Tag: জিৎ

  • দেবের থেকে পিছিয়ে জিৎ!

    ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে টালিউড মেগাস্টার জিতের বায়োপিক ধর্মী সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’। তবে এ সিনেমা মুক্তির ঠিক আগমুহূর্তে টালিউডের চিরপরিচিত দেব-জিৎ রেষারেষি উসকে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করলেন প্রযোজক রানা সরকার।

    অভিনেতা জিতের নতুন সিনেমার অগ্রিম বুকিংয়ের গতিকে খোঁচা দিতেই এক বছর আগের দেব ও শুভশ্রী অভিনীত ‘ধূমকেতু’ সিনেমার হাউসফুল অগ্রিম বুকিংয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিতর্ক তৈরি করলেন এ প্রযোজক।

    সামাজিক মাধ্যমে ‘ধূমকেতু’ সিনেমার টিকিটের চাহিদা তুলে ধরে জিতের ভক্ত-অনুরাগীদের উসকে দিয়ে রানা সরকার লিখেছেন, ‘টজিদ্দার ফ্যানদের একটু উৎসাহ দেওয়ার জন্য এ পোস্ট…। এক বছর আগে ১৪ আগস্ট (সিনেমা) রিলিজের দুদিন আগে ১২ আগস্ট এটি ছিল ধূমকেতুর আগাম বুকিং দুটি সিনেমা প্লেক্সে, কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাতের আগাম বুকিং খুলে গেছে, তাড়াতাড়ি করুন জিৎ ভক্তরা, প্রমাণ করুণ জিৎ সেরা।’

    এই পোস্টের মাধ্যমে প্রযোজক স্পষ্ট বোঝাতে চান যে, মুক্তির মুখে জিতের নতুন সিনেমার টিকিট বিক্রির গতি দেবের পুরোনো রেকর্ড ভাঙা ‘ধূমকেতু’-র অগ্রিম বুকিংয়ের তুলনায় পিছিয়ে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রানার এ উসকানিমূলক তুলনার কড়া সমালোচনা করেন জিতের ক্ষুব্ধ ভক্তরা। এভাবে এক তারকার সিনেমার সঙ্গে অন্য তারকার তুলনা টেনে খাটো করাকে  ‘পরপীড়ক বিকৃত মানসিকতা’ বলে তোপ দাগেন জিতের এক অনুরাগী। তিনি কমেন্ট বক্সে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— আপনি কি এসব করে খুব মজা পান? এ রকম স্য়াডিস্ট মেন্টালিটি কেন?

    তবে ট্রল বা ভক্তদের ক্ষোভের মুখেও পিছু হটেননি রানা সরকার। সেই কটাক্ষের উত্তর দিতে গিয়ে জিতের ভক্তদের উদ্দেমৈ আরও একটি বিস্ফোরক মন্তব্য ছুড়ে দেন তিনি। প্রতিবাদকারী অনুরাগী ও জিতের ফ্যান ক্লাবের উদ্দেশে প্রযোজক পাল্টা লেখেন— কী, চ্যালেঞ্জ একসেপ্ট করবে না?’ দেব বনাম জিৎ— এই দ্বৈরথ বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বরাবরের। স্বাধীনতা দিবসেও মুখোমুখি লড়াইয়ে নামবার জল্পনা তৈরি হয়েছিল দুই তারকার। তবে গত মাসেই নিজের আসন্ন সিনেমা ‘বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা’র মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেন দেব। 

    যদিও জিৎ জানিয়েছেন— এ ব্যাপারে তার সঙ্গে দেবের কোনো কথা হয়নি। পুরোটাই নাকি দেব ও নন্দী মুভিজের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে দেবের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে তার কোনো মনোমালিন্য নেই বলেও জানান জিৎ।

    রানা সরকারের এই উত্তর যেন চলতি বক্স অফিস লড়াইয়ে নতুন আগুনে ঘি ঢেলে দিল। প্রযোজক বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন— একে সস্তা তুলনা না ভেবে সুস্থ প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করুক অনুরাগী মহল। সব মিলিয়ে স্বাধীনতা দিবসের বক্স অফিস যুদ্ধের আগে দেব-জিতের এই ভার্চুয়াল রেষারেষি এখন তুঙ্গে!

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’ পিছিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন জিৎ

    টালিউডের সুপারস্টার জিতের ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি আগামী শুক্রবার (১৪ আগস্ট) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। এ সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায় বাঙালি সিনেপ্রেমীরা। কিন্তু অনেকের মনেই প্রশ্ন— একই দিন মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল দেবের ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’। কিন্তু সিনেমাটি মুক্তির তারিখ পিছিয়ে গেল? সব ঠিক থাকলে বাংলার বক্স অফিসে দেখা যেত জোরদার টক্কর। 

    কিন্তু তা আর হলো না। দেবের ‘বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা’ সিনেমাটি শেষ মুহূর্তে এসে আচমকাই পিছিয়ে দেওয়া হলো। এরপর অনেকেরই ধারণা হয়েছিল, বক্স অফিসে ক্ল্যাশ এড়াতেই হয়তো দেব ও জিতের এ নিয়ে যৌথ সিদ্ধান্ত। তবে এবার সেই দায় নিজের ঘাড় থেকে ঝেরে ফেললেন জিৎ। এ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’র পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে জিৎ বললেন, কেন দেবের মুভিটা শিফট হলো, তা হয়তো দেব জানে বা দেব আর নন্দী মুভিজের মধ্যে কথা হয়েছে। আমার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। 

    তিনি বলেন, আমার সঙ্গে দেবের বা কারও কোনো কথাও হয়নি। কীভাবে বা কেন এটা পিছিয়ে গেল— এ নিয়ে আমার কাছে অন্তত কোনো জবাব নেই। আমি এটার কোনো ভাগ ছিলাম না।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দেব ও জিৎ— এ দুই তারকাই তাদের পেশাদারত্বের জন্য পরিচিত টালিপাড়ায়। হামেশাই সামাজিক মাধ্যমে বাকবিতণ্ডায় জড়ান দেব ও জিতের ভক্তরা। এমনকি দুই অভিনেতার একাধিক বক্তব্য থেকে জানা যায়, রুপালি পর্দায় বা বক্স অফিসে তাদের মধ্যে তীব্র ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা থাকলেও বাস্তব জীবনে তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা কিংবা তিক্ততা নেই— না আছে গলাগলি বন্ধুত্বও।

    উল্লেখ্য, ২০১০ সালে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘দুই পৃথিবী’ সিনেমায় তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। তবে ভালো চিত্রনাট্য এলে যে ভবিষ্যতেও একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত, তাও জানিয়েছেন তারা।

    এর আগে জুলাই মাসের শুরুতে সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন দেব। সেই পোস্টে অভিনেতা লিখেছিলেন— সব যাত্রার একটা নিজস্ব সঠিক সময় থাকে। বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা যাতে আপনাদের কাছে একদম সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারে, তাই আমরা এর মুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 

    সঙ্গে আশ্বাস দেওয়া হয় যে, খুব জলদিই নিয়ে আসা হবে ছবিটি বড়পর্দায়। তিনি বলেন, আমি জানি, আপনারা অনেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। আর আপনাদের এই ভালোবাসা, ধৈর্য ও বিশ্বাসের জন্য আমরা আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখুন, আপনাদের এ অপেক্ষা বৃথা যাবে না। ততদিন  (বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা) আপনাদের হৃদয়ে থাক।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মন্দিরে সস্ত্রীক জিৎ, তবে সিনেমা মুক্তির আগেই কি বিশেষ পূজা

    টালিউডের সুপারস্টার জিৎ অভিনীত ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি মুক্তি পেতে আর মাত্র দিনকয়েক বাকি। আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পেতে চলেছে এ সংগ্রামী সিনেমাটি। ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে সিনেমার নানা টুকরো মুহূর্ত। জিতের নয়া লুক। তাকে অনবদ্য রূপ দিয়েছেন শিল্পী সোমনাথ কুণ্ডু। মাসের পর মাস গবেষণা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রতিটি লুক তৈরি করেছেন বলেও জানা গেছে। 

    তবে অফিশিয়াল ট্রেলার এখনো মুক্তি পায়নি। যথাসম্ভব আগামী ২ আগস্ট মুক্তি পাবে অফিশিয়াল ট্রেলার। তার আগে একেবারে অন্য রূপে দেখা মিলল জিতের। তবে কি আগামী সিনেমার সাফল্য কামনায় পূজা দিতে গিয়েছিলেন অভিনেতা?

    সোমবার (২৭ জুলাই) সপরিবারে উজ্জয়িনী পৌঁছে গিয়েছিলেন সুপারস্টার জিৎ। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মোহনা মাইতি। লাল রঙের বস্ত্র পরে মহাদেবের পূজা দিতে দেখা গেছে এ সুপারস্টারকে। হলুদ রঙের শাড়িতে মোহনা। অভিনেতাকে এমন রূপে দেখে ভালোবাসায় ভরালেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৭ মে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি। কিন্তু দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার আগেই হঠাৎ কেন পিছিয়ে গেল মুক্তি, তা নিয়েও হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে সিনেমাপ্রেমী নেটিজেনদের নানা চর্চা। তবে তার পরেই জানানো হয় স্বাধীনতা দিবসের সময়ে বিপ্লবীর জীবনের এ গল্প সিনেমাপ্রেমী দর্শকদে সামনে তুলে ধরতে চান অভিনেতা। তাই এ সিনেমাটি মুক্তির কথা থাকলেও বিপ্লবীর জীবনের গল্প ফুটিয়ে তুলতে এর মুক্তি পেছানো হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার রহস্যময় চরিত্রে জিৎ

    স্বাধীনতা দিবসের আবহে আগামী ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি। এ সিনেমাটি বিপ্লবী অনন্ত সিংয়ের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করেছেন পরিচালক পথিকৃৎ বসু। আর এ সিনেমায় এক রহস্যময় চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার জিৎ।

    এর মধ্যেই ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমার মোশন পোস্টার সামনে এসেছে। সেখানে অভিনেতা স্বাধীনতা সংগ্রামের এক সাহসী যোদ্ধা হিসেবে যেমন বহু মানুষের কাছে শ্রদ্ধেয়, ঠিক তেমনই অন্যদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন ডাকাত হিসেবে। 

    মোশন পোস্টার সামনে আসা প্রসঙ্গে পরিচালক পথিকৃৎ বসু বলেন, স্বাধীনতা দিবসের ঠিক আগে কিংবদন্তি অনন্ত সিংয়ের কাহিনি বড়পর্দায় তুলে ধরতে পারা আমার কাছে দারুণ এক গর্বের বিষয়। আর যে কোনো ভালো জিনিস তৈরি হতে সময় লাগে। আর একটি অনন্য সৃষ্টি গড়ে তুলতে গেলে লাগে বেশ কিছুটা ধৈর্য। 

    পরিচালক বলেন, তাই ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমাটি আমার কাছে শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়; এটি ভালোবাসা, নিষ্ঠা ও ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা থেকে তৈরি এক স্বপ্নের প্রকল্প।

    এ প্রসঙ্গে নির্মাতা বলেন, এই দ্বৈত পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক জটিল, সাহসী ও সংগ্রামী মানুষের কাহিনিই উঠে এসেছে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমায়। এ সিনেমা ঘিরে আগ্রহী রয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে। জিতের ভক্ত-অনুরাগীরাও অপেক্ষায় রয়েছেন অভিনেতাকে নতুন মেজাজে বড়পর্দায় দেখার জন্য।

    ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন শান্তনু মৈত্র। তার সুর সিনেমার আবেগ, ইতিহাস ও নাটকীয়তাকে আরও গভীরতা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

    উল্লেখ্য, সুপারস্টার জিৎ ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী, চন্দন সেন, লোকনাথ দে, কৌশিক সেন, রজতাভ দত্ত, প্রিয়াংকা সরকার, সৃজলা গুহ প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা প্রসঙ্গে যা বললেন জিৎ

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে শনিবার (৯ মে) শপথগ্রহণ করেন বিজেপির নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান আর শুভেচ্ছা জানাতেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছিলেন টালিউড অভিনেতা-প্রযোজক জিৎ। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের রোষানলে পড়েন অভিনেতা। 

    শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সাদা পাঞ্জাবি-চোস্ত আর গেরুয়া উত্তরীয় পরে গিয়েছিলেন এ অভিনেতা-প্রযোজক। তিনি অনুষ্ঠানমঞ্চে পা রাখতেই সাড়া পড়ে যায়। কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের প্রচারে যোগ না দেওয়া ‘অরাজনৈতিক’ তারকা কেন রাজনৈতিক মঞ্চে? নেটিজেনদের মাঝে এমন কৌতূহল চরমে ওঠে।

    এবার সেই সমালোচনার জবাব দিলেন জিৎ। একটি গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নে সহকারীর মারফত অভিনেতা জিৎ এক লিখিত বার্তা পাঠিয়ে দেন। সেখানে স্পষ্ট করেন তার রাজনৈতিক অবস্থান।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, জয়ী দল এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাকে সম্মান জানিয়ে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। সেই সঙ্গে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি।

    এর আগে ভোটের দিন ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার থেকে জল্পনা শুরু— রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। সেই সময় সামাজিক মাধ্যমে জিৎ স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি সরকারকে। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন পদ্ম শিবিরের জয়ী প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। অভিনেতা উপস্থিত সেই অনুষ্ঠানে। ব্যস, জল্পনা তীব্র। ‘অরাজনৈতিক’ তারকা কি অবশেষে রাজনীতির মঞ্চে?

    সেই  প্রশ্নের উত্তরও জিৎ দিয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, এর আগে ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি। আগের মুখ্যমন্ত্রীও তাকে সমাদরে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এ অবস্থান থেকেই জিতের আন্তরিক অনুরোধ— তার এ উপস্থিতিতে রাজনৈতিক রঙ না দিলেই খুশি হবেন। কারণ আজও তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপি-তে নাম লেখাবেন জিৎ?

    টালিউড সুপারস্টার জিৎ ক্যারিয়ারে বরাবরই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন। কোনো দলীয় প্রচার বা সভায় তাকে এতদিন দেখা যায়নি, বরং নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন তিনি।

    তবে এই তারকার সাম্প্রতিক কিন্তু কার্যক্রমের ফলে তিনি রাজনীতিতে নাম লেখাবেন কিনা তা নিয়ে নেটপাড়ায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। 

    এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জিৎ মন্তব্য করেছিলেন, ‘৪ তারিখে কী হচ্ছে দেখে নাও আগে…’। আর ৪ তারিখ ফলাফল প্রকাশের দিন টালিউডের তিনিই প্রথম, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। 

    এবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও দেখা গেল তাকে। 

    শুক্রবার (৮ মে) ভিআইপি নিরাপত্তায় অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেখা যায় জিৎকে। এদিন কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন টালিউডের ‘বস’ খ্যাত এই অভিনেতা। অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেখানকার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি এবার তার গায়েও রাজনীতির রঙ লাগল? 

    এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে ওপার বাংলায় গেরুয়া শিবিরের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মঙ্গলবার (৫ মে) ফেসবুকে বিজেপিকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন জিৎ। সেই পোস্টে অভিনেতা লিখেছিলেন, ‘বাংলার জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয়ের জন্য অভিনন্দন। আশা করি, এই পরিবর্তন রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতির নতুন পথ খুলে দেবে।’ 

    এসব থেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টা করছে অনেকেই। তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা নির্বাচনে দাঁড়ানো নিয়ে এখনো সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি টালিউড সুপারস্টার। 

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা অবলম্বনে 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হঠাৎ বিজেপিকে নিয়ে জিতের ফেসবুক পোস্ট, যা লিখলেন

    দীর্ঘ দেড় দশক পর এবার রাজনৈতিক পালাবদলের হাওয়া লেগেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন শেষে ক্ষমতা হারিয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা শেষে ওপার বাংলার ক্ষমতার মসনদে বসতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

    ইতোমধ্যে এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা, যেখানে টালিউডের তারকারাও তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। এমন আবহে এবার বিজেপির জয়ে দলটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন কলকাতা সিনেমার ‘বস’ খ্যাত অভিনেতা জিৎ। 

    এই চিত্রনায়ক বরাবরই রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। কখনোই গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতে দেননি। অভিনেতাকে কখনোই রাজনীতি নিয়ে কিছু বলতেও শোনা যায়নি, কিন্তু এবার বাংলায় গেরুয়া শিবিরের জয়ে হঠাৎই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন। 

    সুপারস্টার জিৎ বরাবরই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। কোনো দলীয় প্রচার বা সভায় তাকে দেখা যায়নি, বরং নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু হঠাৎ মঙ্গলবার (৫ মে) ফেসবুকে বিজেপিকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন জিৎ। সেই পোস্টে বিজেপির জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জিৎ লিখেছেন, ‘বাংলার জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয়ের জন্য অভিনন্দন। আশা করি, এই পরিবর্তন রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতির নতুন পথ খুলে দেবে।’ 

    এদিকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী মৈত্রয়ী মিত্র সতর্কতার সুরে বলেন, ‘যেই যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ। না এমনি মনে পড়ে গেল প্রবাদটা। জনগণ ঘর পোড়া গরু কিনা সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়।’

    আরেক অভিনেত্রী-সঞ্চালক সুদীপা চট্টোপাধ্যায় শান্তির আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সোনার বাংলায় নতুন ভোর’ থেকে প্রতিটি সকাল যেন শান্তিপূর্ণ থাকে। কোনো প্ররোচনায় পা না দেওয়ারও অনুরোধ করেছেন তিনি।

    অভিনেতা-সঙ্গীতশিল্পী সাহেব চট্টোপাধ্যায় অতীত স্মৃতির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘গদিতে যারাই আসুন, বাংলার যেন ভালো হয়।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন জিৎ

    টালিউডের সুপারস্টার জিৎ। দুই বাংলাতেই তার বিশাল ভক্তশ্রেণি রয়েছে। বহু জনপ্রিয় সিনেমার মাধ্যমে তিনি ভক্তদের মনে শক্ত জায়গা করে নিয়েছেন। আর সেই কারণেই এক ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিলেন তিনি।

    নিজেই এক সাক্ষাতকারে শেয়ার করেছেন সেই রোমাঞ্চকর এবং ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা।

    একবার এক প্রত্যন্ত গ্রামে শো করতে গিয়েছিলেন জিৎ। অনুষ্ঠান শেষ হতে রাত গড়িয়ে গিয়েছিল। ফেরার সময় সহকর্মীদের নিয়ে একটি নির্জন জায়গায় গাড়ি থামান—পোশাক পরিবর্তনের জন্য। হঠাৎই দূর থেকে একটি দল এগিয়ে আসে তাদের দিকে।

    প্রায় ১৫-১৬ জন, হাতে ধারালো অস্ত্র, লাঠি, ইট—ঘিরে ধরে জিৎ-এর গাড়ি। মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো টিমে, সবাই ভয় আর শঙ্কায় কাঁপতে শুরু করেন।

    জিৎ বলেন, ‘গাড়ির তেতরে বসে আমি শুনতে পাচ্ছিলাম, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করছিল ওরা। আমাদের খুবই ভয় করছিল। তারপরই আমার মাথায় বুদ্ধি খেলে যায়। আমি কাঁচ নামিয়ে ওদের নিজের মুখটা দেখাই এই ভেবে, যদি আমাকে ওরা চিনতে পারে… যদি আমাদের ছেড়ে দেয়।’

    ডাকাতদলের যে লিডার, সে প্রথমে বিশ্বাসই করতে চাইছিল না গাড়ির মধ্যে জিৎ আছেন। তারপর বুঝতে পেরেই ছুটে আসেন।

    জিৎ বলেন, ‘আমাকে চিনতে পেরে মানুষটাকে মুহূর্তের মধ্যে পাল্টে যেতে দেখি। যে মানুষ কিছুক্ষণ আগেও গুন্ডামি করছিল, খারাপ কথা বলছিল, আমার মুখটা দেখেই বিগলিত হয়ে গেল। উল্টো তার স্ত্রীকে ‘পুষ্পার মা’ বলে ডাকতে শুরু করল।’

    এই ঘটনার পর জিৎ বুঝেছিলেন, অভিনয় পেশা থেকে তিনি ঠিক কতখানি পেয়েছেন। এই পেশা তাকে পরিচিতি দিয়েছে আর সেই সঙ্গে দিয়েছে মানুষের ভালোবাসাও। 

    জিৎ বলেছেন, ‘আমি বুঝতে পারি, এই পেশার মাহাত্ম্য ঠিক কতখানি। একশো কোটি টাকার মালিক হলেও, যদি পরিচিতি না থাকে, লুট হয়ে যেতে সময় লাগবে না। ওই ঘটনার পর অভিনয় পেশার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • জিতের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানালেন স্বস্তিকা

    প্রেমে বিচ্ছেদের পর কাঁদা ছোড়াছুড়ি কিংবা একে অপরকে নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলা— কোনোটিই করেননি টালিউড নায়ক জিৎ ও নায়িকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। তবে দীর্ঘদিন পর গত বছর জিতের জন্মদিনে উইশ করতে গিয়ে সবার সামনে নায়কের প্রতি ভালোবাসার কথা স্বীকার করেন নায়িকা। 

    আর স্বীকার না করে উপায় বা কী— ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল। টানা চার বছর একের পর এক হিট সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন এ জুটি। দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাধ জিতের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন স্বস্তিকা। তবে সেই সম্পর্কে পরে ইতি টানেন দুজনেই। পথ আলাদা হয়ে যায় টালিউডের জনপ্রিয় এ দুই তারকার। 

    একটি সূত্র জানায়, নায়িকা স্বস্তিকার সংসার ভাঙার পর ‘মাস্তান’ সিনেমাতে কাজ করেছিলেন জিতের বিপরীতে। সেখানেই তাদের বন্ধুত্ব হয়, যা পরে প্রেমে রূপ ধারণ করে। পার্টি থেকে সিনেমার প্রচার— সব জায়গাতেই একসঙ্গে যেতেন এ তারকা জুটি। নায়িকার পরিবারের সঙ্গেও তার দারুণ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু যখন তারা আলাদা হয়ে যান, স্বস্তিকার পরিবারের লোকজন নাকি খুব একটা খুশি হয়নি। 

    ইন দ্য রিং ফিল্মফেয়ার বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা বলেন, জিতের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তার বোন অজপা প্রচুর কান্নাকাটি করেছিল। শুধু তাই নয়, সম্পর্ক ভাঙার জন্য বোনকেই কাঠগড়ায় তুলেছিল। 

    খানিকটা মজার ছলেই জিতের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন নায়িকা। স্বস্তিকা বলেন, মেয়ের সঙ্গে জিতের বন্ডিং ভালো ছিল। তারপর মেয়ে যত বড় হয়েছে, জিতের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙা নিয়ে মাকেই কথা শুনিয়েছে।

    নায়িকা বলেন, এখনো যে সম্পর্ক নিয়ে ওর অসুবিধা নেই, সেটি হলো— জিতের সঙ্গে সম্পর্ক। ছয় বছর আমরা একসঙ্গে ছিলাম। আমার মেয়ে তো ওই সম্পর্ক নিয়ে আমাকেই দোষারোপ করে। ও বলে— আমিই নাকি সম্পর্ক শেষ করেছি। আরও বলে— কী কারণে সম্পর্ক ভেঙেছে জানি না। কিন্তু যাই হোক, এর জন্য আমি তোমাকে ক্ষমা করব না।

    একটা সময় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বহু পুরুষের ক্রাশ। তার সম্পর্ক মাঝেমধ্যেই ইন্ডাস্ট্রির হট টপিক হয়ে যায়। কিন্তু তিনি যে আদতে খুবই সাধারণ, স্বাধীনচেতা ও ভালো মেয়ে, তা ফিল্মফেয়ারকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলে ফেলেন। নায়িকা বলেন, এখন পর্যন্ত ছয়জনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, ব্যাস। সেই প্রসঙ্গেই জিৎ উঠে আসেন আলোচনায়। 

    স্বস্তিকা বলেন, আমার মা-বোনও সবসময় ওর (জিতের) পক্ষই নিয়েছে। ওরা চেয়েছিল আমরা বিয়ে করি। আমার বোন তো কেঁদে ভাসিয়েছিল সম্পর্কটা ভেঙে যাওয়ার কথা শুনে। ও (মেয়ে অন্বেষা) জিতের সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠ ছিল। যখন বড় হলো, ওর দাবি ছিল— জিৎ খুবই সুপুরুষ। মা তুমি এটা কী করলে।

    কী কারণে জিতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়েছিল, তা জানা যায়নি। পরেও কেউ এ বিষয় নিয়ে মুখ খোলেননি। জিৎ এ ঘটনার কয়েক বছর পর বিয়ে করেন। অন্যদিকে স্বস্তিকা নতুন করে সম্পর্কে জড়ালেও আর কাউকে বিয়ে করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোস্ট স্টাইলিশ স্টারের পুরস্কার পেলেন জিৎ-শুভশ্রী, আর কে কী পেলেন?

    জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ফিল্মফেয়ার গ্ল্যামার অ্যান্ড স্টাইল অ্যাওয়ার্ডস পশ্চিমবঙ্গ-২০২৫’। 

    সোমবার কলকাতার একটা পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত হয়েছিল এই অনুষ্ঠানটি। রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, যশ দাশগুপ্ত, নুসরত জাহান মিমি চক্রবর্তী থেকে শুরু করে উপস্থিত ছিলেন ঢালিউড কুইন জয়া আহসানসহ টালিগঞ্জের বহু তারকা উপস্থিত।

    এবারের ফিল্মফেয়ারে মোস্ট স্টাইলিশ স্টারের পুরস্কার পেয়েছেন টালিউড সুপারস্টার জিৎ এবং অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। 

    ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বাংলা-২০২৫ এ আর কে কোনো পুরস্কার পেলেন চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক…

    মোস্ট স্টাইলিশ স্টার (নারী)- শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়

    মোস্ট স্টাইলিশ স্টার (পুরুষ) জিৎ

    ফ্যাশনের উদীয়মান মুখ (নারী)-  অঙ্গনা রায়

    ফ্যাশনের উদীয়মান মুখ (পুরুষ)- শন বন্দ্যোপাধ্যায়

    বর্ষসেরা হটস্টেপার (পুরুষ)- অর্জুন চক্রবর্তী

    বর্ষসেরা হটস্টেপার (নারী)-  রুক্মিণী মৈত্র

    ওম্যান অফ স্টাইল অ্যান্ড সাবস্ট্যানস- স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়

    ম্যান অফ স্টাইল অ্যান্ড সাবস্ট্যানস-  আবির চট্টোপাধ্যায়

    ফিট অ্যান্ড ফ্যাবুলাস (নারী)- পাওলি দাম

    ফিট অ্যান্ড ফ্যাবুলাস (পুরুষ)- টোটা রায় চৌধুরী

    মোস্ট গ্ল্যামারাস ইউথ আইকন (পুরুষ)- বিক্রম চট্টোপাধ্যায়

    সমোস্ট গ্ল্যামারাস ইউথ আইকন (নারী)- সৌরসেনী মৈত্র

    দ্য আল্টিমেট ডিভা টাইমলেস বিউটি- রূপা গঙ্গোপাধ্যায়

    ট্রাডিশনাল কুইন অফ দ্যা ইয়ার – জয়া আহসান

    ফ্য়াশান রিস্ক টেকার অফ দ্যা ইয়ার- মনামী ঘোষ

    স্টাইল আইকন (পুরুষ)- প্রসেনজিৎ

    স্টাইল আইকন (নারী)- ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

    রেড কার্পেট লুক অফ দ্য ইয়ার (পুরুষ) -অঙ্কুশ হাজরা

    রেড কার্পেট লুক অফ দ্য ইয়ার (নারী)- ঐন্দ্রিলা সেন

    মোস্ট গ্ল্যামারাস স্টার (নারী) -কোয়েল মল্লিক

    সবচেয়ে গ্ল্যামারাস তারকা (পুরুষ) -দেব

    মোস্ট ফ্যাশনেবল স্টার কাপল – নুসরত জাহান এবং যশ দাশগুপ্ত

    মোস্ট ফ্যাশনেবল স্টার (পুরুষ)- পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়

    মোস্ট ফ্যাশনেবল স্টার (নারী)- রাইমা সেন

    বছরের সেরা ট্রেন্ডসেটার -মিমি চক্রবর্তী

    স্পোর্টস আইকন- সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

    মোস্ট স্টাইলিশ ডিরেক্টর- রাজ চক্রবর্তী

    হটেস্ট স্টার অফ দ্য় ইয়ার (পুরুষ)-দেব

    হটেস্ট স্টার অফ দ্য ইয়ার (নারী)-রাইমা সেন

    ট্রেলব্লেজার অফ দ্য ইয়ার- জিৎ

    আল্টিমেট ডিভা গায়িকা- ঊষা উত্থুপ

    বিনোদন ডেস্ক