্ততা।

    যুগান্তর: নায়িকা হয়ে রান্নার অনুষ্ঠানের বিচারক কেন হলেন?

    পূর্ণিমা: আমি এর আগেও অনেক অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছি।
    এবার রান্নার অনুষ্ঠানে এলাম। বেশ উপভোগ করছি। এখানে রন্ধনশিল্পীরা তাদের শ্রেষ্ঠত্বের
    লড়াই দেখাচ্ছেন। এটা আমার জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা। আশা করছি, এখান থেকে অনেক প্রতিভাবান
    রন্ধনশিল্পী বের হয়ে আসবেন।

    যুগান্তর: অনেকদিন অভিনয়ে নেই। এর কারণ কী?

    পূর্ণিমা: কাজ করতে ইচ্ছা থাকলেও করা হয় না। কারণ আছে অনেক। তবে এর মধ্যে
    একটি হচ্ছে, মনের মতো কাজ পাচ্ছি না। যেগুলোর প্রস্তাব আসে তা পছন্দ হচ্ছে না। বর্তমান
    পরিস্থিতিতে অনেক কাজ করার চেয়ে ভালো কাজ করাটা বেশি জরুরি। মানসম্মত গল্প ও চরিত্রের
    অপেক্ষায় আছি। ভালো কিছু পেলে অবশ্যই অভিনয় করব। তখন আপনারা জানতে পারবেন। তবে আপাতত
    অভিনয় নিয়ে কোনো ব্যস্ততা নেই।

    যুগান্তর: প্রস্তাব আসছে কি?

    পূর্ণিমা: হ্যাঁ, প্রস্তাব অনেকই আসছে। কিন্তু আমি এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি।
    ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেব। হুটহাট কোনো কাজ করতে চাই না। আমি বেছে বেছে কাজ করছি এখন।
    আমার কাজ দেখলেই সেটা পরিষ্কার। প্রতি দশকে ইন্ডাস্ট্রির পরিবর্তন ঘটে। নব্বই দশকের
    শেষ দিকে আমার শুরু। শূন্য দশকে যেমন সিনেমা হতো, পরের দশকে কিন্তু পুরোটাই বদলে গিয়েছিল।
    আর এখন তো বুঝতেই পারছেন কোন ধরনের সিনেমা হচ্ছে। তাই হুটহাট সিদ্ধান্ত না নিয়ে, একটু
    সময় নিতে চাই।

    যুগান্তর: আপনার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা ‘আহারে জীবন’ থেকে কেমন সাড়া
    পেয়েছিলেন?

    পূর্ণিমা: এটি গত বছরের ঈদে মুক্তি পায়। তবে প্রেক্ষাগৃহে সেভাবে সুবিধা
    করতে না পারলেও, পরে ইউটিউবে মুক্তির পর বেশ সাড়া পাচ্ছি। সিনেমাটি দেখে অনেকেই মেসেজ
    করেছেন। করোনাকালীন ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা নিয়ে এটি নির্মিত হয়েছে। কি ভয়াবহ সময় কাটিয়েছিলাম
    আমরা সে সময়। সিনেমাটি দেখার পর ওই সময়টা নতুন করে সবাই উপলব্ধি করছে। এটি ভবিষ্যৎ
    প্রজন্মের কাছে একটি দলিল হয়ে থাকবে। মুক্তির সময় সঠিক প্রচার-প্রচারণা হয়নি বলেই হয়তো
    দর্শকের কাছে পৌঁছায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এই তিন নায়িকার ফেরার সম্ভাবনা কতটুকু

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমী। মডেলিং দিয়ে শোবিজ তার যাত্রা শুরু। ১৯৯৩ সালে সালমান শাহ’র বিপরীতে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। অভিষেকেই বাজিমাত করেন তিনি। এরপর তার ক্যারিয়ারে শুধুই যেন সাফল্যের গল্প। ব্যস্ততা বেড়ে যায় বহুগুণ।  

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক হিট সিনেমার পাশাপাশি সিক্ত হন দর্শকদের ভালোবাসায়। অর্জন করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার। তবে এখন তাকে অভিনয়ে খুব একটা দেখা যায় না। সর্বশেষ ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সোনার চর’ নামে একটি সিনেমায় দেখা গেছে এ অভিনেত্রীকে। এদিকে প্রায় দুই বছর ধরেই তিনি বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে তার সঙ্গে রয়েছেন মেয়ে ফাইজা ও মা। তবে কী এ অভিনেত্রী আর সিনেমায় ফিরবেন না? কেনই বা এতদিন ধরে বিদেশে রয়েছেন? 

    এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করলেও অভিনেত্রীকে পাওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কথা বলেন না তিনি। গণমাধ্যমের সঙ্গেও বেড়েছে তার দুরত্ব। তবে তার স্বামী অভিনেতা ওমর সানী রয়েছেন বাংলাদেশে। নিজের ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে তিনি ব্যস্ত। মৌসুমী প্রসঙ্গে জানতে হলে দ্বারস্থ হতে হয় সানির। 

    তিনি জানান, মৌসুমী সহসাই দেশে ফিরছেন না। মেয়ের পড়াশোনা ও শাশুড়ির অসুস্থতা মিলিয়ে এখন পরিবারকেই সময় দেয়া জরুরি অভিনেত্রীর। 

    সানী বলেন, ‘ও ভুলে যেতে চায় যে, সে মৌসুমী ছিল। এই কথাটা কিন্তু খুব কষ্টের। তার মতো একজন লেজেন্ড নিয়ে ভালো সিনেমা তৈরি করবে, এমন ভাবনা তো এখন কারও নেই। নতুনদের সৌজন্যতাবোধেও ঘাটতি আছে। তারা মৌসুমীর চেয়েও বড় তারকা হয়ে গেছেন। মূলত, আক্ষেপ ও অভিমানেই মৌসুমী সিনেমা থেকে দূরে আছেন। সে আর ফিরবে না এমন কথাও কষ্ট থেকেই বলেছে।’ 

    সানির কথাতেই স্পষ্ট মৌসুমী আর অভিনয়ে ফিরছেন না। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখন নিয়মিত গান করতে দেখা যাচ্ছে এ নায়িকাকে। তাছাড়া আরও একটি কথা চাউর আছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করেছেন এ অভিনেত্রী। সেটি পেয়েছেন কী না, তা খোদ মৌসুমী কিংবা স্বামী ওমর সানি, কেউই স্পষ্ট করে বলেননি।

    এদিকে দেশের আরেক জনপিয় নায়িকা শাবনূর দীর্ঘ বছর ধরেই অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় পথ চলা শুরু তার। এরপর শুদুই সাফল্যের ইতিহাস। বিশেষ করে সালমান শাহ’র সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন অনেক হিট সিনেমায়। সালমান পরবর্তী অন্য নায়কদের সঙ্গেও তিনি বেশ সফল। কিন্তু বর্তমানে সিনেমা থেকে এ নায়িকার দূরত্ব অনেক বেশি। কারণ, তিনি দেশেই থাকেন না। 

    সর্বশেষ ২০১৮ সালে ‘পাগল মানুষ’ নামে একটি সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাকে। এরপর আর পর্দায় দেখা মেলেনি। তবে ২০২৩ সালে দেশে ফিরে দুটি সিনেমার ঘোষনা দিয়েছিলেন তিনি। আরাফাত হোসাইন নামে এক নাট্যনির্মাতার হাত ধরে ‘রঙ্গনা’ ও ‘এখনো ভালোবাসি’ নামে দুটি সিনেমার করার কথা ছিল তার। ঘোষণা মতে, ‘রঙ্গনা’ নামের সিনেমাটির শুটিংও করেছিলেন কয়েকদিন। এরপর বন্ধ হয়ে যায় এর কাজ। মিডিয়ায় চাউর হয়, এ সিনেমাটি আর আলোর মুখ দেখবে না। ফলে শাবনূরের ফেরাটা যেন আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। 

    তবে এসব বিষয়ে অভিনেত্রী জানান, তিনি সিনেমাটি ছাড়ছেন না। মিডিয়ায় চাউর হওয়া খবর ভিত্তিহীন। সময় সুযোগ করে আবারও এর কাজে অংশ নিবেন। এছাড়া নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর ‘মাতাল হাওয়া’ নামেও একটি সিনেমা করার কথা শোনা গিয়েছিল। দেড় বছর পার হয়ে গেলেও সিনেমা তিনটির আর কোনো আপডেট পাওয়া যায়নি। 

    এদিকে ২০২৩ সালে নতুন সিনেমার ঘোষণার সময় শাবনূর বলেছিলেন, তার কোনো তাড়াহুড়ো নেই। সময় লাগলেও তিনি একটি ভালো কাজ উপহার দিতে চান। নতুন নির্মাতার হাত ধরে শাবনূর কামব্যাক করছেন, সেটি কতটা ভালো হবে তার ক্যারিয়ারের জন্য এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কামব্যাক বলে কোনো কিছু নেই। শিল্পীদের কখনও মরণ হয় না। শিল্পীরা সারাজীবন বেঁচে থাকেন তার কর্মে।  তাই আমার ফেরাকে কামব্যাক বলতে চাই না। আর পরিচালক নতুন এমনটাও বলতে চাই না। কারণ তিনি শাবনূরকে তার মতো সম্মান দিয়েই পর্দায় আনবেন। নয়তো সিনেমাটি করব না।’ 

    এদিকে ঘোষণার পর থেকেই অপেক্ষায় রয়েছেন শাবনূর ভক্তরা। প্রিয় নায়িকার ফেরার খবরে স্বস্তি ফিরেছিল সিনেমা প্রেমীদের মনে। কিন্তু আদৌ কি শাবনূর ফিরবেন? সংশয় থেকেই গেল।

    জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমী ও শাবনূরের পর ঢাকাই সিনেমায় আলোচিত নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। অনেক আলোচিত ও হিট সিনেমার রয়েছে তার ক্যারিয়ারে। নব্বই দশকের শেষপ্রান্তে সিনেমায় অভিষেক হলেও তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়েছে দুই প্রজন্মজুড়ে। রূপ ও অভিনয়ের মেলবন্ধনে দেড় যুগ পরেও সমানভাবে আলোচিত তিনি। 

    বর্তমানে নিয়মিত সিনেমার অভিনয়ে না থাকলেও শোবিজে তার উপস্থিতি বরাবরই নজরকাড়া। মাঝে কিছু নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে তাকে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সিনেমার দর্শকপ্রিয় এ নায়িকা কেন সিনেমা থেকে দূরে? এর কোনো কারণ স্পষ্ট করেননি এ অভিনেত্রী। তাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছে ‘আহারে জীবন’ নামে একটি সিনেমায়। যেটি গত বছরের ঈদে মুক্তি পায়। ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয় এটি। 

    এরপর নতুন আর কোনো সিনেমায় যুক্ত হবার খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে এ অভিনেত্রীর আরও দুটি সিনেমা। নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ সিনেমা দুটির কাজ শুরু করেছিলেন ২০১৮ সালে, কিন্তু এখনও শেষ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে থমকে আছে এর নির্মাণকাজ। আদৌ শেষ হবে কিনা এ নিয়েও রয়েছে সংশয়। নির্মাতাও এ নিয়ে চুপ। 

    কারণ, দুটি সিনেমার মধ্যে ‘গাঙচিল’ ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। নায়ক হচ্ছেন ফ্যাসিস্টের আরেক দোসর ফেরদৌস। অন্যদিকে ‘জ্যাম’ সিনেমায় পূর্ণিমার বিপরীতে রয়েছেন আরিফিন শুভ। দুই নায়কই এখন রয়েছেন আড়ালে। ৫ আগস্টের পর থেকেই ফেরদৌস পলাতক, এদিকে আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পী হওয়ায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন শুভ। পাচ্ছেন না সিনেমার কাজ। দুই নায়কের জন্যই হয়তো আর আলোর মুখ দেখতে পাবে না পূর্ণিমা অভিনীত সিনেমা দুটি। তাহলে কি এ অভিনেত্রীর নতুন সিনেমা দর্শক আর পাবে না? এ প্রশ্ন থেকেই গেল। 

    এদিকে টিভির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লাইভ অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় নিয়মিত পূণিমা। এ ছাড়া বিভিন্ন রিয়েলিটি শোয়ের বিচারকের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। বর্তমানে দেশসেরা রন্ধনশিল্পীদের রান্নায় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই, কুকিং রিয়েলিটি শোয়ের প্রধান বিচারকের একজনের দায়িত্ব পালন করছেন এ অভিনেত্রী।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • আটকে আছে পূর্ণিমার দুই সিনেমা

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। নব্বই দশকের শেষ প্রান্তে সিনেমায় অভিষেক হলেও তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়েছে দুই প্রজন্মজুড়ে। রূপ ও অভিনয়ের মেলবন্ধনে দেড় যুগ পরেও সমানভাবে আলোচিত তিনি। বর্তমানে নিয়মিত অভিনয়ে না থাকলেও শোবিজে তার উপস্থিতি বরাবরই নজরকাড়া। 

    সম্প্রতি কিছু ওয়েব কনটেন্টে অভিনয়ে দেখা গেছে তাকে। পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও মিডিয়ার কাজে অংশ নিতে দেখা যায় এ অভিনেত্রীকে। নতুন কোনো সিনেমায় তার যুক্ত হওয়ার খবর পাওয়া না গেলেও, নির্মাণাধীন রয়েছে তার অভিনীত দুটি সিনেমা। এগুলো হলো নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’। 

    ২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এসব সিনেমা দীর্ঘদিন ধরে থমকে আছে। আদৌ শেষ হবে কিনা এ নিয়েও রয়েছে সংশয়। নির্মাতাও এ নিয়ে চুপ। কারণ, দুটি সিনেমার মধ্যে ‘গাঙচিল’ ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। নায়ক হচ্ছেন ফ্যাসিস্টের আরেক দোসর ফেরদৌস। ‘জ্যাম’ সিনেমায় পূর্ণিমার বিপরীতে রয়েছেন আরেফিন শুভ। দুই নায়কই এখন রয়েছেন আড়ালে। 

    ৫ আগস্টের পর থেকেই ফেরদৌস পলাতক, এদিকে আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পী হওয়ায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন শুভ। পাচ্ছেন না সিনেমার কাজ। তার অভিনীত আরও দুটি সিনেমাও আটকে গেছে। দুই নায়কের জন্যই হয়তো আর আলোর মুখ দেখতে পাবে না পূর্ণিমা অভিনীত সিনেমা দুটি। 

    এদিকে টিভির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লাইভ অনুষ্ঠান উপস্থাপনায়ও দেখা যায় পূণিমাকে। এ ছাড়া বিভিন্ন রিয়েলিটি শোয়ের বিচারকের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। বর্তমানে দেশসেরা রন্ধনশিল্পীদের রান্নায় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই, কুকিং রিয়েলিটি শোয়ের প্রধান বিচারকের একজনের দায়িত্ব পালন করছেন এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ছোটবেলার ক্রাশ, এখনো কত সুন্দর আপনি’

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। নব্বই দশকের শেষপ্রান্তে রঙিন পর্দায় যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি; আর তখন থেকে আজ অবধি প্রায় আড়াই যুগ ধরে দর্শকের মন জয় করে চলেছেন এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। তাই তিনি তকমা পেয়েছেন দুই প্রজন্মের নায়িকা হিসেবে। বহুবছর ধরে সিনেমায় কাজ করলেও পূর্ণিমার আগের চেহারা আর এখনকার চেহারার মাঝে তেমন কোনো পার্থক্য নেই, যেন চিরসবুজ, চিরচেনা রূপসী।

    বর্তমানে পূর্ণিমা নিয়মিতভাবে অভিনয়ে দেখা না গেলেও ওয়েব কনটেন্ট ও বিভিন্ন শোবিজ অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন ও পারিবারিক ব্যস্ততা সামলে সামাজিক মাধ্যমেও দারুণ সরব তিনি।

    পূর্ণিমার ব্যক্তিজীবন বরাবরই প্রশংসিত। নানা বিতর্কের বাইরে থেকে বরং নিজেকে পরিপাটি ও মর্যাদাপূর্ণভাবে উপস্থাপন করে চলেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছে তার বিপুল ভক্ত-অনুসারী। নানান সাজ-পোশাকে নিজেকে তুলে ধরেন তিনি, আর প্রতিবারই ভক্তরা তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যান।

    সম্প্রতি এক সাদামাটা সাজে পূর্ণিমার কিছু নতুন ছবি ভাইরাল হয়েছে—যেখানে তিনি পরেছেন হালকা নীল সালোয়ার আর সাদা ওড়না। ক্যামেরার সামনে মিষ্টি হাসিতে পোজ দিয়েছেন নায়িকা, যা দেখে অনেকেই রীতিমতো আফসোস করেছেন।

    একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘ছোট থেকে দেখে আসছি আপনাকে, একইরকম। আমরা বুড়ি হয়ে যাচ্ছি, আপনি সেই বয়সেই পড়ে আছেন।’ একইভাবে আরেকজনের মন্তব্য, ছোটবেলার ক্রাশ, এখনও কত সুন্দর আপনি। আরেক নেটিজেন লিখেছেন, ‘সিম্পলের ওপর সুন্দর লাগছে।’

    নায়িকা পূর্ণিমা ২০০৩ সালে ‘মনের মাঝে তুমি’ ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এরপর ২০০৬ সালে এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘হৃদয়ের কথা’ সিনেমায়ও তার অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। তখন থেকেই পূর্ণিমা বাংলা চলচ্চিত্রের এক অবিচ্ছেদ্য নাম।

    বর্তমানে সিনেমার পর্দায় কম দেখা গেলেও পূর্ণিমার সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর স্থায়ী জনপ্রিয়তা তাকে এখনো আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছে। আর তাইতো, পূর্ণিমাকে দেখলেই অনেকেই বলেন—সময় যেন তার জন্য থেমে আছে!

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার রন্ধনশিল্পী খুঁজছেন পূর্ণিমা

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। অভিনয় থেকে অনেকটা দূরে আছেন বলা যায়। নতুন কোনো সিনেমার কাজে যুক্ত হয়েছেন, এমন খবরও নেই। তবে উপস্থাপনায় বেশ সরব এ নায়িকা। 

    টিভির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লাইভ অনুষ্ঠান উপস্থাপনায়ও দেখা যায় তাকে। এছাড়া বিভিন্ন রিয়েলিটি শো’য়ের বিচারকের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন আরও একটি শো’য়ের বিচারকের আসনে বসলেন এ অভিনেত্রী। 

    দেশসেরা রন্ধনশিল্পীদের রান্নায় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই, কুকিং রিয়েলিটি শোয়ের প্রধান বিচারকের একজনের দায়িত্ব পালন করছেন পূর্ণিমা। তিনি ও তার সহকর্মীরা মিলে খুঁজে বের করছেন দেশসেরা রন্ধনশিল্পীদের, যা এ অভিনেত্রী বেশ উপভোগ করছেন বলেও জানান। অনুষ্ঠানটি প্রতি শুক্রবার ও শনিবার মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচার হচ্ছে। 

    এ প্রসঙ্গে পূর্ণিমা বলেন, ‘রান্নার একটি অনুষ্ঠান নিয়ে কাজ করছি, বিচারকের দায়িত্ব পালন করছি। এখানে আমার সঙ্গে আরও বিচারক রয়েছেন। সারাদেশ থেকে রন্ধনশিল্পীরা এ শো’তে অংশ নিচ্ছেন। আপাতত এটা নিয়েই ব্যস্ততা এবং বেশ উপভোগ করছি কাজটি।’ 

    পূর্ণিমাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছে ‘আহারে জীবন’ নামে একটি সিনেমায়। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ফেরদৌস আহমেদ। সরকারি অনুদানে নির্মিত এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন ছটকু আহমেদ। তবে এটি  প্রেক্ষাগৃহে সেভাবে দর্শক টানতে পারেনি। এছাড়াও পূর্ণিমা অভিনীত আরও দুটি সিনেমা নির্মাণাধীন রয়েছে। সেগুলো হলো নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ । 

    দীর্ঘদিন ধরেই এর কাজ থমকে আছে। আদৌ শেষ হবে কিনা এ নিয়েও রয়েছে সংশয়। নির্মাতাও এগুলো নিয়ে চুপ রয়েছেন। কারণ এরমধ্যে একটি ‘গাংচিল’ সিনেমাটি ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস নিয়ে নির্মিত হচ্ছে।  দুটি সিনেমায় পূর্ণিমার বিপরীতে রয়েছেন ফেরদৌস ও আরিফিন শুভ।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • শবনম ও পূর্ণিমার আকস্মিক মিলন

    দেশি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম। তবে গত ২৫ বছর তাকে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি। সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে কাজী হায়াতের ‘আম্মাজান’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। 

    অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে সিনেমায় নায়িকা হিসাবে অভিষেক হয় পূর্ণিমার। বলা যায় শবনমের শেষ, আর পূর্ণিমার শুরু। স্বভাবতই একই সিনেমায় তাদের কখনোই দেখা যায়নি। তবে দেখা হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। সম্প্রতি দেখা হলো একটি বিশেষ আয়োজনে। ২৬ জানুয়ারি শবনমের বাসায় যান পূর্ণিমা। বিষয়টি শবনম অবগত ছিলেন না, এমনই জানিয়েছেন এই বিশেষ মুহূর্তের আয়োজক সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীন। তিনি বলেন, পূর্ণিমাকে দেখেই চমকে উঠেই শবনম। স্নেহের পরশে বুকে টেনে নেন। এরপর গল্পে মেতে উঠেন দুজনে। গল্প আড্ডায় উঠে এসেছে দু’জনের সিনেমা ও ব্যক্তিজীবনের অনেক না বলা কথা। 

    এ প্রসঙ্গে শবনম বলেন, ‘পূর্ণিমা ভীষণ লক্ষী একটা মেয়ে। তার মিষ্টি হাসি, বিনয় আমাকে মুগ্ধ করে। অবশ্যই তার অভিনয়ও আমার ভালো লাগে। হঠাৎ করেই আমার বাসায় তার উপস্থিতি আমাকে সত্যিই ভীষণ বিস্মিত করেছে। খুব ভালো লেগেছে পূর্ণিমার সঙ্গে গল্প করে, সময় কাটিয়ে। আমি তার জন্য সবসময়ই অনেক দোয়া করি।’ 

    পূর্ণিমা বলেন, ‘বলা যায় এটা আমার একটা অপূর্ণতা যে আমি শবনম ম্যাডামের সঙ্গে একই সিনেমায় অভিনয় করতে পারিনি। তবে এটা আমার ভীষণ ভালোলাগা যে তিনি আমাকে খুব স্নেহ করেন, আদর করেন। তিনি আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেন, তার মতো এতো বড় মাপের যাকে আমরা মহীরূহ বলি, সেই তিনি যখন আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেন তখন আসলে কী বলবো বুঝে উঠতে পারি না। এটা আমার জীবনের অনেক বড় প্রাপ্তি।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • জন্মদিনে শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা

    নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় দুই নায়িকা শাবনূর ও দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন দু’জনই। প্রশংসিত হয়েছেন দর্শকমহলে। আর অনবদ্য অভিনয়গুণে দুজনই শক্ত অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রিতে।

    মঙ্গলবার শাবনূর জীবনের ৪৬ বছরে পা দিলেন। ৪৬ তম জন্মদিনেও শাবনূরকে স্মরণ করছেন তার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বিশেষ এই দিনটিতে প্রিয় সহকর্মীকে শুভেচ্ছা জানাতে ভুলেনি চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাও।

    এ নায়িকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে শাবনূরের সঙ্গে তিনটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন বাংলাদেশের সেরা অভিনেত্রী। আপনার অবিশ্বাস্য প্রতিভা, উৎসর্জন ও অনুপ্রেরণাদায়ক কর্মক্ষমতা লাখ লাখ মানুষের জন্য আনন্দ ও গর্ব নিয়ে এসেছে। সবসময় সুখী ও ঊজ্জ্বল থাকুন।’

    গত বছরই স্বামী ও মেয়েকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা। তখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এ খবর জানতে পেরেছিলেন শাবনূর। পরে পূর্ণিমাকে খুঁজে বের করে বাসায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এরপর শাবনূরের বাসায় যান পূর্ণিমা এবং সেখান থেকে ফেসবুকে লাইভ করেন তারা।

    এদিকে অনেকের ধারণা, ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের রাজত্ব টিকিয়ে রাখার প্রতিযোগিতা থেকে দ্বন্দ্ব রয়েছে শাবনূর-পূর্ণিমার। কিন্তু এসব যে মোটেও ঠিক নয়, কেবলই গুঞ্জন―তা স্পষ্ট হয় দুই তারকার সখ্যতায়। তারা জানান, সবাই মনে করেন তাদের মধ্যে দা-কুমড়ার সম্পর্ক। কিন্তু তা মোটেও ঠিক নয়।

    পূর্ণিমা বলেন, আমাদের মধ্যকার সম্পর্কটা ফুলের পাপড়ির মতো। শাবনূর আপা হচ্ছেন অভিনয়ের প্রতিষ্ঠান। তিনি আমাদের সবার অনুপ্রেরণা। ইন্ডাস্ট্রিতে যখন প্রথম এসেছি, তখন নির্মাতারা তার উদাহরণ দিয়ে আমাদের কাছে সেভাবে কাজ চাইতেন। আর আমরা তার ধারের কাছেও ছিলাম না। শাবনূর আপাকে অনেকবার কপি করার চেষ্টা করেছি আমি, কিন্তু পারিনি। মানুষ হিসেবেও তার কোনো তুলনা নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পূর্ণিমার সাবেক স্বামীকে বিয়ে, যা বললেন নায়িকা কেয়া

    ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের নায়িকা সাবরিনা সুলতানা কেয়া। সম্প্রতি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। বিয়ে করেছেন নায়িকা পূর্ণিমার সাবেক স্বামী মোস্তাক কিবরিয়াকে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) মধ্যরাতে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে খবরটি জানান ৩৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেয়া বিয়ের খবর জানিয়ে লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ। বিয়ে করলাম, সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

    জানা গেছে, কেয়ার স্বামীর নাম মোস্তাক কিবরিয়া। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। মোস্তাক কিবরিয়া চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার সাবেক স্বামী। ২০০৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী মোস্তাক কিবরিয়ার সঙ্গে প্রথম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। তার সঙ্গে ডিভোর্স হয় ২০০৭ সালের ১৫ মে।

    বিয়ে প্রসঙ্গে কেয়া বলেন, হঠাৎ করেই বিয়েটা করা, তেমন কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়েটা পারিবারিকভাবেই হয়েছে। আমার ও মোস্তাকের মা চাইছিলেন বিয়েটা হোক। দুই পরিবারের ইচ্ছাতেই বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের নতুন সংসার জীবনের জন্য দোয়া করবেন। যেন বাকিটা পথ একসঙ্গে পাড়ি দিতে পারি।

    প্রেম নাকি পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে জানতে চাইলে কেয়া বলেন, সম্পূর্ণ পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের প্রস্তুতির জন্য সময়ও পাইনি। বিয়ের সময় শুধু দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, মনতাজুর রহমান আকবর নির্মিত ‘কঠিন বাস্তব’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন সাবরিনা সুলতানা কেয়া। এরপর টানা সিনেমায় অভিনয় করেন। নায়ক হিসেবে পান মান্না, রুবেল, আমিন খান, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খানদের মতো তারকাদের।

    মাঝে পারিবারিক কারণে লম্বা বিরতিতে যান কেয়া। এরপর ২০১৫ সালে ‘ব্ল্যাক মানি’ দিয়ে আবারও পর্দায় ফেরেন নায়িকা। বর্তমানে তার অভিনীত বেশ কিছু সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

    এদিকে কেয়া অভিনীত ‘কাঠগোলাপ’ দেশে সেন্সরজনিত কারণে আটকে রয়েছে। তবে সিনেমাটি বুলগেরিয়া, ভারত, আমেরিকাসহ বিশ্বের নানা চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে ৮টি পুরস্কার জিতেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পূর্ণিমার প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে চিত্রনায়িকা কেয়া

    বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন চিত্রনায়িকা সাবরিনা সুলতানা। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে সামাজিক মাধ্যমে বিয়ের খবর জানিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

    জানা গেছে, কেয়ার স্বামীর নাম মোস্তাক কিবরিয়া। পেশায় ব্যবসায়ী কিবরিয়া আরেক চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার প্রথম স্বামী ছিলেন। ২০০৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া পূর্ণিমা-কিবরিয়া দম্পতির বছর দুয়েক পরেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন।

    গণমাধ্যমে নতুন জীবনের জন্য দোয়া চেয়ে কেয়া লিখেছেন, ‘হঠাৎ করেই পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে হয়েছে আমাদের। মা ও বোন অসুস্থ থাকার কারণে ঘরোয়া আয়োজনেই বিয়েটা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘটা করে আয়োজন করার ইচ্ছে আছে।’

    প্রসঙ্গত, মাত্র ১৪ বয়সে বড়পর্দায় অভিষেক হয় কেয়ার। আমিন খানের বিপরীতে ‘কঠিন বাস্তব’ নামের সে সিনেমার মধ্য দিয়ে রুপালী পর্দায় তার যাত্রা শুরু।

    এরপর মান্না, রুবেল, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খানের মতো নায়কদের বিপরীতে বহু সিনেমায় কাজ করতে দেখা গেছে তাকে। এছাড়া তার কিছু বিজ্ঞাপনচিত্রও দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে দুবাই যাচ্ছেন পূর্ণিমা, সঙ্গী শ্রাবন্তী ও শাকিব

    ঢালিউডের
    জনপ্রিয় অভিনেত্রী
    নাম
    পূর্ণিমা। বর্তমানে অভিনয়ে খুব একটা নিয়মিত
    নন তিনি। এখন স্বামীসংসার সামলেই বলা চলে দিন
    কাটে তার। মাঝে মধ্যে
    দেখা যায় শোবিজে নানান
    রকম কাজে অংশ নিতে।
    এবার একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের
    প্রচারণায় অংশ নিতে দুবাই
    যাচ্ছেন পূর্ণিমা। তার সঙ্গে এই
    সফরে আছেন আরও একঝাঁক
    তারকা।

    জানা
    গেছে, দুবাইয়ে একটি শোরুম উদ্বোধন করবেন পূর্ণিমা। তার সঙ্গী হবেন
    ঢালিউড অভিনেতা
    শাকিব
    খান, কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, সাবেক তারকা ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলসহ আরও অনেকেই।

    দুবাই
    যাওয়ার দিনক্ষণ জানিয়ে পূর্ণিমা বলেন, আগামী ২৬ অক্টোবর জুয়েলারি
    প্রতিষ্ঠানটির নতুন শাখা উদ্বোধন
    হবে। এর আগেই সেখানে
    পৌঁছাবেন তিনি।

    উল্লেখ্য,
    নব্বই
    দশকের শেষ দিকে সিনেমায় তার আবির্ভাব। অভিনেতা
    রিয়াজের বিপরীতে ‌‘ জীবন তোমার
    আমারসিনেমা দিয়ে সিনেমা জগতে পা
    রাখেন তিনি। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত গানগল্প তারকাশিল্পীদের
    অভিনয়ের মুন্সিয়ানায় সমৃদ্ধ রোমান্টিক গল্পের ছবিটি দর্শকের মনে আজও মুগ্ধতা
    ছড়ায়।

    রোমান্টিক
    ছবির নায়িকা হিসেবে শাবনূরপপিদের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন পূর্ণিমা। কাজ
    করেছেন অ্যাকশন, সামাজিক, দেশাত্মবোধক গল্পের ছবিতেও। সাহিত্যধর্মী কিছু সিনেমাতেও গ্ল্যামারাস
    পূর্ণিমা অভিনয়ের জাত চিনিয়েছেন। টিভি
    নাটক, উপস্থাপনা বিজ্ঞাপনেও কাজ
    করে পেয়েছেন ছোটপর্দার দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা।

    বিনোদন ডেস্ক