Tag: আমির খান

  • তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান

    চলতি বছরেই জীবনের এক নতুন ইনিংস শুরু করতে যাচ্ছেন সুপারস্টার আমির খান। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ জুলাই এক ঘরোয়া আয়োজনে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এই বলিউড অভিনেতা। 

    পাত্রী তার প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাট, যার সঙ্গে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন ৬০ বছর বয়সী আমির। 

    সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আমির ও গৌরী গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একই ছাদের নিচে আছেন। অবশেষে তারা এই সম্পর্ককে আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে যাচ্ছেন। 

    আমির ও গৌরীর প্রেমের শুরুটা ২০২৪ সালের শুরুর দিকে। আমিরের কাজিন নুজহাত খানের মাধ্যমে বেঙ্গালুরুতে তাদের প্রথম দেখা হয়। দীর্ঘদিনের চেনা-জানা থাকলেও ২০২৫ সালে নিজের ৬০তম জন্মদিনে আমির খান আনুষ্ঠানিকভাবে গৌরীকে মিডিয়া ও সবার সামনে নিজের ‘সঙ্গী’ বা পার্টনার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। 

    গৌরী স্প্র্যাট আগে বেঙ্গালুরুর একটি নামী সেলুন চেইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি আমিরের প্রযোজনা সংস্থা ‘আমির খান প্রোডাকশনস’-এ কর্মরত আছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গৌরীর একটি পারিবারিক ঐতিহাসিক পরিচয়ও রয়েছে; তিনি ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত কমিউনিস্ট বুদ্ধিজীবী ফিলিপ স্প্র্যাটের নাতনি, যিনি ১৯২০-এর দশকে ভারতে এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। গৌরীর আগের সংসারে কুইন নামের ৭ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। 

    জানা গেছে, কোনো জাঁকজমকপূর্ণ বা বড় ধরনের পাবলিক অনুষ্ঠান ছাড়াই আমিরের নিজস্ব বাসভবনেই এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। চূড়ান্ত অতিথি তালিকা এখনো গোপন রাখা হলেও বলিপাড়ার গুঞ্জন—আমিরের দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু সালমান খান এবং শাহরুখ খান তাদের ব্যস্ত শিডিউল থেকে সময় মেলাতে পারলে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন। 

    প্রসঙ্গত, গৌরীর সঙ্গে সম্পর্ক নিজের জীবনে এক বড় স্বস্তি ও স্থায়িত্ব এনে দিয়েছে বলে অকপটে স্বীকার করেছেন আমির। সম্প্রতি ‘স্ক্রিন’-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গৌরী আর আমি একে অপরের প্রতি ভীষণ সিরিয়াস এবং আমরা অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি সম্পর্কে আছি। আমরা একে অপরের জীবনসঙ্গী। সত্যি বলতে, মনের দিক থেকে আমি নিজেকে ওর সঙ্গে বিবাহিতই মনে করি। এখন এটাকে কাগজে-কলমে কবে আনুষ্ঠানিক রূপ দেব, তা আমরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নেব।’ 

    এর আগে আমির খান দুবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির। এই সংসারে তার দুই সন্তান রয়েছে—আইরা খান এবং জুনায়েদ খান। ১৬ বছর সংসারের পর ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। 

    এরপর ২০০৫ সালে নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। সারোগেসির মাধ্যমে এই দম্পতির ঘরে আসে পুত্র আজাদ রাও খান। ২০২১ সালে এই দীর্ঘ ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনেরও অবসান ঘটে। 

    তবে দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গেই আমিরের বর্তমান সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। সন্তানদের সহ-অভিভাবকত্ব (কো-প্যারেন্টিং) করার পাশাপাশি বিভিন্ন পারিবারিক উৎসব ও অনুষ্ঠানে রিনা ও কিরণ—উভয়কেই আমিরের পাশে হাসিমুখে দেখা যায়। জীবনের এই নতুন অধ্যায়েও দুই পরিবারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভারত-পাকিস্তান সিরিজ নিয়ে নির্মিত সিনেমায় আমির খান

    আবারও রূপালি পর্দায় একসঙ্গে ফিরছেন বলিউডের অন্যতম সফল জুটি আমির খান ও পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর। কালজয়ী সিনেমা ‘লগান’-এর ২৫ বছর পর, এই ঐতিহাসিক জুটি মেগা প্রজেক্টের জন্য ফের এক হচ্ছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া। 

    জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভারত-পাকিস্তান টেস্ট ক্রিকেট সিরিজের পটভূমিতে একটি হাই-ভোল্টেজ স্পোর্টস ড্রামা নির্মিত হবে। 

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, এটি কোনো প্রচলিত ধারার বায়োপিক বা আত্মজীবনীমূলক সিনেমা হবে না। বরং ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম আইকনিক ক্রিকেট সিরিজকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে ছবির গল্প। তৎকালীন মাঠের ভেতরের ও বাইরের আবহ, জাতীয় গৌরব, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং মাঠের পেছনের মানবিক আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনই হবে এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য। 

    ছবিটির চিত্রনাট্য লেখার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন পীযূষ গুপ্ত ও নীরজ সিং। 

    এই সিনেমায় স্বাধীন ভারতের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার লালা অমরনাথের চরিত্রে অভিনয় করবেন ‘মি. পারফেকশনিস্ট’ খ্যাত আমির। নিখুঁত অভিনয়ের জন্য পরিচিত এই তারকা ইতোমধ্যেই চরিত্রের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে শুরু করেছেন এবং চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে বড়সড় শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছেন ফারহান আখতার ও রিতেশ সিধওয়ানি। 

    জানা গেছে, আমির খান ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত চিত্রনাট্য অনুমোদন করেছেন এবং সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বর নাগাদ ছবির শুটিং শুরু হবে। আগামী জুন মাসের মধ্যেই ছবিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

    আমির ও আশুতোষের পুনরায় একসঙ্গে কাজ করার খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মধ্যে তুমুল উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই লগান-এর সাফল্যের কথা স্মরণ করে এই জুটিকে ঘিরে বড় স্বপ্ন দেখছেন। 

    তবে ট্রেড অ্যানালিস্টদের একাংশ, স্পোর্টস ড্রামা ঘরানার চলচ্চিত্রের সাম্প্রতিক বক্স অফিস পারফরম্যান্স নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। সাম্প্রতিক সময়ে ‘ময়দান’ বা ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর মতো সিনেমাগুলো সমালোচকদের প্রশংসা পেলেও বক্স অফিসে আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারেনি। ফলে দর্শকরা এই ঘরানার সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখতে কতটা আগ্রহী হবেন, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। 

    অবশ্য সিনেমা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ এবং দেশভাগ-পরবর্তী প্রেক্ষাপট এমন একটি বিষয়, যা সবসময়ই সাধারণ দর্শকদের সিনেমা হলের দিকে টানে। টানা কয়েকটি সিনেমা আশানুরূপ ব্যবসা না করায় আমির খান নিজেও বর্তমানে ক্যারিয়ারের কিছুটা কঠিন সময় পার করছেন। সঠিক বাজেটের মধ্যে যদি এই আবেগঘন গল্পটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা যায়, তবে এটিই হতে পারে বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’-এর দুর্দান্ত কামব্যাক ফিল্ম। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমির খানের ছেলে বলেই অনেক কাজ পাই: জুনাইদ খান

    ২০২৪ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মহারাজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খানের পুত্র জুনাইদ খানের। ১৮৬২ সালের ঐতিহাসিক ‘মহারাজ মানহানি মামলা’র প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ সিনেমায় সাংবাদিক কারসানদাস মুলজির চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসিত হন জুনাইদ। সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা পরিচালিত এ সিনেমায় আরও ছিলেন জয়দীপ আহলাওয়াদ, শালিনী পান্ডে ও শর্বরী।

    জুনাইদ ব্যাপক প্রশংসা পাওয়ার পরও বলিউডে নেপোটিজম বা স্বজনপ্রীতি নিয়ে বিতর্কের রেশ যেন থামছেই না। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর এ আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। অধিকাংশ তারকা সন্তান এ প্রসঙ্গে নিজেদের রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থাপন করলেও সম্পূর্ণ উল্টো পথে হাঁটলেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানের ছেলে জুনাইদ খান। সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার ও নেপোটিজম নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এ তরুণ অভিনেতা।

    বলিউড প্রযোজকরা সাধারণত অভিনেতাদের বাজারজাতকরণের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে কাস্টিং করে থাকেন। যেহেতু তারকা সন্তানদের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বেশি থাকে, তাই নির্মাতারা তাদের বেছে নেওয়াকে নিরাপদ বলে মনে করেন আমিরপুত্র। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বলিউডে নিজের সুবিধাজনক অবস্থানের কথা স্বীকার করে নেন জুনাইদ খান। কোনো রাখঢাক না রেখেই তিনি বলেন, নেপোটিজম শব্দটি আমাকে মোটেও বিব্রত করে না। আমি আমির খানের ছেলে বলেই অনেক কাজ ও সুযোগ পাই। তিনি বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণ শুধু শিল্প নয়, এটি একটি বড় ব্যবসা। আমির খানের ছেলে হওয়ার সুবাদে ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি বিশেষ সুবিধা ভোগ করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘থ্রি ইডিয়টস ২’-এর নতুন ‘ইডিয়ট’ কি ভিকি?

    বলিউডের কালজয়ী সিনেমা থ্রি ইডিয়টস-এর সিক্যুয়েল ঘিরে আবারও আলোচনা তুঙ্গে। ছবির অন্যতম অভিনেতা আমির খান নিজেই জানিয়েছেন, এর পরবর্তী কিস্তি তৈরির কাজ এগোচ্ছে।

    নতুন প্রতিবেদনে জানা গেছে, সিক্যুয়েলের গল্পে একটি নতুন মোড় আনা হচ্ছে। আগের তিন ‘ইডিয়ট’-এর সঙ্গে এবার যোগ হতে পারে চতুর্থ একজন চরিত্র, যেখানে দেখা যেতে পারে ভিকি কৌশলকে।

    শোনা যাচ্ছে, এই চরিত্রে অভিনয়ের বিষয়ে তিনি আগ্রহী এবং ইতোমধ্যে আমির খান ও পরিচালক রাজকুমার হিরানির সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন। এমনকি প্রাথমিকভাবে তিনি সম্মতিও জানিয়েছেন, যদিও সবার সময় মিলিয়ে নেওয়াটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গল্পের দিক থেকে ছবিতে প্রায় এক দশকের সময়ের ব্যবধান দেখানো হবে। সেই কারণেই নতুন চরিত্র যুক্ত করার পরিকল্পনা। জানা গেছে, ভিকি তার অন্যান্য কাজ শেষ করেই এই ছবির শুটিংয়ে যুক্ত হবেন।

    অন্যদিকে, এক সাক্ষাৎকারে আমির খান জানান, তিনি ইতোমধ্যেই সিক্যুয়েলের গল্প শুনেছেন এবং সেটি তার কাছে অসাধারণ লেগেছে। তার মতে, গল্পটি শক্তিশালী, ভিন্নধর্মী এবং আগের ছবির মতোই হাস্যরসে ভরপুর হবে। যদিও চিত্রনাট্যে এখনও কিছু কাজ বাকি রয়েছে, তবুও নির্মাণ প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

    এছাড়া, আগের ছবির পরিচিত চরিত্রগুলোকেই আবার দেখা যাবে, তবে গল্পটি এগোবে ১০ বছর পরের সময়কে কেন্দ্র করে। আমির খানও আবার ফুংসুখ ওয়াংডু চরিত্রে অভিনয় করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    এদিকে ভিকি কৌশলকে শেষবার দেখা গেছে ২০২৫ সালের সফল ছবি ‘ছাবা’-তে। বর্তমানে তিনি সঞ্জয় লীলা বনশালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত, যেখানে তার সঙ্গে রয়েছেন রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট। এই প্রজেক্টটিও দর্শকদের কাছে বেশ প্রতীক্ষিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ক্রিপ্ট না পড়েই রাজি হয়ে যান, কারণ কি শুধুই বাবার ভয়

    বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান তার সিনেমার নির্বাচন খুব ভেবেচিন্তে করার জন্য পরিচিত। তবে তার ক্যারিয়ারে এমন কিছু মুহূর্তও এসেছে, যখন তিনি না ভেবেচিন্তে, না স্ক্রিপ্ট পড়ে— কোনোটাই করেননি কিন্তু সিনেমাটি করতে হ্যাঁ বলে দিয়েছিলেন। যদিও অনেক সময় তিনি কেবল আবেগতাড়িত হয়েও সিদ্ধান্ত নেন। তার ক্যারিয়ারে এমন দুটি সিনেমা রয়েছে, যেগুলোর স্ক্রিপ্ট তিনি কখনো পড়েননি। সম্প্রতি জাকির খানের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় আমির খান এমন কথাই বলেন।

    মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা বলেন, তিনি কেবল লজিক্যাল বা কৌশলগতভাবে চিন্তা করার পরিবর্তে অনেক সময় কেবল আবেগতাড়িত হয়ে তার সিনেমা নির্বাচন করেন। তিনি বলেন,  তিনি তার বাবার কাছ থেকে ভয় পেতেন এবং এমন কিছু মুহূর্তও ছিল যখন তিনি স্ক্রিপ্ট না পড়েই ছবিতে হ্যাঁ বলে দিয়েছিলেন।

    আমির খান বলেন, ‘আওয়াল নম্বর’ ও ‘তুম মেরে হো’ সিনেমার স্ক্রিপ্ট না শুনেই স্বাক্ষর করেছিলেন। তিনি বলেন, তার বাবা তাহির হোসেনের ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেছিলেন যে তিনি তার বাবার দ্বারা খুব প্রভাবিত ছিলেন। 

    মিস্টার পারফেকশনিস্ট বলেন, একবার তার বাবা তাকে বলেছিলেন যে, দেব আনন্দ তার সঙ্গে  দেখা করতে চেয়েছিলেন। সমস্যাটি ছিল যে আমির খানের সঙ্গে কথা না বলেই তার বাবা দেব আনন্দের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ এবং ছবির জন্য হ্যাঁ বলেছিলেন। যখন আমির খান বলেছিলেন যে তিনি স্ক্রিপ্ট শুনতে চান, তখন তার বাবা তার কথা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

    আমির খান বলেন, আমার বাবা আমাকে ফোন করে বলেছিলেন যে দেব আনন্দ ‘আওয়াল নম্বর’ ছবির জন্য তোমার সাথে দেখা করতে চান। তিনি বলেছিলেন যে আমি তোমার হয়ে হ্যাঁ বলেছি। আমি তাকে বলেছিলাম – না, আমি প্রথমে স্ক্রিপ্ট শুনব এবং তারপর সিদ্ধান্ত নেব। কিন্তু বাবা কঠোরভাবে বলেছিলেন– তুমি এমন কিছুই করবে না। তুমি গল্প জিজ্ঞাসা করবে না, শুধু যাবে এবং হ্যাঁ বলে দেবে। আমির জানান, তিনি তার বাবাকে খুব ভয় পেতেন, তাই রাজি হয়েছিলেন। আমি গল্প সম্পর্কে কিছুই জানতাম না এবং হ্যাঁ বলে চলে এসেছিলাম।

    দ্বিতীয় ছবির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছিল। আমির খান বলেন, দ্বিতীয় সিনেমাটি হলো ‘তুম মেরে হো’, যেটি আমার বাবা তৈরি করেছিলেন। আমি আমার বাবার কাছে গল্প জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু তিনি বলেছিলেন, আমরা ৩০ বছর ধরে সিনেমা তৈরি করছি, আর তুমি আমার কাছে গল্প জিজ্ঞাসা করছ? আমাকে ৩ ঘণ্টা ধরে দীর্ঘ বক্তৃতা শুনতে হয়েছিল। এরপর আমি বলেছিলাম– ঠিক আছে, গল্প থাক, আপনি সিনেমা তৈরি করুন।

    আমির খান মজা করে বলেছিলেন, আপনারা আমার যে অন্য ছবি দেখেছেন, তার জন্য আপনারা আমাকে দোষ দিতে পারেন। কারণ সেগুলোর স্ক্রিপ্ট পড়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেড় দশক পর আসছে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সিক্যুয়েল

    জনপ্রিয় বলিউড সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া রাজকুমার হিরানি পরিচালিত ছবিটির প্রধান তিন আইকনিক চরিত্র ‘র‌্যাঞ্চো’, ‘ফারহান’ ও ‘রাজু’ এখনো দর্শকদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এর সিক্যুয়েল আসতে চলেছে। 

    বলিউড মেগাস্টার আমির খান নিশ্চিত করেছেন, ২০০৯ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সিক্যুয়েল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানান, পরিচালক রাজকুমার হিরানি এবং লেখক অভিজাত জোশী বর্তমানে এই প্রজেক্টের চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছেন। 

    আমির খান জানান, সিক্যুয়েলের গল্পটি মূল সিনেমার চরিত্রগুলোকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হবে, তবে গল্পের প্রেক্ষাপট হবে ১০ বছর পরের। তিনি ইতোমধ্যেই চিত্রনাট্যের প্রাথমিক খসড়া শুনেছেন এবং সেটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত বলেও উল্লেখ করেন। 

    আমিরের ভাষায়, ‘গল্পটি খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। আমি আবারও এই আইকনিক চরিত্রে ফিরে আসার জন্য মুখিয়ে আছি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এর আগে পরিচালক রাজকুমার হিরানির সঙ্গে দাদাসাহেব ফালকের জীবনীভিত্তিক একটি চলচ্চিত্রে কাজ করার কথা ছিল আমিরের। তবে অভিনেতা জানিয়েছেন, চিত্রনাট্যের খসড়াগুলো নিয়ে টিম পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হওয়ায় আপাতত সেই প্রজেক্টটি স্থগিত রাখা হয়েছে। 

    বর্তমানে ‘থ্রি ইডিয়টস ২’ নিয়েই হিরানির পুরো মনোযোগ। 

    অভিনেতা আরও যোগ করেন, সিক্যুয়েলটিতে মূল ছবির মতো হাস্যরস এবং আবেগপূর্ণ গভীরতা এবারও বজায় রাখা হয়েছে। তবে এবার গল্পের মোড় হবে একদম নতুন। 

    যদিও গত বছর আর. মাধবন এবং আমির খান দুজনেই সিক্যুয়েলের সম্ভাবনাকে কিছুটা ‘অবাস্তব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু নতুন চিত্রনাট্য সেই জল্পনা পাল্টে দিয়েছে। আমির খানের মতে, তার অভিনীত ‘র্যাঞ্চো’ চরিত্রটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র এবং দর্শকরা আজও এটি নিয়ে আলোচনা করে। 

    রাজকুমার হিরানির পরিচালনায় নতুন এই অধ্যায়টি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে আবার কোন উচ্চতায় নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। 

    সূত্র: হাঙ্গামা এক্সপ্রেস

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখের যে সিনেমা দেখে অঝোরে কেঁদেছিলেন আমির

    বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান মানেই পর্দায় নিখুঁত অভিনয় আর পর্দার পেছনে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কিন্তু এই কঠোর পরিশ্রমী অভিনেতার ভেতরেও যে একজন অত্যন্ত আবেগী মানুষ লুকিয়ে আছে, তা আরও একবার স্পষ্ট হলো তার সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। 

    রেডিও মির্চি-কে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে আমির জানান, তিনি রোমান্টিক সিনেমার ভীষণ ভক্ত এবং পর্দায় আবেগী মুহূর্ত দেখলে নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেন না। 

    স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আমির জানান, করণ জোহরের অভিষেক সিনেমা ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ দেখার সময় তিনি কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। 

    সেই সময় তিনি তার তৎকালীন স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে রাজকমল থিয়েটারে সিনেমাটি দেখতে গিয়েছিলেন। শাহরুখ খান, কাজল ও রানি মুখোপাধ্যায় অভিনীত সেই কালজয়ী প্রেমকাহিনি আমিরকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে, সিনেমার একাধিক দৃশ্যে তার চোখ ফেটে পানি বেরিয়ে আসছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই গল্পের সবচেয়ে মজার অংশটি হলো আমিরের চোখের পানি মোছার কায়দা। 

    অভিনেতা জানান, কান্নার সময় রুমাল না থাকায় তিনি পাশে বসে থাকা রিনা দত্তের ওড়না দিয়েই বারবার চোখ মুছছিলেন। 

    আমির হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি রোমান্টিক সিনেমার জন্য পাগল। রোমান্টিক ছবি দেখতে গিয়ে আমি প্রচুর কাঁদি। মনে আছে, রিনা আর আমি রাজকমল থিয়েটারে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ দেখছিলাম। আমি এমনিতেই খুব বেশি কাঁদি।’

    তবে বিপত্তি বাধে রিনার ওড়না নিয়ে। সেই ওড়নাটিতে ছিল সূক্ষ্ম জরির কাজ। বারবার চোখ মোছার ফলে সেই জরির ঘর্ষণে আমিরের চোখে যেমন অস্বস্তি হচ্ছিল, তেমনি রিনার দামী ওড়নাটিও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি একজন দর্শক হিসেবেও গল্পের গভীরে আমির কতটা ডুবে যান, এই ছোট ঘটনাটি যেন তার প্রমাণ। 

    পর্দার বাইরের এই আবেগী আমিরকে সবশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘সিতারে জমিন পার’ সিনেমায়। যেখানে জেনেলিয়া ডি’সুজার বিপরীতে একজন বাস্কেটবল কোচের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রথমবারের মতো আমির খানের জুটি শ্রদ্ধা কাপুর

    বলিউড ইন্ডাস্ট্রির বাদশাহ শাহরুখ, ভাইজান সালমান ও মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান— এই তিন খানের সঙ্গে কখনো কাজ করা হয়নি আলোচিত অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরের।  অথচ ‘আশিকি ২’ দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর ‘হায়দার’, ‘এক ভিলেন’, ‘বাঘি’, ‘স্ত্রী’সহ অনেক আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন অভিনেত্রী। তবে এবার সেই অপূর্ণতা ঘুচতে চলেছে শ্রদ্ধা কাপুরের। এবার নতুন সিনেমায় মিস্টার পারফেকশনিস্টের সঙ্গে প্রথমবারের মতো পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন তিনি। 

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত ভারতীয় ব্যবসায়ী অশনির গ্রোভারের জীবনকাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে বায়োপিক। সেই বায়োপিকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন আমির খান। সেখানে অশনির গ্রোভারের জীবনের উত্থান-পতন, ব্যবসায়িক লড়াই এবং তার রাফ অ্যান্ড টাফ ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতেই আমিরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। 

    এ সিনেমায় আমির খানের সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করতে দেখা যাবে শ্রদ্ধা কাপুরকে। অশনির গ্রোভারের স্ত্রী মাধুরী জৈন গ্রোভারের ভূমিকায় অভিনয় করবেন তিনি। অশনির গ্রোভারের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ স্ত্রী মাধুরী জৈন। এ দম্পতির একসঙ্গে শূন্য থেকে শীর্ষে পৌঁছানো এবং কঠিন সময়ে পরস্পরের পাশে থাকার মানবিক গল্প হতে চলেছে এ বায়োপিকটি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অশনির গ্রোভারের ব্যবসায়িক সাফল্যের জয়গাথা শুধু নয়, বরং তার জীবনের বিতর্কিত অধ্যায় আর ব্যক্তিগত সংগ্রামের গল্পও উঠে আসবে এ সিনেমায়। 

    মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আর শ্রদ্ধা কাপুরের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ২২ বছর। তাই তাদের জুটি হওয়ার খবরে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একাংশ সমালোচনাও করছেন। তবে নির্মাতা মনে করেন, বয়সের ব্যবধান থাকলেও পর্দায় এ দুজনকে চমৎকার মানাবে। প্রধান দুই চরিত্রে জীবনের বিভিন্ন পর্যায় তুলে ধরার জন্য প্রোস্থেটিক মেকআপ ও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হবে। যদিও এ বায়োপিকটির নাম এখনো ঠিক হয়নি। তবে চলতি বছরই শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

    ব্যবসায়ী অশনির বায়োপিকটি পরিচালনা করবেন শ্রদ্ধার চর্চিত প্রেমিক রাহুল মোদি। যে কিনা ‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’সহ বেশ কিছু হিট সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন। প্রায় তিন বছর হলো অশনির গ্রোভারের এ বায়োপিকের চিত্রনাট্য লিখছেন রাহুল মোদি। শুরু থেকেই অনুমান করে আসছেন মাধুরী জৈন গ্রোভারের চরিত্রে শ্রদ্ধাই অভিনয় করবেন। সেভাবেই  চিত্রনাট্য লেখা হচ্ছে, প্রতিটি ধাপের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের প্রথম প্রেম কে? যার সঙ্গে বিচ্ছেদ যাতনায় প্রতি রাতে ১ বোতল মদ খেতেন

    বলিউডের ‘মিস্টার পারফেক্টশনিস্ট’ আমির খান ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই সোজাসাপ্টা। প্রথম স্ত্রী রিনা দত্তের সঙ্গে বিচ্ছেদ, এরপর কিরণ রাওয়ের সঙ্গে সংসার এবং পরে সেই সম্পর্কের ইতি—সবকিছু নিয়েই তিনি ভক্তদের কাছে খোলামেলা। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমির জানিয়েছেন তার জীবনের এক অন্ধকার অধ্যায়ের কথা। অভিনেতা জানান, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তিনি মদে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন।

    বরুণ দাসের সঙ্গে ‘ডুওলগ’ অনুষ্ঠানে আমির খান জানান, এক সময় তিনি মদ স্পর্শও করতেন না। অভিনেতা বলেন, রিনার সঙ্গে ডিভোর্সের আগে পর্যন্ত আমি পুরোপুরি মদ্যপানমুক্ত ছিলাম। কিন্তু যেদিন রিনা সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল এবং আমি একদম একা হয়ে পড়লাম, সেই মুহূর্তের আবেগগুলো আমি সামলাতে পারছিলাম না।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আমির আরও জানান, শুটিংয়ের প্রয়োজনে দু-একবার মদ্যপান করলেও ব্যক্তিগত জীবনে এর কোনো স্থান ছিল না। কিন্তু একাকিত্বের সেই কঠিন সময়ে তিনি নিজেকে সামলাতে না পেরে সুরাকেই সঙ্গী করে নেন। পরিস্থিতির অবনতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, অভিনেতা প্রতি রাতে প্রায় এক বোতল করে মদ শেষ করতেন।

    নিজের জীবনের এই দুর্বলতাগুলো ভক্তদের সামনে তুলে ধরতে কখনোই দ্বিধা করেননি আমির। রিনা দত্ত ও কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ হলেও তাদের সাথে এখনও সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন তিনি। বর্তমানে নিজের কাজ এবং পরিবারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও নতুন ভারসাম্য খোঁজার চেষ্টা করছেন এই মহাতারকা।

    আমিরের এই স্বীকারোক্তি আবারও প্রমাণ করল যে, রুপালি পর্দার সফল তারকাদেরও সাধারণ মানুষের মতোই কঠিন মানসিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরের বান্ধবীর হাতে হীরাখচিত আংটি, যা বলছেন ভক্তরা

    বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্টখ্যাত অভিনেতা আমির খানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নেটিজেনদের মাঝে চলছে গুঞ্জন। গৌরী স্প্র্যাট নামে এক নারীর প্রেমে জড়িয়েছেন তিনি। বিভিন্ন ইভেন্টে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এমনকি অভিনেতার পারিবারিক অনুষ্ঠানেও দেখা গেছে সেই চর্চিত প্রেমিকার। 

    যদিও নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এ প্রেমিক জুটির কাছ থেকে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটের আঙুলে দুটি দামি হীরার আংটি দেখা গেছে। আর তাতেই তৈরি হয়েছে কৌতূহলী ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নানা প্রশ্ন। জল্পনা ওঠে— এই আংটি আমির খান গৌরীকে দিয়েছেন; নীল রঙের হীরাখচিত আংটি দুটি আমির খান নিজেই উপহার দিয়েছেন।

    এর আগে রিনা দত্ত ও কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন অভিনেতা আমির খান। তাদের বিবাহবিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন একা থাকেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা। এরপর থেকে গৌরীর সঙ্গে অভিনেতার মেলামেশা নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করেছে।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এর আগে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন আমির খান। সেই সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন— গৌরী তার জীবনে অনেক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে এসেছেন। 

    বিয়ের প্রসঙ্গে ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ বলেছিলেন— তারা একে অপরের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মানসিকভাবে তিনি নিজেকে গৌরীর সঙ্গে বিবাহিত বলে মনে করেন।

    গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ এ আংটি তৈরিতে প্রায় ৪০টি হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। উপহারের এ ধারণা আবার তৈরি হওয়ার কারণ, আমির খান সম্প্রতি একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ডে বিনিয়োগ করেছেন; তাই সেখান থেকেই এই বিশেষ উপহারটি কেনা হয়েছে বলে মনে করছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। আবার এমন জল্পনাও করেছেন নেটিজেনরা—এটি শুধু সাধারণ উপহার নয়, তারা গোপনে বাগদান সম্পন্নও করেছেন! যদিও এ বিষয়ে আমির খান বা গৌরী কোনো মন্তব্য করেননি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন