
টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় পহেলগাঁওকাণ্ড নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এ অভিনেতা লিখেছেন— যুদ্ধোন্মাদ কিংবা ধর্মোন্মাদ ছাড়া আর কেউ যুদ্ধ চান না। কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ, কোনো ধর্মের, কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ যুদ্ধ চাইতে পারে না। তা যেমন সত্যি, তেমনই এটিও সত্যি— ভারত যে অভিযান চালিয়েছে তার নেপথ্যে রয়েছে কাশ্মীরে সদ্য ঘটে যাওয়া সন্ত্রাস, যার মূলে পাকিস্তান। এটা সবাই জানেন।
তিনি বলেন, সেই জায়গা থেকে এই প্রত্যাঘাত প্রয়োজন ছিলই। এ রকম মর্মান্তিক ঘটনার পরও কোনো দেশ যদি প্রত্যাঘাত না করে, তা হলেও ব্যাপারটা ভীষণই অদ্ভুত দেখায়, তাই না?
পরমব্রত বলেন, সেদিক থেকে বিচার করে আমি বলব— পুরোটাই সুপরিকল্পিতভাবে হয়েছে। সেনাবাহিনী বা সাধারণ মানুষ নয়, কেবল ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটুকু তো করতেই হতো।
তিনি আরও বলেন, এটা এখনো যুদ্ধের পূর্ণ রূপ নয়। একে যুদ্ধ বলা যায় না। এটি হানা দেওয়া। যেহেতু পড়শি দেশের সীমানার মধ্যে ঢুকে ভারত প্রত্যাঘাত করেছে। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তান তাই যুদ্ধ তকমা দিয়েছে।
এ অভিনেতা বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি, যে কোনো দেশে যখন পহেলগাঁওয়ের মতো হামলার ঘটনা ঘটে, তখন সেই দেশের সব মানুষ জাতি-ধর্ম-সম্প্রদায়-রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে সেই সময়ের সরকারের পাশে দাঁড়ায়। সমর্থন জানায়। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরও যেমন সব বিরোধী দল ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে। সমর্থন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের পদক্ষেপকে। এ ক্ষেত্রে কোনো আপস নয়, কোনো রাজনীতি নয়, কোনো বিভেদ নয়। বরাবর এটি হয়ে এসেছে। পহেলগাঁওয়ের ক্ষেত্রেও সেটিই হবে— এমনটিই আশা করি।
বিনোদন ডেস্ক





