
অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক ও শিল্পী এ আর রহমানের ছেলে এ আর আমিন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন। আউটডোর লোকেশনে শুটিং চলছিল গানের। সেই শুটিং সেটেই দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন তারকাপুত্র।
rnrn
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবর বলছে, জলাশয়ের ধারে সেট তৈরি করা হয়েছিল। সেটে ক্রেনে করে অসংখ্য ঝাড়বাতি ঝোলানো হয়। এর মাঝেই দাঁড়িয়ে ছিলেন আমিন। হঠাৎ করেই ক্রেনসহ ঝাড়বাতি আছড়ে পড়ে মাটিতে। এ সময় অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন তিনি।
rnrn
ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলেও শরীরে কোনো আঘাত লাগেনি গায়কপুত্রের। তবে এ ঘটনায় মারাত্মক ট্রমায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
rnrn
সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে ভেরিফায়েড প্রোফাইলে সেটের দুটি ছবি পোস্ট করেছেন আমিন। একটি দুর্ঘটনার আগের এবং অন্যটি পরের। ক্যাপশনে দুর্ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। জানিয়েছেন কীভাবে ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে প্রাণে বাঁচার জন্য সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন রহমানপুত্র।
rnrn
আমিন লেখেন, ‘আমি সর্বশক্তিমান, আমার মা-বাবা, পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আমার আধ্যাত্মিক শিক্ষাগুরুর কাছে কৃতজ্ঞ যে, আমি আজ নিরাপদে রয়েছি এবং বেঁচে আছি। মাত্র তিন রাত আগে একটি গানের শুটিং করছিলাম। টিমের ওপর আস্থা রেখেছিলাম যে, যখন আমি ক্যামেরার সামনে পারফর্মে মনোযোগ দিচ্ছিলাম তখন ইঞ্জিনিয়ারিং ও নিরাপত্তার ব্যাপারে খেয়াল রেখেছে টিম। কিন্তু হঠাৎ করেই একটা ক্রেন থেকে ঝুলে থাকা গোটা ট্রাস ও ঝাড়বাতি ভেঙে পড়ে।’
rnrn
তিনি আরও লেখেন, ‘সেই সময় আমি ওই জায়গার মাঝখানে ছিলাম। কয়েক ইঞ্চি এদিক-ওদিক হলে, কয়েক সেকেন্ড আগে-পরে হলেই পুরো ভেঙে পড়া অংশ আমাদের মাথায় পড়ে যেত। এ ঘটনায় আমি ও আমাদের পুরো টিম বিস্মিত হয়েছি। পাশাপাশি এই ট্রমা থেকে নিজেকে বের করে আনতে পারছি না।’
rnrn
প্রসঙ্গত, এর আর রহমানের তিন ছেলে, খাতিজা রহমান, রহিমা রহমান ও এ আর আমিন। ২০১৫ সালে তামিল ‘ও কাদাল কানমানি’ সিনেমায় প্লে-ব্যাক করেন আমিন। এর পর থেকে নিয়মিত গান করছেন তিনি।
বিনোদন ডেস্ক





