শাকিবের সঙ্গে কথা বললেই থাপ্পড় দিতেন মা : অপু বিশ্বাস

Written by

in

ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় জুটি অপু বিশ্বাস ও শাকিব খান। তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন অপু বিশ্বাস । সেখানে স্মৃতি হাতড়িয়ে শাকিবের সঙ্গে প্রেম পর্বের কঠিন দিনগুলো নিয়ে মুখ খুলেছেন এ অভিনেত্রী।

rnrn

গণমাধ্যমে অপু বিশ্বাস বলেছেন, মা একসময় শাকিবের সঙ্গে কথা বলতে দিত না, ঘুরতে দিত না। বলা যায়, র্যাবের ভূমিকায় থাকত। মানে বন্দুক ছাড়া র্যাব। যখন শাকিবের সঙ্গে দু’তিনটা মুভি শেষ করে ফেললাম, তখনো মা খুব শক্ত ভূমিকায় ছিল। সিনেমার প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত কোনো কথা বলতে দিত না মা। সিনেমা সেটের সময় মা সবসময় সামনে থাকত। শাকিবের সঙ্গে অতিরিক্ত কথা বললেই থাপ্পড় দিত।

rnrn

অপু বিশ্বাস আরও বলেন, পরে শাকিবের সঙ্গে আমার মায়ের একদিন হট টক হয়েছিল। সেখানে শাকিবকে মা বলেছিল, তোমাদের দুজনের পছন্দ হলে বিয়ে কর। তার পর ঘুরো। আমি ভালোবেসে আদর করে কষ্ট করে মেয়ে বড় করেছি। তোমাদের দুজনের মত থাকলে আমাদের সমস্যা নেই।

rnrn

বিয়ে ছাড়া ঘোরাফেরা-কথাবার্তা একেবারেই পছন্দ না আমার। বিয়ে ছাড়া কথাবার্তা, বাবা এটা আমাকে মাফ করে দাও। সেও (শাকিব) মাকে বলেছে, আমি ওকে (অপু বিশ্বাস) রেসপেক্ট করি। আপনার কথা অবশ্যই রাখব। আমি আপনার কথা রাখার চেষ্টা করব। তার পর শাকিব আমাকে বিয়ের কথা বলল। তখন গোপনে বিয়ে করে ফেলি। বিয়ের সময় আমার বোন ও কাজিন ছিল।  

rnrn

তখন আমি ভেবেছিলাম— মা যেহেতু বলল, বিয়ে করলে শাকিবের সঙ্গে কথা বলতে, ঘুরতে সমস্যা হবে না। আমি মনে করেছিলাম বিয়ে করলে অন্তত ঘোরা যাবে, কথা বলা যাবে, মা আর ঝামেলা করবে না— এই ভেবে বিয়ে করে ফেলি।

rnrn

দর্শকদের উদ্দেশ্যে অপু বিশ্বাস বলেন, বিয়ে করার আগে অনেক চিন্তাভাবনা করবে। বিয়ের পর এত ঝামেলা আমি আগে বুঝিনি। আবেগে বিয়ে করে ফেলি। মূলত শাকিরেব সঙ্গে ফ্রি কথা বলার জন্য বিয়ে করেছিলাম।

rnrn

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন প্রেমের পর ২০০৮ সালের গোপনে বিয়ে করেন দেশীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। পরে ২০১৬ সালের তাদের ঘর আলোকিত করে আসে সন্তান আব্রাম খান জয়। ক্যারিয়ারের কথা ভেবে শাকিব-অপু দুজনেই সন্তানের জন্মের বিষয়টি গোপন রাখেন। পরে দুজনের সম্পর্কে ফাটল ধরলে ২০১৮ সালে একে অপরকে ডিভোর্স দেন।

rnrn

 

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *