
দিলীপ কুমার -মধুবালার কালজয়ী সিনেমা মুঘল-ই-আজমের সেই অন স্ক্রিন রোম্যান্স আজও লোকমুখে ফেরে। পর্দার প্রেম গড়িয়েছিল বাস্তবেও। বলিউডের প্রথম অরিজিনাল পাওয়ার কাপল হিসেবে দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিলেন দিলীপ কুমার-মধুবালা।
দিলীপ কুমার এবং মধুবালার অসম্পূর্ণ প্রেম ছিল বলিউডের অন্যতম সেরা ‘ট্র্যাজেডি’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মুমতাজ দিলীপ-মধুবালার প্রেম ভাঙার প্রকৃত কারণ খোলসা করলেন। আসলে মধুবালার কোনওদিন দিলীপকুমারকে পিতৃসুখ দিতে পারবেন না বলেই তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ছিলেন বলিউডের ট্রাজিডি কিং দিলীপ কুমার।
দিলীপ-মধুবালার প্রেম-বিরহ প্রসঙ্গে বলেন, মধুবালা কিন্তু সম্পর্কে ইতি টানেননি। দিলীপ কুমারই সম্পর্কটা ভেঙেছিলেন। কারণ মধুবালার কোনও সন্তান ছিল না। পরে সায়রা বানুকে বিয়ে করেন। উনি যে ভীষণ ভালো মানুষ সে কথা বলার অবকাশই রাখে না। দিলীপের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওর খেয়াল রেখেছেন। দুজনের বয়সের মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকলেও প্রেম ছিল অটুট। উনি দিলীপ কুমারের প্রকৃত ভক্ত ছিলেন। প্রেম যেখানে সত্য সেখানে কোনও কিছুই বাধা নয়।
তিনি আরও বলেন, মধুবালা যে দিলীপ সাবকে মন থেকে ভালবাসতেন সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। কিন্তু, দিলীপ সাব সন্তান চেয়েছিলেন। সেই জন্যই সায়রা বানুর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছিলেন। এই কথাটা মধুবালা নিজেই আমাকে বলেছিলেন। আমি সেই সময় ওঁর সঙ্গে দেখা করেছিলাম কিন্তু, অসুস্থ ছিলেন। তবুও আমাকে বলেছিলেন, ‘আমার জীবনের প্রকৃত প্রেম ইউসুফ। চিকিৎসকরা বলে দিয়েছে সন্তান প্রসবের সময় আমার মৃত্যু হবে। কারণ আমি হৃদরোগে আক্রান্ত।’
তবুও মধুবালা কোনওদিন দিলীপ কুমারের প্রতি কোনও ক্ষোভপ্রকাশ করেননি। কারণ মধুবালা বুঝেছিলেন প্রত্যেক পুরুষই সন্তান চায়। কিন্তু, সায়রা বানুরও কোল শূন্য! এটাই সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা।
বিনোদন ডেস্ক





