Tag: কোটাবিরোধী আন্দোলন

  • যে ক্ষত আমাদের মনে সৃষ্টি হলো তা অমোচনীয়: জয়া আহসান

    কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের হতাহতের ঘটনায় প্রথম থেকেই সরব শোবিজ অঙ্গনের তারকারা। জনপ্রিয় নির্মাতা, চলচ্চিত্রশিল্পী, অভিনেতা-অভিনেত্রী, ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সারাসহ সংগীত অঙ্গনের অনেকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আসছেন। গতকাল দলবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা।

    কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে এবার মুখ খুললেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। 

    বৃহস্পতিবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের মতামত জানান। 

    ওই পোস্টে জয়া লিখেন, নৈরাশ্য আমাকে শূন্যতার দিকহীন সুরঙ্গে ছুঁড়ে দিয়েছে। এত মৃত্যু এত কান্না আমার মুক্তিযোদ্ধা পিতার রক্ত-ঘামের বাংলাদেশে বইবে কেমন করে? যে জীবন গেছে তা আর ফিরে আসবে না। যে ক্ষত আমাদের মনে সৃষ্টি হলো তা অমোচনীয়। কেমন করে পথ চলব আমরা। 

    অভিনেত্রী লিখেছেন, অবিশ্বাস অনাস্থা, ঘৃণার আবহে পথ হারিয়ে ফেলব কি আমরা! দিশাহীন আমি বোধহীন আমি হতাশায় নিমজ্জিত আমি নিশ্চুপ সপ্তাহধিকাল! কী লিখব? কী বলব? কে শুনবে আমার কথা? এ কেমন ধূসর যাত্রায় রক্তাক্ত আমরা একাকী পথ হাঁটছি? কি এক অমানিশা আমাদের জীবনে নেমে এলো? কেমন করে পথ চলবো আমরা? কেমন করে?

    প্রাণগুলো চলে গেছে, বিষণ্ণতা রেখে গেছে, এই এত এত তাজা প্রাণের দাম তো অনেক, আমরা যে অনেক বেশি ঋণী হয়ে বেঁচে রইলাম! লিখেন জয়া৷

    শান্তি চান জানিয়ে জয়া শেষে লিখেন, হে ঈশ্বর আলো দাও, সকলের হৃদয়ে। সকল ঘৃণা, ক্রোধ ধূয়েমুছে যাক আলোর বন্যায়, ভালোবাসায়। হত্যা, মৃত্যু, হানাহানি অতিক্রম করে একে অপরের হাত ধরে ভালোবাসায় কান্নায় যুথবদ্ধ পথ চলি, দেশটা ফিরে পাই আমরা আমাদের মত করে। শান্তি চাই, শান্তি চাই, শান্তি চাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপনাকেও সরকারবিরোধী ট্যাগ দেওয়া হবে কিনা, প্রশ্নে যা বললেন মোশাররফ করিম

    বৃষ্টিতে ভিজে রাজধানীর ফার্মগেটে সমাবেশ করেছেন দৃশ্যমাধ্যমের শিল্পীরা। তবে পুলিশের বাধায় তারা পূর্বঘোষিত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সমাবেশ করতে পারেননি। 

    rnrn

    শিল্পীরা বলেছেন, সরকার যে বর্বর পন্থায় শিক্ষার্থীদের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে দমন করেছে, তা কোনো গণতান্ত্রিক সভ্য সমাজে ঘটতে পারে না। 

    rnrn

    কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার, হত্যা-সহিংসতা-গণগ্রেফতার-হয়রানির প্রতিবাদে এই সংহতি সমাবেশ করেন শিল্পীরা। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জাতীয় সংসদের সামনে সমাবেশের কর্মসূচি ছিল অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের। সংসদ ভবনের সামনে যাওয়ার পথ রুদ্ধ হওয়ার পর খামারবাড়ি মোড় থেকে বৃষ্টিতে ভিজে উপস্থিত প্রতিজন শিল্পী ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দিতে এসে দাঁড়ালেন ফার্মগেট সেজান পয়েন্টের সামনে, রাজপথে।

    rnrn

    ‘দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজ’-এর ব্যানারে যুক্ত হওয়া এই সংস্কৃতি কর্মীদের মধ্যে এদিন সরাসরি হাজির ছিলেন মামুনুর রশীদ, মোশাররফ করিম, আজমেরী হক বাঁধন, সাবিলা নূর, আশফাক নিপুণ, নুরুল আলম আতিক, অমিতাভ রেজা, পিপলু আর খান, শিবু কুমার শীল, রেদওয়ান রনি, জাকিয়া বারী মম, সোহেল মণ্ডল, সিয়াম আহমেদসহ অনেকে।

    rnrn

    বক্তব্যে অভিনেতা মোশাররফ করিম বলেন, আমরা রক্তপাত চাই না, শান্তি চাই। এসবের বাইরে থাকতে চাই।

    rnrn

    যারা এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছে, তাদের সরকারবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে… আপনাকেও কি সেই ট্যাগ দেওয়া হবে কি না? 

    rnrn

    এ প্রশ্নের জবাবে মোশাররফ করিম বলেন, আমি সাধারণ মানুষ। আমরা সবাই সাধারণ মানুষ। 

    rnrn

    দৃশ্যমাধ্যমের শিল্পীদের এই সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয়। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের বিচার, গণগ্রেফতার, মামলা ও হয়রানি বন্ধের দাবির করা হয়। 

    rnrn

    সমাবেশ থেকে জানানো হয় শিল্পীরা তাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন। আগামীকাল শুক্রবারও বেলা ১১টায় শিল্পীরা ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়কে আবাহনী ক্লাব মাঠের সামনে প্রতিবাদী সমাবেশ করবেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে শিক্ষার্থীদের পক্ষে তাহসানের পোস্ট, বিরূপ প্রতিক্রিয়া

    কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল দেশের শোবিজ অঙ্গন। জনপ্রিয় নির্মাতা, চলচ্চিত্রশিল্পী, অভিনেতা-অভিনেত্রী, ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সারাসহ সংগীত অঙ্গনের অনেকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আসছেন।

    rnrn

    বর্তমানে আন্দোলনকে ঘিরে সংঘাত-সহিংসতায় নিহত ও গণগ্রেফতার-হয়রানির ঘটনা নিয়েও প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছে তাদেরকে। তবে সর্বশেষ এই তালিকায় যুক্ত হলেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে প্রতিবাদী কণ্ঠে আওয়াজ তোলেন তিনি; জানান নিপীড়িত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান।
    rnকিন্তু, পোস্টটি শেয়ার করার পর পরই নেটিজেনদের একাংশ বেশ সমালোচনা করেন তাহসানকে নিয়ে। তাদের দাবি, সময়ের সঙ্গে সুযোগ নিয়েছেন তাহসান; যেখানে আন্দোলন ঘিরে শুরু থেকেই সরব ছিল অধিকাংশ তারকারা। অথচ এমন উদ্ভূত পরিস্থিতি সৃষ্টির অনেকটা সময় অতিবাহিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের পক্ষে তাহসানের সাড়া দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন অনেকে।

    rnrn

    এক নেটিজেনের মন্তব্য, ‘ঘুম ভেঙেছে।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন, ‘সিরিয়াসলি ম্যান? এখন ঘুম ভাঙছে? আপনি আইডল ছিলেন আমার! আমার আইডল এখন রাফি, মুগ্ধ, আবু সাঈদ।’ কেউ উল্লেখ করেন, ‘প্রতিবাদটি আরও আগে করা উচিত ছিল।’

    rnrn

    উল্লেখ্য, তাহসান শোবিজের বাইরেও পেশায় একজন শিক্ষক। দেশের একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন তিনি। তাই তরুণ শিক্ষার্থীদের পাশে তাহসানের সমর্থন সেই শুরু থেকেই আশা করেছিলেন অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘কত চুপ থাকা যায়, সরি চিৎকার করে কান্না আসতেছে’

    কোটা আন্দোলনে প্রায় মাস খানেক হতে চলল। এরমধ্যে এই ঘটনায় মারা গেছে নানা বয়সি দুই শতাধিক মানুষ। গ্রেফতার হয়েছে অসংখ্যা। সারা দেশে চলছে কারফিউ। 

    সাধারণ জনগণের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন তারকারাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজ নিজ জায়গা থেকে করেছেন প্রতিবাদও। তাদের মধ্যে সরব আছেন আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি। 

    এবার সামাজিকমাধ্যমে বেশ কিছু স্থিরচিত্র, ভিডিও দেখে রীতিমতো ক্ষোভ ঝাড়লেন তিনি।

    বুধবার নিজের ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। যে ভিডিওর ক্যাপশনে নিজের ক্ষোভ জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 

    ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের সেই ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে পরীমনি লিখেছেন, ‘ছি ছি ছি। থুথু এদের মুখের ওপর। শকুনের মতন চারপাশ থেকে কিভাবে একজন মহিলার ওপর সবার সামনে ঝাপায়ে পরতেছে! তাও একজন শিক্ষক এর উপর! কত চুপ থাকা যায় আর সরি। চিৎকার করে কান্না আসতেছে। আল্লাহ তুমি ধ্বংস করে দাও পৃথিবী!’

    ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একজন শিক্ষিকা কয়েকজন হামলাকারী ও এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে তর্ক করছেন। এ সময় তিনি হামলাকারীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, আপনারা মারেন নাই? এরা আমার ছাত্র।

    আপনারা গুলি চালান নাই? এরপর ওই হামলাকারীদের মাঝে কেউ সেই শিক্ষিকাকে ‘রাজাকার’বলে মন্তব্য করলে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে যান তিনি। সেই সঙ্গে পাল্টা জবাবে, ‘রাজাকার’ বলতে নিষেধ করেন।

    পরে সেই শিক্ষিকার ওপর হামলাকারীরা চড়াও হওয়ার চেষ্টা করলে সেই স্থান থেকে শিক্ষিকাকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন পুলিশ কর্মকর্তা। একপর্যায়ে হামলাকারীরা ওই নারী শিক্ষিকাকে হেনস্তা করেন।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোটা ইস্যুতে আলোচনায় মেহজাবিনের ফেসবুক পোস্ট

    সম্প্রতি কোটা ইস্যুতে অনেক শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখই কথা বলেছেন এ তালিকায় রয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী। প্রায় এক দশকের মতো ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় কাজ উপহার দিয়েছেন যিনি। সম্প্রতি মেহজাবিন তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, হত্যা ও গুলি নিয়ে। পোস্টটি গত ১৮ জুলাই করা হলেও নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিষয়টি। 

    মেহজাবিন তার পোস্টে পবিত্র কুরআন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ছোটবেলা থেকে জেনেছি, পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র নারীর গায়ে হাত তোলা সমর্থন করে না। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থও কখনো নারীর প্রতি সহিংসতা শেখায়নি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো’। হাদীসে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালোমানুষ তারাই, যারা নারীদের সঙ্গে সদাচরণ করে’। অথচ আমাদের দুর্ভাগ্য, গণমাধ্যম বা সামাজিক মাধ্যমে আজকাল এর ভিন্ন চিত্র, মর্মান্তিক সব ভিডিও চিত্র দেখতে হচ্ছে। একজন নয়, দুইজন নয়, আমারই অসংখ্য বোনের ওপর নির্বিকার ভঙ্গিতে হামলা চালানো হচ্ছে, রক্তাক্ত করা হচ্ছে। 

    নারীর গায়ে হাত ও আবু সাঈদ হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, কী নির্মম, কী নৃশংস! ন্যায়-অন্যায়ের প্রসঙ্গে পরে আসছি, তবে আমার অবস্থান থেকে বলবো: সর্বোচ্চ কোনো যুক্তির অজুহাতেও নারীর প্রতি এই সহিংসতা মেনে নেয়া যায় না। ‘না’ মানে ‘না’; কক্ষনো না। ছাত্র-ছাত্রীরা কী-ই বা করেছিল? তারা তাদের অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছিল। কোটা সংস্কারের দাবি তুলেছিল। তাই তো? একটি গণতান্ত্রিক দেশে স্বাধিকারের দাবি যে কেউ তুলতে পারে। কিন্তু তাই বলে নারীর গায়ে হাত তোলা, ‘আবু সাঈদ’-এর মত সম্ভাবনাময় তরুণকে হত্যা করা-এসব কি সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে? সমাধানের অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? গুলি কেন করতে হলো? পরিস্থিতি হয়ত আজ কিংবা কাল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে মায়ের বুক খালি হলো, যে পরিবারের মুখের হাসি চলে গেল, আমরা কি সেই শূন্যতা অন্য কিছুর বিনিময়ে পূর্ণ করতে পারবো? কক্ষনো না। 

     

    তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী: শক্তি যত বড়ই হোক, ছাত্র সমাজের ওপর চড়াও হয়ে যুগে যুগে কেউ কখনো কিছুই অর্জন করতে পারেনি। তাহলে কেন এই ব্যর্থ আস্ফালন? মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা সবসময়ই বুকের ভেতর লালন করি। আমরা গর্ব করি বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু এই দেশে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা যাবে না, অধিকারের দাবি তোলা যাবে না, সবকিছুর ঊর্ধ্বে যোগ্যতার পরিচয়টাকেই সবচেয়ে বড় করে দেখা যাবে না, প্রশাসনের চাওয়া-পাওয়ার বিরুদ্ধে গেলেই হামলার শিকার হতে হবে, অকাতরে অকাল প্রাণ বিলিয়ে দিতে হবে-এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন? আমার মনে হয় না।

    মেহজাবিন আরও উল্লেখ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে দুর্নীতি-প্রায় সব ইস্যুতেই তো আমরা চুপ থাকি। রক্ষক ভক্ষক হয়ে গেলেও আমরা নীরবে সয়ে যাই। অপেক্ষা করি, হয়ত একটা না একটা সমাধান আসবে। আজ না হলেও দুদিন পরে  আসবে। 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ভাইরাল সেই টিভি উপস্থাপিকাকে নিয়ে যা বললেন শনবম ফারিয়া

    সম্প্রতি চ্যানেল আইয়ে সম্প্রচারিত ‘মেট্রোসেম টু দ্য পয়েন্ট’ টকশো অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে এই টকশোটি আলোচনায় থাকার যতগুলো কারণ রয়েছে, উপস্থাপিকাই সব বিষয়কে ছাপিয়ে গেছেন। 

    rnrn

    ফলে অনুষ্ঠানটির উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী এখন প্রশংসায় ভাসছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রশংসা করে অনেকেই স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। 

    rnrn

    দীপ্তিকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন হালের আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘আপা, আপনার প্রতি আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক অনেক সম্মান, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। সাংবাদিকতার স্টুডেন্ট হিসাবে আপনার কাছ থেকে কীভাবে ধৈর্য ধরে রাখতে হয় তা শিখলাম’।

    rnrn

    উপস্থাপিকার প্রশংসা করে শবনম লেখেন, ‘আপনার নাম জানি না তবে যেহেতু একই মাধ্যমে কাজ করি, কোনো না কোনো দিন দেখা হয়েই যাবে। তার আগ পর্যন্ত জেনে রাখেন আপনি অসাধারণ, আপনি অনন্যা’।

    rnrn

    দীপ্তি চৌধুরী বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের বিভাগের শিক্ষার্থী। উপস্থাপনা ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে তরুণ উন্নয়নকর্মী হিসেবে জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করছেন। 

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ‘মেহা যদি ফেরত না আসত, আমার জীবনটা ধ্বংস হয়ে যেত’

    কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে চলমান অস্থিরতায় নারায়ণগঞ্জ সদরের নয়ামাটির বাসার ছাদে খেলতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে সাড়ে ছয় বছরের শিশু রিয়া গোপ। 

    rnrn

    রিয়ার মৃত্যুর খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর অনেকে মর্মাহত হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকও জানাচ্ছেন কেউ কেউ।

    rnrn

    অভিনয়শিল্পী ও প্রযোজক ইরেশ যাকের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমাদের কন্যা মেহার বয়স পাঁচ। মেহাও তো দুপুরে ছাদে খেলতে যেতে পারত। ভেবে দেখলাম, মেহা যদি ইউনিভার্সিটিতে পড়ত, রাস্তায় যেতে চাইত, আমি থামাতাম না। থামাতে পারতাম না।’

    rnrn

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ইরেশ লিখেছেন, ‘ও (মেহা) যদি ফেরত না আসত, আমার জীবনটা ধ্বংস হয়ে যেত। কিন্তু গর্বে আমার বুকটা ফেটে যেত। আমি চাইতাম, রাষ্ট্র যাতে ওকে বীরের মর্যাদা প্রদান করে। ওর খুনিদের বিচার করে।’

    rnrn

    ইরেশ যাকের ও মিম রশীদ দম্পতির মেয়ে মেহা রশীদ যাকেরের জন্ম ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট। এখন মেহার বয়স ৪ বছর ১১ মাস। মেহার দাদা-দাদি অভিনেতা আলী যাকের ও অভিনেত্রী সারা যাকের। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার কোটা আন্দোলন নিয়ে সরব মেহজাবীন, যা বললেন

    এবার কোনো সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সরব হয়েছেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। কাজ ও পরিবারের বাইরে রাষ্ট্র এবং সমাজ নিয়ে যার খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তিনি এবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন কড়া প্রতিবাদী হয়ে। তুলে ধরলেন কুরআন-হাদিসের তথ্যও।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ এক লেখা পোস্ট করেছেন। মেহজাবীনের পুরো লেখাটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

    rnrn

    ছোটবেলা থেকে জেনেছি, পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র নারীর গায়ে হাত তোলা সমর্থন করে না। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থও কখনও নারীর প্রতি সহিংসতা শেখায়নি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো’। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালো মানুষ তারাই, যারা নারীদের সঙ্গে সদাচরণ করে’। 

    rnrn

    অথচ আমাদের দুর্ভাগ্য, গণমাধ্যম বা সামাজিকমাধ্যমে আজকাল এর ভিন্ন চিত্র, মর্মান্তিক সব ভিডিও দেখতে হচ্ছে। একজন নয়, দুইজন নয়, আমারই অসংখ্য বোনের ওপর নির্বিকার ভঙ্গিতে হামলা চালানো হচ্ছে, রক্তাক্ত করা হচ্ছে। কী নির্মম, কী নৃশংস! ন্যায়-অন্যায়ের প্রসঙ্গে পরে আসছি। তবে আমার অবস্থান থেকে বলব- সর্বোচ্চ কোনো যুক্তির অজুহাতেও নারীর প্রতি এই সহিংসতা মেনে নেওয়া যায় না। ‘না’ মানে ‘না’; কখনও না। ছাত্র-ছাত্রীরা কি-ই বা করেছিল? তারা তাদের অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছিল। কোটা সংস্কারের দাবি তুলেছিল। তাই তো? একটি গণতান্ত্রিক দেশে স্বাধিকারের দাবি যে কেউ তুলতে পারে। কিন্তু তাই বলে নারীর গায়ে হাত তোলা, ‘আবু সাঈদ’-এর মতো সম্ভাবনাময় তরুণকে হত্যা করা- এসব কি সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে? সমাধানের অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? গুলি কেন করতে হলো? 

    rnrn

    পরিস্থিতি হয়তো আজ কিংবা কাল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে মায়ের বুক খালি হলো, যে পরিবারের মুখের হাসি চলে গেল, আমরা কি সেই শূন্যতা অন্য কিছুর বিনিময়ে পূর্ণ করতে পারব? কখনও না। তাছাড়া ইতিহাস সাক্ষী, শক্তি যত বড়ই হোক, ছাত্র সমাজের ওপর চড়াও হয়ে যুগে যুগে কেউ কখনও কিছুই অর্জন করতে পারেনি। তাহলে কেন এই ব্যর্থ আস্ফালন? মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা সবসময়ই বুকের ভেতর লালন করি। আমরা গর্ব করি বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু এই দেশে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা যাবে না, অধিকারের দাবি তোলা যাবে না, সবকিছুর ঊর্ধ্বে যোগ্যতার পরিচয়টাকেই সবচেয়ে বড় করে দেখা যাবে না, প্রশাসনের চাওয়া-পাওয়ার বিরুদ্ধে গেলেই হামলার শিকার হতে হবে, অকাতরে অকাল প্রাণ বিলিয়ে দিতে হবে-এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন? আমার মনে হয় না।

    rnrn

    দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে দুর্নীতি-প্রায় সব ইস্যুতেই তো আমরা চুপ থাকি। রক্ষক ভক্ষক হয়ে গেলেও আমরা নীরবে সয়ে যাই। অপেক্ষা করি, হয়তো একটা না একটা সমাধান আসবে। আজ না হলেও দুদিন পরে আসবে। অন্যান্য ইস্যুতে আমরা সামাজিকমাধ্যমেও এতটা সোচ্চার হই না। তাহলে ইদানীং কেন হচ্ছি? কেন কোটা সংস্কার ইস্যুতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের মতো সাধারণ জনগণ সরকারের পদক্ষেপের নিন্দা করছি? কারণ একটাই, কোটা সংস্কার এখন সময়ের দাবি। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান জরুরি। ভুলে গেলে চলবে না, আমরা এই সাধারণ জনগণই কিন্তু মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, উড়াল সেতু ইত্যাদি সরকারের অনেক যুগান্তকারী সাফল্যে গর্বিত হয়ে হাততালি দিয়েছিলাম। গালভরা প্রশংসা করেছিলাম। সামাজিকমাধ্যমে সরব হয়েছিলাম। নিশ্চয়ই ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি মেনে কোটা সংস্কার হবার পর আমরা পুনরায় সরকারের পাশে দাঁড়াব। এক পক্ষ হয়ে দেশের সব সমস্যার সমাধান করার জন্য সরকারকে সহযোগিতা করব। সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
    rn  
    rnঅর্থাৎ সব কথার শেষ কথা, ছাত্ররা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। দমিয়ে না রেখে তাদের যৌক্তিক দাবিতে সমর্থন দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আমি মেহজাবীন চৌধুরী আকুল আবেদন করছি। আমার বিশ্বাস, আমরা নিরাশ হবো না।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পাশে দাঁড়ালেন কলকাতার নায়িকা

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে বাংলাদেশ উত্তাল। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের এই আন্দোলনে হামলা করেছে ছাত্রলীগ ও পুলিশ। তাদের হামলায় এ পর্যন্ত ১০জন মারা গেছেন। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন অসংখ্য।

    rnrn

    বাংলাদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই কোটা সংস্কারের আন্দোলনের খবর পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায়। বিষয়টি নজর কেড়েছে ভারতের অভিনেত্রীদেরও। 

    rnrn

    এ বিষয়ে ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিনয়শিল্পী স্বস্তিকা মুখার্জী, গায়ক কবির সুমন ও অভিনেতা অনিন্দ্য চ্যাটার্জি। বাংলাদেশে চলমান এ পরিস্থিতিতে সাধারণ ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়ালেন কলকাতার নায়িকা দর্শনা বণিক।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দর্শনা বণিককে রক্তদাতাদের একটি লম্বা তালিকা প্রকাশ করতে দেখা যায়। এক ফেসবুক পোস্টে রক্তদাতাদের বিস্তারিত তথ্য তুলে নায়িকা লিখেছেন, ‘আন্দোলনকারীদের জন্য যদি রক্তের প্রয়োজন হয় যোগাযোগ করবেন।’ ব্রাকেটে উল্লেখ করে দেন ‘শুধুমাত্র ঢাকার জন্য।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘করজোড়ে মিনতি করছি, হিংসা-হানাহানি বন্ধ করুন’

    বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে এবার কথা বলেছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। তিনি সব পক্ষকে হিংসা ও হানাহানি বন্ধের অনুরোধ করেছেন।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে কবীর সুমন এ অনুরোধ জানান।

    rnrn

    ফেসবুক পোস্টে কবীর সুমন লিখেছেন, ‘…বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় চুপ করে বসে থাকতে পারি না। থেকেছি কয়েক দিন, আর পারছি না। কিন্তু অবস্থাটা যে ঠিক কী, কী কী কারণে এমন হলো এবং হচ্ছে, কারা যে এতে জড়িত, তা–ও তো ঠিকমতো জানি না। তা–ও করজোড়ে সব পক্ষকে মিনতি করছি, অনুগ্রহ করে হিংসা, হানাহানি বন্ধ করুন। ঢাকা সরকারকে অনুরোধ করছি- বাংলা ভাষার কসম, শান্তি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন। আপনাদের ছাত্রবাহিনী যেন হিংসার আশ্রয় না নেয়।’

    rnrn

    কবীর সুমন আরও লেখেন, ‘আর কী বলি, আমি তো সশরীর যেতে পারছি না ঢাকায়, পারলে যেতাম। রাস্তায় বসে পড়ে সবাইকে শান্তিরক্ষার জন্য আহ্বান করতাম।’

    rnrn

    ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের শ্রোতাদের মধ্যেও জনপ্রিয়তা রয়েছে কবীর সুমনের। ফেসবুকে তার দীর্ঘ পোস্টের শুরুতে লেখেন, ‘আমি ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশি। তার বিষয়–আসয়ে নাক গলানোর অধিকার আমার নেই। সেটা করতে চাইও না। তবু বাংলাদেশের অনেকের কাছ থেকে যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি, তা ভুলে থাকতেও পারছি না। ভুলবই–বা কেন। ছবি দেখছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। মিছিল করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র–ছাত্রীরা। নেপথ্যে শোনা যাচ্ছে কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ওই লৌহ–কপাট/ ভেঙে ফেল্ কর্‌রে লোপাট’। মনে হচ্ছে, গানটি এডিট করে বসানো হয়েছে ভিডিওর সঙ্গে। ঠিক কাজই করা হয়েছে। কত সময়ে দেখেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আমার গানের লাইন লিখে দিয়েছেন দেয়ালে। পশ্চিমবঙ্গে সে তুলনায় কিছুই দেখিনি। বলতে দ্বিধা নেই, মনে মনে আমি বাংলাদেশেরও নাগরিক।’

    rnrn

    তিনি আরও লেখেন, ‘আমার জীবনের সেরা কাজ এবং আমার জীবনসায়াহ্নের প্রধান কাজ বাংলা খেয়াল বাংলাদেশে চর্চা করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের শিল্পী মরহুম আজাদ রহমান বেশ কিছু বাংলা খেয়াল রচনা করে গেছেন বিভিন্ন রাগে। বাংলা ভাষা আর বাংলা খেয়ালের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আমি বাঁধা ভালোবাসার বন্ধনে।’

    rnrn

    পোস্টের শেষে কবীর সুমন লিখেছেন, ‘হানাহানি বন্ধ হোক। বন্ধ হোক উল্টোপাল্টা কথা বলে দেওয়া। বাঁচুক বাংলাদেশ। বাঁচুন বাংলাদেশের সবাই। জয় বাংলাদেশ, জয় মুক্তিযুদ্ধ, জয় অসংখ্য বাংলাদেশির শাহাদত ও অপূরণীয় ক্ষতি স্বীকার। জয় বীরাঙ্গনার। জয় বাংলা ভাষার।’

    যুগান্তর ডেস্ক