টিকটকার বলায় লুবাবার ওপর ‘ক্ষিপ্ত’ দিশামনির মা

Written by

in

শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা গান, মডেলিং ও অভিনয় করলেও মাঝেমধ্যেই নানা মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে আসেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে শিশুশিল্পী দিশামনিকে টিকটকার দাবি করায় ফের সমালোচনার মুখে পড়েছে লুবাবা। 

rnrn

সোশ্যালে ছড়িয়ে পড়া একটি সংবাদমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা যায়, তার কাছে শিশুশিল্পী দিশামনির প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন করা হলে লুবাবা তাকে চিনতে পারেন না। এরপর দিশামনি সম্পর্কে জানতে চাইলে তাকে একপর্যায়ে টিকটকার বলে দাবি করেন লুবাবা।

rnrn

শিশুশিল্পী লুবাবার সেই মন্তব্য অবশ্য নজর এড়ায়নি আরেক শিশুশিল্পী দিশামনির মা রিমা ইসমোথ ডেইজির। ফলে এ নিয়ে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ক্ষোভ ঝেড়েছেন ডেইজি।

rnrn

গত ২৪ মার্চ নিজের ফেসবুকে এ ব্যাপারে দিশামনির মা ডেইজি লিখেছেন, ‘একটা ইন্টারভিউতে প্রশ্ন করা হয়েছিল লুবাবা কেন্দে দিয়েছি যে বলল, এটা নিয়ে কি বলবা? দিশা বলেছে আমরা ছোটো মানুষ, আমাদের ভুল হতেই পারে, এটা এত বড় করে দেখার কিছু নেই।’

rnrn

তিনি বলেন, ‘সেকেন্ড একটা নাটকে দিশাকে ডায়ালগ দিয়েছিল কেন্দে দিয়েছি, সেখানে দিশা ডায়ালগ দেয়নি এবং এটা নিয়ে ডিরেক্টরের সঙ্গে আমার ক্যাচাল। কারণ দিনশেষে তারা কো-আর্টিস্ট। দিশা শিশুশিল্পী, আর্টিস্ট ইকোরিটির মেম্বার। সে দুই শতাধিক নাটক, মুভি, বিজ্ঞাপন, তিন বছর বয়স থেকে কাজ করে শিশুশিল্পী হিসেবে।’

rnrn

ডেইজি লিখেছেন- ‘এই মেয়ে ইন্টারভিউতে দিশাকে চিনে না, দিশা টিকটকার। আমি জানতে চাই, এই মেয়ের ঝুড়িতে কয়টা নাটক, মুভি, সিনেমা আছে? দিশার সঙ্গে অনেক আগে থেকে পরিচয়, একসঙ্গে শুটিংও করেছে বিজ্ঞাপনে। মিটও হয়েছে। সে ভালো করেই দিশাকে জানে।’

rnrn

সবশেষ তিনি লিখেছেন, ‘যাই হোক কাউকে ছোটো করে কেউ উপড়ে উঠতে পারে না। পারিবারিক শিক্ষাটা আসল। ভাইরাল রানুমন্ডল, কাঁচা বাদামওয়ালাও হয়েছে, কিন্তু ভাইরাল এক জিনিস, জনপ্রিয়তা আরেক জিনিস। দিশা সবার ভালোবাসার, তাকে সবাই ভালোবাসে। দিশা বাংলাদেশের ১ নম্বর জনপ্রিয় শিশুশিল্পী, যাকে কোটি মানুষ ভালোবাসে।’

rnrn

প্রসঙ্গত, লুবাবা হচ্ছেন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা আব্দুল কাদেরের নাতনি। দাদার হাত ধরে শোবিজে ডেবিউ হয়েছে তার। সে বর্তমানে রাজধানীর একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থী। বিভিন্ন নাটক ও শর্টফিল্মে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *