Home / Entertainment / শুটিংয়ে অভিনেত্রীকে আপত্তিকর স্পর্শ, বাধা দেওয়ায় খেলেন চড়!

শুটিংয়ে অভিনেত্রীকে আপত্তিকর স্পর্শ, বাধা দেওয়ায় খেলেন চড়!

শোবিজ অঙ্গন ঘটে যায় নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। যার অনেক কিছুই প্রকাশ্যে আসে, আবার কিছু চাপা পড়ে যায়। টালিউড ইন্ডাস্ট্রিজও এর ব্যতিক্রম নয়। এবার এমন এক ঘটনা ঘটেছে, যাতে অবাক সংশ্লিষ্ট সকলে।

বিষয়টি খোলাসা করে বললে, এ ঘটনায় রয়েছে তিন চরিত্র। ছবির পরিচালক ও তার দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী। বলিউড ফেরত সেই অভিনেতা মাঝে মাঝেই কাজ করেন টালিউডে। বাইরে থেকে দেখলে যে কেউ বলতে বাধ্য, তিনি নিপাট ভদ্রলোক। তবে অনেক ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও হয়।

সেই টালিউডের অন্দর থেকেই খবর এসেছে, এক ছবির চিত্রনাট্য অনুযায়ী পুরুষ চরিত্রটি নারী চরিত্রের পায়ের প্রতি আসক্ত। প্রেয়সীর পায়েই উত্তেজনা অনুভব করে সে। এমন একটি দৃশ্যের অভিনয় চলছিল। কিন্তু হঠাৎই অভিনয় যেন ছাড়িয়ে যায় চিত্রনাট্যের সীমা। অভিনেতার নাছোড় হাত তখন অভিনেত্রীর পা ছাড়িয়ে প্রায় উরু ছুঁতে যায়।

সেই মুহূর্তেই বেঁকে বসেন অভিনেত্রী। বাধা দেন। নায়কেরও হুঁশ ফেরে, সামলে নেন নিজেকে। সেই অভিনেত্রীর স্বামী ছিলেন সেই ছবিরই পরিচালক। তাই স্বামীও পদক্ষেপ নেন সঙ্গে সঙ্গে। কিন্তু এ ঘটনায় আহত হয় অভিনেতার আত্মাভিমান।

সেই অভিনেতা অপমানিত হয়ে ক্ষণিকের জন্য থেমে যান। সকলেই যখন ভাবছেন বিষয়টি মিটে গেছে, তখনই ঘটে অন্য একটি ঘটনা। মনের মধ্যে পুষে রাখা রাগ প্রকাশ করে ফেলেন অভিনতা। তাও সেই চিত্রনাট্যের সহায়তায়।

অভিনেতা যেন খুব সুযোগ সন্ধানী ছিলেন তখন। পরের দিনের শুটিংয়ে চিত্রনাট্য অনুযায়ী ক্যামেরাবন্দি হওয়ার কথা এক হিংস্র দৃশ্যে। এ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি সেই অভিনেতা।

সেই ‘মেথড অ্যাক্টিং’-এর মোড়কে দৃশ্যকে বাস্তবসম্মত করার জন্য চরিত্রের প্রায় ভেতরে ঢুকে পড়েন সেই অভিনেতা। অভিনেত্রীকে চড় মারার একটি দৃশ্যের সম্পূর্ণ সদ্ব্যবহার করলেন তিনি। ক্যামেরা চলাকালিন এমন জোরে চড় কষান অভিনেত্রীর গালে যে হতভম্ব হয়ে যান সকলেই।

এই অভিনেত্রীকে পর্দায় সকলেই চেনেন খল চরিত্রের জন্য। অথচ তার সঙ্গে এমন ঘটনায় খানিকক্ষণ চুপ করে যান অভিনেত্রী। ঘণ্টা তিনেক বন্ধ করে দেওয়া হয় শুটিং।

অবশ্য পরে কাজটি নির্বিঘ্নে হয়েছে। জানা গেছে, নিজেদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দুজনেই কাজ শেষ করেছেন।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *