
এ প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সালহা খানম নাদিয়া। নাটকেই বেশি অভিনয় করেন। সম্প্রতি কলকাতার সিনেমায় অভিনয়ের কথাও জানিয়েছেন। সিনেমা, বর্তমান ব্যস্ততা এবং সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।
rnrn
বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?
rnrn
অভিনয় শিল্পীর ব্যস্ততা তো অভিনয় ঘিরেই থাকে। খণ্ড নাটক, ধারাবাহিক, শর্টফিল্ম, বিজ্ঞাপন-এসব নিয়ে ব্যস্ত আছি। সম্প্রতি একটা বিজ্ঞাপনের শুটিং করেছি।
rnrn
কলকাতার একটা সিনেমা করছিলেন। সেটার খবর কী?
rnrn
কলকাতার সিনেমা করছি শিবরাম শর্মার পরিচালনায়। এ সিনেমায় একটা সোশ্যাল মেসেজ আছে। বেশিরভাগ কাজ শেষ হয়েছে। শিগ্গির আবার যাব কলকাতায় বাকি কাজ শেষ করতে। শুরুতে সিনেমাটি চলতি বছর মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু এখন সেটা আগামী বছর মুক্তি পাবে বলে জেনেছি।
rnrn
প্রথম সিনেমা দেশে না হয়ে কলকাতায় কেন?
rnrn
দেশের কেউ হয়তো ভাবেনি যে আমাকে নিয়ে সিনেমা বানানো যায়। তাই দেশের আগে বাইরে কাজ করতে হচ্ছে। তবে কলকাতার কাজের পরিবেশ আর দেশের কাজের পরিবেশ অনেক ভিন্ন। কলকাতার সবকিছু অনেক পরিকল্পনামাফিক হয়। সেখানকার সব একদম যথাযথভাবে গুছানো থাকে। আর তারা অনেক যত্ন নিয়ে কাজ করে। এমনকি আর্টিস্টদেরও অনেক যত্ন নেয় ওরা। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এসবের কমতি রয়েছে। সেই সঙ্গে বাজেট ইস্যু তো অন্যতম।
rnrn
আপনি দীর্ঘদিন নাটকে কাজ করছেন। এই দীর্ঘ সময়ে সবচেয়ে বড় পার্থক্য কী চোখে পড়েছে?
rnrn
একটা সময় আমরা অনেক সুন্দর গল্প নিয়ে কাজ করতাম। এখন সেটা অনেক কমে গেছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি থেকে গল্প হারিয়ে গেছে। সংস্কৃতি হারিয়ে গেছে। এখন সবাই ভাইরাল হওয়ার জন্য কাজ করে। তারা বোঝে না, এসব কাজ কেউ মনে রাখে না। ক্ষণিকের জন্য মানুষকে বিনোদন দিয়ে কী লাভ? যদি কেউ আমার কাজ বা গল্পটা মনেই না রাখে, তাহলে শিল্পী হিসাবে আমার সার্থকতার জায়গা কোথায়?
rnrn
আপনাকে এখন খুব কম কাজ করতে দেখা যায়। কেন?
rnrn
ওই যে গল্পের অভাব। তাই কিছুটা বেছে কাজ করছি। সব ধরনের কাজ বা চরিত্র করতে রাজি আমি। এমনকি কমেডিও। তবে সেটা সুস্থ কমেডি হতে হবে।
rnrn
ওটিটিতে কাজের প্রস্তাব পাচ্ছেন না?
rnrn
খুব একটা না। ভিকি জাহেদের ‘রেডরাম’ করেছি। এরপর আর নতুন করে কিছু করা হয়নি। আসলে ওটিটির একটা সিন্ডিকেট আছে। ঘুরে ফিরে একই মানুষ নিয়ে কাজ করছে সবাই। তাই হয়তো আমার কাছে কাজের প্রস্তাব কম আসে।
বিনোদন ডেস্ক





