Tag: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • ট্রাম্পের ওপর বেজায় চটেছেন ব়্যাপার বাদশাহ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কারোপ করায় দুদেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। এমনকি ভারতের রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণেও অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে ওয়াশিংটন। এতে বেজায় চটেছেন ভারতীয় র্যাপার বাদশাহ। ট্রাম্পের এ শুল্কনীতিতে আমেরিকায় দাড়িয়ে সেই নীতির জবাব দেন এ সংগীতশিল্পী। 

    এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন রয়েছে। আর এ নিয়ে মার্কিনমুলুকে দাঁড়িয়েই তার শুল্কনীতির সমালোচনা করলেন ভারতীয় ব়্যাপার বাদশাহ। নিউজার্সিতে নিজের কনসার্টে ট্রাম্পের শুল্কনীতিতে গানের মাধ্যমে খোঁচা দিলেন এ সংগীতশিল্পী।

    উত্তর আমেরিকা সফরের অংশ হিসাবে ভার্জিনিয়ায় দর্শক উপচেপড়া ভিড়ের সামনে শোয়ে পারফর্ম করেন র্যাপার বাদশাহ। সেখানেই সংগীতপ্রেমী দর্শকের সামনে তিনি ট্রাম্পের শুল্কনীতির জবাব দেন। 

    ‘বীরে দি ওয়েডিং’-এর জনপ্রিয় গান ‘তারিফান’ গাওয়ার সময় বাদশাহ লাইন বদলে ফেলেন। এ সময় এ সংগীতশিল্পীকে গাইতে শোনা যায়— ‘কিন্নি ট্যারিফ চাহিদি ট্রাম্প নু?’ (ট্রাম্প আর কত শুল্ক চান?)। 

    বাদশাহর এ গানের লাইন পরিবর্তনের অংশটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভক্ত-অনুরাগীরা এটিকে কনসার্টের সবচেয়ে মজার অংশ বলে মন্তব্য করেন।

    এ কটাক্ষ শুধু র্যাপার বাদশাহই নয়, এর আগে বিগ বস-১৯ মঞ্চেও নাম না করে ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়েছিলেন বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খান। প্রতিযোগীদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন— যারা গোটা দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি ঝামেলা ছড়াচ্ছে, তারাই এখন শান্তির পুরস্কার চাইছেন। যদিও কারও নাম উল্লেখ করেননি ভাইজান। তবে এটি যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকেই আঙুল তুলেছিলেন, তা স্পষ্টই বোঝা যায়।

    উল্লেখ্য, র্যাপার বাদশাহ পরবর্তী কনসার্ট রয়েছে বে এরিয়া, সিয়াটেল, ডালাস এবং শিকাগোতেও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অশান্তি বাড়াচ্ছেন, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত সালমানের?

    সালমান খানের এক বক্তব্যেই তোলপাড় ‘বিগবস ১৯’-এর ‘উইকএন্ড কা ভার’। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বলিউড ভাইজান অনৈতিক আচরণের জন্য ভর্ৎসনা করেন প্রতিযোগী ফারহান ভাটকে। তবে দর্শক-শ্রোতাদের দাবি— ফারহানকে সামনে রেখে আদতে নাকি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও একহাত নিয়েছেন।

    প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে কিছু দিন ধরেই নাকি শোনা যাচ্ছিল, ফারহান বাকিদের মধ্যে বিবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তার উসকানিমূলক আচরণ এর জন্য দায়ী। শনিবার এ কথাই বলতে শোনা যায় শোর সঞ্চালককে।

    প্রতিযোগীকে তিরস্কার করে ভাইজান বলেন, শান্তির দূত তাকেই বলে, যিনি সবার মধ্যে সদ্ভাব বজায় রাখার চেষ্টা করেন। কারও মধ্যে ঝগড়া হলে দায়িত্ব নিয়ে মিটিয়ে দেন। 

    এরপরেই অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়— আর ইনি তো গোটা দুনিয়ায় অশান্তির জাল বিছিয়েছেন। এখন তিনিই ‘শান্তি পুরস্কার’ চাইছেন?

    অভিনেতা-সঞ্চালকের শেষের বক্তব্য ভিডিও আকারে ভাইরাল। অনুরাগী দর্শকরাও দুইয়ে দুইয়ে চার করতে ব্যস্ত।

    উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই ‘বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠাতা’র স্বীকৃতির জন্য বক্তব্য রাখছেন। নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তাকে মনোনীত করা হোক— এমন দাবিও তার। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশকে অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি। 

    গত মাসে তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ওভাল অফিসে আবেদন জানিয়েছিলেন, ইসরাইল এবং আরব দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের ভূমিকা অনস্বীকার্য, যার জন্য এ পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্পের যে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন টম ক্রুজ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া কেনেডি সেন্টার সম্মাননা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন
    হলিউডের জনপ্রিয়
    অভিনেতা টম ক্রুজ।টপ গান: ম্যাভেরিকখ্যাত অভিনেতা জানিয়েছেন, সময়সূচি না মেলায় ট্রাম্পের এই প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে পারেননি তিনি।
    খবর- ওয়াশিংটন
    পোস্ট

    খবরে জানা গেছে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে থাকার সময়ে প্রথম দফায় যারা সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন, তাদের তালিকায় নাম
    আছে টম ক্রুজের। কিন্তু সময়সূচি
    না মেলায় তালিকায় নাম থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেন
    এ অভিনেতা

    গত বুধবার (১৩ আগস্ট) ৪৮তম কেনেডি সেন্টার সম্মাননা
    প্রাপকদের
    একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে গ্ল্যাম মেটাল ব্যান্ড কিস, ব্রডওয়ে তারকা মাইকেল ক্রফোর্ড, কান্ট্রি সংগীতের কিংবদন্তি জর্জ স্ট্রেইট, গায়িকা গ্লোরিয়া গেনর।
    ছাড়া
    চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে রয়েছেন সিলভেস্টার স্ট্যালোন, মেল গিবসন এবং জন ভয়েটে।

    ট্রাম্প জানিয়েছেন, এবারের কেনেডি সেন্টার সম্মাননার আয়োজন তিনি নিজেই ব্যক্তিগতভাবে সঞ্চালনা করবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্পের অধীনে চাকরি করতেন সুস্মিতা, জানালেন সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা

    ভারতের প্রথম বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় জয়ের পর বলিউডে দীর্ঘ অভিনয়জীবন কাটালেও সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পারেননি। তবে অভিনয়ের পাশাপাশি নিজেকে গড়ে তুলেছেন একজন উদ্যোক্তা হিসেবেও। আশ্চর্যের বিষয়, একসময় যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংস্থায়ও কাজ করেছেন তিনি।

    রাজনীতিতে আসার আগে ট্রাম্প ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সফল শিল্পপতি এবং ১৯৯৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মিস ইউনিভার্স অর্গানাইজেশনের মালিক ছিলেন। ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার দায়িত্বও ছিল তার সংস্থার হাতে। সেই সময়ে সুস্মিতাকে ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা তিনি এককথায় গ্রহণ করেন। 

    সুস্মিতার ভাষায়, ‘দীর্ঘদিন ধরে ইচ্ছে ছিল এটার অংশীদার হওয়ার। যখন এর ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়িত্ব নিলাম, বলা যেতে পারে সেখানে এক বছরের জন্য চাকরি করলাম, তখন মালিক ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একটি বেশ জটিল চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে হয়েছিল।’

    ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে সুস্মিতা বলেন, ‘কিছু মানুষ এমনিই নিজেদের ছাপ রেখে যান। সেটা তাদের কৃতিত্ব কিংবা ক্ষমতার কারণে নয়। বরং তারা কোনো বিশেষত্ব নিয়েই জন্মান।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘যদি নোবেল দিলে উনি চুপ থাকেন, তবে তাই দেওয়া হোক’

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সুপ্ত বাসনা নতুন নয়। দ্বিতীয় দফায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই তিনি এ নিয়ে নিয়মিত মন্তব্য করে আসছেন। সম্প্রতি এ হতাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। 

    ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মনে করেন তাকে নোবেল দেওয়া হবে না। কারণ এটি শুধু উদারপন্থিদেরই দেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক হনসল মেহতা চান ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়া হোক, তবে তার কাজের জন্য নয়; বরং তার মুখ বন্ধ করার জন্য।

    তার এই ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে বেশ আলোচনা ও সমালোচনা। ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করে বলেছেন, কঙ্গো ও রুয়ান্ডার ঝামেলা সমাধান করার পাশাপাশি সার্বিয়া-কসোভোর সমস্যাও সমাধান করেছি। এমনকি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বড় যুদ্ধ থামানোর জন্যও তার নোবেল পাওয়া উচিত ছিল। 

    তিনি বলেন, আমার মনে হয়, আমার ৪-৫ বার নোবেল পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ওরা আমাকে নোবেলটা দেবে না। ওটা ওরা শুধু উদারপন্থিদের দেয়।

    ট্রাম্পের এমন কথার পরই তাকে তীব্র আক্রমণ করেছেন হনসল মেহতা। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন— যদি নোবেল দিয়ে দিলে উনি চুপ করে যান, তবে এটা অবশ্যই তাকে দেওয়া হোক। এক অনর্গল বকতে থাকা মানুষটিকে থামানোর ক্ষেত্রে সেটি খুবই সামান্য বিনিয়োগ হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রাম্পকে নিয়ে কথা বলতে অপারগ টম ক্রুজ

    মাত্র ক’দিন পরই নতুন সিনেমা মুক্তি। এ নিয়ে চলছে জোর প্রচারণা। এরমধ্যেই দেশের প্রেসিডেন্টকে নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হলিউড সুপারস্টার টম ক্রুজ। ‘মিশন ইম্পসিবল’ সিরিজের ৮ নাম্বার ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে ২৩ মে পর্দায় হাজির হচ্ছেন এ আইকনিক তারকা। 

    সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বক্তব্যে বলেছেন, বিদেশী কোনো সিনেমা আমেরিকায় প্রদর্শণ করতে হলে শতভাগ ট্যাক্স দিতে হবে। এ নিয়ে হলিউডবাসীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কারণ, হলিউডের সিনেমাও বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হয়। সেক্ষেত্রে এই ইন্ডাস্ট্রির সিনেমা ভিনদেশীরা কীভাবে নেবে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে তাদের মনে। সম্প্রতি ঠিক একই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন টম ক্রুজ। কিন্তু ট্রাম্পের শুল্কারোপ নিয়ে কথা উঠলে টম ক্রুজ সেটা এড়িয়ে যান।

    ১০ মে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ‘মিশন ইম্পসিবল : দ্য ফাইনাল রেকনিং’ সিনেমার বিশ্বব্যাপী প্রচারণা উপলক্ষ্যে একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন টম, যেখানে তাকে ‘বিদেশী ভ‚খন্ডে নির্মিত’ সিনেমার উপর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রস্তাব এবং বিশ্বজুড়ে গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ক্ষেত্রে মার্কিণ নীতি কীভাবে প্রযোজ্য হতে পারে, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। 

    অনুষ্ঠান চলাকালীন একজন কোরিয়ান সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘এই সিনেমাটি আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চিত্রায়িত হয়েছে। অবশ্যই, আমরা সবাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিদেশী প্রযোজনা এবং সিনেমার উপর যে শুল্ক আরোপ করছেন সে সম্পর্কে অবগত। তাহলে এই বিশেষ সিনেমাটি কি সেই শুল্কের আওতায় পড়বে? কারণ এই সিনেমাওতো বিদেশী ভুখন্ডে শুটিং করেছেন। এটাও জানতে চাই সিনেমাটির কতটা অংশ বিদেশে চিত্রায়িত হয়েছে?’ 

    এমন প্রশ্নে টম ক্রুজ বলেন, ‘আমরা বরং সিনেমা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর দিতে চাই। ধন্যবাদ।’ 

    বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার কারণে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, তবে খোদ টমও কী ট্রাম্পের ভয়ে তটস্থ? কিংবা ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করতে চান না? নাকি তিনি ট্রাম্পকে পূর্ণাঙ্গ সমর্থন করেন? যদিও টমই হলিউডের একমাত্র তারকা নন, যাকে প্রথমবার এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। 

    এর আগে হলিউডের আরও একাধিক তারকা এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তবে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি যে টমকে আরও হতে হবে সেটা প্রায় নিশ্চিত। কারণ, ১৫ মে থেকে কান চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হচ্ছে। আর সেখানে প্রিমিয়ার হবে ‘মিশন ইম্পসিবল : দ্য ফাইনাল রিকনিং’ সিনেমা, যেখানে উপস্থিত থাকবেন টম ক্রুজ। একই জায়গার থাকবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা। স্বভাবতই কারও মুখ থেকে এ ধরনেনর প্রশ্ন ছুটে আসা অসম্ভব কিছু নয়। কারণ, কান উৎসব মানেই একটি বিশ্বব্যাপী বাজার, যা ট্রাম্পের নীতির সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্নের ঝড় তুলতে পারে। 

    একই ঘটনার কারণে আমেরিকান প্রযোজনা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করতেও দ্বিধায় পড়তে পারেন অন্য দেশের প্রযোজকরা। যদিও মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য তথা স্টুডিও প্রধানরা ১১ মে ট্রাম্পের শুল্ক প্রস্তাব মোকাবেলা করার কৌশল নির্ধারণের জন্য একটি বৈঠক করেছেন, এবং কান উৎসবে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সম্ভাব্য সমাধানের প্রস্তুতিও নিয়েছেন বলে মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে। 

    অবশ্য টম ক্রুজকে যে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কারণ ট্রাম্প এখনও বিদেশী সিনেমার উপর কোনও শুল্ক আরোপ করেননি। যদি সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় তাহলে তার প্রশাসন কীভাবে এই নীতিমালা কার্যকর করবে, কিংবা ‘মিশন ইম্পসিবল’র মতো সিনেমা মুক্তির উপর প্রভাব ফেলবে কিনা তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। কারণ, এটি একটি মার্কিন কোম্পানি দ্বারা প্রযোজনা করেছেন, এবং একইসঙ্গে বিভিন্ন আস্তর্জাতিক স্থানে চিত্রায়িত হয়েছিল। 

    উল্লেখ্য, এর আগে ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্য্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে বিদেশী সিনেমাকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি’ বলে অভিহিত করেছেন এবং লিখেছেন, ‘আমরা আবার আমেরিকায় তৈরি সিনেমা চাই!’ তার এই ঘোষণাটি শিল্পে ব্যাপক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। তবে সমালোচনার মুখে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী বিবৃতি দ্বারা উত্তেজনার প্রশমন করার চেষ্টা করেছেন এই বলে যে, ‘বিদেশী সিনেমার উপর শুল্ক আরোপ’ সম্পর্কে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    শাহনাজ হেনা

  • ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তে ধ্বংস হতে পারে ভারতের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশি সিনেমার ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই সিদ্ধান্ত ভারতের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে বড়সড় বিপদের মুখে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

    বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলিউড পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১০০ শতাংশ বিনোদন শুল্কে ভারতীয় সিনেমা জগৎ শঙ্কিত। বিনোদন শুল্ক আদতে ধ্বংসাত্মক। যদি এটি চলতে থাকে, তবে ভারতীয় ছবির জগৎ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কেউ বাঁচাতে পারবে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জেগে ওঠার সময় এসেছে। আত্মতুষ্টি ও পাপ্পারাজ্জি-সংস্কৃতি ছেড়ে বাস্তব সংকটের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।’

    ট্রাম্পের ঘোষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি প্রযোজিত যেকোনো সিনেমা মুক্তির ক্ষেত্রে দিতে হবে ১০০ শতাংশ কর। যদিও এই নিয়ম কবে থেকে কার্যকর হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।

    বলিউডের অনেক সিনেমা মার্কিন বাজারসহ বিশ্বজুড়ে মুক্তি পায় এবং তা থেকে উল্লেখযোগ্য আয় হয়। ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির ফলে সে লাভে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। ফলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ভারতের সিনেমা নির্মাতাদের কপালে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্যারোডি পোস্টারে হলিউড অভিনেতা ভিন্স ভন

    ‘ওয়েডিং ক্র্যাশার্স’, ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউডের কমেডি সিনেমা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন ওয়েন উইলসন ও ভিন্স ভন। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ‘এক্স’ ও ‘ইনস্টাগ্রাম’ থেকে এ সিনেমার নাম সংবলিত একটি ব্যানার অনলাইনে শেয়ার করা হয়েছে। যে ব্যানারের সামনে বসে আছেন খোদ ট্রাম্প। তার কাঁধের পেছনে চেয়ারে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভিন্স ভন। 

    জানা গেছে, শুক্রবার ‘সুইংগার্স’ তারকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করার জন্য ওভাল অফিসে গিয়েছিলেন। তাদের সাক্ষাতের পর, অফিসিয়াল হোয়াইট হাউজ এক্স এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টগুলো ‘ওয়েডিং ক্র্যাশার্স’ সিনেমার আদলে ‘হোয়াইট হাউজ ক্র্যাশার্স’ শিরোনামে একটি প্যারোডি পোস্টার শেয়ার করেছে। সিনেমার মূল পোস্টারে ভিন্স ভনের সঙ্গে বসেছিলেন ওয়েন উইলসন। তার জায়গায় ট্রাম্পকে বসিয়ে পোস্টারটি শেয়ার করা হয়।

    পোস্টগুলোর ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প এবং ভিন্স ভন ওভাল অফিসে।’ যদিও এ ভ্রমণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য শেয়ার করা হয়নি এবং ট্রাম্পের নির্ধারিত অতিথিদের তালিকায়ও ভন ছিলেন না।

    ‘ব্যাড মাঙ্কি’ তারকা ভন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ নির্বাচনে ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন কিনা তা বলা অসম্ভব, তবে স্বঘোষিত স্বাধীনতাবাদী ভন এর আগে তার রাজনৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে সতেচন। 

    ২০২৪ সালে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি অবশ্যই ব্যক্তিদের পছন্দ করার অনুমতি দেওয়ার পক্ষে বেশি বিশ্বাসী। তাই আমি মনে করি মাদক বৈধ হওয়া উচিত এবং মানুষের কাছে বন্দুক থাকা উচিত। আমি বরং বলব মানুষকে তাদের পছন্দের বিষয়ে স্বাধীনতা দিন এবং তারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারেন এবং তাদের পছন্দের পরিণতি ভোগ করতে পারেন।’

    এর আগে ২০২০ সালে, লুইসিয়ানা স্টেটের একটি ফুটবল খেলায় ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দন করতে দেখা গিয়েছিল ভনকে। এ কারণে তিনি বেশ যা সমালোচনার মুখোমুখি হন। এ ঘটনায় নিজের বক্তব্যও লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসকে জানিয়েছেন ভন। 

    তিনি বলেছেন, ‘এটাই ছিল আমার তার সঙ্গে দেখা হওয়ার একমাত্র সময়। আমরা হ্যালো বলেছিলাম। তিনি খুব ব্যক্তিত্ববান ছিলেন। তবে আমি আমার নীতি ভঙ্গ করিনি। এটা কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল।’ 

    তিনি আরও বলেন, ‘আমার এমন কোনো দল নেই যাকে আমি সমর্থন করি এবং সমর্থন করি। আসলে, আমার জন্য মাঝে মাঝে এমন একজন প্রার্থী খুঁজে পাওয়া কঠিন, যাকে আপনি দার্শনিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করেন এবং কেবল তাদের নির্দিষ্ট দলকে অর্থায়নকারীর সঙ্গেই যাচ্ছেন না। এ মুহূর্তে আমি এটি সম্পর্কে এতটুকুই বলব।’

    শাহনাজ হেনা

  • ট্রাম্প হয়ে কি অস্কার জিততে পারবেন স্ট্যান?

    সারা বিশ্বে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলুন, আর বর্তমান প্রেসিডেন্ট বলুন— ডোনাল্ড ট্রাম্প নামটাই যেন আলোচনা আর সমালোচনায় সমার্থক। ডোনাল্ড ট্রাম্প নামটা সবসময় আলোচনা তৈরির জন্য যথেষ্ট। নানা তর্কবিতর্কে জড়িয়ে আছে নাম। দুই-দুবার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। 

    আর সিনেমা বানানোর মতো যথেষ্ট রসদই তার জীবনে আছে। আর তাই ইরানি বংশোদ্ভূত ড্যানিশ নির্মাতা আলি আব্বাসি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন ‘দ্য অ্যাপ্রেনটিস’। এটা ঠিক ডোনাল্ড ট্রাম্পের বায়োপিক নয়; বরং বলা যায় তরুণ বয়সের ট্রাম্পের গল্প। আর এতে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেতা সেবাস্তিয়ান স্ট্যান।

    মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে নানা বিতর্ক শুরু হয়েছে। এবারের অস্কারে আলি আব্বাসি পরিচালিত সিনেমাটি পেয়েছে দুই ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন। পর্দায় ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়ে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পেয়েছেন সেবাস্তিয়ান স্ট্যান। এখন প্রশ্ন হচ্ছে— শেষ পর্যন্ত কি অস্কার জিতবেন স্ট্যান?

    এর আগে ২০২৪ সালের ২০ মে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ারের পর থেকেই সিনেমাটি ঘিরে তৈরি হয় সমালোচনা। পরে ১১ অক্টোবর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। পুরো সিনেমাটি সেভাবে প্রশংসিত না হলেও ট্রাম্পের চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছেন সেবাস্তিয়ান স্ট্যান।

    সিনেমাটিতে ট্রাম্পকে একজন ধর্ষক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রথম স্ত্রী ইভানাকে তিনি নির্যাতন করতেন, সেটিও দেখানো হয়েছে। কানে প্রদর্শনীর পর আলোচনায় আসে ‘দ্য অ্যাপ্রেনটিস’ সিনেমার একটি দৃশ্য। যেখানে ট্রাম্প (স্ট্যান) স্ত্রী ইভানার (মারিয়া) ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করেন। তবে বিতর্ক হলেও বিভিন্ন গণমাধ্যম সিনেমাটির প্রশংসাই করেছে। বিশেষ করে সেবাস্তিয়ান স্ট্যান যেভাবে তরুণ ট্রাম্প হিসেবে পর্দায় হাজির হয়েছেন, এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সমালোচকরা।

    এ সিনেমার সমালোচনায় বিবিসি বলেছে— তরুণ ট্রাম্প হিসেবে স্ট্যান দারুণ। তার অঙ্গভঙ্গি ও হাঁটাচলা ছিল দারুণ। তবে তিনি যে ট্রাম্পের ক্যারিকেচার না করে, বরং পর্দার চরিত্র হয়ে ওঠার চেষ্টার করেছেন— এটি ছিল সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত।

    সম্প্রতি চলচ্চিত্রবিষয়ক মার্কিন গণমাধ্যম ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেবাস্তিয়ান স্ট্যান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি ট্রাম্পের ভক্ত নন; কিন্তু পর্দায় ট্রাম্পের চরিত্রে অভিনয়ের ক্ষেত্রে কোনো আপস করেননি। বরং তার সামর্থ্যের চেয়ে অন্তত ১০ শতাংশ বেশি দিয়েছেন তিনি।

    তরুণ বয়সের ট্রাম্প হয়ে উঠতে শারীরিক চ্যালেঞ্জই ছিল বেশি। সেবাস্তিয়ান স্ট্যান বলেন, নিজের ফোনে ট্রাম্পের পাঁচ শতাধিক ভিডিও নিয়ে ঘুরেছেন তিনি। বিভিন্ন সময় ও অ্যাঙ্গেলে ধারণ করা এসব ভিডিও দেখে পর্দায় ট্রাম্প হয়ে ওঠার প্রস্তুতি নিয়েছেন। অভিনেতা বলেন, এসব ভিডিওতে তার হাঁটাচলা, কথা বলার ভঙ্গি, উচ্চারণ ইত্যাদি বিষয় খেয়াল করেছি। এ ছাড়া তার প্রচুর সাক্ষাৎকার পড়েছি, নিজের মতো করে একটা চরিত্র দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছি। এ ছাড়া ওজন বাড়াতে হয়েছে ১৪ পাউন্ড।

    এদিকে সমালোচকরা বলেছেন, খুব নাটকীয় কিছু না হলে সেরা অভিনেতা হিসেবে স্ট্যানের পুরস্কার জেতার আশা কম। তবে ব্যাপারটা যখন অস্কার, নাটকীয় কিছু যে হবে না, তা কেইবা বলতে পারে!

    সূত্র: ভ্যারাইটি, এএফপি ও আইএমডিবি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

  • ট্রাম্পের বিজয়ে দেশ ছাড়তে পারেন যেসব হলিউড তারকা

    নানান সমীকরণ ও উত্তেজনায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়েছে মার্কিন নির্বাচন। ২৯৫ ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে কমলা হ্যারিসকে হারিয়ে আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাম্প।

    এদিকে ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জিতে যাবার পরে বহু হলিউড সেলিব্রিটিই মার্কিন মুলুক ছাড়তে চাইছেন।’ এবার তারকাদের সেই তালিকাটি দেখে নেওয়া যাক।

    শ্যারন স্টোন

    হলিউড অভিনেত্রী শ্যারন স্টোন যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ইতালি চলে যেতে চাইছেন। চলতি বছর জুলাই মাসেই ‘বেসিক ইনস্টিংক্ট’ ছবির অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, মার্কিন মুলুক ছেড়ে ইতালি চলে যাবেন তিনি। সেখানে তার একটি বাড়িও আছে। 

    কারও নাম না উল্লেখ করে ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শ্যারন বলেছিলেন, ‘এই প্রথম এমন কাউকে দেখলাম, যিনি এত ঘৃণা ও অত্যাচারের পরিবেশের মধ্যে থেকেও প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে নামতে পেরেছেন।’

    রাভেন-সাইমন

    ২০১৬ সালে ট্রাম্প যখন প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছিলেন, অভিনেত্রী রাভেন-সাইমন জানিয়েছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে দেবেন।  মার্কিন মুলুকে তার ভবিষ্যৎ নাকি অন্ধকার।

    মিনি ড্রাইভার

    ইতোমধ্যে যিনি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে গেছেন ৫৪ বছর বয়সি ব্রিটিশ অভিনেত্রী মিনি ড্রাইভার। চলতি বছরের জুলাই মাসেই ‘দ্য টাইমস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিনি জানিয়েছিলেন, লস অ্যাঞ্জেলেসে তিন দশক থাকার পর ইউকে-তে ফিরে গিয়েছেন মিনি। ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনার কথা আঁচ করে আগেই বলে দিয়েছেন, ‘ট্রাম্প এলে আমি হয়ত আর ফিরব না।’

    সোফি টার্নার

    ব্রিটিশ অভিনেত্রী সোফি টার্নার অভিনয় করেছিলেন ‘গেম অফ থ্রোনস’-এ। ট্রাম্পের জয়ের পর তিনিও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন মুলুক থেকে চলে যাবেন জন্মস্থান ইউকে-তে।

    চের

    এই মার্কিন অভিনেত্রী-গায়িকা চিরকালই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন। একবার জানিয়েছিলেন, ট্রাম্পের প্রেসিডেনশিয়াল রুলের সময় তার স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে গিয়েছিল।

    ২০২৩ সালে ’দ্য গার্ডিয়ান’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চের বলেছিলেন, ‘গতবার আমার আলসার হয়ে যাচ্ছিল! এবারও যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হয়ে ফিরে আসেন, আমাকে দেশে ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হবে।’

    বিনোদন ডেস্ক