Tag: তাহসান

  • তাহসানের প্রশ্নে রোজার হৃদয়ছোঁয়া উত্তর

    জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান সম্প্রতি স্ত্রী উম্মে হাবিবা রোজার সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, রোজা তাহসানকে জড়িয়ে ধরে আছেন। ক্যাপশনে তাহসান প্রশ্ন করেন, ‘কে আঁকড়ে ধরে আছে?’ তার এই মিষ্টি প্রশ্ন ও যুগল ছবি নেটিজেনদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। অনেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

    তাহসানের প্রশ্নের জবাব কী রোজা দেবেন না? দিয়েছেন, হাসির ইমোজি দিয়ে নিজের মন্তব্য শুরু করেন রোজা। পরে লিখেন, ‘আমরা দুজনেই দুজনকে আঁকড়ে ধরে আছি এবং এটা একটা সুন্দর মিশ্রণ।’ তার এই উত্তরেও মুগ্ধ হয়েছেন অনেকে।

    এর আগে রোজাকে মেক্সিকোতে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি মেক্সিকোর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ও সাংস্কৃতিক নিদর্শনের ছবি পোস্ট করেছেন। তবে ওই সফরে তাহসান তার সঙ্গে ছিলেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে, অডিও জগতে নিয়মিত গান গাইলেও চলচ্চিত্রে খুব কম সংখ্যক গান করেছেন তাহসান। অভিনয় করেছেন ‘যদি একদিন’ সিনেমায়। দীর্ঘ বিরতির পর তিনি গেয়েছেন ‘জংলি’ সিনেমার ‘জনম জনম’ গানটি। এছাড়া পবিত্র ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দাগি’ সিনেমাতেও একটি গান গেয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বিচ্ছেদ মানেই শত্রু তা নয়’, তাহসান প্রসঙ্গে মিথিলা

    দেশীয় বিনোদন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ ও কণ্ঠশিল্পী তাহসান খান সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ের মাধ্যমে নতুন জীবন শুরু করেছেন। এর পরেই সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম থেকে শুরু করে গণমাধ্যম- সব জায়গায় তাহসান-মিথিলার সম্পর্কটি নতুন করে আবার আলোচনায় এসেছে। 

    বিশেষ করে সাবেক স্বামীর সঙ্গে মিথিলার বর্তমান সম্পর্ক কেমন এবং তাহসানের বিয়ে নিয়ে তার বক্তব্য জানতে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে তীব্র ইচ্ছা দেখা যায়।

    তবে মিথিলা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের মধ্যে কোনো মনোমালিন্য নেই। তারা নিয়মিত যোগাযোগও রাখেন। এমনকি তাহসানের নতুন জীবনের জন্য মিথিলা শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।

    মিথিলা বলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেলেই একে অপরের শত্রু হয়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদের মধ্যে সেই ধরনের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এখনো বন্ধু। আমাদের সন্তান আয়রা, সে আমাদের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছে। আয়রা যে কোনো পরিস্থিতিতে তার বাবা-মা উভয়কেই সমানভাবে ভালোবাসে, তার জন্য আমরা একে অপরের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলি।

    দুই বাংলার ব্যস্ত এই অভিনেত্রী আরও বলেন, বিচ্ছেদ হতে পারে, তবে তার মানে এই নয় যে, আমরা একে অপরের শত্রু হয়ে যাব। যখন আপনি বাবা-মা হন, তখন সন্তানের স্বার্থ সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আমরা একে অপরকে সম্মান করি এবং সন্তানের জন্য একে অপরের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চেষ্টা করি।

    মিথিলা ও তাহসানের দাম্পত্য ছিল দীর্ঘ ১১ বছরের। ২০১৭ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর মিথিলা ২০১৯ সালে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এতো সব পরিবর্তনের পরেও তাহসান এবং মিথিলার মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তা নিঃসন্দেহে অনেকের কাছেই উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা একে অপরকে সমর্থন করে যাচ্ছেন, বিশেষ করে মেয়ে আয়রার জন্য।

    আয়রা বর্তমানে মিথিলার সঙ্গেই বেশিরভাগ সময় কাটায়। তবে তাহসান এবং মিথিলা যৌথভাবে তার অভিভাবকত্ব পালন করেন। মিথিলার বক্তব্য অনুযায়ী, তারা নিজেদের সম্পর্কের সব ভুল বুঝাবুঝি মিটিয়ে, মেয়ে আয়রার ভবিষ্যতের জন্য একসঙ্গে কাজ করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাহসান-রোজার বিয়ের পর মিথিলা লাইভে এসে কান্না নিয়ে যা জানা গেল

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান পারিবারিকভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পরই তা দেশব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এর দুদিন পর ‘লাইভে এসে কান্না করে ক্ষমা চাইলেন মিথিলা’ শিরোনামে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে তথ্যের সত্যতা যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার জানায় ঘটনাটি সত্য নয়।

    রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাহসানের দ্বিতীয় বিয়ের পর তার সাবেক স্ত্রী মিথিলা লাইভে এসে কান্না করেননি বরং, তাহসানের এই বিয়ের পর মিথিলাকে তার ফেসবুক পেজের স্টোরিতে মেয়ের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ছবি শেয়ার করতে দেখা গেছে।

    এ বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। সেখানে মিথিলার কান্নার কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি বরং এতে তাহসানের নতুন স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে তাহসানের বিয়ের স্থিরচিত্র এবং সাবেক স্ত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা ও কন্যা আইরা তেহরীম খানের মিরর সেলফি যুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি ভিডিওটিতে একটি ভয়েসে মিথিলাকে নিয়ে আলোচিত দাবিটি তোলা হয়। তবে ভিডিওতে দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

    এ ছাড়া বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে গণমাধ্যম কিংবা নির্ভরযোগ্য সূত্র আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। 

    উক্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাহসানকে নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ভক্ত অনুরাগীরা। তবে এমন খবরের দিনে তাহসানের সাবেক স্ত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলাও একটি ছবি পোস্ট করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। মেয়ে আইরা তেহরীম খানের সঙ্গে একটি মিরর সেলফি নিজের ফেসবুক স্টোরিতে আপলোড করেছেন মিথিলা। সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর তাহসানও মেয়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটল আজ (৪ জানুয়ারি)।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাহসানের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে রোজার বয়সের ফারাক কত!

    তাহসানের দ্বিতীয় স্ত্রী রোজাকে নিয়ে সরব নেট দুনিয়া। নতুন বউকে দেখে উচ্ছ্বসিত তাহসান ভক্তরা। 

    নিউইয়র্ক থেকে পড়ালেখা শেষ করেছেন রোজা। কসমোটোলজি লাইসেন্স নিয়ে ‘রোজাস মেকওভার’ নিয়ে ব্যবসায় মেতেছেন নিউইয়র্কের কুইন্সে।

    তবে তাহসান ভক্তদের মনে হাজারো প্রশ্ন। যার মধ্যে বেশি সাড়া ফেলেছে, রোজার বয়স নিয়ে। রোজার সঙ্গে মিথিলার বয়সের তুলনা নিয়েও চলছে আলোচনা। এলে পার্থক্য কত তাদের!

    একটি সূত্র বলছে, ১৯৯৮ সালে বরিশালে জন্ম রোজার। সে হিসেবে রোজার বয়স ২৬। আবার কেউ কেউ বলছেন, রোজার বয়স ৩০ এর কাছাকাছি। 

    অন্যদিকে তাহসানের সাবেক স্ত্রী মিথিলার জন্ম ১৯৮৪ সালে। বর্তমান বয়স ৪০। 

    তাহলে বয়সের ফারাক দাঁড়ালো ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে। এক্ষেত্রে বয়সের পার্থক্য বাধা হয়নি তাহসান রোজার বিয়েতে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাহসান-রোজার সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ‘সাবেক প্রেমিক’

    দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান ও তার স্ত্রী রোজা আহমেদ। 

    সোমবার তাহসানের বিয়ের খবর নিশ্চিত হওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ওঠে, ফায়েজ বেলাল নামে এক যুবককে ধোঁকা দিয়ে নাকি তাহসানের সঙ্গে সংসার পেতেছেন রোজা আহমেদ। ফায়েজ দাবি করেন, রোজার সঙ্গে নাকি দুই বছরের প্রেম ছিল তার।

    এরপর তা নিয়ে তৈরি হয় নানা ধোঁয়াশা। তাহসানের স্ত্রী রোজা আহমেদের পরই আলোচনায় আসেন তার কথিত সাবেক প্রেমিক ফায়েজ বেলাল।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকার আয়োজনে তাহসান-রোজার বিয়ে প্রসঙ্গে ফায়েজকে ডেকে আনা হয়। সেখানে রোজা আহমেদের নাম মুখে না নিলেও পরোক্ষভাবে কথিত সাবেককে নিয়ে নানান কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে ফায়েজ এও দাবি করেন, রোজার বিয়ে হওয়ায় ফায়েজের মা কান্নাকাটি করছেন!

    ফায়েজের কথায়, ‘আমার কারও ওপর অভিমান নেই। আমি তাদের দুজনকেই অসংখ্য শুভকামনা জানাই। ওর বিয়ের খবরে (রোজা আহমেদ) আমার মা সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েছেন, মানে আমার থেকেও বেশি। তিনি আমাকে আজকে এই সাক্ষাৎকারে আসতে দিতে চাননি।’

    ফায়েজ বলেন, ‘তখন আমার মা আমাকে খাইয়ে দিচ্ছেন আর সে সময় তার চোখে পানি দেখছি। জিজ্ঞাসা করলাম কাঁদছেন কেন, তখন আম্মু উত্তর দিলেন এরকম তো অনেককেই খাইয়ে দিয়েছি। আমি তার নাম বলতে চাই না; তখন আমিও মা কে ধরে কান্না করে দেই।’

    উল্লেখ্য, ফায়েজ বেলাল পেশায় একজন ব্যবসায়ী সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েনসার। তার বাবার নাম সেলিম শিকদার ও মায়ের নাম ফজিলাতুন্নেসা। তিনি বর্তমানে ঢাকার খিলক্ষেতে বসবাস করেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘প্রেমে অনেক প্রত্যাশা থাকে, পূরণ না হলে কষ্ট হয়’

    নতুন বছরের শুরুতে নতুন সংসার শুরু করেছেন জনপ্রিয় গায়ক অভিনেতা তাহসান। বিয়ের সুখবরের দুদিনের মাথায় প্রকাশ করলেন নিজেরনতুন গান ‘একা ঘর আমার’। তার সেই গানে মডেল হয়েছেন নতুন প্রজন্মের গায়িকা সিঁথি সাহা।

    এদিকে প্রকাশনা উৎসবে অংশ নিয়ে তাহসান বলেছেন, প্রতিবছরই কাজের পরিকল্পনা করি। যদিও গতবছর মাত্র দুটি গান করেছি। তবে এ বছর অনেক বেশি গানের পরিকল্পনা করেছি। বছরের প্রথম মাসেই চারটি গান করেছি। এর মধ্যে শুরুটা করলাম, ‘একা ঘর আমার’ দিয়ে।

    গীতিকার-সুরকার-শিল্পী বলেন, প্রেম নিয়ে এতো এতো গান লেখা হয়েছে, এতো ভালো ভালো গীতিকার গান লিখেছেন। এ কারণে আমি ভেবেছি, প্রেমের ঠিক কোন বিষয়টি নিয়ে গান লেখা হয়নি। তখন মনে হলো, মানুষ যখন কারো প্রেমে পড়ে, অনেক প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ না হলে কষ্ট হয়। ততোদিনে অনেক বড় ভুল হয়ে যায়।

    তাহসান বলেন, এমনো হয়, আপনি যাকে ভালোবাসেন সে যে কষ্টটা দিয়েছে, সেটি আপনি পুষে রাখছেন। আপনি কষ্টে চুরমার হয়ে যাচ্ছেন কিন্তু ভালোবাসা থেকে মুখ ফেরাতে পারছেন না। একজন মানুষকে ভালোবাসি, আবার ঘৃণাও করি, এমন কিন্তু হয়। এমন একটা অনুভূতি থেকে এই গানটা লেখা-সুর করা।

    ‘একা ঘর আমার’ প্রসঙ্গে সিঁথি সাহা বলেন, ‘তাহসান ভাইয়া যেমনটা বলছিলেন, প্রেম যত দিন থাকবে, স্যাডনেস ততোদিন থাকবে। এই গানটাও স্যাড রোমান্টিক। চমৎকার একটি গান। আশা করছি শ্রোতারা মনের ও চোখের আরাম পাবেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • হানিমুনে কোথায় যাচ্ছেন তাহসান-রোজা

    দীর্ঘ বিরতির পর সিঙ্গেল লাইফের অবসান হলো তাহসানের। নতুন বছরের শুরুতেই ভক্তদের দিয়েছেন সুখবর। গায়কের বিয়ে নিয়ে আলোচনা এখনো তুঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই এ উন্মাদনার প্রমাণ মিলছে। গায়ক তাহসান ও তার নতুন জীবনসঙ্গী রোজা আহমেদের বিয়ের ছবি ঘুরছে হাজারো পোস্টে। সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন—হানিমুনে কোথায় যাচ্ছেন তাহসান-রোজা দম্পতি।

    এরই মধ্যে আজ সকালে হানিমুনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন তাহসান ও রোজা। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে দেশের একটি এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে তারা রওনা হন মালদ্বীপের উদ্দেশে। তিন-চার দিন সূর্যময় দ্বীপরাজ্যেই কাটবে তাদের মধুচন্দ্রিমার বিশেষ মুহূর্তগুলো।

    এই সময়ের জনপ্রিয় গায়ক তাহসান শুধু বিয়ে নিয়েই ব্যস্ত নন, সমানতালে সামলাচ্ছেন নিজের সৃজনশীল কাজও। বিয়ের দুদিনের মাথায় নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। ‘একা ঘর আমার’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন এবং সুর দিয়েছেন নিজেই। তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন সিঁথি সাহা। গানটি প্রকাশ করেছে অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়া।

    গত সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় এই গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাহসান। হলুদ পাঞ্জাবিতে সজ্জিত তাহসানের ডান হাতের তালুতে দেখা গেল মেহেদির ‘আর’ অক্ষর—তার স্ত্রী রোজার নামের প্রথম অক্ষর।

    গানের বিষয়ে তাহসান বলেন, ‘গানটা স্যাড ব্যালাড জনরার। প্রেমের এমন এক অনুভূতির কথা তুলে ধরেছি, যেখানে ভালোবাসা আর কষ্ট মিশে আছে। ভালোবাসার মানুষ থেকে কষ্ট পাওয়ার পরও তাকে ভালোবাসতে থাকা—এমন অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকের হয়েছে। সেই অনুভূতি থেকেই গানটা লেখা।’

    উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়বার সময় থেকে মিথিলার সঙ্গে প্রেম তাহসানের। ২০০৬ সালের ৭ অগস্ট ভালোবেসে মিথিলাকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। কিন্তু ১১ বছর পর ঘর ভাঙে দুজনের। ২০১৭ সালে ডিভোর্স হয় তাদের।

    শনিবার দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন তাহসান খান। জনপ্রিয় মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাহসান নিজেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাহসান-রোজাকে নিয়ে যা বললেন তসলিমা

    তাহসান ও রোজার চার মাসের পরিচয়। দুই পরিবারের উপস্থিতিতে শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। ওই রাতেই গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রোজার চাচা মনা আহমেদ। তাদের বিয়ের খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হইচই পড়ে গেছে।
    ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তাদের এ সম্পর্ক ভিন্ন-ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছেন নেটিজেনরা। কেউ প্রশংসা করছেন আবার কেউ করছেন কটাক্ষ। ফেসবুকে অসংখ্য পোস্টে দেখা গেছে একটি কথা, তা হলো ‘তাহসান জিতেছে’। সেই পোস্টগুলো নব্বইভাগই পুরুষের।
    ‘তাহসান জিতেছে’ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি ফেসবুকে লম্বা স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তা পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
    ‘ফেসবুক ছেয়ে গেছে ‘তাহসান জিতেছে তাহসান জিতেছে’ রবে। কেন তাহসান জিতেছে, বুঝে পেলাম না। সে একটা মেয়েকে বিয়ে করেছে বা করতে যাচ্ছে। এর মধ্যে জেতাজেতির কী হলো! হেটারোসেক্সুয়ালদের বিপরীত লিঙ্গে আকর্ষণ থাকে, তারা জীবনের কোনো এক সময় পছন্দসই কাউকে পেলে তার সঙ্গে প্রেম করে, লিভ ইন করে বা তাকে বিয়ে করে। এ তো স্বাভাবিক। জিতলো কেন তাহলে তাহসান? আসলে যারা জিতেছে জিতেছে বলে চেঁচাচ্ছে, তারা চেঁচাচ্ছে কারণ তারা মনে করেছে তাহসান এক বাচ্চার বাবা হয়ে, ডিভোর্সি হয়েও একটা ‘কচি সুন্দরী ভার্জিন মেয়ে’ পেয়েছে। মর্ত্যে বসে যত খুশি এবং যেভাবে খুশি নারী ভোগ করার পর স্বর্গে গিয়ে সঙ্গমের জন্য ভার্জিন হুর পেয়ে যাওয়াকে মুসলমানরা ‘জিতে যাওয়াই’ মনে করে; কিন্তু রোজা আহমেদ রক্ত-মাংসের মানুষ, হুর নয়, খুব সম্ভবত ভার্জিনও নয়। রাজকন্যার জীবন তার ছিল না, খুব স্ট্রাগল করেই দরিদ্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে একটি মেয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। স্ট্রাগল করার সময় নিজের লক্ষ্যে স্থির ছিল বলে নিজের স্বপ্ন যে করেই হোক পূরণ করতে চেয়েছিল বলে পুরুষতান্ত্রিক নারীবিদ্বেষী সমাজ রোজাকে কম নিন্দে করেনি, কম অপমান করেনি, কম অপদস্থ করেনি। মিথিলাকে নিয়েও কম কুৎসা রটানো হয়নি।
    তাহসান জিতেছে, এ নিয়ে সবাই উল্লাস করছে। নারীবিদ্বেষী সমাজে সব পুরুষই জেতে। তাদের হার নেই। হারতে হয় শুধু নারীকেই; কিন্তু আমি কি মনে করি মিথিলা বা রোজা হেরেছে? না। তারা একটুও হারেনি। তারা স্বনির্ভরতা এবং স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারছে- নারীবিদ্বেষী সমাজে নারীর জিতে যাওয়ার প্রথম শর্তই এটি। তারা ভ্রুক্ষেপ করছে না কুৎসা বা নিন্দে- এ জিতে যাওয়ার দ্বিতীয় শর্ত। ভালো না লাগলে তারা তাদের সঙ্গীকে, সে প্রেমিক হোক, সে স্বামী হোক, ত্যাগ করতে পারছে, তারা বাধ্য নয় তাদের সঙ্গে এক ছাদের তলায় বাস করতে, এ জিতে যাওয়ার তৃতীয় শর্ত। তাহসানকে যদি কখনো পছন্দ না হয় রোজার, তার স্বনির্ভরতাই তাকে সাহস জোগাবে তাহসানকে ত্যাগ করার। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষের জেতা কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। নারীর জন্যই এ চ্যালেঞ্জ। দুই নারীই চ্যালেঞ্জে জিতেছে। জয়তু নারী।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের আগে যে ‘ওয়াদা’ করেছেন তাহসান-রোজা

    বছরের শুরুতেই সুখবর দিয়েছেন গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান। দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন এই তারকা। পাত্রী সুদূর মার্কিন মুলুকের বাসিন্দা রোজা আহমেদ। পেশায় যিনি একজন রূপসজ্জাকর।

    তবে বিয়ে নিয়ে এখনো গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি তাহসান এবং রোজা। বরং ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমেই বিয়ে নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল মেটাচ্ছেন তারা। শনিবার (৪ জানুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে রোজার সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে তাহসান লিখেছিলেন, ‘কোনো এক ছুটির দিনে যখন আমি পিয়ানোতে/আমার সুরে নাচের মুদ্রায়, সেই তুমি কে?/যার ছন্দের মুগ্ধতায় কেটে যাবে বাকিটা জীবন/ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে, সেই তুমি কে?

    এবার তাহসানের স্ত্রী রোজা আহমেদের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানা গেল, বিয়ের আগে তারা পরস্পর বিশেষ ওয়াদা করেছেন!

    রোজা তার ফেসবুকে বিয়ের বেশকিছু ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মানুষ খুঁজে পেয়েছি, যে উদার। যে এই সম্পর্কে চেয়েছে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্ব। আর আমিও এগুলোর জন্য প্রতিজ্ঞা করেছি; পাশাপাশি চেয়েছি জীবনের বসতবাড়ি। সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ!’

    প্রসঙ্গত, রোজা আহমেদ পেশায় মেকওভার আর্টিস্ট। পড়াশোনা করেছেন মার্কিন মুলুকে। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে কসমেটোলজির ওপর পড়াশোনা করে সেখানেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের প্রতিষ্ঠান। শহরটির কুইন্সে আছে রোজা’স ব্রাইডাল মেকওভার। ১০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি এ পেশায় যুক্ত।

    ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট অভিনেত্রী মিথিলাকে বিয়ে করেন তাহসান। ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই তাদের ঘর আলোকিত করে আসে আইরা তাহরিম খান। তবে ২০১৭ সালে তাদের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি ঘটে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাহসানের সঙ্গে মিথিলার কেমন সম্পর্ক?

    দাম্পত্য জীবনে বিশ্বাস-বন্ধুত্ব আর সম্মানই শেষ কথা। তাহসান ও মিথিলা দীর্ঘ ১১ বছর সংসার করার পর বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন।২০১৭ সালে যৌথভাবে বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। তার ঠিক দুবছর পরে ২০১৯ সালে কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে গাঁটছড়া বাধেন মিথিলা। 

    সবাইকে চমকে দিয়ে শনিবার জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করলেন মিথিলার সাবেক স্বামী। সন্ধ্যায় নতুন বউকে বাহুডোরে আগলে বিয়ের সুখবর দেন তাহসান। শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন তিনি, তার ফেসবুক পোস্টের লাইক সংখ্যা ইতোমধ্যেই ১৪ লাখ পার করেছে। রোববার বিয়ের একগুচ্ছ অদেখা ছবি পোস্ট করলেন তাহসানের দ্বিতীয় স্ত্রী রোজা আহমেদ। নেটদুনিয়ায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তারা। নবদম্পতির ছবি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ফেসবুক। থেমে নেই আলোচনাও।

    মিথিলা-তাহসান ২০১৬ সালের পরে আর একসঙ্গে কাজ করেননি। তবে গত বছরের জুনে ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে একসঙ্গে দেখা যায় তাদের। তখন ফের তাদের সম্পর্ক নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। সেই সময়ে তাহসানের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনের সাক্ষাৎকারে কথা বলেছিলেন মিথিলা।

    তিনি বলেছিলেন, ‘এত বছর পর কাজ করলাম, লোকে আবার অনেক কথা বলতে শুরু করল। লোকে তো জানেই না আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের কথা। আমরা খুব ভালো আছি। আমাদের যখন বিচ্ছেদ হয় আয়রার এক বছর বয়স। ওকে নিয়ে সব জায়গায় ঘুরেছি। বাড়ির সাহায্য পেয়েছি। তাহসানের কাছে আয়রাকে রেখে বাইরে গিয়েছি। কর্মসূত্রে যখন বাইরে যাচ্ছি, তখনো আমি আয়রাকে সঙ্গে নিয়ে গেলে কাজের জায়গা থেকে ওরা আপত্তি করেনি।’

    বিচ্ছেদের পরে সম্পর্ক রাখা স্বাভাবিক? এই প্রশ্নের উত্তরে মিথিলা বলেছিলেন, ‘সব সম্পর্কে বন্ধুত্ব না-ও থাকতে পারে। কিন্তু সন্তান থাকলে তার স্বার্থ আগে দেখতে হবে। সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য আমার কাছে সবচেয়ে আগে। এটাই উচিত। আমি আয়রাকে দেখতে পেলাম না। আমি আর তাহসান লড়াই করলাম, এই ইগোর যুদ্ধে তো বাচ্চার ক্ষতি হবে। আমি আর তাহসান ১৪ বছর একসঙ্গে থেকেছি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের আলাপ শুরু। দু’জন দুজনকে ভালো করে জানি। আয়রা আমাদের দু’জনের কাছে সবচেয়ে আগে।’

    বিনোদন ডেস্ক