Home / Entertainment / দামি গাড়ি কিনে প্রশ্নের মুখে অনন্যা, কোথায় পেলেন টাকা

দামি গাড়ি কিনে প্রশ্নের মুখে অনন্যা, কোথায় পেলেন টাকা

বাংলা সিরিয়ালের অন্যতম পরিচিত মুখ অভিনেত্রী অনন্যা গুহ। এ মুহূর্তে ‘মিত্তির বাড়ি’ ধারাবাহিকে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনেত্রীকে দেখছেন দর্শকরা। সম্প্রতি একটি দামি গাড়ি কিনেছেন নিজের রোজগারের টাকায় অনন্যা। সেই গাড়ি কিনেই বিতর্কে অভিনেত্রী। 

সম্প্রতি ১৭ লাখ টাকা দামের একটি বড় গাড়ি কিনেছেন অনন্যা গুহ। নতুন গাড়ি কেনার আনন্দ সামাজিক মাধ্যমের পাতায় সবার সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু সবাই যে তা ভালো চোখে দেখছেন, তা কিন্তু নয়। এক নেটিজেন লিখেছেন— এত নগদ টাকা তিনি পেলেন কীভাবে?

অনন্যার রোজনামচা দর্শকদের হাতের মুঠোয়। তিনি কখন ঘুম থেকে উঠেন, কী খান, প্রেমিক তাকে কী উপহার দিলেন— এসব কিছুই সামাজিক মাধ্যমে চোখ পড়লেই দেখা যায়। কলেজের গণ্ডি এখনো পার করেননি। কিন্তু তার অনুরাগীর সংখ্যা কম নয়। অনেক কম বয়স থেকেই অভিনয়ে যাত্রা শুরু। সামাজিক মাধ্যমে তাকে নিয়ে কটাক্ষের শেষ নেই— তা তার পোশাক হোক কিংবা জীবনযাপন, সবকিছু নিয়েই শুরু হয় চর্চা।

এ প্রসঙ্গে একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, অনেক ছোটবেলা থেকে কাজ করছি আমি। তখন আমার মা-বাবা দুজনেই কাজ করতেন। সুতরাং এত দিন ধরে আমি যা রোজগার করেছি সবটাই সঞ্চয় করেছি। তা ছাড়া শুধু যে অভিনয় করেই আমি রোজগার করি তেমনটা নয়। সামাজিক মাধ্যম থেকেও আমার একটা বড় রোজগার হয়। সুতরাং ২১ বছরে ১৭ লাখ টাকা দামের গাড়ি কেনা যে খুব বড় বিষয় নয়, সাফ বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গ তিনি টেনে এনেছেন আরেক চর্চিত অভিনেতার নাম। অনন্যা বলেন, আমার বয়স নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, কিন্তু মুম্বাইয়ের অবনীত কৌর ৫০ লাখ টাকা দামের গাড়িতে চড়েন। তার বয়সও ২১। কই সেটি নিয়ে তো আলোচনা হচ্ছে না।

এদিকে দর্শকদের কটাক্ষ সহ্য করতে পারেননি অনন্যার দিদি অলকানন্দা গুহ। তিনিও সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এমনকি এদিন অনন্যার পোশাক নিয়েও অনেকে মন্তব্য করেছিলেন। 

অন্যদিকে সেই মন্তব্য চোখে পড়লে অভিনেত্রীর প্রেমিক লেখেন, শ্বশুর-শাশুড়ি, মা-বাবা কারও কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আপনারা নিজের চরকায় তেল দিন। এ মুহূর্তে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী অনন্যা। মিডিয়া সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করছেন অভিনেত্রী।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *