Tag: পশ্চিমবঙ্গ

  • এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে লইট্টা মাছ রান্নার গন্ধে আকৃষ্ট হলেন রুপা গাঙ্গুলি, অতঃপর…

    অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিক— দুই পরিচয়েই সমানভাবে পরিচিত রুপা গাঙ্গুলি। সম্প্রতি নিজের নির্বাচনি এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এক ব্যতিক্রমী ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তিনি। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বাড়ি থেকে ভেসে আসা লইট্টা মাছ রান্নার গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে সরাসরি সেই বাড়িতে ঢুকে খাবার খেয়েছেন এই সংসদ সদস্য।

    বিআর চোপড়ার জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক মহাভারতে দ্রৌপদী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সারা ভারতে পরিচিতি পাওয়া রুপা গাঙ্গুলি পরবর্তীতে রাজনীতিতে যোগ দেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয়লাভের পর তিনি এখন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার নিজের নির্বাচনি এলাকা সোনারপুর দক্ষিণে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পরিদর্শনে বের হন রুপা গাঙ্গুলি। এ সময় একটি বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি লইট্টা মাছ রান্নার গন্ধ পান।

    গন্ধে মুগ্ধ হয়ে তিনি সঙ্গে থাকা কর্মীদের কাছে জানতে চান, কোন বাড়ি থেকে রান্নার সুবাস আসছে। পরে বাড়িটি শনাক্ত হলে জানালার কাছে গিয়ে নিজেই বাসার গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। রান্না হওয়া মাছের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি মজা করে জানান, লইট্টা মাছ খেতে তার ইচ্ছা করছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গৃহকর্ত্রীও সাদরে তাকে আমন্ত্রণ জানান। এরপর রুপা গাঙ্গুলি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে সাধারণ আয়োজনেই খাবার গ্রহণ করেন। হাত ধুয়ে স্টিলের প্লেট ও চামচে ভাতের সঙ্গে লইট্টা মাছের তরকারি খেতে বসেন তিনি। 

    পরে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রুপা গাঙ্গুলি বলেন, ‘গন্ধটা দারুণ বেরোচ্ছিল। তাই আর লোভ সামলাতে পারিনি।’ 

    ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। একজন সংসদ সদস্যের এমন অনাড়ম্বর আচরণ এবং সাধারণ মানুষের বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নেওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশি শিল্পীদের সঙ্গে কাজ নিয়ে যা বললেন রুদ্রনীল

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর টালিউডের টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপির সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের এটিই ছিল প্রথম বৈঠক। সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জমে থাকা নানা ক্ষোভ ও বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন সহকর্মীরা। তবে এখন বাংলাদেশি শিল্পীদের টালিউডে কাজের বিষয়ে নতুন সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন দুই বাংলার শিল্পীরা। 

    রাজনৈতিক পালাবদলের পর টালিউডে বাংলাদেশি তারকাদের কাজ করা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রুদ্রনীল ঘোষের ডাকা এক বৈঠকে টেকনিশিয়ানদের ক্ষোভের পর বিষয়টি সামনে আসে।

    বুধবার (২০ মে) বিকালে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওতে টালিউডের অন্দরের নানা সমস্যা নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিনেতা পরমব্রত চ্যাটার্জি, নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তসহ টালিপাড়ার অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 

    সেখানে এক টেকনিশিয়ান অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশে কাজ করতে গিয়ে তারা অপমানিত হয়েছেন, অথচ বাংলাদেশি শিল্পীরা কলকাতায় এসে অবাধে কাজ করছেন। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এ বিষয়ে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ভারতীয় হিসেবে এমন অসম্মানের বিষয়টি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সুযোগ পেলে তিনি বিষয়টি সরকারকে জানাবেন। এটি সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা ভারতকে অন্তর থেকে ভালোবাসেন। আবার কিছু উগ্রবাদী শক্তিরও নজির রয়েছে। তবে স্বল্পসংখ্যক মানুষ আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে পুরো দেশকে বিচার করা উচিত নয়। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে, সেটুকু নিশ্চিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জনপ্রিয় গায়িকা জোজোর অস্ত্রোপচার

    ওপার বাংলার শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী জোজো মুখোপাধ্যায়। এই গায়িকার শনির দশা যেন কাটছেই না। সম্প্রতি শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর এবার চিকিসকের পরামর্শে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হলো তার। 

    জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই হিপ জয়েন্টের সমস্যায় ভুগছিলেন এই সংগীতশিল্পী। 

    জোজো জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে শুটিংয়ে পড়ে গিয়ে তিনি মারাত্মক চোট পান। কিন্তু সেসময়ে খুব একটা আমলে নেননি। পরবর্তীতে সেই সমস্যা আরও বাড়ে। মূলত শুটিংয়ে পড়ে গিয়ে জোজোর হিপ জয়েন্টে চিড় ধরেছিল। ফলে অনেক দিন ধরেই ব্যথায় ভুগছিলেন তিনি। তবে সেই যন্ত্রণা নিয়েই ‘সারেগামাপা’র শুটিং করে গিয়েছেন। 

    বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে একাধিকবার নতুন করে আঘাতও পান তিনি। ব্যথা কমানোর ওষুধ ও ইনজেকশন নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। একসময় লাঠি নিয়েও শুটিং করতে হয়েছে বলে জানান এই শিল্পী। তাই শেষমেশ হাসপাতালে গিয়ে অস্ত্রোপচার করাতে বাধ্য হলেন জোজো। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে গায়িকা জানান, তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। কিন্তু আপাতত কয়েকদিন হাসপাতালেই থাকতে হবে। 

    সোমবার (১৮ মে) তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সব ঠিক থাকলে শুক্রবার (২২ মে) হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরবেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আপাতত উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। তবে চিকিৎসকরা তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। 

    এদিকে বর্তমানে কাজের চাপ কম থাকার কারণে এখন পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় পাবেন বলেও জানান এই গায়িকা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দিদি যেখানে আমি সেখানে’ বলা সেই ইমন চক্রবর্তী এখন বিজেপির মঞ্চে

    পশ্চিমবঙ্গে আজ চলছে নির্বাচনি হাওয়াবদলের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের পালাবদল। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আজ প্রথমবারের মতো বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছেন। এই পালাবদলের মধ্য দিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। 

    শনিবার (৯ মে) কলকাতায় বিজেপির নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এ সংগীতশিল্পীর গান গাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ইমন চক্রবর্তীর এমন পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। 

    যদিও নির্বাচনপরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর থেকেই এ সংগীতশিল্পী সামাজিক মাধ্যমেও এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি, তা সত্ত্বেও গুঞ্জন উঠেছে— আজ বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী।

    এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। রবীন্দ্রজয়ন্তীর বিশেষ দিনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মূল পর্বে শপথের আগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন ইমন চক্রবর্তী। সেখানে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের জন্য এ সংগীতশিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কিছু জানানো হয়নি ইমন চক্রবর্তীকে। দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি, তার প্রশংসা করতেন প্রায়ই। তিনি রাজ্যসরকারের কাছ থেকে ২০২২ সালে ‘বঙ্গভূষণ’ ও ২০২৪ সালে ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মাননা লাভ করেন। এমনকি গত নির্বাচনের আগেও সরকারের হয়ে প্রচার ও সংগীত পরিবেশনায় তাকে সক্রিয় দেখা গেছে। কোনো এক অনুষ্ঠানে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে ইমন চক্রবর্তী বলেছিলেন— ‘দিদি যেখানে আমি সেখানে’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পল্টি নিলেন কবীর সুমন

    ‘আমি তো তৃণমূলের সদস্য নই, আমি তৃণমূলপন্থীও নই। আগে আমি কোনো পার্টির সদস্যও ছিলাম না। মমতা আমার প্রায় হাতে–পায়ে ধরে দাঁড় করিয়েছিলেন। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই আমি পদত্যাগ করি।’ 

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের হারের পর এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন দীর্ঘদিন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ওপার বাংলার সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। 

    কলকাতার সংবাদমাধ্যম আজতক বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। 

    যদিও ২০০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের জাদবপুর থেকে তৃণমুলের মনোনয়নে লোকসভা নির্বাচন করে তিনি সংসদ সদস্য হন। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর কবীর সুমনের এ মন্তব্য তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

    সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমায় মমতা প্রায় হাতেপায়ে ধরে দাঁড় করিয়েছিলেন। তার আগে আমি কোনো পার্টির সদস্যও ছিলাম না।’ 

    ভোটের ফল নিয়ে কবীর সুমনের ভাষ্য, ‘যেভাবে ভোটটা হলো, হঠাৎ সামরিক বাহিনী ঢুকল। ভাবতে পারিনি যে ট্যাংক ঢুকবে। তবে জনাদেশ কেন মমতার বিপক্ষে গেল, সেটা বলতে পারব না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মমতার শাসনের সমালোচনা করে এই গায়ক বলেন, ‘আমি মনে করি, একাধিক ভুল হয়েছে। মানুষ সেটা ভালো চোখে নেয়নি। যেমন চাকরি। চাকরির ক্ষেত্রটা ভয়ংকরভাবে মার খেয়েছে। মানুষ সেটা ভালো চোখে নেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সব কাজ ঠিক করেছেন? উত্তর, না। তিনি পারেননি।’

    তবে নির্বাচনে নিজের ভোট তিনি তৃণমূলেই দিয়েছেন জানিয়ে বলেন, ‘আমি এবারও তৃণমূলকে ভোট দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু আমি তৃণমূলের কাজে খুশি হতে পারিনি। দলের বহু কথা ও আচরণে মানুষ ধাক্কা খেয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক ভালো কাজও করেছেন। যেমন ‘সবুজ সাথী’। বাচ্চারা সাইকেল পেয়েছে। এটা কত বড় কাজ। এসব কাজের পর হয়তো একদিন মমতার একটা মন্দির হবে।’ 

    পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের প্রতি সাম্প্রদায়িক মনোভাব প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন সুমন। তার মতে, ‘আমাদের সমাজে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ আছেন… কিন্তু এখনো অনেকেই মুসলমানদের আলাদা করে দেখেন।’ 

    সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও ইঙ্গিত দেন সুমন। তিনি জানান, এখন ভোট হলে তিনি আবার তৃণমূলকেই ভোট দেবেন। তবে ভবিষ্যতে শক্তিশালী কোনো কমিউনিস্ট দল সামনে এলে তাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। এমনকি তাদের জন্য গান বাঁধার কথাও বলেন কবীর সুমন। 

    এদিকে সুমনের এই অবস্থান বদল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই শিল্পীর এমন বক্তব্যে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন: রচনা

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দ্বিতীয় দফার ভোট প্রদানে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ) সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে ভোটারদের ভিড় দেখা যায়। এ গণতান্ত্রিক উৎসবে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি টালিউডের অনেক তারকাও ভোট দিতে উপস্থিত হন।

    এদিন রঞ্জিত মল্লিক, জিৎ, আবীর চট্টোপাধ্যায়, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, রাজ চক্রবর্তী, কোয়েল মল্লিকের মতো তারকারা ভোট প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ভোট দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    নিজের নির্ধারিত বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট প্রদান শেষে চলতি নির্বাচনের লড়াই নিয়ে কথা বলেন রচনা। 

    তিনি বলেন, এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন। এ বছরের লড়াই অনেক কঠিন। একেবারে মসৃণ লড়াই নয়। গত কয়েক মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও বলেন, ভোটারদের কাছে তাদের প্রধান বার্তা ছিল ভোট দেওয়ার আগে গত ১৫ বছরে রাজ্যের উন্নয়ন ও সরকারের কাজ সম্পর্কে একবার ভেবে দেখা। 

    রচনার দাবি, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ করে দেখিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিবেচনা থেকেই ভোট হওয়া উচিত।

    এর আগে ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই নির্বাচনে তিনি বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়-কে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপনারা তো চোখ দিয়েই রেপ করে দেন, বিজেপিকে রূপাঞ্জনা

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট শেষ। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে সব জায়গায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রচার। এমন সময় ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র।

    সোমবার (২৮ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এসে রূপাঞ্জনা দাবি করলেন যে, রীতিমতো ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাকে।

    তার দাবি, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের পর সাবেক দল থেকে বহু কটূক্তি এসেছে তার দিকে। সব উড়িয়ে দিলেও ধর্ষণের হুমকি পেয়েছেন তিনি।

    লাইভে এসে অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, শুধু সমালোচনা নয়, তাকে সরাসরি ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে ক্ষুব্ধ এবং বিষয়টিকে আর হালকাভাবে নিচ্ছেন না। এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন রূপাঞ্জনা।

    প্রশ্ন তুলে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘দীর্ঘ ২৫ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা শক্ত করেছি। একজন সফল নারী হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছি। সব কিছুর ঊর্ধ্বে আমি একজন নারী। আর একজন নারীর প্রতি এমন নিম্নরুচির মন্তব্য কীভাবে সম্ভব বিজেপি? সেটা বুঝে আসে না।’

    বিজেপিকে উদ্দেশ্যে করে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘সাচ্চা বাঙালিকে ভয় দেখাতে আসবেন না। আপনারা তো চোখ দিয়েই রেপ করে দেন। তারপর নির্লজ্জের মতো ধর্ষণ নিয়ে কথা বলেন। নারী সুরক্ষা নিয়ে কথা বলেন অথচ একজন নারীকে সোশাল মিডিয়ায় ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছেন। যে ভাষা ব্যবহার করেন, অশালীন গালিগালাজ করেন তাতেই বোঝা যাচ্ছে ক্ষমতায় এলে কী পরিণতি হবে।’

    কঙ্গনা ও মন্দাকিনীর কথা উল্লেখ করে রূপাঞ্জনা বলেন, ‘বিজেপির গুণ্ডা কালচার ছাড়া এটা আর কিছুই নয়। আবারও বলছি সাহস থাকলে সামনে এসে হুমকি দিন। এখন তো কঙ্গনা, মন্দাকিনী থেকে শুরু করে বিহারে ভোজপুরী তারকাদের নিয়ে তাসা পার্টিতে ব্যস্ত। একটা কথা শুনে রাখুন যারা আমাকে আক্রমণ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করবো। পশ্চিমবঙ্গকে কখনই উত্তরপ্রদেশ, মণিপুর বা গুজরাট হতে দেব না।’ 

    সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছোঁয়ার আকুতি আর হাত ধরে টানাটানি, ভোটের মাঠে অঙ্কুশ

    পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্ব আগামী ২৯ মে। এই শেষ দফায় ভোটের মাঠে সব দলই নেমেছে কোমর বেঁধে। একাধিক টালিউড তারকা নিজেদের পছন্দের দলের হয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।  

    রোববার (২৬ এপ্রিল) বনগাঁয় এক বিশাল রোড শোর আয়োজন করা হয়েছিল ঘাসফুল দলের পক্ষ থেকে।  আর তাতে তারকা মুখ হিসেবে দেখা যায় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাকে। সরাসরি রাজনীতিতে না থাকলেও বরাবরই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অঙ্কুশ। ভোটে দাঁড়াতে পারেন, এমন খবরও শোনা গিয়েছিল মাসখানেক আগে। তবে প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকলেও তৃণমূলের হয়ে প্রচারে অংশ নেন তিনি। রাজ্যসরকারের যে কোনো অনুষ্ঠানেই থাকেন তিনি ও তার বান্ধবী ঐন্দ্রিলা সেন। অঙ্কুশ স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এ মুহূর্তে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন না এবং সম্পূর্ণভাবে সিনেমা ও প্রযোজনা নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চান।

    প্রচণ্ড ভিড়ের মাঝেও পছন্দের অভিনেতাকে একপলক দেখার আর ছোঁয়ার আকুতি ভোটারদের। এমনকি ভিড়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার হাতেও পড়ল টান। তরুণীদের মাঝে  হুড়োহুড়ি। কেউ কেউ আবার উপহারও এনেছেন। আর এসব কিছুই হাসিমুখে সামলালেন অভিনেতা। এদিন অঙ্কুশ হাজরার পাশে দেখা গেল অভিনেতা সোহেল দত্তকেও। 

    এর আগে ২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মর্যাদাপূর্ণ ‘মহানায়ক সম্মান’-এ ভূষিত হযন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। নিন্দুকদের দাবি, শাসক দলের সঙ্গে দহরম-মহরম থাকার কারণেই নাকি এ সম্মান। যদিও নিজেই জানিয়েছিলেন যে, তিনি নিজেকে এই প্রজন্মের ‘মহানায়ক’ হিসেবে মানেন না এবং এই পুরস্কারের যোগ্য হয়ে উঠতে তার আরও অনেক পরিশ্রম বাকি।

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট অঙ্কুশ নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘অঙ্কুশ হাজরা মোশন পিকচার্স’ শুরু করেন। এর আগে ২০১০ সালে ‘কেল্লাফতে’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে জগতে পা রাখেন অঙ্কুশ হাজরা। ‘খিলাড়ি’, ‘কানামাছি’, ‘আমি শুধু চেয়েছি তোমায়’, ‘ভিলেন’, ‘বিবাহ অভিযান’, ‘ম্যাজিক’ এবং ‘শিকারপুর’-এর মতো ভিন্নধর্মী সিনেমায় অভিনয় করে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। 

    তার প্রযোজিত প্রথম সিনেমা ‘মির্জা’, যা ২০২৪ সালে মুক্তি পায়। এটি একটি বড় বাজেটের অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা, যদিও বক্স অফিসে সেভাবে সাড়া জাগাতে পারেনি। শেষ সিনেমা ছিল নারী চরিত্র বেজায় জটিল, যার রীতিমতো ভরাডুবি হয়।

    অন্যদিকে তারকাদের মধ্য়ে জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন দীপক অধিকারী দেব, সৌমিতৃষা কুণ্ডু-রা। এমনকি তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন এসেছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের তরফ থেকেও। মমতার সভায় এসেছিলেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। টালিপাড়ার তারকারা বেশিরভাগই এখন ‘দিদির’ পাশে। এবার কতটা মন থেকে আর কতটা চাপে পড়ে তা বলা মুশকিল! এখন দেখার বিষয়— প্রচারের এই বহর কতটা ছাপ ফেলতে পারে ব্যালেট বক্সে। আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলের মাধ্যমে কাদের মুখে ফুটবে জয়ের হাসি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতিতে নামার প্রসঙ্গে যা বললেন ইমন চক্রবর্তী

    সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিক অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কালীপূজাতেও উপস্থিত ছিলেন তিনি। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—তাহলে কি এবার রাজনীতিতে নামছেন ইমন?

    এই জল্পনার জবাব দিয়েছেন গায়িকা নিজেই। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জোট-জল্পনা চলছে, তখনই এক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইমন বলেন, ‘দিদির বাড়িতে আমি কালীপূজার দিন গিয়েছিলাম। তিনি আমাদের যেভাবে যত্ন করেছেন, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি, কাকু আর আমার স্বামী—আমরা তিনজনে গিয়েছিলাম। দিদি নিজে হাতে আমাদের খাবার পরিবেশন করেছেন, দুটি শাড়ি উপহার দিয়েছেন এবং তার ঘরও ঘুরে দেখিয়েছেন।’

    তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন তিনি। ইমন বলেন, ‘এর মানে এই নয় যে, দিদি আমাকে ভোটে দাঁড়াতে বলবেন। দিদি আমার গান ভালোবাসেন, আমার মনে হয় তিনি আমার একজন শ্রোতা মাত্র—অন্য সবার মতোই। যদি ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক প্রস্তাব আসে, তখন ভাবব। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কিছু হয়নি।’

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ট্রেন্ডে অংশ নিয়েছেন ইমন, যেখানে শিল্পীরা নিজেদের সাম্প্রতিক কাজের প্রশংসা জানিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনার ভঙ্গিতে পোস্ট করছেন। ইমনও ইনস্টাগ্রামে এমনই একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন, যেখানে লেখা ছিল, ‘আমাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। স্টেজে পাওয়ার-প্যাকড মুহূর্তে মানুষ উচ্ছ্বসিত। হয়তো অল্প সময়েই আমরা অনেক সুন্দর গান উপহার দিতে পেরেছি।’

    সব মিলিয়ে ইমন চক্রবর্তী যেমন সংগীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, তেমনি আলোচনায় রয়েছেন সম্ভাব্য রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়েও। তবে তার ভাষায়—‘এখন আমার একমাত্র মনোযোগ গানেই।’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • পেট্রোলপাম্পেও কাজ করেছেন ঐশ্বরিয়ার নায়ক

    মির্জা আব্বাস আলি। পশ্চিমবঙ্গে জন্ম হয়েছিল এ অভিনেতার। কলেজে পড়াকালীন ১৯৯৪ সাল থেকে মডেলিং শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে এসে তিনি তামিল চলচ্চিত্র ‘কাধাল দেশম’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, যা বাণিজ্যিক সাফল্য পায়। সেই সঙ্গে ফিল্মিবোদ্ধদেরও মন জয় করে নেন। কারণ এ সময়টা ছিল তামিল চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ সময়। রজনীকান্ত ও কমল হাসানের মতো তারকারা তখন চল্লিশের কোঠায়, ‘তরুণ’ হার্টথ্রব নায়কের চরিত্রে তাদের গ্রহণযোগ্য কম ছিল। সে কারণে বিজয়, অজিত কুমার, অরবিন্দ স্বামী এবং আর মাধবনসহ নতুন প্রজন্মের তারকাদের উত্থান ঘটে। আর এ সময় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে আব্বাস ‘হার্টথ্রব’ নায়ক বলে ডাক নাম ছড়িয়ে পড়ে। রাতারাতি স্টার হয়ে যান এ অভিনেতা। এরপর তার ঝুলিতে পরিচালক-প্রযোজকদের কাছ থেকে আসতে থাকে একের পর এক ছবির অফার। 

    আব্বাস শুরু করলেন ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময়। তেলেগু ভাষায় প্রিয়া ও প্রিয়া, রাজা এবং তামিল ভাষায় কান্নেঝুথি পোট্টুম থোট্টু, পাদায়াপ্পা এবং সুয়াম্বরমের মতো ছবিতে অভিনয় করে ফেললেন। রাহুল রায়ের মতো ‘ওয়ান ফিল্ম ওয়ান্ডার’ ছিলেন না বঙ্গভূমে জন্ম নেওয়া এ অভিনেতা। কিন্তু এসব ছবিই দক্ষিণের বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পেয়েছিল। 

    অভিনেতা কমল হাসান ও শাহরুখ খান অভিনীত ‘হে রাম’-এ ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয় করার পর আব্বাস কান্ডুকোন্ডেইন কান্ডুকোন্ডেইনের সঙ্গে তার সবচেয়ে বড় ব্রেক পান। আর এই রোমান্টিক ছবিতে তিনি সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন। আর সেখানে মামুট্টি, অজিত কুমার ও টাবুও ছিলেন ছবির অন্যতম চরিত্র।

    ২০০০-এর মাঝামাঝি সময়ে আব্বাসকে তামিল চলচ্চিত্রের অন্যতম ভরসাযোগ্য অভিনেতা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ২০০২ সালে ‘অংশ’ ছবির মাধ্যমে আব্বাস আলি বলিউডে পা রাখলেও সেই ছবি বক্স অফিসে সাফলের মুখ দেখেনি। 

    তবে ২০০৬ সালের দিকে হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের কারণে আব্বাস বেশ কয়েকটি তামিল চলচ্চিত্র ছেড়েছিলেন। কিন্তু তার দুটি হিন্দি ছবি ‘অংশ’ ও অউর বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। তিনি যে অন্যান্য ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন সেসবও বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আচমকাই আব্বাসের স্বর্ণযুগ ক্যারিয়ার থমকে যায়।

    শুরু হয় আব্বাস আলির নতুন ক্যারিয়ার।  তামিল ও তেলেগু ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। তার চেয়ে কম জনপ্রিয় অভিনেতাদের পাশে দ্বিতীয় নায়ক হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তী কয়েক বছর ধরে আব্বাসকে তেলেগু চলচ্চিত্রে ক্যামিও ও সহায়ক অভিনেতার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু আর সেই স্টারডম ফিরে পাননি। শেষে ২০১১ সালের পর ফিল্মি ক্যারিয়ারের পতনের বোঝা নিয়েই টেলিভিশন শোতে কাজ শুরু করেন এ অভিনেতা। 

    এরপর মির্জা আব্বাস আলি সবকিছু ছেড়ে নিউজিল্যান্ডে চলে যান। ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছে নতুন জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন। তবে সব অর্থ নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার পর ছোটখাটো চাকরি করতে হয় একসময় দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির পর্দা কাঁপানো এ তারকাকে। রেডনুলিন ২০২২-এ এক সাক্ষাত্কারে এ অভিনেতা বলেন, একটি নির্মাণ সাইটে কাজ করা থেকে মেকানিক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়া— এমনকি বছরের পর বছর সেখানে একটি পেট্রোলপাম্পেও কাজ করেছেন তিনি।

    অবশেষে মোটিভেশনাল স্পিকার হয়ে ওঠেন আব্বাস। ২০২৩ সালে ভারতে ফিরে আবার অভিনয়ে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে এখনো নতুন কোনো প্রজেক্টে চুক্তিবদ্ধ হননি এ অভিনেতা। পরিবারের সঙ্গে চেন্নাইয়ে থাকেন মির্জা আব্বাস।

    বিনোদন ডেস্ক