ডিভোর্সের ১১ বছর পরও সাবেক স্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিনেতা

Written by

in

২০০৫ সালে অভিনয় প্রশিক্ষক দামিনী বেণী বসুকে বিয়ে করেন সুদীপ মুখোপাধ্যায়। ২০১৩ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। 

এরপর পৃথাকে বিয়ে করেছেন সুদীপ। দ্বিতীয় বিয়ের পর দুই ছেলের বাবা হন সুদীপ। তবে প্রথম স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক। পারস্পরিক ইগো সমস্যার কারণেই বেণী-সুদীপের সংসার ভেঙ্গে যায়।

সুদীপ জানালেন, এখন তো মানুষ স্বাধীনচেতা হয়ে গেছে। আগে এই সুযোগটা অনেকের থাকত না। আমি মা-বাবাকে প্রচণ্ড ঝগড়া করতে দেখেছি। খুব সামান্য ব্যাপার নিয়ে মাকে দেওয়ালে মাথা ঠুঁকে মাথা ফাটিয়ে ফেলতে দেখেছি। বাবা খাবার প্লে ছুঁড়ে ফেলে দিতেন। তারা মাঝে মধ্যেই ঝগড়ায় লিপ্ত হতেন আবার মিটমাট হয়ে যেত। কখনো মা বাবাকে ছেড়ে চলে যাননি। সেই মানসিকতাটাই আসেনি। কারণ মা বাবার উপরে নির্ভর করত। মা সেই স্বাধীনতাই পায়নি নিজের মতো করে কিছু করবে।

তিনি আরও বলেন, আজ মানুষ নিজের মতো করে স্বাধীন। বিশেষ করে যদি সে জানে, তার পায়ের তলার মাটি শক্ত। মা-বাবার যে ঝগড়াটা কদিন পর শান্ত হয়ে যেত, এখন এটাই বাড়তে বাড়তে চূড়ান্ত হয়ে যায়। আমি আর বেণী ওই কারণে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমরা ভয় পেতাম বেশি দিন একসঙ্গে থাকলে ওই পারস্পরিক সম্পর্কটা ক্ষতি হবে। মেয়ের উপর খারাপ প্রভাব পড়বে। কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি চাইনি আমরা কখন। সেটা এখনও আছে। আমি ওকে সম্মান করি, কারণ ও আমার মেয়ের মা।

সাবেক স্ত্রী সম্পর্কে সুদীপ আরও জানান, ওঁর গুণ দেখেই তো প্রেমে পড়েছিলাম। ভাবতে গর্ব হয়, এখনো ও নিজের সেই গুণ কাজে লাগিয়ে ভীষণভাবে ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাচ্ছে। আমার সৌভাগ্য যে আমার মেয়ে চিনির মধ্যে ওর জিন রয়েছে। নিজের মতো করে, মেয়েকে বড় করেছে। আমি তো শুধু সামান্য সাহায্য করেছি। বাদবাকি সবটা ও একা হাতে করেছে।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *