Home / Entertainment / চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে খিজির হায়াতের পদত্যাগ

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে খিজির হায়াতের পদত্যাগ

ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির নির্মাতা খিজির হায়াত খান চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে সদস্যপদের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। নভেম্বরে এসে সেই পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি নিজেই জানিয়েছেন এ নির্মাতা।

এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর ১৫ সদস্যবিশিষ্ট সার্টিফিকেশন বোর্ড গঠন করা হয়। বর্তমানে এ বোর্ডে রয়েছেন নির্মাতা কাজী হায়াত, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও চলচ্চিত্র গবেষক ড. জাকির হোসেন রাজু, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক রফিকুল আনোয়ার রাসেল, চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, পরিবেশক, লেখক ও সংগঠক জাহিদ হোসেন, চলচ্চিত্র সম্পাদক ইকবাল এহসানুল কবির ও চলচ্চিত্র পরিচালক তাসমিয়া আফরিন মৌ প্রমুখ। 

এ ছাড়া বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব। সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান।

এদিকে গত মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে খিজির হায়াত লিখেছেন— ‘আমার যুদ্ধ ইসলামিক মৌলবাদ, হিন্দুত্ববাদসহ আমার দেশের ভেতর ও বাহিরের সব শত্রুর বিরুদ্ধে। ইহা চলমান থাকিবে যতদিন নিঃশ্বাস বহিবে।’ 

তিনি বলেন, ‘সরকারি পদে থাকা মানে এই নয় যে মনের কথা এডিট করে বলতে হবে। সেই জন্য হাজারও মানুষ ২৪ ’শে আসিয়া আবারও প্রাণ দেয় নাই, আহত হয় নাই, আর যদি তাই নিয়ম হয় তবে সেই নিয়ম আমি মানি না। কোনো পদপদবির জন্য নিজেকে বদলাইতে এই বয়সে আর পারব না, সেই সুশীল আমি হইতে চাই না।’

এ নির্মাতা বলেন, ‘খুশির সংবাদ এই যে, এই সকল কিছু বিবেচনা করিয়া ব্যক্তিগত কারণে আজ হইতে ৩ সপ্তাহ আগেই আমি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে স্বেচ্ছায় নিজের পদ ছাড়িয়া আসিয়াছি। আমার বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা আমার কাছে সবচাইতে দামি।’

গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে খিজির হায়াত বলেন, ব্যক্তিগত নানা কারণেই মূলত পদত্যাগ করেছি। আমার বাবা অসুস্থ। তার জন্য আমাকে ঢাকা-কুমিল্লা দৌড়াতে হয়। যে কারণে সার্টিফিকেশন বোর্ডে পুরোপুরি সময় দিতে পারছি না।

তিনি বলেন, সরকারি দায়িত্বে থাকলে অনেক ধরনের বাধ্যবাধকতা থাকে, সেগুলো মেনে চলাও আমার দ্বারা সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে ভেবেছি যে পদত্যাগ করি।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *