অনেক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন, যা বললেন মালাইকা

Written by

in

বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরার ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেত্রীর নাম জড়িয়েছে হীরা ব্যবসায়ী হর্ষ মেহতার সঙ্গে। যদিও সম্পর্কের জল্পনা নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি অভিনেত্রী। তবু সামাজিক মাধ্যমে এবং বিনোদন জগতে তাকে ঘিরে কৌতূহলের শেষ নেই। কখনো নতুন প্রেম, আবার কখনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক— নানা বিষয় নিয়েই তাকে নিয়ে আলোচনা চলতেই থাকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়েই মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা। 

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলতে থাকা অনবরত জল্পনা ও সমালোচনা তাকে আদৌ মানসিকভাবে প্রভাবিত করে কিনা। এমন প্রশ্নের উত্তরে মালাইকা বলেন, সময়ের সঙ্গে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া বা ইন্টারনেটের জগতে অনেক শব্দ, অনেক মন্তব্য থাকলেও সেগুলোর সবকিছু গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। মানুষের মতামতকে নিজের মানসিক অবস্থার নিয়ন্ত্রক হতে দিলে কখনো শান্তিতে থাকা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন এ অভিনেত্রী। 

তিনি এখন নিজের চারপাশে একটি মানসিক সীমানা তৈরি করে নিয়েছেন। বাইরে কে কী বলল বা কী লিখল, তা আর আগের মতো তাকে বিচলিত করে না বলে জানান মালাইকা অরোরা।  

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

তিনি বলেন, বরং তিনি মনোযোগ দেন নিজের কাজ, নিজের মানুষ এবং দৈনন্দিন শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনের ওপর। তার বিশ্বাস— এ বিষয়গুলোই একজন মানুষকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে এবং ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। 

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে যায় বলে জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, একসময় অন্যের মন্তব্য বা সমালোচনা তাকে ভাবাত, নিজের নানা ত্রুটি নিয়েও সংশয়ে ভুগতেন। কিন্তু এখন সেই জায়গা থেকে অনেকটাই বেরিয়ে এসেছেন তিনি।

মালাইকা বলেন, জীবনের এ পর্যায়ে এসে তিনি নিজের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি স্বচ্ছন্দ। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, নিজের ভালো-মন্দকে গ্রহণ করতে শিখেছেন। আগে যেমন নিজেকে নিয়ে অকারণ প্রশ্ন তুলতেন, এখন তেমনটি আর করেন না। বরং নিজেকে যেমন, ঠিক তেমনভাবেই মেনে নেওয়ার মধ্যেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন মানসিক শান্তি এবং স্বস্তি। ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে যতই জল্পনা চলুক না কেন, বাইরের কোলাহলের চেয়ে নিজের ভেতরের শান্তিই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন মালাইকা অরোরা।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *