Tag: টিকটক

  • পাকিস্তানি টিকটকার আয়েশাকে গুলি করে হত্যা, নেপথ্যে যা জানা গেল

    পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ২৬ বছর বয়সি এক টিকটকারকে গুলি করে হত্যা করেছে একদল অজ্ঞাত পরিচয় হামলাকারী। শামসু বিবি (যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আয়েশা গিলামনা’ নামে পরিচিত) আর্থিক সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে খুন হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর দ্য প্রিন্টের। 

    পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিহতের ভাই নিয়ামাতুল্লাহ জানান, তারা ন্যায়বিচারের জন্য পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ শরিফের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। 

    এই হত্যাকাণ্ড পাকিস্তানে নারীদের ওপর চলমান সহিংসতার বিষয়টি আবারও জোর আলোচনায় নিয়ে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি বাজারে একটি গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিল। পরে তারা আয়েশার গাড়ির কাছাকাছি এসে ভেতরে একাধিক গুলি চালায় এবং স্থান ত্যাগ করে। 

    মৃত্যুর পর আয়েশার টিকটক অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, যেখানে তার ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ১৩ লাখেরও বেশি। রাওয়ালপিন্ডি-ইসলামাবাদ অঞ্চলে টিকটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণীদের লক্ষ্য করে হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিক ঘটনায় এটি নতুন সংযোজন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আয়েশার এই নির্মম হত্যাকাণ্ড নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। স্বতন্ত্র পাকিস্তানি সাংবাদিক আম্মারা আহমেদ সংবাদ পরিবেশনায় দেখা যাওয়া অসংবেদনশীলতা এবং নারীবিদ্বেষী দৃষ্টিভঙ্গির কড়া সমালোচনা করেছেন। 

    একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ তার জানাজায় মানুষের কম উপস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গ করে লেখে, ‘১৩ লাখ ফলোয়ার থাকার পরও তার জানাজায় খুব অল্প মানুষ উপস্থিত ছিল, যা সোশ্যাল মিডিয়ার আসল চেহারা তুলে ধরে।’ 

    এই প্রসঙ্গে আম্মারা আহমেদ মন্তব্য করেন, ‘পাকিস্তানি নারীরা মৃত্যুর পরও ন্যুনতম সম্মান পান না। শামসু বিবি ট্যাক্সিলায় নিহত একজন তরুণ ইনফ্লুয়েন্সার ছিলেন। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পেজের শিরোনাম হলো এটি! ছবিগুলো তার আসল জানাজার কিনা তা স্পষ্ট নয়, তবে যিনি বা যারা এটি পোস্ট করেছেন তাদের জন্য লজ্জা।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বন্ধুর বিয়েতে নেচে কপাল খুলে যায় আয়েশার

    প্রয়াত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকারের ‘মেরা দিল ইয়ে পুকারে আজা’ গানের সঙ্গে নেচে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন পাকিস্তানের বহুল পরিচিত টিকটক তারকা আয়েশা আজহার। বন্ধুর বিয়েতে নেচে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ঝড় তুলেছিলেন তিনি। আর সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের মতো তারকারাও সেই সিগনেচার স্টেগুলো পুনরায় তৈরি করেছিলেন। সম্প্রতি নিজের সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন এ টিকটক তারকা।

    কয়েক দিন আগে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন এ টিকটক তারকা। সেখানে শিক্ষাজীবন সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। জানিয়েছেন মডেলিংয়ে ডেবিউ করার পরিকল্পনার কথা।

    একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা আজহার মাধ্যমিক সম্পন্ন করেছেন। তবে কখনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শীর্ষ শিক্ষার্থী ছিলেন না তিনি। এ টিকটকার বলেন, আমি স্কুলে খুব একটা ভালো ছিলাম না। ভালো ফল করতে পারিনি। এমনকি তিনবার ম্যাট্রিক পরীক্ষায় ফেল করেছি। 

    আয়েশা আজহার বলেন, তবে শেষ পর্যন্ত আমি সফল হয়েছি। কারণ আমার বন্ধুরা আমাকে নিয়মিত ক্লাস করতে বাধ্য করেছিল। পড়ালেখায় খুব একটা ভালো নই আমি। এ জন্য অন্যদের মতো পড়ালেখায় এগিয়ে যেতে পারিনি। তাই এখন আমি মডেলিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পোশাক নিয়ে মন্তব্যে সমালোচনার ঝড়, দেশ ছাড়লেন পাকিস্তানি টিকটকার

    বারবার বিতর্কে জড়ানো পাকিস্তানি টিকটকার ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সামিয়া হিজাব আবারও আলোচনায়। এবার নিজের পোশাক নিয়ে করা এক মন্তব্য ঘিরে তীব্র সমালোচনার মুখে দেশ ছেড়েছেন তিনি।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে সামিয়া বলেন, সময়ের সঙ্গে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে—কিন্তু এর জন্য দায়ী তিনি নন, দায় পাকিস্তানি সমাজের চিন্তাভাবনা। তার ভাষায়, ‘আমার পোশাক ছোট হচ্ছে, কারণ এই জাতির মানসিকতা ছোট।’

    ভিডিওটিতে তিনি পাকিস্তানের জনগণ ও সরকারের ‘বিচারপ্রবণ মনোভাব’কে একহাতে নেন। বলেন, ‘দেশের মানুষ আর সরকারের মানসিকতা এক; সবাই ভেতরে ভেতরে একই রকম। তাদের কারণে আমার জীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছিল।’

    সামিয়া আরও দাবি করেন, সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতিবাচক মন্তব্যের কারণেই তিনি পাকিস্তান ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। নিজের পরিস্থিতির সঙ্গে ইউটিউবার রাজাব বাট–এর অভিজ্ঞতার তুলনাও টানেন তিনি। বলেন, ‘রাজাব বাটের সঙ্গেও একই কাজ করেছে সবাই। তাকেও বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে।’

    যদিও সামিয়া বিদেশে আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন, তবে সেটি অস্থায়ী ভ্রমণ না স্থায়ীভাবে দেশত্যাগ—তা স্পষ্ট করেননি। অনেকেই মনে করছেন, সামাজিক মাধ্যমে চলমান সমালোচনা ও হুমকির কারণেই দেশ ছাড়তে হয়েছে এই টিকটকারকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুমুল সমালোচনার মুখে পাকিস্তান ছেড়েছেন টিকটকার সামিয়া হিজাব

    পাকিস্তানের টিকটক তারকা সামিয়া হিজাব সম্প্রতি বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে তার পোশাক প্রতিদিনই ছোট হয়ে যাচ্ছে এবং এর জন্য দায়ী পাকিস্তানের মানুষের মানসিকতা।

    ভাইরাল  হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় এই তারকা টিকটকার অভিযোগের সুরে বলছেন, নিজ দেশের জনগণের বিচারধারা ও সরকারের আচরণের কারণে তিনি দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    পাকিস্তানের জনগণের চিন্তাধারার প্রতি হতাশা প্রকাশ করে সামিয়া বলেন, সময়ের সঙ্গে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন হওয়াটা দোষের নয়। তিনি বলেন, ‘এটা জাতির দোষ। জনগণের সঙ্কীর্ণ মানসিকতা পাকিস্তানে আমার জীবন কঠিন করে তুলেছে।’

    তিনি অভিযোগ করেন যে, তিনি সরকার ও সমাজ উভয়ের কাছ থেকেই বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছেন, ‘সরকার আর জনগণ এক, ভেতর থেকে সবাই একই রকম।’

    ইউটিউবার রাজব বাটের সঙ্গে নিজের পরিস্থিতির তুলনা করে সামিয়া বলেন, ‘রাজব কয়েক মাস আগে পাকিস্তান ছেড়ে বিদেশে বসবাস শুরু করেছেন। তার সঙ্গেও একই কাজ করা হয়েছে। দলে তাকেও দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘মানসিক ও সামাজিক চাপে আমি পাকিস্তানের বাইরে থাকতে বাধ্য হয়েছি। পরিবার থেকে দূরে থেকে এখন এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছি।’- যোগ করেন সামিয়া।

    বর্তমানে সামিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে নিজের ইনস্টাগ্রামে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে যাচ্ছেন। তবে তার টিকটক অ্যাকাউন্টটি এখন প্রাইভেট করা আছে।

    তবে সামিয়া স্পষ্ট করে বলেননি এটি কেবল ভ্রমণ নাকি স্থায়ীভাবে তিনি দেশত্যাগ করে ফেলেছেন। অনেকের ধারণা অনলাইনে বাড়তে থাকা সমালোচনার কারণে তিনি আপাতত পাকিস্তান ছেড়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আটকের পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লেন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিকটকার

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিকটকার খাবি লেইম। বেশকিছু দিন দেশটিতে অবস্থানের পর ভিসাশর্ত লঙ্ঘনের দায়ে দেশটির একটি বিমানবন্দরে আটক করা হয় তাকে। এরপর দেশটি ছেড়েছেন এ টিকটক তারকা। 

    শুক্রবার (৬ জুন) লাসভেগাস শহরের হ্যারি রেইড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন অভিবাসন ও শুল্কপ্রয়োগকারী সংস্থার (আইসিই) কর্মকর্তাদের হাতে আটক হন তিনি। তবে, কোনো নির্বাসন আদেশ ছাড়াই তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বেচ্ছাপ্রস্থানের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির এক মুখপাত্র।

    ২৫ বছর বয়সী এই সামাজিকমাধ্যম তারকার (ইনফ্লুয়েন্সার) পুরো নাম সেরিঞ্জে খাবানে লেইম। জন্ম সেনেগালেও হলেও শৈশবে বাবা-মায়ের সঙ্গে ইতালিতে পাড়ি জমান তিনি। পরে, ইতালির নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন।

    আইসিই জানিয়েছে, খাবি লেইম ৩০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ভিসার শর্ত ভঙ্গ করে দেশটিতে অবস্থান করছিলেন তিনি। তাকে স্বেচ্ছাপ্রস্থানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    সংস্থাটি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি হারিয়ে স্বেচ্ছাপ্রস্থান করা ব্যক্তিরা ডিপোর্টেশন অর্ডার এড়াতে পারেন। এই আদেশে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ১০ বছর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অভিবাসনবিরোধী পদক্ষেপ দিনদিন আরও জোরালো করছে। ইতোমধ্যেই দেশটির লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন জায়গায় আইসিইর অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

    অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্প তার নির্বাহী ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করছেন। এমন এক সময়েই জনপ্রিয় এ ইনফ্লুয়েন্সারের আটক ও স্বেচ্ছাপ্রস্থানের ঘটনাটি ঘটলো।

    এ বিষয়ে তিনি এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্যও করেননি খাবি লেইম।

    এই টিকটক তারকা কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রথম আলোচনায় আসেন। সংলাপহীন ভিডিওর মাধ্যমে জটিল ও অপ্রয়োজনীয় লাইফ হ্যাকগুলোর সোজাসাপ্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যম টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা ১৬ কোটি ২০ লাখের বেশি।

    টিকটকে খ্যাতি পাওয়ার পর তিনি দ্রুতই ফ্যাশন ও মানবিক কাজে যুক্ত হন। ২০২২ সালে তিনি নামকরা ফ্যাশন ব্র্যান্ড হুগো বসের সঙ্গে কয়েকবছরের চুক্তি করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও নিযুক্ত হয়েছেন তিনি।

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের কয়েকদিন পর গত মে মাসে নিউইয়র্কে ফ্যাশন দুনিয়ার অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ ও মর্যাদাসম্পন্ন অনুষ্ঠান মেট গালায় অংশ নেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তানি টিকটকারকে হত্যায় যুবক গ্রেফতার, জানা গেল কারণ

    পাকিস্তানি ১৭ বছর বয়সি টিকটক তারকা সানা ইউসুফকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ২২ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে ইসলামাবাদ পুলিশ।

    মঙ্গলবার ইসলামাবাদ পুলিশের মহাপরিদর্শক আলি নাসির রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ওই যুবকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার কারণে সানাকে হত্যা করা হয়।  

    হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেফতার সেই যুবক এ ঘটনার আগে দীর্ঘ সময় ধরে সানার বাড়িরর সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন। 

    রিজভী বলেন, ‘সানার কাছে একাধিকবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে যুবকটি এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। সে বারবার সানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিল। এটি ছিল একটি ভয়ংকর ও ঠাণ্ডা মাথায় করা হত্যাকাণ্ড।’

    এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে টিকটকার সানাকে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। 

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সানাকে তার বাড়ির ভেতরে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারী বাড়িতে ঢুকে গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। 

    সানার টিকটক অ্যাকাউন্টে ফলোয়ারের সংখ্যা ৮ লাখেরও বেশি। তিনি লিপ-সিঙ্ক ভিডিও, ত্বকের যত্নবিষয়ক টিপস এবং সৌন্দর্য পণ্যের প্রমোশনাল কনটেন্ট পোস্ট করতেন। গত সপ্তাহেই ১৭ বছরে পা রেখেছিলেন সানা। হত্যার কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি নিজের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।  সেই ভিডিওতে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর বদলে তার ভক্তরা এখন কমেন্ট করছেন ‘রেস্ট ইন পিস’, ‘জাস্টিস ফর সানা’। 

    পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশনের মতে, দেশটিতে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ব্যাপক হারে বিদ্যমান এবং বিশেষ করে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর হামলার নজির আগেও রয়েছে।

    ২০২১ সালে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় পাকিস্তানি তরুণী নূর মুখাদ্দম প্রেমিক জাহির জাফরের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন। ২০১৬ সালে খাদিজা সিদ্দিকী নামের আরেক তরুণী তার প্রেমিকের হাতে ২৩ বার ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • ভিডিও ফাঁসে অভিযুক্তকে ক্ষমা করলেন ইমশা

    পাকিস্তানি টিকটক তারকা ইমশা রেহমান বাংলাদেশেও জনপ্রিয়। গত বছরের নভেম্বরে ইমশার টিকটক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ভিডিওটি ফাঁস হয়। ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে ক্ষমা করার কথা জানালেন এই টিকটক তারকা। খবর ডেইলি পাকিস্তানের।

    ইসলামাবাদের আদালতে ভিডিও ফাঁসের মামলায় শুনানি চলাকালে সন্দেহভাজন অভিযুক্ত আবদুল আজিজকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার কথা জানান ইমশা।

    ইমশার আইনজীবী হাদি আলী বলেন, এ ঘটনার জন্য তিনি (আবদুল আজিজ) অনুতপ্ত বলে জানিয়েছেন। এ কারণে তার জামিনের বিরোধিতা করেননি তারা। 

    ভিডিও ফাঁসের মামলায় আবদুল আজিজ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দেশটির গুজরানওয়ালা শহর থেকে আবদুল আজিজকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে ইসলামাবাদের একটি আদালতে তোলা হয়।

    জীবনযাপন নিয়ে কনটেন্ট নির্মাণ করে দর্শকদের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন ইমশা রেহমান। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে তুমুল জনপ্রিয় তিনি। টিকটকে দুই লাখেরও বেশি আর ইনস্টাগ্রামে লাখেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে। ২০০২ সালে লাহোরে ইমশার জন্ম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন আফ্রিদির শ্যালিকা

    আলোচিত ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি নিয়ে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া বিয়ের খবরটি বিভ্রান্তিকর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিয়ের ছবি ভাইরাল হলেও আফ্রিদির পরিবার ও কনের পরিবার স্পষ্ট করেছে- তিনি রাইসাকে বিয়ে করেননি। রাইসা আফ্রিদির শ্যালিকা।  তিনি জানান, তার যমজ বোন রিসার সঙ্গে আফ্রিদির বিয়ে হয়েছে। এর আগে একটি টিকটক ভিডিওতে আফ্রিদির বিয়ের ছবি প্রকাশিত হলে, রাইসাকে বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে।  এ বিষয়ে 

    আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন আফ্রিদির শ্যালিকা। 

    রাইসা বলেন, দেখুন, আমি আর আমার বোন কেউই টিকটক স্টার না। আমাকে টিকটকে দেখেছে, এমন মানুষও আপনি তেমন খুঁজে পাবেন না। তবে হ্যাঁ, আমি ব্র্যান্ড প্রমোট করি। কিন্তু ২০২৩ বিয়ে এবং এরপর মা হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। আমার পরিবার, স্বামীর পরিবারের একটা ভালো পরিচিতি আছে। এরপরও এমন বুলিং কাম্য নয়।

    যেসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এসব করা হয়েছে, সেসবের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন বলে উল্লেখ করে রাইসা বলেন, পরিবারের কিছু ঘনিষ্ঠ মানুষের উপস্থিতিতে কাবিন হয়েছে। আমরা চাচ্ছিলাম, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর সব সামনে আসুক। কিন্তু একটি অ্যাকাউন্ট থেকে বিয়ের বিভিন্ন মুহূর্ত সামনে এসেছে। এরপরই অনেকে ভুল তথ্য দিয়ে সেগুলো ভাইরাল করেছেন। আমরা সেগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে আফ্রিদির বিয়ে নিয়ে যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা চর্চা চলছিল ঠিক তখন আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে এসে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

    সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, অনলাইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দেখা গেছে গোপনে বিয়ে করেছি। বিষয়টি তা নয়। বিয়েতে অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। শুধুই কাবিন হয়েছে। মূল অনুষ্ঠান তো পরে করা হবে। আর আমি তো দেখতে গিয়ে বিয়ে করেছি।

    তরুণ প্রজন্মের এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর জানান, তার স্ত্রীর বোন টিকটক করেন। দুজনই দেখতে অনেকটা একইরকম। এ জন্য অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে তার স্ত্রী রামিশাকে টিকটকার মনে করছেন।

    বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি বলেন, মেয়েকে দেখতে গিয়ে তাদের বাড়িতে বিয়ে করে ফেলেছি। পারিবারিক আয়োজনেই হয়েছে তা। আর সেই আয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বড় পরিসরে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার অনুষ্ঠান করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিতর্কের পর সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়ার ঘোষণা টিকটক তারকার

    সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানি টিকটক তারকা মিনাহিল মালিক। সম্প্রতি একটি বিতর্কের পর তিনি এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। 

    সম্প্রতি তার একটি অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ফাঁস হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনায় তিনি। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এবং এর ফলে শুরু হয় ব্যাপক ট্রোলিং ও সাইবার বুলিং। 

    ফাঁস হওয়া ভিডিওতে, মিনাহিল মালিককে একটি ঘরে এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায় বলে দাবি করছেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা।

    এছাড়াও, তার আরও কিছু আপত্তিকর ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যম ডেইলি পাকিস্তানের খবর অনুসারে, টিকটকার মিনাহিল মালিকের ব্যক্তিগত ভিডিওগুলো তিনি নিজেই ফাঁস করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

    তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। ফাঁস হওয়া ভিডিও সম্পর্কে এ টিকটক তারকা জানিয়েছেন, অনলাইনে ফাঁস হওয়া ভিডিওগুলো ভুয়া।

    ওই বিতর্ককে ঘিরে রীতিমত অনলাইন হয়রানির মুখোমুখি হতে হয় তাকে।

    বুধবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এক আবেগপূর্ণ বার্তায় তিনি তার অনুসারীদের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

    মিনাহিল জানান, সোশ্যাল মিডিয়ার চাপ তার জন্য সহজভাবে বাঁচার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    টিকটক তারকার এই আবেগপূর্ণ বার্তায় অনলাইন খ্যাতির সঙ্গে যুক্ত চ্যালেঞ্জ ও তিক্ততার বিষয়টিও উঠে এসেছে। 

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লেখেন, ‘আমি অনেক চাপে ছিলাম এবং অনেক চিন্তাভাবনার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    এছাড়া আরও এক পোস্টে মিনাহিল উল্লেখ করেন, ‘আমার জন্য এটা সহজ ছিল না। তবে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিদায় বলাটা আসলে কঠিন। কোনো ঝগড়া নয়, ভালোবাসা ছড়ান। আমি চলে যাচ্ছি। আপনাদের মিস করব। ভালোবাসি সবাইকে। সাবধানে থাকুন’।

    যদিও কিছু অনুরাগী তার এই সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। অনেকে তার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন এবং তাকে সমর্থন করেছেন।

    তবে, তিনি আবার ঠিক কবে নাগাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় ফিরে আসবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।  

    উল্লেখ্য, ইনস্টাগ্রামে মিনাহিল মালিকের ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ। সূত্র: জিও নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেরা টিকটকার হলেন আয়মান-মুনজেরিন

    দেশে প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের বার্ষিক আয়োজন ‘ইয়ার অন টিকটক-২০২৩’ উদযাপিত হয়েছে। যেখানে বর্ষসেরা ক্রিয়েটরের পুরস্কার পেয়েছেন আয়মান সাদিক ও মুনজেরিন শহীদ দম্পতি। 

    rnrn

    দুই ক্যাটাগরিতে তারা দুজনে জিতে নিয়েছেন বর্ষসেরার পুরস্কার। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন আরও কয়েকজন।

    rnrn

    শুক্রবার রাতে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় “ইয়ার অন টিকটক-২০২৩” অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। দেশের অনেক পরিচিত ভিডিও নির্মাতারা উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।

    rnrn

    ভিডিও নির্মাতাদের বিভিন্ন শ্রেণিতে “ইয়ার অন টিকটক-২০২৩” পুরস্কার দেওয়া হয়। “ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার ২০২৩” পুরস্কার পেয়েছেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। এডুকেশন বা শিক্ষণীয় ভিডিও শ্রেণিতে পুরস্কার জিতেছেন মুনজেরিন শহীদ।

    rnrn

    এছাড়া, স্পোর্টস শ্রেণিতে নিয়ন অন, ফ্যাশন ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে “স্টাইল হাট”। ফুড ক্রিয়েশনে “ফুডখোর”, ব্যতিক্রমধর্মী ভিডিওর জন্য “আমার বাংলাদেশ” শ্রেণিতে “দ্য মাহিম মেইকস”, লং ফর্ম কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রেণিতে “রবিন রাফান” পুরস্কার পেয়েছেন। বিউটি ক্রিয়েশন অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে “লাইফ ইজ মেও” এবং বেস্ট ইউজ অব লোকেশন ট্যাগিং বিভাগে পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তানহা ইসলাম।

    rnrn

    ভোটের মাধ্যমে বছরের সেরা ভিডিও নির্মাতাদের বাছাই করা হয়েছে বলে টিকটকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

    বিনোদন ডেস্ক