Tag: আজমেরী হক বাঁধন

  • জুরি বোর্ডের দায়িত্বে ইলিয়াস কাঞ্চন-বাঁধন

    নতুন বছরে পর্দা উঠবে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৩তম আসরের। ১১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৯ দিন ব্যাপী চলবে এই উৎসব। সেখানে ৭৫টি দেশের প্রায় আড়াইশ সিনেমা প্রদর্শিত হবে। আর এই চলচ্চিত্র উৎসবের জুড়িবোর্ডে দায়িত্ব পেয়েছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এবং অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

    জানা গেছে, এবারের আসরে এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘এর আগেও একবার এই উৎসবে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এরপর তারা অনুরোধ জানালেও আমি সময় করতে পারিনি। এ বছর আবারও দায়িত্ব নিয়েছি। চেষ্টা করব, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করার।’

    এছাড়াও এই বিভাগে জুরি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আছেন- নরওয়ের চলচ্চিত্র পরিবেশক এজ হোফার্ট, চীনের চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক ঝ্যাং ইউডি, মঙ্গোলিয়ার অভিনেত্রী মুনগুনজুল আমগালানবাতার এবং ব্রিটিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিক্ষক ড্রাগন মিলিনকোভিচ।

    অন্যদিকে উইমেন ফিল্মমেকার বিভাগে দায়িত্ব পালন করবেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। এ বিষয়ে বাঁধন বলেন, ‘অনেক বছর ধরে ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে। এ উৎসবে জুরি হিসেবে অংশ নেওয়া আমার জন্য সম্মানের, অনেক আনন্দের।’

    এ বিভাগে জুরির দায়িত্বে আরও আছেন লন্ডনপ্রবাসী বাংলাদেশের অভিনেত্রী ও নির্মাতা লিসা গাজী, চীনের মেই পো রেইনবো ফং এবং ইরানি অভিনেত্রী হুদা মোগাদ্দাম মানিশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশি বলেই কি বাদ পড়লেন বাঁধন!

    ‘খুফিয়া’ নামে একটি বলিউড ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। পরিচালনা করেছেন বিশাল ভরদ্বাজ। এটি গত বছরের ৫ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায়। 

    এতে অভিনয়ের জন্য বেশ প্রসংশাও পান বাঁধন। চলতি বছর ভারতের ফিল্মফেয়ার ওটিটি পুরস্কারে মনোনিত হয়েছে সিনেমাটি। তবে সেখানে অভিনয়শিল্পী হিসাবে ভারতের শিল্পীরা মনোনীত হলেও বাদ পড়েন তিনি। 

    ফাইনাল আসরে পুরস্কার পান বাঁধনের সহ-অভিনেত্রী ওয়ামিকা গাব্বি। তবে কি বাংলাদেশি বলেই বাদ পড়লেন বাঁধন! শুধু তাই নয়, এ উৎসবে মনোনিত হয়েছিল বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত হিন্দি সিনেমা ‘কড়ক সিং’। 

    এখানে জয়ার সহশিল্পীরা মনোনীত হলেও বাদ পড়েন বাংলাদেশি এ অভিনেত্রী। দুটি সিনেমার ক্ষেত্রে একই ঘটনার পর নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জেগেছে, বাংলাদেশি অভিনেত্রী বলেই কী তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে! ভারতে একই আসরে বাংলাদেশের দুই অভিনেত্রীর কারোই মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে বেশ সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মুজিব’ সিনেমার পেছনে কত খরচ তা প্রকাশ্যে আনার দাবি বাঁধনের

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে অনেক সিনেমা তৈরি হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে। সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা ছিল—  ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’। এ সিনেমায় মুজিব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অভিনেতা আরিফিন শুভ। তিনি পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়েছেন মাত্র ১ টাকা। আর এই ১ টাকা পারিশ্রমিক নেন ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশাও। 

     

    এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেন নুসরাত ফারিয়া, রিয়াজ আহমেদ, দিলারা জামান, চঞ্চল চৌধুরী, সিয়াম আহমেদ, জায়েদ খান, খায়রুল আলম সবুজ, রাইসুল ইসলাম আসাদ, গাজী রাকায়েত, তৌকীর আহমেদ, মিশা সওদাগরসহ শতাধিক শিল্পী।

    বাংলাদেশের বিএফডিসি ও ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এনএফডিসি) যৌথ প্রযোজনায় তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেটের সিনেমাটি বানিয়েছেন ভারতের প্রশংসিত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল। ছবিটি মুক্তি পায় গত বছরের ১৩ অক্টোবর।

    এবার মুজিব সিনেমা নির্মাণে কোন খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, সে তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘মুজিব নামে যে সিনেমাটি বানানো হয়েছে, আমি সেটার হিসাব চাই। আমি দেখতে চাই, এত বাজেটের একটা সিনেমা কীভাবে এত খারাপভাবে বানানো যায়!’

    এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শুরু থেকে সামাজিকমাধ্যমে সরব ছিলেন বাঁধন। পরে ছাত্রদের পক্ষে রাজপথেও নেমেছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই সময়ের অনেক দুর্নীতির তথ্য এখন সামনে আসছে। বাঁধনের দাবি— মুজিব সিনেমাও রেহাই পায়নি এই দুর্নীতির করালগ্রাস থেকে। তাই তিনি এ সিনেমার খরচের হিসাব দেখতে চান।  তিনি বলেন, ‘কোটি কোটি টাকা বাজেট নিয়ে কী সিনেমাটা বানাল! সেই টাকাগুলো কোথায় গেল— এই হিসাব তো আমি দেখতে চাই। আমার খুবই কষ্ট হয়েছে, দেশের টাকা দিয়ে বানানো, আমাদের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে বানানো সিনেমা, যা ইচ্ছা তাই একটা বানিয়ে দেওয়া হলো!’

    মুজিব সিনেমার টিজার, ট্রেলার নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। আলোচিত হয়েছে বাজেটের বিষয়টি নিয়েও। সমালোচনার পাশাপাশি বাজেট নিয়েও নানা তথ্য ছড়ায় সামাজিকমাধ্যমে। কেউ কেউ সিনেমাটির বাজেট ১২০ কোটি বলেও দাবি করেন। কত টাকা বাজেট ছিল মুজিব সিনেমার জন্য?— এমন প্রশ্নের উত্তরে সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক ও বিএফডিসির তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন জানিয়েছিলেন— সিনেমাটি নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৭০ কোটি রুপির (বাংলাদেশি টাকায় ৮৩ কোটি টাকা) সমঝোতা চুক্তি হয়।  ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের পক্ষে তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভেদকর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, মোট বাজেটের ৬০ শতাংশ অর্থ দিয়েছে বাংলাদেশ।

    সে হিসাবে বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ প্রায় ৫০ কোটি টাকা। অন্যদিকে বাকি ৪০ শতাংশ অর্থ ভারতের বিনিয়োগ করার কথা, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৩ কোটির বেশি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চারবার আবেদন করেও ভারতের ভিসা পাননি বাঁধন

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মুখর ছিলেন ঢালিউড অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। দেশের বিনোদন জগতের বহু তারকা এ ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরাসরি মাঠে নেমেছিলেন। আওয়ামী লীগের পতনের মাধ্যমে এ সফলতা পান দেশের জনগণ। গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ জেগে ওঠে। কিন্তু এই আওয়ামী সরকার পতনের আন্দোলনে নেমে দেশ নতুন করে স্বাধীন করলেও এ অভিনেত্রী স্বাধীনভাবে চলাফেরায় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় ভারত। যদিও এ অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ওপার-এপার— দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় হলেও ভারতের ভিসা পাননি তিনি। তার নাম ব্লাকলিস্টে ফেলে রেখেছে ভারত। অথচ কলকাতার পাশাপাশি বলিউডেও কাজ করেছেন বাঁধন। 

    সম্প্রতি বাংলাদেশে একটি গণমাধ্যমে আজমেরী হক বাঁধন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের এ পরিস্থিতিতে তিনি নাকি এখন আর ভারতে যাওয়ার ভিসা পাচ্ছেন না। তার ভিসার আবেদন ভারতের হাইকমিশনের তরফে চারবার বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমার তো কোনো বাউন্ডারি থাকা উচিত নয়। আমি সর্বত্র গিয়ে কাজ করতে পারি। আর ওখানকার পরিচালক, জুরি কমিটিও চাইছিলেন আমি যাই। সে জন্য শেষপর্যন্ত তারা আমার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। আমি বলছি না, ওদেশে আমি যেতে চাই না। আমি যেতে চাই। তবে ওরা কোনো কিছুতেই ভিসা দিচ্ছে না। কারণ আমার নাম ব্ল্যাকলিস্ট করে দিয়েছে।

    হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনে মুখর হয়েছিলেন সে দেশের বহু তারকা। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি অবশ্য শুধু ওপার বাংলাতে নয়, এপারেও যথেষ্ট পরিচিত। ভারতে আসার ভিসা পাচ্ছেন না এ অভিনেত্রী। তার ভিসার আবেদন ভারতের হাইকমিশন চারবার বাতিল করে দিয়েছে।

    ভিসা না পাওয়ার কারণ হিসাবে অভিনেত্রী বাঁধন বলেন, এর আগে ভারতে ভিসা না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমি মুখ খুলিনি। কারণ আমি চাইনি— এটি নিয়ে বেশি শোরগোল হোক। তিনি বলেন, ইন্ডিয়াতে আমার কাজটাই না হোক, সেটিও চাইনি। তবে শেষ পর্যন্ত দেখলাম যে এটাও তো আমার মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আমার একজনের সঙ্গে ছবি আছে— ভিপি নুরের (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর) সঙ্গে ছবি ছিল। যেটা আমার অ্য়াকাউন্ট থেকে পোস্ট করা, তো ওরা (ইন্ডিয়ান হাইকমিশন) আমাকে এটা নিয়ে চার্জ করেছে।’

    বাঁধন বলেন, ‘আমাকে প্রশ্ন করা হয়— আমার কেন ওর সঙ্গে ছবি আছে। আমি ওর সঙ্গে কীভাবে সংযুক্ত? আরও নানান রকমের প্রশ্ন করা হয়। তারপর চারবার আমার ভিসার আবেদন বাতিল করেছে ইন্ডিয়া। অথচ এর আগে আমি কলকাতায় কাজ করেছি, বলিউডেও কাজ করেছি। আর আমার সব কাগজপত্রও আছে। এমন নয় যে কাগজপত্র ছাড়া আমি শুধু পুলিশ ভিসায় যাব। আমার কাজের জন্য যাওয়ার কথা। তবে ভিসা ওরা দেয়নি। আর ট্যুরিস্ট ভিসা তো দেবেই না।’

    এ অভিনেত্রী বলেন, আমার কলকাতায় একটা কাজ করার কথা ছিল, আর আমার বেঙ্গালুরুর এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জুরি হওয়ার কথা ছিল। তিনি বলেন, বিশাল ভরদ্বাজের ফ্রেন্ডের এক ফ্রেন্ড ছিলেন আগের হাইকমিশনার। ওনাকে মেইল করা হয়েছিল আমার জন্য। সেই সময় যখন ভিসা পেয়েছিলাম, তখন যিনি হাইকমিশনার বিক্রমজি, উনি নিজে ডেকে পাসপোর্ট আমার হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আমি ওর সঙ্গে বসে চা খেয়েছি। প্রোজেক্ট নিয়ে কথা বলেছি। ইন্ডিয়ান হাইকমিশনের পেজ থেকে বেস্ট উইশ জানিয়ে পোস্ট করা হয়েছিল।

    বাঁধন বলেন, আর এখনকার ছবিটা হলো বর্তমান যিনি হাইকমিশন, কেন ভিপি নুরের সঙ্গে ছবি তুলেছি? সেই প্রশ্ন তুলে আড়াই বছর আমায় ভিসা দেয়নি। কিন্তু কেন, আমি তো অভিনেত্রী। আমার তো কোনো বাউন্ডারি থাকা উচিত নয়। আমি সর্বত্র গিয়ে কাজ করতে পারি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • সিনেমা অঙ্গনে সংস্কার চান বাঁধন

    ঢাকাই সিনেমা বেশ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র আন্দোলনে আরও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে সিনেমা অঙ্গন। এছাড়া সিনেমার শিল্পীদের অবাধ কথা-বার্তা ও নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুঁড়ি নিয়েও সাধারণ মানুষের কাছে সিনেমা হয়ে গেছে সস্তা পণ্য। সিনেমা ও শিল্পীদের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন দর্শক। 

    ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটেছে। এখন নতুন করে দেশ সংস্কারের কার্যক্রম চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় সিনেমায়ও সংস্কার করা প্রয়োজন বলেই মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। 

    তিনি বলেন, ‘দেশের অন্যাণ্য জায়গার মতো সিনেমা অঙ্গনেও সংস্কার প্রয়োজন। এ জায়গা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। আমাদের মিডিয়ায় কিছু প্রডাকশন হাউজ, প্রযোজক, পরিচালক ও কিছু অভিনয়শিল্পী আছেন যাদের আচরণ খুবই স্বৈরাচারী। তারা ভীষণভাবে মিডিয়াকে প্রভাবিত ও কলুষিত করেছেন। তাদের হাত থেকে মিডিয়াকে রক্ষা করতে হবে। শিল্পীদের রাষ্ট্র থেকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। আমাদের ইনস্টিটিউশন লাগবে। এছাড়া আরো অনেক ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।’ 

    এদিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকেই সরব ছিলেন  বাঁধন। ছাত্রদের হয়ে কথা বলতে নেমেছিলেন রাস্তায়। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের শিকার হতে হয়েছিল তাকে। 

    আন্দোলন মূহুর্তে অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে থাকা ছবি নিয়েও অনেক সমালোচনায় পড়তে হয়েছে বাঁধনকে। 

    এ বিষয়টি নিয়েও বাঁধন বলেন, ‘ছাত্রদের সঙ্গে সংহতি জানানোর পর থেকে আমাকে যে ধরনের সাইবার বুলিং করা হয়েছে, সেটা অনেক ভয়ানক ছিল।’
     

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে বাঁধনের প্রথম হিন্দি সিনেমা

    অপেক্ষার পালা এবার শেষ হচ্ছে। মুক্তি পেতে যাচ্ছে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের প্রথম হিন্দি সিনেমা ‘খুফিয়া’।

    ভারতীয় গণমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামার খবর— সিনেমাটি আগামী ৫ অক্টোবর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে।

    এর আগে গত বছরের শেষের দিকে সিনেমাটির টিজার প্রকাশ পায়। সে সময় মুক্তির কথা থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি।

    খুফিয়ার শুটিং শেষ হয়েছে গত বছর। সিনেমায় বাঁধন ছাড়া অভিনয় করেছেন আলী ফজল, টাবু, আশীষ বিদ্যার্থীসহ অনেকেই।

    বলিপাড়ার জনপ্রিয় এসব অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার বিষয়ে বাঁধন বলেন, এটা অবশ্যই ভালো লাগার বিষয়। যদিও সিনেমায় চরিত্রের দৈর্ঘ্য খুব একটা বড় নয়, তবে টাবুর সঙ্গে কাজ করে ভালো লেগেছে। উনার সঙ্গে পর্দা ভাগ করা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।

    বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত এই ওয়েব ছবিটির লুক টেস্টের জন্য ২০২১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মুম্বাই যান বাঁধন। পরে ওই বছরের অক্টোবরে দিল্লিতে শুরু হয় শুটিং।

    বিনোদন ডেস্ক