Home / Entertainment / মেহজাবীনের সিনেমা অস্কারে না যাওয়ায় ক্ষুব্ধ স্বামী রাজীব

মেহজাবীনের সিনেমা অস্কারে না যাওয়ায় ক্ষুব্ধ স্বামী রাজীব

অস্কারের ৯৮তম আসর আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বাংলাদেশ থেকে একটি সিনেমা সেই প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করবে। এবারও পাঠানো হচ্ছে একটি সিনেমা। আর সেটি সুযোগ পেয়েছে ‘বাড়ির নাম শাহানা’। 

সম্প্রতি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত সিনেমা ‘সাবা’। মাকসুদ হোসেন পরিচালিত এ সিনেমাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ প্রশংসিত হলেও এবার অস্কারের সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পায়নি। এর বদলে অস্কার বাংলাদেশ কমিটি মনোনীত করেছে লিসা গাজী পরিচালিত ‘বাড়ির নাম শাহানা’ সিনেমাটিকে। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে সেই সিনেমাটির নাম ঘোষণা দিয়েছে অস্কার বাংলাদেশ কমিটি। এ ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করেছেন মেহজাবীনের স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘বাড়ির নাম শাহানা’। এ সিনেমাটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। একজন তালাকপ্রাপ্ত নারীর জীবন-সংগ্রামের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে এ সিনেমাটি। আর এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন আনান সিদ্দীকা। ‘সাবা’র মতো এ সিনেমাটিও লন্ডন, শিকাগো, মেলবোর্ন ও মুম্বাইয়ের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে।

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ঢালিউড পরিচালক আদনান আল রাজীব লিখেছেন, ‘একটি চলচ্চিত্র যখন টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসরে স্বীকৃতি পায়, আর বাংলাদেশের অস্কার কমিটি তাকে গুরুত্ব দেয় না, তখন তা হতাশাজনক। ‘বাড়ির নাম শাহানা’ সুন্দর চলচ্চিত্র হতে পারে, কিন্তু যদি লক্ষ্য হয় অস্কারে দেশের প্রতিনিধিত্বকে শক্তিশালী করা, তবে ‘সাবা’ নিঃসন্দেহে আরও শক্তিশালী নাম।’

এ নির্মাতা আরও বলেন, ‘তাদের কাজকর্ম দেখে মনে হয়, আমাদের কমিটিগুলো প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে না। যে দেশ তার শিল্প-সংস্কৃতিকে কীভাবে বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করতে হয়, সেই কৌশলই বোঝে না, সে দেশ কখনো এগোতে পারবে না। আমরা এখনো তৃতীয় বিশ্বের দেশ। কারণ আমরা ব্যক্তিগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিই।’

এদিকে নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সমালোচনার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন আরেক স্বনামধন্য নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। তিনি এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন। নুহাশ বলেন, ‘আমি তোমার সঙ্গে একমত… ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ‘সাবা’ ছবিটিই ভালো লেগেছে। এটি সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত। কারণ আমি ছবিটি বেশি পছন্দ করেছি।’

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *