Tag: ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

  • গাউনে ‘নিঃশ্বাস আটকে’ পোজ ঋতুপর্ণার, আয়নায় মুখ দেখার পরামর্শ শ্রীলেখার

    টালিউড অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের পাতায় নেটিজেনদের ট্রলিং যেন এক নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। বিশেষ করে প্রথমসারির তারকাদের পোশাক কিংবা লাইফস্টাইল নিয়ে কাঁটাছেড়া করতে যেন ওস্তাদ নেটিজেনরা। এবার সে তালিকায় নতুন সংযোজন টালিউডের কিংবদন্তি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

    অভিনেত্রীর নিজের সদ্য় মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘নেভার মাইন্ড’-এর প্রিমিয়ারে হাজির হলে নিজের পোশাক নিয়ে তীব্র ট্রলিংয়ের মুখে পড়েন তিনি। অভিনেত্রী ঠিক এ গরম আবহাওয়ার মাঝেই ঘি ঢাললেন টালিপাড়ার ‘ঠোঁটকাটা’ স্পষ্টভাষী হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। নাম না করে ঋতুপর্ণাকে একহাত নিলেন তিনি। 

    ঋতুপর্ণার সঙ্গে শ্রীলেখার সম্পর্ক যে আদায়-কাঁচকলায় তা কারুর অজানা নয়। শ্রীলেখার এই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। আর সেই প্রভাব পড়ে ‘নেভার মাইন্ড’ সিনেমার প্রিমিয়ারে ট্রলডের শিকার হন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

    জানা গেছে, নতুন সিনেমা ‘নেভার মাইন্ড’-এর জমকালো প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে একটি ওয়েস্টার্ন লং গাউন পরে হাজির হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তবে রেড কার্পেটে পা রাখা মাত্রই বিপত্তি। পাপারাজ্জি ও ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে গিয়ে নিজের পোশাক নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়তে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। সেই ভিডিও ও ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ট্রলের বন্যা বয়ে যায়। নেটিজেনদের একাংশ মন্তব্য— যে পোশাক পরে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায় না, তা জোর করে পরার মানে কি? 

    আবার কেউ কেউ ওর ফ্যাশন সেন্স নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন। আবার কেউ বয়স নিয়ে ঋতুপর্ণাকে খোঁচা দেন। কারও মতে, ‘নিঃশ্বাস আটকে ভুঁড়ি লুকানোর চেষ্টা’ করছেন অভিনেত্রী।

    ঋতুপর্ণার এই পোশাক বিভ্রাট ও ট্রলিংয়ের খবর সামাজিক মাধ্যমে চাউর হতেই শ্রীলেখা মিত্র একটি তীক্ষ্ণ পোস্টে লিখেছেন— পোশাক আপনার পরা উচিত, এমনটি হওয়া উচিত নয় যে পোশাকই আপনাকে দমিয়ে দিচ্ছে বা আপনার ওপর চেপে বসছে। মনে কোনো সন্দেহ থাকলে অবিলম্বে একটা বড় আয়না দেখে নেওয়া উচিত। অবশ্য বলে রাখি— আমি এখানে কাউকে বডি শেমিং বা এজ শেমিং করছি না। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শ্রীলেখা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি কারও বয়স বা শারীরিক গঠন নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন না, কিন্তু এমন পোশাক পরা উচিত যা ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে, অস্বস্তিতে ফেলে দেয় না।  

    ‘ফুল সাইজ আয়না’ দেখার পরামর্শ দিয়ে তিনি যে পরোক্ষভাবে ঋতুপর্ণার ফ্যাশন চয়েসকেই তুলাধোনা করলেন, তা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই স্টুডিও টালিপাড়ায়। পোস্টের কমেন্ট বক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন—  টালিপাড়ার পুরোনো শত্রুতা বনাম পেশাদারত্ব। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও শ্রীলেখা মিত্রের এই মন কষাকষি আজ নতুন নয়। এর আগেও টালিউডের স্বজনপোষণ বিতর্ক, প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির একাধিপত্য নিয়ে মুখ খুলেছিলেন শ্রীলেখা। বিমানকাণ্ড থেকে শুরু করে ইডির তলব— ঋতুপর্ণার জীবনের যে কোনো বিতর্কিত অধ্যায়েই নাম না করে তোপ দেগেছেন শ্রীলেখা। এবারও ঋতুপর্ণার পোশাকের অস্বস্তিকে হাতিয়ার করে শ্রীলেখা যেভাবে ‘উচিত শিক্ষা’ দেওয়ার চেষ্টা করলেন, তাতে টালিপাড়ার এই দুই সমসাময়িক অভিনেত্রীর পুরোনো তিক্ততা আরও একবার প্রকাশ্য দিবালোকে চলে এলো। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু: ঋতুপর্ণা

    টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের পর্দায় উপস্থিতি মানেই ভিন্ন কিছু। এবার একদমই ভিন্ন ধাঁচের একটি সামাজিক ও নিষিদ্ধ গল্পের বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। সিনেমার নাম ‘নেভার মাইন্ড’। আর এ সিনেমার মাধ্যমেই প্রথমবার পরিচালকের আসনে বসলেন ঋতুপর্ণার দীর্ঘদিনের বান্ধবী ও অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল।

    বছর দুয়েক আগে টালিপাড়ায় গুঞ্জন উঠেছিল— চৈতির পরিচালনায় ডেবিউ সিনেমায় বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করে প্রকাশ্যে এলো সিনেমার প্রচার ঝলক।

    এ সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে একজন নারীকে কেন্দ্র করে। কলকাতার বুকে বাস করা এমন কিছু মানুষকে নিয়ে এ সিনেমার গল্প

    যাদের পেশা, জীবনবোধ ও দর্শন একে অপরের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। যিনি নিজের অতীতের একটি বিশেষ অধ্যায় বা বিষয় খুঁজতে খুঁজতে কলকাতার বিখ্যাত পার্ক স্ট্রিটের একটি বারে এসে পৌঁছান। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় এক অল্প বয়সি বার সংগীতশিল্পীর সঙ্গে। 

    পার্ক স্ট্রিটের চেনা প্রেক্ষাপটকে একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে ও নতুনরূপে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। একই সঙ্গে সিনেমাটিতে একটি মানবিক বার্তাও থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ‘নেভার মাইন্ড’ সিনেমার মূল গল্প লিখেছেন সম্রাট। এর চিত্রনাট্য তৈরিতে সম্রাটের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন মিতালি ঘোষাল রুদ্র। ক্যামেরার দায়িত্বে ছিলেন গোপী ভগৎ। আর সিনেমাটির গান ও আবহ সংগীতের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন জনপ্রিয় রকস্টার রূপম ইসলাম।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্টার শেয়ার করে ক্যাপশনে ঋতুপর্ণা লিখেছেন— কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু। তেমনই এক রাতের গল্প নিয়ে আসছে ‘নেভার মাইন্ড’। 

    এ সিনেমার আরেকটি বড় চমক হচ্ছে— পরিচালক চৈতি ঘোষালের ছেলে অমর্ত্য রায় এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন। অবশ্য বড়পর্দায় অমর্ত্যের এটি প্রথম কাজ নয়, এর আগেও তাকে অভিনয়ে দেখা গেছে। তবে এবারই প্রথম মায়ের পরিচালনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন অমর্ত্য। আর মা-ছেলের এই নতুন সিনে-সফরের অন্যতম প্রধান সারথি হয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দেবদাস’ সিনেমার গানে নাচতে গিয়েই কটাক্ষের শিকার ঋতুপর্ণা

    বিনোদন জগতের তারকারা কোনো অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠে গান গাইলে কিংবা নাচ করতে উঠলে অনেক সময় কটাক্ষের শিকার হতে হয়। সম্প্রতি নাচ করতে গিয়ে এমন কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

    কলকাতার একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। সেই অনুষ্ঠানে গোলাপি রঙের লেহেঙ্গা পরে ‘দেবদাস’ সিনেমার ‘ধাই সাম রোক লেই’, গানের তালে তালে নাচ করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। আর এ সিনেমায় সেই গানে নাচ করেছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত, যা আজও সমাদৃত একইভাবে।

    মাধুরীর সেই বিখ্যাত নাচের স্টেপ কপি করতে গিয়েই এবার রীতিমতো কটাক্ষের শিকার হতে হলো ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে অভিনেত্রীর নাচের সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই কটাক্ষের শিকার হন। তাকে প্রেশারকুকারে সিদ্ধ হওয়া মাধুরী দীক্ষিত বলেও কটাক্ষ করেন নেটপাড়ার বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে— একটি গোলাপি রঙের লেহেঙ্গা, মাথায় ফুলের বেণী, মানানসই গহনা এবং মেকআপ— সব মিলিয়ে চন্দ্রমুখীর সাজে নিজেকে সাজিয়ে তুলেছেন অভিনেত্রী। তার মেকআপ বা প্রসাদ নিয়ে তেমন আলোচনা না হলেও ঋতুপর্ণার নাচ নিয়ে তৈরি হয়েছে তুমুল আলোচনা। এক নেটিজেন লিখেছেন— গাদা গাদা খরচ করে এই প্রোগ্রাম কারা দেখতে যায়? মনে হচ্ছে প্র্যাকটিস হয়নি। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—একটা মাস্টারপিসের পিন্ডি চটকাবার কি খুব দরকার ছিল।

    অন্য একজন লিখেছেন— মনে হচ্ছে, মিসো থেকে অর্ডার করা মাধুরী দীক্ষিত। ওর নাচ দেখলে মাধুরী দীক্ষিতও অজ্ঞান হয়ে যাবে। সবাইকে সব পারতে হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু এভাবে না নাচলেই পারতেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঋতুপর্ণার সঙ্গে মঞ্চ মাতানোর বিষয়ে যা বললেন জায়েদ খান

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার সঙ্গে মঞ্চ মাতাবেন ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান। তবে এই নাচ শুধু দেখতে পারবেন নিউইয়র্কের বাঙালিরা। কারণ নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার সঙ্গে নাচবেন জায়েদ খান। 

    দূর্গাপূজা উপলক্ষে নিউইয়র্কের হিন্দু সম্প্রদায়ের বাঙালিরা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় আয়োজনটি করেন ম্যানহাটনের টাইমস স্কয়ারে। 

    এবারেও থাকছে ভারত-বাংলাদেশের বাঙালিদের যৌথ আয়োজন। যেখানে আগামী ৪ অক্টোবর একসঙ্গে হাজির হবেন দুই বাংলার দুই তারকা।

    এর আগেই জানা গেছে, এবারের আয়োজনে টাইমস স্কয়ারের দুর্গাপূজায় উপস্থিত থাকবেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হলেন জায়েদ খান। নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার পূজা আয়োজক কমিটি এটিকে বলছে বিগ ব্রেকিং।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, ‘খবরটি সত্য। প্রথমবারের মতো আমি ঋতুপর্ণার সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করতে যাচ্ছি। এরই মধ্যে তার সঙ্গে আমার নিউইয়র্কে দেখা হয়েছে। টাইমস স্কয়ারের আয়োজক কমিটি এবারের দুর্গাপূজায় নানা মাত্রার চমক রাখছে, এর মধ্যে আমার ও ঋতুপর্ণার আয়োজন একটি বলে জানান এ অভিনেতা।

    জায়েদ খান বলেন, ‘এই খবরটি শোনার পর অনেকেই আমাকে ফোন করছেন। অনেকেই পছন্দের গানে ঋতুপর্ণার সঙ্গে নাচ করার অনুরোধ জানাচ্ছেন। তবে সুযোগ পেলে সাগরিকা গানের নাচ আমরা করব। এবার নিউইয়র্কের পূজা হবে জমজমাট। আশা করি নিউইয়র্কে বসবাসকারী দুই বাংলার মানুষেরা উপভোগ করতে পারবেন বলে জানান জায়েদ খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুমরে উঠলেন ঋতুপর্ণা, কোন কষ্ট বুকে চাপা দিলেন অভিনেত্রী

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কাজের ব্যস্ততায় গত কয়েক বছরে অনেক কিছু বদলে গেছে। বিশেষ করে গত তিন মাসে একের পর এক সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তার। চেষ্টা করেছেন কাজের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতে। কিন্তু এ মুহূর্তে চলছে ঢাকবাজনা। আর পূজা মানেই তার কাছে চার দিন জমিয়ে খাওয়াদাওয়া আর আড্ডা দেওয়া। কোনো বাধা নেই। কিন্তু মায়ের আদর, ভালোবাসায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। আজ মা নেই। কয়েক মাস হলো মাকে হারিয়েছেন অভিনেত্রী। দুর্গাপূজার আগে বারবার নিজের মায়ের কথা মনে পড়ছে তার।

    ঋতুপর্ণা বলেন, মা নেই। এখনো এ কথা ভাবলে মন হু হু করে কেঁদে ওঠে। এ বছরের দুর্গাপূজা অন্যান্য বছরের থেকে অনেকটাই আলাদা। পূজার আনন্দ এবার একেবারেই ফিকে। বারবার মায়ের কথাই মনে পড়ে যাচ্ছে তার।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সফল অভিনেত্রী পরিবারকেও যে খুব বেশি সময় দিতে পারেন তা নয়। কিন্তু পূজার কয়েকটা দিন ঋতুপর্ণার কাছে তার মায়ের একটাই প্রশ্ন থাকত— কখন দেখা করতে আসবেন তিনি? অভিনেত্রী বলেন, পূজার সময় মায়ের একটাই প্রশ্ন থাকত— আমি কখন আসব? এখন আর মা বলারই কেউ নেই। সব নিভে গেল। মা বলতেন ‘দেখ তো এই রঙের শাড়িটা তোর পছন্দ কিনা।’ ওই শাড়িটা তো আর কোনো দিন পাব না।

    ঋতুপর্ণা বলেন, এই চার দিন আমি আসব। আমাদের কমিউনিটি হলে একসঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়া করব। এ অপেক্ষাতেই থাকতেন মা। আমরা একসঙ্গে পূজায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখতাম। ঢাকবাজানো উপভোগ করতাম। ছোটদের আদর করতেন মা। সেগুলো মনে পড়বে বারবার।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মায়ের স্মৃতি আঁকড়ে প্রতিটা দিন কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী। বাবা চলে যাওয়ার পর তার ভাই মহালয়ার সকালে তর্পণ করতে যান। এবার থেকে কি ঋতুপর্ণাও তর্পণ করবেন? অভিনেত্রী বলেন, ভাই করত বাবা চলে যাওয়ার পর। তর্পণ মানে পূর্বপুরুষদের পানি দেওয়া। আমি তো এখনো ভাবতেই পারছি না— মা নেই। তাই তর্পণের কথা ভাবতে পারছি না। সম্ভবত এ বছরের পূজাটা বিদেশেই কাটাবেন তিনি।

    স্পোর্টস ডেস্ক

  • মৌসুমী-ঋতুপর্ণাকে নিয়ে প্রকাশ্যে এলেন ফেরদৌস

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে জয়ী হয়েছিলেন ঢালিউড অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ। জুলাই আন্দোলনের সময় সরাসরি ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর এই নেতা কাম অভিনেতাও আত্মগোপনে চলে যান।

    প্রায় এক বছর পর সম্প্রতি টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও অভিনেত্রী মৌসুমীকে নিয়ে প্রকাশ্যে এলেন অভিনেতা ফেরদৌস। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে এ ত্রয়ীকে দেখা গেছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক মাধ্যমে তাদের বেশ খোশমেজাজে দেখা যায়। এ সময় ভিডিওতে ফেরদৌস আহমেদ বলেন, এই প্রথমবার তারা একসঙ্গে নিউইর্য়কে।

    তিনি বলেন, এই দুই মহান নায়িকার সমন্ধে কিছু বলা যায়। আমরা তিনজন প্রচুর কাজ করেছি। আমরা তিনজন শুধুমাত্র একটা সিনেমায় কাজ করেছে।

    অন্যদিকে মৌসুমী বলেন, অনেকবার চেষ্টা করেছি তিনজন একসঙ্গে আসার জন্য, কখনোই হয়নি।

    তবে ভিডিওটি কবেকার তা নিয়ে রয়েছে কিছুটা ধোঁয়াশা। সাম্প্রতিক সময়ে মৌসুমী নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন। তাই ভিডিওটিকে সাম্প্রতিক সময়ের বলেই ধারণা করছেন অনেকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা যখন ‘কবি’

    টালিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বাংলা চলচ্চিত্র জগতে এক অনন্য নাম। অভিনেত্রীর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। তিনি অভিনয়ের মাধ্যমে একজন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী হয়ে ওঠার পাশাপাশি নানা ভূমিকায় তাকে দেখেছেন সিনেপ্রেমী দর্শকরা। এবার অভিনেত্রী থেকে ‘কবি’ হয়ে উঠবেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। না এ কোনো সিনেমা চরিত্র নয়; বরং তা বাস্তবজীবনেই এবার কবি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবেন অভিনেত্রী।

    এ মুহূর্তে অভিনেত্রীর ব্যস্ততা তুঙ্গে ‘বেলা’ সিনেমা নিয়ে। গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) তার ‘বেলা’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। অল ইন্ডিয়া রেডিও, মহিলা মহল, বেলা দে— একসময়ের বাঙালির মনেপ্রাণে জড়িয়ে গিয়েছিল এই তিনটি নাম। 

    বিশেষ করে বাঙালি মেয়ে, সাধারণ বাঙালি মেয়ের আটপৌরে যাপন এবং পুরুষশাসিত, সংস্কার আচ্ছন্ন সমাজে তার নিঃসঙ্গ লড়াই, তার এই জাগৃতি ও নিজেকে খুঁজে পাওয়ার যাত্রা, তার অহং ও আত্মসম্মানকে পাপোশ থেকে তুলে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর সাহস এবং শক্তি— এই সবকিছুর সঙ্গে একদিন ওতপ্রোতভাবে হয়ে গিয়েছিল বেলা দে-র নাম। এ সময়টা অনেক বাঙালির কাছেই এখন ধূসর। 

    সেই সময় রবীন্দ্রনাথ মারা যান। সবে ভারত স্বাধীন হলো। রবীন্দ্রনাথের অবসান ও স্বাধীন ভারতের প্রথম মধ্যরাত এবং জওহরলাল নেহরুর সেই ধ্রুপদী ভাষণ— সব আছে অনিলাভ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ‘বেলা’ সিনেমায়। আর সেই ‘বেলা’ চরিত্রেই দর্শক দেখতে পাবেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে।

    অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনা ও সমানতালে সংসার এবং সন্তানদের সময় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যস্ত জীবন থেকে সময় বের করে নিয়ে নিজের জীবনের নানা ঘটনা কবিতার আকারে লিখে ফেলেছেন ঋতুপর্ণা। ব্যক্তিগত জীবন থেকে অভিনয় জীবনের সবদিক, নানা ওঠাপড়া তিনি তুলে ধরেছেন ‘মাই ব্যালকনি সি অ্যান্ড আদার পোয়েমস’-এ। 

    বিগত এক দশক ধরে কবিতা লেখার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন অভিনেত্রী। অবশেষে সেই বই-ই প্রকাশ পাচ্ছে। ঋতুপর্ণার সেই কবিতাই এবার অনুবাদ করা হয়েছে ফরাসি ভাষায়। কলকাতার বুকে আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) আলিয়ঁস ফ্রাঁসোতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বই প্রকাশ অনুষ্ঠান হবে। এ বইটি অনুবাদ করেছেন ত্রিনাঞ্জন চক্রবর্তী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঋতুপর্ণায় মুগ্ধ মদন মিত্র

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সাহসী, সংবেদনশীল ও চরিত্রনির্ভর অভিনয়ের জন্য বরাবরই আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পর্দায় একের পর এক সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত তার নতুন সিনেমা ‘গুড বাই মাউন্টেন’ সেই ধারারই আরেক সংযোজন। 

    পরিচালক ইন্দ্রাশিস আচার্যের এ সিনেমায় ঋতুপর্ণার বিপরীতে রয়েছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। এ নতুন জুটি রীতিমতো চমক দিয়েছেন সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের। প্রেমের পরিণত আবহে গড়ে ওঠা কাহিনিতে তাদের রসায়ন যেন অন্য মাত্রা যোগ করেছে। ঋতুপর্ণার ‘গুড বাই মাউন্টেন’ বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক-অভিনেতা মদন মিত্র। 

    অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার প্রশংসায় পঞ্চমুখ মদন মিত্র বলেন, ঋতুপর্ণা এক এবং অদ্বিতীয়। ও যে কোনো সিনেমা একাই কাঁধে টেনে নিয়ে যেতে পারেন। ওর সঙ্গে এই সিনেমায় অভিনয় করাও আমার সৌভাগ্য।

    এ সময় ঋতুপর্ণার পরনে ছিল আজরাখ কাজের সালোয়ার স্যুট, সঙ্গে নান্দনিক গহনা। আর মদনের পোশাকে ছিল সাদামাটা অথচ আভিজাত্য— সাদা পাঞ্জাবি ও পাজামা।

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে অভিনেত্রীর আরেকটি সিনেমা ‘ম্যাডাম সেনগুপ্ত’, যা ঘিরেও সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। এবার আগস্টে মুক্তি পাবে ‘বেলা’, একটি নারীকেন্দ্রিক শক্তির কাহিনি।

    অভিনেত্রী নিজের কাজ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেন, নতুন পরিচালক-প্রযোজকদের সঙ্গে কাজ করতে সবসময় প্রস্তুত আমি। প্রত্যেকটি সিনেমার স্বাদ আলাদা। ‘গুড বাই মাউন্টেন’-এ যেমন পরিণত প্রেম রয়েছে, ‘বেলা’ তেমন নারীশক্তির জয়গান।

    ঋতুপর্ণা এ মুহূর্তে বাংলার নারীপ্রধান সিনেমাগুলোর অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন। তার সৃজনশীলতা ও ধারাবাহিকতা আবারও প্রমাণ করলেন এখনো তিনি বাংলা সিনেমার অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রিয়াংকার মনোবল আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করে: ঋতুপর্ণা

    বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়ার জন্মদিনে অদেখা ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। প্রিয়াংকার সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এ শুভেচ্ছাবার্তা জানান অভিনেত্রী।  

    অভিনেত্রী যে ছবিটি পোস্ট করেছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে—একটি কালো রঙের কুর্তি পরে রয়েছেন ঋতুপর্ণা, অন্যদিকে প্রিয়াংকা চোপড়ার পরনে রয়েছে হালকা গোলাপি রঙের একটি ড্রেস। ছবিটি যে পুরোনো তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এ ছবিটি পোস্ট করে ঋতুপর্ণা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন প্রিয়াংকা চোপড়া। আপনার শক্তি ও মনোবল আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করে। ‘পুরাতন’ মুক্তির সময় যেভাবে আপনি সমর্থন করেছিলেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আপনার জীবনে সবসময় শুভ হোক এ কামনাই করি।

    প্রিয়াংকা চোপড়া ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার না করলেও প্রিয়াংকা চোপড়ার প্রথম প্রযোজিত বাংলা ছবি ‘বৃষ্টির অপেক্ষায়’ অভিনয় করেছিলেন ঋতুপর্ণা। অভিনেত্রী ছাড়াও এ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন রাহুল বোস ও পার্নো মিত্র। সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন বিভাস মুখোপাধ্যায়।

    প্রিয়াংকা চোপড়া ৪৩-এ ছোঁয়া জন্মদিন উপলক্ষ্যে পরিবারের সঙ্গে কাটানো বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত শেয়ার করে নিয়েছেন। প্রিয়াংকা যে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন, সেখানে কখনো মেয়ের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে, আবার কখনো দেখা যাচ্ছে স্বামীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাতে। মেয়ে মালতি এখন বেশ বড়, তাই বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুরতে গেলেও সে ব্যস্ত থাকে নিজের খেলা নিয়ে।

    এদিকে সামাজিক মাধ্যমে জন্মদিন উপলক্ষে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রিয়াংকা লিখেছেন, ‘আরও একটি বছর সূর্যের চারপাশে ঘুরে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমার জন্মদিনে আমি শুধু কৃতজ্ঞ হতে পারি। ইউনিভার্স আমাকে সবসময় রক্ষা করেন। 

    তিনি বলেন, আমাকে দেওয়া তার সমস্ত উপহারের জন্য আমি সবসময় কৃতজ্ঞ। আমার পরিবারে আমার সব থেকে বড় উপহার। আমার সক শুভাকাঙ্ক্ষী, যারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছেন, তাদের সবাইকে আমার অশেষ ধন্যবাদ। সবার প্রতি আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা সঙ্গে নিয়েই আমি পা রাখছি ৪৩-এ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাউকে ছোট করে নিজে বড় হওয়া যায় না: ঋতুপর্ণা

    টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বড়পর্দায় অভিষেক হয় ‘শ্বেত পাথরের থালা’ সিনেমা দিয়ে। সেই থেকে ৩০ বছর কাজ করে চলেছেন তিনি। এর মধ্যেই প্রযোজক হিসেবেও পথচলা শুরু হয়েছে অভিনেত্রীর। 

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘পুরাতন’। আর এ সিনেমাতে তিনি অভিনেত্রী ও প্রযোজকও। এ সিনেমা বক্স অফিস ও দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সিনেমায় বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা। প্রযোজক হিসেবে তার পর্যবেক্ষণ কী?—একটি গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নের উত্তর মুম্বাই থেকে ফোনে শেয়ার করে নিলেন অভিনেত্রী।

    প্রযোজক হিসেবে নিজের উপলব্ধি জানালেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তথাকথিত বড় প্রযোজনা সংস্থা নেই। পরিচালক সুমন ঘোষও দীর্ঘ দিন টানা পরিচালনা করছেন, এমন নয়। তা-ও ‘পুরাতন’ সিনেমা দর্শক ফেরাবে না— এই বিশ্বাস ছিল ঋতুপর্ণার।

    অভিনেত্রী বলেন, প্রথম থেকেই আমি একটা কথা বলেছিলাম। এ সিনেমা শুধু আমার একার নয়। এটা আমার তরফ থেকে বাংলা সিনেমার জগৎকে দেওয়া একটা উপহার। শুধু আমার বা প্রযোজনা সংস্থা নয়। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির কাছেই এ সিনেমা বড় পাওয়া। 

    তিনি বলেন, শর্মিলা ঠাকুর আবার বাংলায় ফিরলেন এ সিনেমার মাধ্যমে। এই সিনেমার মাধ্যমে সুমনও নিজের পরিসর বড় করতে পেরেছেন। সাধারণত প্রযোজনা সংস্থা নিজেদেরই প্রচারে রাখে। কিন্তু আমি পরিচালককে সেই জায়গা দিয়েছি।

    কলকাতায় গত সাত দিনে প্রেক্ষাগৃহগুলো প্রায় ভর্তি থেকেছে। বর্তমানে সিনেমার প্রচার নিয়ে মুম্বাই শহরে ব্যস্ত তিনি। এই সাফল্য নিয়েও গভীর উপলব্ধি রয়েছে তার। ঋতুপর্ণা বলেন, আমি সবসময়ই চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসি। আমার ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে অনেকে অনেক কিছু বলেছেন— কোনটা করা উচিত, আর কোনটা উচিত নয়। তিনি বলেন, তবে আমি আমার লক্ষ্য থেকে কখনো সরে আসিনি। বক্স অফিসের সাফল্য তো রয়েছেই। কিন্তু আমি নিশ্চিত ছিলাম, দর্শক ‘পুরাতন’-কে ফেরাবে না।

    সিনেমা মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখতে পৌঁছে গিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সিনেমা দেখার পর বহু দর্শকের চোখে জল দেখেছেন অভিনেত্রী। আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন অনেকেই। অভিনেত্রী ও প্রযোজক হিসেবে এটাই তার কাছে বড় প্রাপ্তি বলে জানান ঋতুপর্ণা। 

    তিনি বলেন, তবে এই প্রথম নয়; এর আগে ‘আলো’ সিনেমার সময়ও এমন প্রতিক্রিয়া ছিল দর্শকদের। ‘আলো’র মতো আর একটি সিনেমার কথা আজও অনেকেই বলেন। অভিনেত্রী বলেন, ‘আলো’ সিনেমার প্রযোজনার পর নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ‘ইচ্ছে’ সিনেমাতে পরিবেশক হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। ‘ইচ্ছে’ সিনেমাই কিন্তু নন্দিতা-শিবপ্রসাদ জুটির ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

    এ ছাড়া ‘ভালোবাসার বাড়ি’ ও ‘আহারে’ সিনেমাতেও সহপ্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন অভিনেত্রী। একদিকে অভিনয়, আরেকদিকে প্রযোজনা। ঋতুপর্ণা বলেন, আসলে আমি কখনই অন্যের ক্ষতি করে কিংবা অন্যকে ছোট করে বড় হওয়ার চেষ্টা করিনি। অন্যকে সরিয়ে নিজে কাজ করতে চাইনি। বরং আমি কারও জন্য কিছু করতে পারলে, ভালো বোধ করি। আমি জোট বেঁধে কাজ করায় বিশ্বাসী।

    সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে আরও একটি সিনেমা— ‘অন্নপূর্ণা’। সিনেমার প্রস্তাব আগে গিয়েছিল ঋতুপর্ণার কাছে। সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও  অভিনেত্রী বলেন, আমি বলেছিলাম কাজটা করতে পারব না। আমিই বলেছিলাম— তোমরা অনন্যা চট্টোপাধ্যায়কে নাও।

    শুধু অনন্যাই নন; বহু সিনেমাতেই অভিনয়ের জন্য অন্যদের নামের প্রস্তাব দিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এটাই তার স্বাভাবিক প্রবণতা। দীর্ঘ দিন কাজ করার সুবাদে, তিনি কোনো একটা জায়গায় পৌঁছালেও ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে আসা নতুন মুখকে তিনি কোনো দিনই ছোট করে দেখেননি। এভাবেই তিনি কাজ করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক