Home / Entertainment / প্রথম ছবির কথা বলতে গিয়ে যা বললেন অনন্যা পান্ডে

প্রথম ছবির কথা বলতে গিয়ে যা বললেন অনন্যা পান্ডে

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না অভিনয়ের ক্ষেত্রে। ছবি নির্মাণ সম্পর্কেও তার ধারণা স্পষ্ট ছিল না। কিন্তু বলিউড জগতে পা রাখার পর থেকেই এ অভিনেত্রীর সঙ্গে জুড়ে রয়েছে একটি কথা—তারকা-সন্তান হওয়ার সুবাদেই একের পর এক ছবিতে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। যাকে বলে ‘নেপোটিজম’— পক্ষপাত। এবার অনন্যা নিজেই স্বীকার করে নিলেন, প্রথম ছবির আগে থেকে তার ক্যামেরা বা শুটিং সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না।

এর আগে ২০১৯ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে পরিচালক করণ জোহরের হাত ধরে ‘স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার ২’ ছবিতে আত্মপ্রকাশ করেন বর্ষীয়ান অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডের মেয়ে অনন্যা পান্ডে। তারপর থেকেই তিনি সমালোচনার সম্মুখীন হন। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনন্যা পান্ডে স্বীকার করেন, এ ছবিতে কাজ করার সময় তিনি প্রায় কিছুই জানতেন না।

অনন্যা বলেন, তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাও ছিল না অভিনয়ের ক্ষেত্রে। ছবি নির্মাণ সম্পর্কেও তার ধারণা স্পষ্ট ছিল না। এমনকি ‘ওয়াইড শট’ বা ‘ক্লোজ় শট’-এর পার্থক্য বুঝতেন না তিনি। জানতেন না কীভাবে ক্যামেরার সামনে কাজ করে। চাঙ্কিকন্যা বলেন, তিনি ভাবতেন— একবারে সব দৃশ্য ধারণ করে ফেলতে পারে ক্যামেরা। কোথায় অ্যাঙ্গেল, কোথায় আলো— কিছুই বুঝতেন না। 

তিনি বলেন, ‘স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার ২’ ছবিতে তাকে বিশেষভাবে সাহায্য করেছিলেন সহ-অভিনেতা টাইগার শ্রফ। তিনিই শিখিয়েছেন কীভাবে আলো নিতে হয়। অনন্যা অবশ্য এ অভিজ্ঞতায় খুশি। তিনি প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছেন বলেও জানিয়েছেন।

এদিকে তারকা-সন্তানরা যেমন বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন বলিউডের অন্দরে, তেমনই তাদের কাজে নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পান প্রযোজক পরিচালকরাও। তারা ছোটবেলা থেকেই চলচ্চিত্র জগতের মধ্যে বেড়ে ওঠায় বিষয়টি আয়ত্তে থাকে। কিন্তু অনন্যার বেলায় সেটি ঘটেনি। অনন্যা বলেন, বাবা যখন ছবিতে কাজ করতেন তখন তিনি দুই-একবার সেটে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেসব এতই ছোটবেলার কথা যে, তিনি কিছুই বুঝতে পারেননি। ফলে প্রথমবার অভিনয় করার সময় তাকে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। দিনে দিনে কাজের পদ্ধতি বদলেছেন বলেও জানান অনন্যা পান্ডে।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *