Home / Entertainment / চাঁদপুর থেকে যে অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলেন মিম

চাঁদপুর থেকে যে অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলেন মিম

জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছে এ দেশের মানুষ। তবে মুক্তির এ স্বাদ আস্বাদন না করতেই স্মরণকালে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে দেশের ১১ জেলা। প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে আসা ঢল ও ভারি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় এক মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি দেশের দক্ষিণ-পূর্বের জেলাগুলোতে।  

তবে ভয়াবহ এ দুর্যোগ মোকাবিলায় এদেশের শান্তিকামী ঐক্যে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। বন্যাকবলিত এসব অঞ্চলের মানুষের সাহায্যার্থে ঝাঁপিয়ে পড়ে নানা শ্রেণির পেশার মানুষ। এই তালিকা থেকে বাদ যায়নি দেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। তাদেরই এক জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম।

সম্প্রতি চাঁদপুরের বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সেখান থেকে ফিরে এমন উপলব্ধির কথাই জানালেন অভিনেত্রী। 

এ বন্যাতে ফেনি, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও কুমিল্লার পাশাপাশি চাঁদপুর সদর, ফরিদগঞ্জ, হাইমচর এলাকায়র মানুষদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাদের পাশে দাঁড়াতেই এক ভোরে ঢাকা থেকে চাঁদপুরে ছুটে যান অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। সেখানে অথেনটিক কসমেটিকস ও হোম কেয়ার প্রতিষ্ঠান ‘রিমার্ক হারল্যান’ এর পক্ষ থেকে শত শত মানুষের মাঝে বিলি করেন ত্রাণ সহায়তা। 

ঢাকায় ফিরে এই নায়িকা চাঁদপুরে দুর্ভোগে থাকা মানুষের কষ্টের কথা বর্ণনা করলেন। জানালেন নিজের উপলব্ধির কথা। মিম বলেন, রিমার্ক হারল্যানের পণ্য অরিস্কের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর আমি। প্রতিষ্ঠানটি শুধু মুনাফাই করে না। মানুষের জীবন মান উন্নত করতে নানাবিধ কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানের হয়েই ত্রাণ দিতে যাই চাঁদপুরে। গিয়ে মানুষের দুর্বিষহ কষ্টের জীবন দেখে চোখে পানি চলে এসেছিল। ঢাকায় কত শান্তিতে রয়েছি আমরা। অথচ এখানকার মানুষরা কতটা কষ্টে জীবন যাপন করছেন।

তিনি বলেন, ত্রাণ নিয়ে যখন ভোরের দিকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই তখনও ভাবনায় ছিল না সেখানকার মানুষ এতোটা কষ্টে রয়েছে। ভালো পরিবারও বন্যায় সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে বসে আছেন। ঠিকমতো খাবারটাও খেতে পারছেন না। এসব চিত্র দেখার পর আমার তাদের পাশে থাকতে পেরে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয়েছে। আগামীতেও দেশের যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানের তীব্র প্রেরণা পেয়েছি। 

মিম বলেন, খুশির কথা হচ্ছে দেশের এমন দুর্যোগে পুরো দেশের মানুষরা যেভাবে কাঁধে কাধঁ রেখে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তা সত্যিই মুগ্ধকর ও আশাজাগানিয়া। আমার বিশ্বাস আগামীর বাংলাদেশ ভালো মানুষদের হাত ধরে বহুদূর এগিয়ে যাবে। 

এদিকে নতুন কাজের খবর জানতে চাইলে মিম বলেন, দেশ নতুন একটি অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নতুন কাজ শুরু হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তবে মিম অভিনীত ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’ ছবিটি কাজ প্রায় শেষ। ওয়াহিদ তারেক পরিচালিত ছবিটি কবে মুক্তি পাবে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানাতে পারেননি মিম।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *