
সিনেমায় এক সময়ের ব্যস্ত নায়িকা রত্না। ইন্ডাস্ট্রিতে যখন শাবনূর, মৌসুমী, পপি, পূর্ণিমার দাপট চলছিল, তখন রত্নার আবির্ভাব। তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কনিষ্ঠ নায়িকা। সেলিম আযম পরিচালিত ‘কেন ভালোবাসলাম’ দিয়ে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ। বিপরীতে ছিলেন ফেরদৌস। এরপর বাপ্পারাজ, রুবেল, অমিত হাসান, শাকিব খান’সহ আরও অনেক নায়কের সঙ্গে অভিনয় করেন। কিছু সিনেমা দর্শকপ্রিয়ও হয়েছে। সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি জগন্নাথ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিয়েছেন উচ্চতর ডিগ্রি।
rnrn
এ নায়িকাকে এখন আর সিনেমায় দেখা যায় না। কারণ, সময়ের পরিক্রমা। একসময়ে পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে ক্যামেরা থেকে দূরে সরে গিয়েছেন। তবে ইদানীং নিয়মিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু পারছেন না। এখানেও সময়ের বিপত্তি। ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা কখনো সিনিয়রদের নিয়ে ভাবে না। তাদের মতো করে চরিত্র তৈরি করে না। তবে রত্নার ভাষ্য, ভালোলাগার মতো গল্প তিনি এখন আর তেমনটা পান না বলেই সিনেমায় কাজ করা হয়ে উঠছে না।
rnrn
তবে রত্না যে একেবারেই বসে আছেন তা নয়। সর্বশেষ শুটিং করেছেন ‘কিশোর গ্যাংস্টার’ নামে একটি সিনেমার। এটি নির্মাণ করেছেন মোসাদ্দেক রহমান ফাগুন। এ ছাড়াও রত্না অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে সত্য রঞ্জন রোমান্সের ‘পরাণ পাখি’, ড্যানি সিডাকের ‘কাঁসার থালায় রূপালী চাঁদ’ ও তাজুল ইসলাম এডিনের ‘কঠিন লড়াই’। সিনেমায় খুব বেশি ব্যস্ততা না থাকলেও নাটকে নিয়মিত তিনি।
rnrn
অভিনয়ে ফের নিয়মিত হওয়া প্রসঙ্গে এ নায়িকা বলেন, ‘এরমধ্যে অনেক সিনেমাতেই কাজ করার প্রস্তাব এসেছে। কিন্তু একটি গল্পও ভালোলাগার মতো নয়। এখন আসলে কাজের জন্য কাজ করার পক্ষপাতি নই। যদি মনমতো না হয় তাহলে সিনেমাতে কাজ করার আগ্রহ নেই। কারণ এখন কাজ করতে হলে সবকিছু সামাল দিয়ে করতে হবে। যদি তাই করতে হয়, তাহলে সেরকম কাজই করতে চাই, যেন কষ্টটা সার্থক হয়।’
আনন্দনগর প্রতিবেদক





