সিদ্দিকের কথা বলতেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করলেন মারিয়া মিম

Written by

in

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের সাবেক স্ত্রী আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিম ২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। নিজের ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন থাকলেও ব্যক্তিগত নানা জটিলতায় মাঝপথে তাকে থেমে যেতে হয়েছিল। বর্তমানে তিনি নতুন উদ্যমে কাজে ফেরার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

মারিয়া মিম আবারও আলোচনায় এসেছেন তার পোশাক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নিজের ফ্যাশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানে জানান, তার পরনের লাল রঙের ওয়েস্টার্ন পোশাকটি ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে কেনা হয়েীচর। ভবিষ্যতে সেখানে গেলে আবারও এমন পোশাক কেনার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

তবে সেই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানেই ব্যক্তিগত জীবন ও সাবেক স্বামীকে নিয়ে সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নে মেজাজ হারান অভিনেত্রী। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের বুম মাইক্রোফোন ছুড়ে ফেলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি, যা নিয়ে এখন সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

মারিয়া মিম ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সিনেমার প্রস্তাব পেলেও চিত্রনাট্য ও সহশিল্পী মনের মতো না হওয়ায় কাজে নামা হয়নি। তিনি বলেন, আমি তো সিনেমার অফার অনেক আগে থেকেই পাচ্ছি। বাট ব্যাটে-বলে মিলছে না। একটা সিনেমা করছি। সেটার শুটিং এখনো শেষ হয়নি, আরও বাকি আছে। 

অনুষ্ঠানে নিজের সাজপোশাক প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, কোন ড্রেস পরবেন বা কোন লুকে হাজির হবেন, তা নিয়ে তার আগে থেকেই পরিকল্পনা থাকে। তিনি বলেন, সৌদি আরবে অত্যন্ত চমৎকার সব ওয়েস্টার্ন পোশাক পাওয়া যায়। আমার রেড অনেক পছন্দ, আর রেড পরলে আমাকে অনেক সুন্দর লাগে। আমার এই ড্রেসটা আমি যখন ওমরাহ করতে গিয়েছিলাম, তখন জেদ্দা থেকে কিনেছিলাম। ওখানে ওয়েস্টার্ন ড্রেস অনেক সুন্দর সুন্দর পাওয়া যায়। সো এটা আমার জানা ছিল না। 

তিনি বলেন, নেক্সট টাইম আমি আবার সৌদি আরব গেলে অবশ্যই আরও অনেক ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিনব। সো আমি ওখান থেকেই নিয়েছিলাম এই ড্রেসটা। তবে সেই পোশাকের দাম কত, তা সবার সামনে প্রকাশ করতে রাজি হননি অভিনেত্রী মারিয়া মিম।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *