Home / Entertainment / একশ গুণ আয় করে সিনেমা; তবুও অসন্তুষ্ট প্রযোজক, কেন?

একশ গুণ আয় করে সিনেমা; তবুও অসন্তুষ্ট প্রযোজক, কেন?

সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে
আজকাল
সুপারহিটআরব্লকবাস্টারশব্দগুলো যেন সমার্থক, যা খুব সহজেই ছুঁয়ে ফেলা যায়। কিন্তু এই শব্দগুলোর নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে। কোনো সিনেমা যদি সফল হয়, তাকেহিটসিনেমা বলে। আর কোনো সিনেমা যদি ব্যয়ের দ্বিগুণ আয় করে, তবে তাকেসুপারহিটবলা হয়।

আবার তারচেয়েও
বেশি
আয়
করলে,
সেটিকে
ব্লকবাস্টারবলা যায়। তবে বাজেটের পাঁচগুণের বেশি আয় করলে তাকে কি বলা যায়? সেটি নিশ্চয়ই বিরল ঘটনা। আর এমনই একটি বিরল ঘটনা ঘটেছেমুংগারু মালেসিনেমার আয়ে , যা কিনা ৭০ লাখ ব্যয়ের সিনেমা, ৭৫ কোটিতে গিয়ে ঠেকেছে আয়।

যে সিনেমাটি
বাজেটের
একশ
গুণেরও
বেশি
আয়
করেছে
এবং
একটানা
এক
বছরেরও
বেশি
সময়
ধরে
প্রেক্ষাগৃহে চলেছে? আর সেটাই হচ্ছেমুংগারু মালে’-এর গল্প, যা ভারতের সবচেয়ে লাভজনক সিনেমা।

মুংগারু মালেসিনেমাটি বক্স অফিস রেকর্ড এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অটুট ছিল। যতদিন নাকেজিএফ চাপ্টার এসে সেই রেকর্ড ভেঙে দেয়। সিনেমাটি পরে তেলেগু, বাংলা, উড়িয়া এবং মারাঠি ভাষায় পুনর্নির্মিত হয়। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় এর আত্মিক সিক্যুয়েলমুংগারু মালে সম্প্রতিমুংগারু মালেওটিটিতেও রিলিজ করেছে। ফলে এর জনপ্রিয়তা আরও বিস্তৃত হয়েছে।

এর আগে ২০০৬ সালে লেখকপরিচালক
যোগরাজ
ভাট
নির্মাণ
করেছিলেন একটি রোমান্টিক ড্রামামুংগারু মালে স্বল্প বাজেটের এই কন্নড় সিনেমাটিতে অভিনয় করেন নবাগত গণেশ পূজা গান্ধী। সঙ্গে ছিলেন অভিজ্ঞ অনন্ত নাগ। বাজেট ছিল মাত্র ৭০ লাখ টাকা।

মুক্তির
আগে
অপরিচিত
মুখ
ছিলেন
কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা গনেশ পূজা গান্ধী। কিন্তু সিনেমার সাফল্য তাদের রাতারাতি তারকা বানিয়ে দেন। পরে কয়েক বছর তারা একাধিক হিট সিনেমায় অভিনয় করেন এবং কন্নড় সিনেমার সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন গণেশ পূজা গান্ধী।

মুংগারু মালেসিনেমাটি ডিসেম্বরে মুক্তির পর ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা লাভ করে। বহু স্থানেগোল্ডেন জুবিলিউদযাপন করা হয়। বেঙ্গালুরুর পিভিআর মাল্টিপ্লেক্সে এটি টানা ৪৬০ দিন চলেছিল, যা এক অভূতপূর্ব রেকর্ড বটে। এটিই প্রথম কন্নড় সিনেমা, যেটি ৫০ কোটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল। মোট আয় হয়েছিল ৭৫ কোটি, যার মধ্যে ৫৭ কোটি কেবল কর্নাটক থেকেই আসে। এই রাজ্যে সিনেমাটিইন্ডাস্ট্রি হিটহিসেবে স্বীকৃতি পায়।

তবে প্রযোজক

কৃষ্ণর
জন্য

সাফল্য
মোটেই
ভালো
ছিল
না।
এটি
ছিল
কিছুটা
তিক্ততা। সেই সময় আয়কর বিভাগ দাবি করেছিলসিনেমাটি ৬৭.৫০ কোটি নিট আয় করেছে। এবং সেই অনুযায়ী কর দিতে হবে। এমনকি প্রযোজকের বাড়িতে হানাও দিয়েছিল আয়কর বিভাগ।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *