Home / Entertainment / মাথায় ৩৭৬ কোটি টাকা ঋণের চাপ, কীভাবে চলছেন জাস্টিন বিবার?

মাথায় ৩৭৬ কোটি টাকা ঋণের চাপ, কীভাবে চলছেন জাস্টিন বিবার?

জনপ্রিয় পপ তারকা জাস্টিন বিবার তার সাবেক ম্যানেজার স্কুটার ব্রনের কাছ থেকে নেওয়া প্রায় ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা) ঋণ এখনো পরিশোধ করেননি। বর্তমানে স্ত্রী হেইলি বিবারের আয়েই চলছেন তিনি। 

টিএমজেডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দেনা মেটাতে বিবার এখন হেইলির কসমেটিক ব্র্যান্ড ‘রোড’-এর সাম্প্রতিক বিলিয়ন ডলারের চুক্তির অর্থের দিকেই তাকিয়ে আছেন।

২০২২ সালে এক বিরল স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হন বিবার। সেই সময় ‘জাস্টিস ট্যুর’সহ সব সংগীত পরিবেশনা বাতিল করতে বাধ্য হন তিনি, ফলে প্রায় ২৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে পড়েন। তখন স্কুটার ব্রন তার কোম্পানির মাধ্যমে এই অর্থ ঋণ দেন বিবারকে।

এর বাইরে আরও ১১ মিলিয়ন ডলার কমিশনের পাওনা ছিল স্কুটারের, যার অর্ধেক পরিশোধে সম্মত হয়েছেন বিবার। অতিরিক্ত ৮ মিলিয়ন ডলারের একটি কমিশন দাবিও শেষমেশ মাফ করে দেন ব্রন। সব মিলিয়ে বিবারকে প্রায় ৩১.৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে।

এই ঋণ পরিশোধের জন্য বিবার এখন নির্ভর করছেন হেইলি বিবারের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক সাফল্যের ওপর। গত মে মাসে হেইলি তার কসমেটিক ব্র্যান্ড ‘রোড’ বিক্রি করেছেন বিউটি কোম্পানি ইএলএফ-এর কাছে, এক বিলিয়ন ডলারে। যদিও এই ব্র্যান্ডে একাধিক বিনিয়োগকারী রয়েছেন, তবে হেইলি ও বিবার এই চুক্তি থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পাবেন। টিএমজেডের এক সূত্র জানায়, শুধুমাত্র বিবারের শেয়ার থেকেই অন্তত ৫০ মিলিয়ন ডলার আসবে, যা দিয়ে পুরো ঋণ পরিশোধ সম্ভব।

জাস্টিন বিবার প্রায় ১৮ মাস আগে তার মিউজিক ক্যাটালগ ২০০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করলেও, কর, ব্যবস্থাপনা খরচ ও ব্যক্তিগত ব্যয়ের পর খুব অল্প পরিমাণ অর্থই তার হাতে থাকে বলে দাবি করেছে টিএমজেড।

এদিকে হেইলির একজন মুখপাত্র টিএমজেডকে বলেন, ‘রোড-এর এই ঐতিহাসিক বিক্রি হেইলির জন্য বড় অর্জন, তবে এটি তার স্বামীর অর্থনৈতিক অবস্থা বা ঋণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।’

এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, এখন পুরো পরিবার অনেকটাই হেইলির আয়নির্ভর হয়ে পড়েছে, কারণ দীর্ঘ সময় ধরে জাস্টিন বিবার কোনো নতুন বড় প্রজেক্টে কাজ করছেন না। যদিও বিবার বা স্কুটার ব্রনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য আসেনি।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *