
বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী
অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন দম্পতির একমাত্র মেয়ে আরাধ্যার বয়স ১৩ বছর হলেও এখনো
ফোন ব্যবহার করে না। এমনকি সামাজিক মাধ্যমে দেখা যায় না আরাধ্যাকে। কিন্তু কেন এমন
কড়াকড়ি, সে কথা জানিয়েছেন অভিষেক।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বচ্চন
মেয়ে আরাধ্যাকে বড় করে তোলার নেপথ্যে স্ত্রী ঐশ্বরিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এমনিতেই
আরাধ্যা তারকা-সন্তান। তার ওপর বাড়তি নজর রয়েছে। এ বিষয়ে অভিষেক বলেন, এত বড় হয়ে
গেছে মেয়ে, তবু এখনো কোনো ধরনের সামাজিক মাধ্যমে নেই। এমনকি ফোন পর্যন্ত ব্যবহার করতে
দেওয়া হয় না তাকে।
এর আগে গত বছর অভিষেক-ঐশ্বরিয়া রাই বিচ্ছেদের
পথে হাঁটছেন—সামাজিক মাধ্যমে এমন আলোচনা-সমালোচনা নেটিজেনদের মাঝে। পরে অবশ্য নিজেরাই
সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দেন। তারা নাকি দিব্যি আছেন বলে ভক্ত-অনুরাগীরা জানিয়েছেন।
অনুরাগীদের ধারণা, আরাধ্যার স্কুলের বার্ষিক
অনুষ্ঠান থেকেই ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে কাছাকাছি এসেছেন এ দম্পতি। সম্প্রতি অভিষেক নিজেই
জানিয়েছেন তিনি সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন। যদিও কন্যা আরাধ্যাকে বড় করে তোলার
নেপথ্যে যাবতীয় অবদান ঐশ্বরিয়ার— এমনই মনে করেন অভিনেতা।
অভিভাবক হিসাবে দুজনেই কিছু নিয়ম বেঁধে
দিয়েছেন আরাধ্যার জন্য। জেন আলফা প্রজন্মের প্রতিনিধি হয়েও আরাধ্যার কাছে নেই মোবাইল
ফোন। সামাজিক মাধ্যমে এখনো অনুপস্থিত সে। মা-বাবাই এ নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছেন।
অভিষেক বলেন, আরাধ্যাকে খুব সাবধানী মানুষ
হিসেবে বড় করে তোলা হচ্ছে। সে আস্তে আস্তে অসাধারণ এক নারী হিসেবে বড় হয়ে উঠছে। তিনি
বলেন, ও আমাদের বাড়ির গর্ব, আমাদের খুশি ওকে ঘিরেই। একটা ভালো পরিবারই একটা মানুষকে
সুখী করে রাখে।
বিনোদন ডেস্ক





