Home / Entertainment / জীবনের ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ কী? যা বললেন অভিনেত্রী

জীবনের ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ কী? যা বললেন অভিনেত্রী

হলিউডের সুপার ডুপার চিরতরুণ অভিনেত্রী সালমা হায়েক। মেক্সিক্যান এই অভিনেত্রী সম্প্রতি জানিয়েছেন, তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন ও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার কী— সে সম্পর্কে। 

তার মতে, সেটা কোনো পুরস্কার বা ব্লকবাস্টার সিনেমা নয়। বরং তার সন্তানদের বড় হয়ে উঠতে দেখা এবং তাদের স্বাধীন হয়ে ওঠা।

৫৮ বছর বয়সি এই হলিউড তারকা সম্প্রতি ইতালীয় সাময়িকী আইও দোনা (IO Donna)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন। উল্লেখ্য, ইতালীয় ‘আইও দোনা’-এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায় ‘আমি নারী’।

সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘শুধু ভ্যালেন্তিনা নয়—আমার সব সন্তানই এখন বড় হয়েছে, স্বাধীন হয়েছে। এটা দেখে আমি আনন্দিত। আমি এর পেছনে অনেকটা সময় বিনিয়োগ করেছি। আমার পরিবারই সবসময় আমার কাছে অগ্রাধিকার ছিল’।

জানা গেছে, সালমা হায়েকের স্বামী ফ্রাঁসোয়া-অঁরি পিনো ফরাসী কোম্পানি কেরিং-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদে কর্মরত। এই দম্পতির একমাত্র কন্যা সন্তানের নাম ভ্যালেন্তিনা। তার বয়স এখন ১৮। পাশাপাশি অভিনেত্রী তার স্বামীর আগের সংসারের তিন সন্তান—ফ্রাঁসোয়া, মাটিল্দে ও অগুস্তিনেরও মা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

সালমা জানান, তার সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্যই গত ১৮ বছরে তিনি এমন সব সিনেমা বেছে নিয়েছেন, যেগুলোর শুটিং ছিল গ্রীষ্মকালে এবং স্পট ছিল ইউরোপে। যাতে তাকে তার পরিবার থেকে দূরে না থাকতে হয়।

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি কিছুই ত্যাগ করিনি। কেবল নিজের সময়টা ভালোভাবে সংগঠিত করেছি’।

স্বামী-সন্তানের সঙ্গে অভিনেত্রী। ছবি- ইন্টারনেট

সালমা হায়েক বলেন, তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো অন্যদের জন্য চুপিচুপি, কোনোরকম প্রচার ছাড়াই কিছু করা। তাদেরকে সারপ্রাইজ দেওয়া।

তার ভাষায়, ‘আমি কী করছি সেটা লোককে জানানোর কোনো আগ্রহই আমার নেই। আমি শুধু কাজটুকু করতে চাই। পরিবর্তনের জন্য বিজ্ঞাপন নয়, দরকার বাস্তব পদক্ষেপ—এটাই আমার নীতির ভিত্তি’।

সালমা হায়েক বর্তমানে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান। দিনভর সাক্ষাৎকার, ফটোশুট ও ফাউন্ডেশন সংক্রান্ত মিটিং। আর রাতভর নিজের প্রোডাকশন কোম্পানির সঙ্গে কাজ করে চলেছেন তিনি। কারণ ইউরোপে যখন রাত, তখন আমেরিকায় দিন।

লাস্যময়ী এই অভিনেত্রীর সবশেষ প্রজেক্ট ছিল জনপ্রিয় ১৯৮৯ সালের উপন্যাস লাইক ওয়াটার ফর চকোলেট-এর একটি টিভি রূপান্তর। যা তৈরি হতে সময় লেগেছে দীর্ঘ ৬ বছর।

সালমা বলেন, ‘বিশ্বে স্প্যানিশ ভাষাভাষী মানুষ ৬০০ মিলিয়নের বেশি। তাই এই প্রজেক্টের সম্ভাবনাও বিশাল’। সূত্র: জিও নিউজ

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *