১৫ বছর ধরে ঐন্দ্রিলার সঙ্গে প্রেম, নতুন ঘোষণা দিলেন অঙ্কুশ

Written by

in

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা ও অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেন অন্যতম চর্চিত জুটি। এ তারকা জুটি অনেক বছর ধরেই সম্পর্কে রয়েছেন। ছোটপর্দা দিয়ে অভিনয় শুরু করেছিলেন ঐন্দ্রিলা সেন। অন্যদিকে অঙ্কুশ হাজরা বরাবর বড়পর্দাতেও রাজত্ব করে চলেছেন। তারা জুটি বেঁধে বেশ কিছু সিনেমাও উপহার দিয়েছেন। কিন্তু তারা বিয়ের পিঁড়িতে কবে বসবেন— এ নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের উৎসাহের শেষ নেই।

এবার সেই আনন্দঘন মুহূর্তের অবসান ঘটতে চলেছে। খুব শিগগির সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন তারা!—এমন সুসংবাদ দিলেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ছিল ঐন্দ্রিলার জন্মদিন। ৩৪-এ পা দিলেন অভিনেত্রী। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েই অঙ্কুশ হাজরা বলেন, তারা খুব তাড়াতাড়ি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন। মঙ্গলবার নায়ক ঐন্দ্রিলার সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে শেয়ার করে নিয়েছেন। সেখানে তাদের নানা সময়ের মিষ্টি মুহূর্ত সব ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে নেন।

সামাজিক মাধ্যমে ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশনে অঙ্কুশ লিখেছেন— ১৫ বছর হয়ে গেল। প্রায় একসঙ্গেই বড় হয়েছি। আমার দেখা সবচেয়ে সৎ, সুন্দর ও খাঁটি মানুষটার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা… শুভ জন্মদিন।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, ‘কামনা করি, তুমি জীবনের সব সুখ পাও। আর হ্যাঁ— ভবিষ্যতে আমাদের বাচ্চারা জন্মেই আমাদের দাদু-দিদা বলে যাতে না ডাকে, তার জন্য আর বেশি দেরি করা যাবে না কিন্তু।’ মঙ্গলবার সকালে অভিনেতা এ পোস্ট করায় সংশোধন করে এক নেটিজেন পোস্টে লিখেছেন— ‘এই পোস্টটা রাত ১২টায় করা উচিত ছিল।’

এদিকে অঙ্কুশের পোস্টের কমেন্টে বার্থ গার্ল রিপ্লাইও দিয়েছেন। ঐন্দ্রিলা লিখেছেন— আমি বাকরুদ্ধ সবসময় ভালোবাসি তোমাকে। আমার প্রিয় বন্ধু, আমার সব দুষ্টুমির সঙ্গী আর আমার সব কিছু।

সামাজিক মাধ্যমে এ তারকা জুটির পোস্টে তাদের ভক্ত-অনুরাগীসহ নেটিজেনরাও অভিনেত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এবার মনে হয় বিয়ে করবে।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন—‘এটাই তো আমি বলছি। সব সময়ই বলি— বেশি দেরি করা যাবে না। কিন্তু এটা বলে বলে ক্লান্ত হয়ে গেলাম।’ অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এবার না বিয়ে করলে বাচ্চারা ভবিষ্যতে দাদু-ঠাম্মা বলেই ডাকবে। তাই দেরি কর না।’ 

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *