Tag: চিত্রনায়ক

  • বাস্তবেও হিরো হতে চাই

    চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। ঢাকার পাশাপাশি কলকাতা এবং বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও বেশ সরব। বর্তমান ব্যস্ততা এবং সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।   

    rnrn

    বর্তমানে কী নিয়ে ব্যস্ত?

    rnrn

    অনেকগুলো কাজ নিয়েই ব্যস্ত আছি। যার মধ্য কিছু আছে ব্যক্তিগত, কিছু প্রফেশনাল। কয়েকটি সিনেমা মুক্তির কথা রয়েছে। যার মধ্যে ‘দামপাড়া’, ‘লাল কাঁকড়া’, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া নতুন একটি সিনেমার কাজও শুরু করেছি।

    rnrn

    নতুন সিনেমার কাজ শুরু করেছেন। এতে আপনার চরিত্র কেমন?

    rnrn

    কয়েকদিন হয়েছে মাত্র নতুন সিনেমাটির কাজ শুরু করেছি। নাম ‘যুদ্ধ জীবন’। এটি পরিচালনা করেছেন রিফাত মোস্তফা। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ওপর সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। এখানে একজন সেনা কর্মকর্তার চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। এ সিনেমা নিয়ে আমি ভীষণ এক্সাইটেড। কারণ একজন সেনা সদস্যদের ত্যাগ এবং বলিদান আমরা বাস্তবে কল্পনাও করতে পারি না।

    rnrn

    পাঁচ বছর পর আপনার ‘যদি আরেকটু সময় পেতাম’ সিনেমাটিও মুক্তির ঘোষণা এসেছে। এত দেরি হওয়ার কারণ কী?

    rnrn

    আমি খুবই আনন্দিত এই বিষয়টি নিয়ে। কারণ এটি আমার এ পর্যন্ত করা সিনেমাগুলোর চেয়ে পুরোপুরি আলাদা। মূলত এটি একটি এক্সপেরিমেন্টাল সিনেমা। এতে প্রবাসে বসবাসকারী এক বাঙালি ছেলে এবং সেখানকার স্থানীয় এক মেয়ের প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখানো হবে। সুন্দর গল্পের পাশাপাশি একটা সামাজিক বার্তাও আছে। পুরো সিনেমার শুটিং হয়ে লন্ডনে। শেষ পর্যন্ত এটি দর্শকের সামনে আসছে, এটা শুনে খুব ভালো লাগছে।

    rnrn

    কিছুদিন আগে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমার পঁচিশ বছর পূর্ণ হলো। কেমন অনুভূতি হচ্ছে?

    rnrn

    অবশ্যই ভালো লাগছে। একই সঙ্গে কিছুটা স্মৃতিকাতরও লাগছে। এ সিনেমার শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা স্মৃতি হয়ে আজীবন থাকবে। প্রায়ই প্রায়ই আমি সেগুলো মনে করি আর হারিয়ে যাই। সিনেমাটির চিত্রনাট্য এবং বিভিন্ন বিষয় বই আকারে প্রকাশ হয়েছে। এবার এটি নিয়ে অনেক তথ্যই জানতে পারবেন পাঠকরা।

    rnrn

    রাজনীতিতেও সক্রিয় আপনি। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভাবনা কী?

    rnrn

    অনেক আগে থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল, দেশের জন্য, সমাজের মানুষের জন্য কিছু করার। শুধু তাই নয়, শিল্প-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। রাজনীতি সেই ইচ্ছা পূরণের একটা মাধ্যম। সিনেমায় অনেকবার হিরো হয়েছি, এবার বাস্তবে হিরো হতে চাই। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আর আমি বিশ্বাস করি, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।

    rnrn

    নূসরাত অনন্যা

    নূসরাত অনন্যা

  • দরদের শুটিং এবার বাংলাদেশে

    চিত্রনায়ক শাকিব খান বলিউড নায়িকা সোনাল চৌহানকে নিয়ে ‘দরদ’ নামে একটি যৌথ প্রযোজনার সিনেমায় অভিনয় করছেন। পরিচালনা করছেন অনন্য মামুন। ভারতে টানা ২০ দিনেরও বেশি সময় শুটিংয়ের পর ঢাকায় ফিরেছেন শাকিব খান।

    rnrn

    নির্মাতা জানিয়েছেন, যৌথ প্রযোজনার নীতিমালা অনুযায়ী এ সিনেমার ভারতের অংশের শুটিং দেশটির বিভিন্ন লোকেশনে সম্পন্ন হয়েছে। সিনেমার চারটি গানের সবকটির শুটিংও শেষ। এবার শুরু হবে বাংলাদেশের কাজ।

    rnrn

    নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক না হলেও ডিসেম্বরেই বাংলাদেশ অংশের শুটিং শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন অনন্য মামুন। কারণ, এরইমধ্যে ‘দরদ’ এর মুক্তির তারিখও চূড়ান্ত। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এটি মুক্তি পাবে।

    rnrn

    নির্মাতা এটিকে ‘প্যান ইন্ডিয়া মুভি’ হিসাবে অবহিত করছেন। বলেছেন, বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘শেষ হলো দরদের ভারতের শুটিং। শাকিব ভাইয়ের দরদে ডুবে থাকা, আমার টিমের কঠোর পরিশ্রম আর কামাল কিবরিয়া লিপু (প্রযোজক) ভাইয়ের যুদ্ধ, চেষ্টা করছি একটি আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা দর্শকদের উপহার দিতে। শাকিব ভাই নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করেছেন। বলতে পারি, নিজের জীবনের সেরা কাজ করেছেন তিনি। আমার বিশ্বাস, দর্শকরা এ সিনেমায় অন্য এক শাকিব খানকে আবিষ্কার করবেন।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • চিত্রনায়ক সোহেল হত্যা: এমপিসহ তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

    নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- কুমিল্লা-৮ আসনের সংসদ সদস্য নাছিমুল আলম চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন খান ও আহমেদ সাঈদ।

    বুধবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আলী আহমেদের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এদিন তাদের সাক্ষ্য শেষ হওয়ায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত নয়জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতেই সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। 

    ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারো তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলাটির তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন। 

    বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয়। হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।
     

    আদালত প্রতিবেদক

  • চিত্রনায়ক সোহেল হত্যায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

    নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। 

    এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২-এর বিচারক আলী আহমেদ সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    মামলার আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা-কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    আদালত প্রতিবেদক

  • শুভেচ্ছাদূত হলেন সিয়াম

    অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান সুজুকির মোটরবাইক ব্রান্ডের বাংলাদেশ পার্টের শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ। একই সঙ্গে তাকে ‘ফেস অফ সুজুকি’ হিসেবেও নির্বাচিত করেছে। 

    rnrn

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এমন তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সুজুকি বাংলাদেশের ডিভিশনাল ডিরেক্টর শোয়েব আহমেদ, চিফ অপারেটিং অফিসার একেএম তৌহিদুর রহমান এবং হেড অব মার্কেটিং মো. শামস উদ্দিনসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

    rnrn

    প্রতিষ্ঠানটির শুভেচ্ছাদূত হওয়া প্রসঙ্গে সিয়াম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলাম। দারুণ অভিজ্ঞতা হবে বলে আশা করছি।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ জুন

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৬ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

    বুধবার মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল; কিন্তু এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আলী আহমেদ সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহীনুর আলম।

    মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারো তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলাটির তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন। 

    বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীস্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    সবশেষ গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি মামলার নথি বিচারিক আদালতে ফেরত আসলে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নেন বিচারিক আদালত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নৌকা ব্যবসায়ী হলেন ফেরদৌস 

    চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও চিত্রনায়িকা শিমলা জুটি বেঁধে ‘দখিন দুয়ার’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় শুরু করেছিলেন কয়েক মাস আগে। এটি পরিচালনা করছেন সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড।

    rnrn

    সম্প্রতি জানা গেছে, সিনেমাটির কাজ প্রায় শেষের পথে। এরইমধ্যে ফেরদৌসের অংশের শুটিং শেষ হয়েছে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন। পুরো সিনেমার অল্প কিছু অংশের শুটিং বাকি আছে। পদ্মাপাড়ের মানুষের জীবন, টানাপোড়েনের গল্প নিয়ে এ সিনেমায় তুলে ধরা হচ্ছে। এতে ফেরদৌসকে দেখা যাবে নৌকা ব্যবসায়ী চরিত্রে।

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের ‘গঙ্গাযাত্রা’, ‘অন্তর্ধান’ সিনেমাতে কাজ করেছি। দুটি সিনেমা প্রশংসিত হয় এবং একাধিক বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। নতুন সিনেমার গল্পটা আমার ভালো লাগায় কাজটা করতে রাজি হয়েছি। আশা করছি, দর্শকদের ভালো লাগবে।’
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাবিতে ফারুক আমার অধীনেই ছাত্রলীগের রাজনীতি করত: সোহেল রানা

    সবাই তাকে ফারুক কিংবা আকবর হোসেন পাঠান নামে চেনেন। মিয়া ভাইও বলে। আমি দুলু বলে ডাকতাম। কারণ, তার ডাক নাম ছিল দুলু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলে যখন ছিলাম তখন সে ছাত্রলীগে আমার আন্ডারেই ছিল। 

    rnrn

    মোট কথা, ছোটবেলা থেকেই ওকে আমি চিনতাম, জানতাম। তুখোড় ছাত্রনেতা ছিল। খুব চঞ্চলও বলা চলে। সে এভাবে চলে যাবে কখনো ভাবিনি। তার এভাবে চলে যাওয়াটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন, খুব কষ্টের। 

    rnrn

    আমি আর দুলু মিলে একসঙ্গে কোনো সিনেমায় কাজ করিনি। কিন্তু রাজনীতিতে অনেক কাজ হয়েছে আমাদের। আজ সে না ফেরার দেশে। দোয়া করি যেন তাকে আল্লাহ জান্নাত দান করেন। আর তার পরিবারের প্রতিও আমার দোয়া থাকবে সব সময়।

    rnrn

    -মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা), বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিনেতা
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শহীদ মিনারে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ

    সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। 

    মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সেখানে রাখা হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর ২টায় মরদেহ নেওয়া হবে এফডিসিতে। 

    পরে গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ আসর জানাজা শেষে নায়ক ফারুককে সমাহিত করা হবে গাজীপুরের কালীগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে। পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে। 
     
    এর আগে, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট সিঙ্গাপুর থেকে ফারুকের মরদেহ নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘একবার বুবলীকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল’

    চিত্রনায়ক শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী ২০১৮ সালের ২০ জুলাই বিয়ে করেন। ২০২০ সালের ২১ মার্চ সন্তান শেহজাদের জন্ম হয়। ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানা যায়।

    rnrn

    এদিকে ২০২১ সাল থেকেই শাকিব ও বুবলীর মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ওই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি ‘লিডার, আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমার সাইনিং অনুষ্ঠানে দুজন মুখোমুখি হলেও কেউ কারও সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলেননি। তারপরও সিনেমার শুটিং করেছেন তারা। এবার জানা গেল, তাদের আট মাস আগেই বিচ্ছেদ হয়েছে। 

    rnrn

    বুধবার শাকিব গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বুবলীর সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্নের কথা জানিয়েছেন। এমনকি বুবলীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

    rnrn

    এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বৃহস্পতিবার স্ট্যাটাস দেন বুবলী। তিনি ফেসবুক পোস্টে জানান, তাদের এখনো সম্পর্ক রয়েছে। শুধু এটিই নয়, শাকিব ও বুবলীর বেশ কিছু বক্তব্যের হিসাব মেলাতে পারছেন না ভক্তরা।

    rnrn

    সম্পর্কের অবনতির বিষয়ে শাকিব খান বলেন, ‘দেখুন, সে আমাকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে সম্পর্ক, সন্তান, অর্থবিত্ত, নাম সবই করেছে। আমিও তাকে অন্ধ বিশ্বাস করেছিলাম; কিন্তু শেহজাদকে জন্ম দেওয়ার পর আমেরিকা থেকে দেশে এসে সে নানা স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়ল। নানাজনের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলল; যা মিডিয়াসহ সবাই জানে।’

    rnrn

    ঈদে বুবলী ও আপনারা ঘুরে বেড়িয়েছেন, কথাটি কি সত্য? এমন প্রশ্নের জবাবে শাকিব বলেন- দেখুন, আমাকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করার জন্য এটিও তার একটি পাতা ফাঁদ ছিল। তার সঙ্গে সম্পর্কের পর এক দিনের জন্যও সে আমাদের বাসায় থাকেনি। আমার বাসার কারও সঙ্গে তার কথাও হয়নি। আগে পরিচয়ও ছিল না। সে জোর করে আমার বাসায় এসে সিনক্রিয়েট করার চেষ্টা করে। 

    rnrn

    এই চিত্রনায়ক আরও বলেন, শেহজাদের জন্মদিনেও সে জোর করে আমার বাসায় এসেছে। শেহজাদকে তার নানিই আমার বাসায় নিয়ে আসেন। অথচ ঈদের দিনও পরিকল্পিতভাবে বুবলী আমার বাসায় এসেছে। যেখানে আমার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই, সেখানে আমার বাসায় সে আসবে কেন? ঈদের দিন বাসায় কেউ এলে তাকে তো আর বের করে দেওয়া যায় না। অথচ এর আগে একবার তাকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল। যাক, ঈদের দিন সে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই একসঙ্গে বাসার সবাই বসে খেয়েছি। তারপর শেহজাদকে নিয়ে গাড়িতে করে যখন বেড়াতে বের হচ্ছিলাম তখন বুবলীও গাড়িতে উঠে পড়ে এবং পেছনের সিটে বসে থাকে। 

    rnrn

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, তার (বুবলী) রান্না করা বা তার হাতে কোনো খাবারই আমি খাইনি। আসলে সেদিন ঈদের সুযোগ নিয়ে সে আমার বাসায় এসেছিল। মিথ্যা বলে আবার আমাকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য এবং পরে সে ফেসবুকে মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়ে তাই করার চেষ্টা করেছে।

    বিনোদন ডেস্ক