Tag: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

  • হঠাৎ কেন পরমব্রত-ঋতুপর্ণাকে নিয়ে গুঞ্জন?

    টালিপাড়ার দুই জনপ্রিয় শিল্পী পরমব্রত চ্যাটার্জি ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সর্বশেষ রঞ্জন ঘোষের ‘মহিষাসুরমর্দ্দিনী’ ছবিতে দেখা গেছে এই জুটিকে। ছবিটিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের দুই খ্যাতনামী চরিত্রে অভিনয় বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলেন তারা।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে তাদের। যেখানে দেখা গেছে, প্রযোজক প্রদীপ চুড়িওয়াল ও পবন কানোরিয়ার সঙ্গে রয়েছেন ঋতুপর্ণা-পরমব্রত। আর সেই ছবি দেখেই টালিউডে শুরু হয়েছে গুঞ্জন- নিশ্চই একসঙ্গে পর্দায় আসছেন পরমব্রত-ঋতুপর্ণা।

    বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে আলাপ করেন প্রযোজক পবন কানোরিয়া। তিনি জানান, পরিচালক প্রদীপ চুড়িওয়ার একটি ছবির প্রযোজনা করছেন পবন। সে ছবিতে পরিচালনার দায়িত্বে পরমব্রত। তবে ঋতুপর্ণা থাকবেন কী না, তা স্পষ্ট করেননি।

    তবে টালিউডে গুঞ্জন, সম্পর্কের কোনো একটি বিশেষ স্তর দেখানো হতে পারে ছবিটিতে। সেখানেই কী ঋতুপর্ণাকে দেখা যাবে কী না এমন প্রশ্নে চুপ থাকেন প্রযোজক। তাহলে নিশ্চই টালিউডের অনুমানও সত্যি হওয়ার পথে।

    পরমব্রত তার জনপ্রিয় সিরিজ ‘পর্ণশবরীর শাপ’-এর দ্বিতীয় সিজন ‘নিকষছায়া’-এর শ্যুটিং শেষ করেছেন। সদ্য তার প্রথম ঝলক প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী, গৌরব চক্রবর্তী, অনিন্দিতা বসু, সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকছেন। পাশাপাশি একাধিক নতুন মুখের দেখা মিলবে। সিরিজটি দেখা যাবে হইচই ওয়েব প্ল্যাটফর্মে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলকাতায় মাধুরীর সঙ্গে ঋতুপর্ণা, কী কথা হলো দুই অভিনেত্রীর

    আরজি করকাণ্ডের চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে ভারতজুড়ে তথা কলকাতার বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা লাগাতার আন্দোলনে মাঠে নেমেছেন। কখনো রাত দখলে শামিল হচ্ছেন, কখনো ছুটে গেছেন মহামিছিলে, আবার কখনো অন্যত্র। 

    rnrn

    এর মাঝেই এবার শহর কলকাতায় অতিথি হয়ে এসেছেন মাধুরী দীক্ষিত। এবার মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে সাক্ষাতে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। নেপথ্যে শহরের নামি বাণিজ্যিক সংস্থার অনুষ্ঠান। টালিউড অভিনেত্রীর কাছে যেন 'ফ্যানগার্ল মোমেন্ট'। পরস্পরকে অভিবাদন জানালেন দুই অভিনেত্রী। চলল সাজের প্রশংসাবিনিময়। ঋতুপর্ণা নিজের সংগ্রহ থেকে একটি শাড়ি উপহার দিলেন বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকে।

    rnrn

    কী কথা হলো অভিনেত্রীর সঙ্গে—আনন্দবাজার অনলাইনকে সে কথা জানালেন ঋতুপর্ণা— মাতৃত্ব নিয়ে কথা বললেন তারা। দুজনের সন্তান পড়াশোনার সূত্রে মার্কিন মুলুকে। ছেলে বিদেশ বিভুঁইয়ে, তাই দুশ্চিন্তা থেকেই যায়। মাঝে মাঝে ছেলেকে দেখতে দেশের বাইরে পাড়ি দেন দুই মা। নিজেদের মধ্যে শেয়ার করে নিলেন সেই অভিজ্ঞতা।

    rnrn

    ঋতুপর্ণা বলেন, মাধুরীর বিয়ে হওয়ার পর টালিউড অভিনেত্রীকে তার ঘনিষ্ঠরা বলতেন— দেখ তোমার স্বামী বাইরে থাকেন। মাধুরীর স্বামীও বাইরে থাকেন। মাধুরীকে সেই কথা জানাতেই হাসিতে ফেটে পড়েন দুজনে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাল রাতে মরেও যেতে পারতাম, তবুও আমি থামব না: ঋতুপর্ণা

    পশ্চিমবঙ্গের আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে বুধবার রাত দখলের কর্মসূচিতে নেমেছিল কলকাতাবাসী। আর সেই কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়েই হেনস্তার শিকার হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

    কলকাতার শ্যামবাজারের ওই কর্মসূচিতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে। গাড়ি থেকে নামতেই শোনা যায় ‘গো ব্যাক, গো ব্যাক’ স্লোগান। তারপরও তিনি প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দ্রুত অভিনেত্রীকে গাড়িতে তোলেন তার দেহরক্ষীরা। 

    এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে ঋতুপর্ণা জানান, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আন্দোলনে যোগ দিতে এসেছেন তিনি। কিন্তু কেন এমন বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল তাকে, তা স্পষ্ট নয়।

    ঋতুপর্ণা বলেন, চার পাশ থেকে উলুধ্বনি এবং শঙ্খ বাজিয়ে ব্যঙ্গ। এতে কিছু মনে করেছি, এমন নয়। কিন্তু তারপর গাড়িতে জুতা ছোড়া হল। তখন আমি দরজা খুলে বলি আপনারা এমন করবেন না। আপনাদের সঙ্গে কথা বলতেই এসেছি, বসতে এসেছি। কিন্তু কেউ কোনো কথাই শুনলেন না। আসলে আমার মনে হয়, কিছু মানুষ প্রতিবাদের কথা মাথায় না রেখে, হুজুগে চলে গিয়েছিলেন জমায়েতে। বুঝতে পারছি, সকলেই ক্ষুব্ধ। 
    তবে কলকাতার প্রতিবাদী চেহারার মধ্যে এই চেহারাটা দেখে আমি লজ্জিত, আহত, কম্পিত। 

    তিনি বলেন, বুধবার রাতে আমার প্রাণটাও চলে যেতে পারত। আমি একজন অরাজনৈতিক, নিরপেক্ষ মানুষ হিসাবে, একজন মহিলা হিসাবে অন্য মহিলার পাশে দাঁড়াতে এসেছিলাম। কিন্তু বিরাট সংখ্যক মদ্যপ এই ঘটনা ঘটাল। আচমকাই একটা জনস্রোত ধাক্কা দিতে শুরু করল। এত চিৎকার হচ্ছিল যে, কারও কোনো কথা শুনতে পাচ্ছিলাম না। আমি তো কাল কোনও তারকা হিসাবে নয়, মানুষ হিসাবে গিয়েছিলাম। যেখানে ঘটনাটা ঘটল, সেখানে নিহত চিকিৎসকের মা-বাবাও এসেছিলেন। ভেবেছিলাম, একবার দেখা করব তাদের সঙ্গে। 

    ওই রাতে আমি একা তো নয় সোহম, শোলাঙ্কিরাও ছিল। গান গাইছিল ওরা। আমি ওদের সঙ্গে মিশে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এমন কিছুর সাক্ষী হব, ভাবতে পারছি না এখনও।

    আমি তো রাজনৈতিক ব্যক্তি নই তাও কেন এমন আক্রোশের শিকার হলাম উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, কারণ বুঝতে পারলাম না কেন এই আক্রোশ। আমি তো রাজনৈতিক ব্যক্তি নই। আমি এই শহরের সকলের সঙ্গে রাত জাগতে গিয়েছিলাম। ওই ভিড়ের মাঝে ‘চটিচাটা’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে আমাকে। এমন অসভ্যতা। আসলে যারা এটা করলেন তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য আন্দোলন করা নয়। একজন তারকাকে হেনস্তা করা। কাউকে পাচ্ছেন না, সামনে ঋতুপর্ণা ছিল ব্যস, ঝাঁপিয়ে পড়লেন। আমাকে অনেকেই বলেছিলেন জমায়েতে শামিল না হতে। কিন্তু আমি ভেবেছিলাম মানুষ হিসাবে সঙ্গে থাকব। এমন নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটল, এখনও ঘোর কাটছে না।

    আন্দোলনকারীদের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, আমি প্রশ্ন করতে চাই আমার সমবেদনা জানানো কি অন্যায়? একটি মেয়ের হয়ে তারা আন্দোলন করছেন আর অন্য একজন নারীকেই হেনস্থার শিকার হতে হল! আসলে হয়ত এই মানসিকতা আমাদের বর্বরতার দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন শখে মজেছেন ঋতুপর্ণা

    সামনেই পূজা। তাই ব্যস্ততা আরও বাড়বে। এর মধ্যেও নিজের জন্য সময় বের করে নিচ্ছেন টালিপাড়ার ব্যস্ত অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। জানালেন তার নতুন খুঁজে পাওয়া ‘ভালোবাসার’ কথা।

    ইন্ডাস্ট্রিতে যারা ঋতুপর্ণাকে চেনেন তারা জানেন যে, অভিনেত্রীর প্রতিটা দিন কাটে ব্যস্ততায়। শুটিং ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে শামিল হন তিনি। তাই দিনের মধ্যে অনেকটা সময় তার কাটে গাড়িতে। মুম্বাই ও সিঙ্গাপুরে যাওয়া তো রয়েছেই। সাধারণত ক্যামেরার সামনে তারকাদের গাড়ির পেছনের আসন থেকে নেমে আসতে দেখা যায়; কিন্তু ঋতুপর্ণাকে দেখা যাচ্ছে চালকের আসনে। 

    বুধবার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে গাড়ির চালকের আসনে বসে আছেন ‘উৎসব’ ছবির নায়িকা। জানালা দিয়ে তার হাসিমাখা মুখ ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। 

    ছবির সঙ্গে ঋতুপর্ণা লিখেছেন- আমার নতুন খুঁজে পাওয়া ভালোবাসা। শহরে গাড়ি চালিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। 

    পোস্টে অভিনেত্রী জানিয়েছেন যে, তার আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে। ঋতুপর্ণার এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগীরা তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কেউ আবার সাবধানে গাড়ি চালানোর পরামর্শও দিয়েছেন।

    সম্প্রতি গ্র্যান্ডমাস্টার সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক ‘দাবাড়ু’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন ঋতুপর্ণা। হিন্দি ও বাংলা মিলিয়ে তার বেশ কয়েকটি নতুন ছবি মুক্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে। নতুন কাজ নিয়েও কথাবার্তা চলছে অভিনেত্রীর।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ফেরদৌসের যে আবদার ফেলতে পারলেন না ঋতুপর্ণা

    নায়ক ফেরদৌস ও টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বহু বছরের বন্ধু। ফেরদৌসের সঙ্গে প্রায় ৫০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা। তাই তো ঢাকায় পা রেখে নায়কের আবদার ফেলতে পারলেন না ঋতুপর্ণা।

    rnrn

    শুক্রবার ঢাকায় এসেছিলেন নায়িকা। নারায়ণগঞ্জের ১৩০ বছরের পূর্তি উৎসবে অংশ নিয়ে অনুষ্ঠান সেরে ফেরদৌসের বাড়িতে যান নায়িকা। নায়কের বাড়িতেই ছিলেন তিনি। পুরনো সেই বন্ধুকে আবারও কাছে পেয়ে খুশি ঋতুপর্ণা। হাসিমুখে ফ্রেমবন্দি দুই বাংলার দুই বন্ধু। 

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে ফেরদৌস বলেন, অনেক দিন পর যেহেতু ঋতু ঢাকায় এসেছে, তাই বললাম বাইরে না থেকে যেন আমার বাড়িতেই থাকেন। একদিনের জন্য তাকে অতিথি হিসাবে আপ্যায়ন করতে চাই। খুব আনন্দ সহকারে আমার নিমন্ত্রণ গ্রহণ করেন ঋতু। বহুদিন পর দুই বন্ধুর চমৎকার আড্ডাও হলো।

    rnrn

    ‘ওস্তাদ’ নামক একটি ছবিতে প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন ফেরদৌস ও ঋতুপর্ণা। তার পর প্রায় ৫০টি ছবিতে কাজ করেছেন তারা। পেশাদারি সম্পর্ক কখন যে বন্ধুত্বে পরিণত হয় সেটি তারা নিজেরাও জানেন না। 

    rnrn

    ঋতুপর্ণা জানান, ফেরদৌসের মতো এত ভালো বন্ধু পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। ঢাকা থেকে রোববারই সিঙ্গাপুরে যান ঋতুপর্ণা।

    বিনোদন ডেস্ক