Home / Entertainment / যাত্রাপালার নাচ আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা

যাত্রাপালার নাচ আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা

ঈদে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশ হয়েছে ‘গোলাম মামুন’ নামে একটি ওয়েব সিরিজ। এতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। সিরিজটি এরইমধ্যে দর্শকদের মধ্যে আলোড়ন তুলেছে। পাশাপাশি নিজের চরিত্রের জন্য প্রশংসা পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। এই সিরিজ ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

-‘গোলাম মামুন’এ- অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

-এ সিরিজের মাধ্যমে প্রথমবার পুলিশের চরিত্রে কাজ করেছি। তাই এর প্রতি আমার আলাদা এক ধরনের টান কাজ করেছে। এক ধরনের চ্যালেঞ্জ ছিল কাজটির মধ্যে। চমকও রয়েছে। সিরিজটি তো এখন দর্শকের জন্য উন্মুক্ত। সবাইকে দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

-চরিত্রটি নিয়ে আপনি কতটা তুষ্ট? 

-এটি আমার অভিনয় ক্যারিয়ারে সত্যিই একটি ভিন্নরকম কাজ। এদিক থেকে এ চরিত্রে কাজ করতে পেরে আমি সত্যিই অনেক সন্তুষ্ট। তাছাড়া আমি প্রতি ঈদে চেষ্টা করি দর্শককে ভিন্ন ধাঁচের কাজ উপহার দেওয়ার। এবার ঈদে ‘গোলাম মামুন’ তেমনি একটি কাজ। 

-সিরিজটি নিয়ে দর্শক সাড়া কেমন পাচ্ছেন? 

-খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। মুক্তির পর থেকেই দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে সিরিজটি। গল্প, নির্মাণ এবং অভিনয়ের প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন দর্শক। আমাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করানোর জন্য অনেকেই অভিনয়ের প্রশংসা করছেন।

-ওটিটিতে কাজ করে অনেকেই টিভি নাটক থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। আপনার বেলায় কী এমনটা ঘটবে?  

-একদমই আমার ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটবে না। আমি নাটকের মেয়ে, নাটক থেকেই দর্শক আমাকে আপন করে নিয়েছেন। ফলে নাটক ছাড়ার প্রশ্নই নেই। আমার কথা হলো, যে মাধ্যমে ভালো গল্প ও চরিত্র পাব, সেই মাধ্যমেই কাজ করব। 

-এবারের ঈদে কতগুলো নাটকে কাজ করেছেন? 

-আমি ঈদের বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেছি। তারমধ্যে একটি নাটক নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। নাম ‘প্রিন্সেস ডায়না’, যা ইতোমধ্যেই প্রচার হয়েছে। পরিচালনা করেছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। পার্থ শেখ নামে একজন নতুন অভিনেতার বিপরীতে কাজ করেছি এই নাটকে। এছাড়া পার্থর সঙ্গে ইমরাউল রাফাতের আরেকটি নাটকে অভিনয় করেছি। ‘সুতো’ নামের সেই নাটকে ইরেশ যাকের ভাইও অভিনয় করেছেন।

-‘প্রিন্সেস ডায়না’ নাটকের গল্প ও আপনার চরিত্র কী ধরনের?

-এ নাটকে আমি যাত্রাপালার প্রিন্সেসের চরিত্রে কাজ করেছি। আমি ছোটবেলা থেকেই নাচ করছি। তবে যাত্রাপালার এই নাচ আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। এটি একটু ভিন্ন আঙ্গিকের নাচ। চরিত্রটির মধ্যে একটা চ্যালেঞ্জ আছে। বাস্তবে আমাদের সমাজে যাত্রাপালার নৃত্যশিল্পী বা নর্তকীর প্রতি গ্রাম্য প্রভাবশালীদের লোলুপ দৃষ্টি থাকে। তারা এসব নারীকে ভোগবিলাসে ব্যবহার করতে চান। নাটকেও প্রিন্সেস ডায়ানার প্রতি সেই দৃষ্টিভঙ্গি প্রভাবশালীদের আছে। কাজটি করতে এসে নতুন কিছু শিখতে পেরেছি। এ ধরনের নতুন গল্পে, নতুন চরিত্রে কাজটি করতে ভালোই লাগছে। 

-নায়কবিহীন নাটক করেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি পরিষ্কার করবেন? 

-‘রাত বাকি’ নামের একটি নাটক করেছি। পরিচালনা করেছেন মুরসালিন শুভ। চল্লিশ মিনিটের এই নাটকটি আবর্তিত হয়েছে আমার চরিত্রকে কেন্দ্র করে। সেখানে কোনো পুরুষ প্রোটাগনিস্ট নেই। ময়মনসিংহের কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুটিং করেছি। শুধু তাই নয়, আমাদের কাস্ট অ্যান্ড ক্রু সবই ছিল ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলার শিক্ষার্থীরা। তারা তো সবাই একাডেমিকভাবে কাজটি শিখেছে। ফলে তাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাই আলাদা। আমার তো ভীষণ ভালো লেগেছে এমন তরুণ সব মেধাবীর সঙ্গে কাজ করতে পেরে।    

যুগান্তর প্রতিবেদন

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *