Tag: সৃজিত মুখার্জি

  • ১৫ বছর পর, ‌‘অটোগ্রাফ’ সিনেমার অজানা গল্প শোনালেন সৃজিত

    ১৫ বছর আগে ‘অটোগ্রাফ’ সিনেমার হাত ধরে সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা পেয়েছিল একেবারে অন্য ঘরানার একটি ছবি। পরিচয় হয়েছিল নতুন এক পরিচালকের সঙ্গে, যিনি চেনা গল্পকেও অন্যভাবে তুলে ধরতে জানেন। আর সেই মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অটোগ্রাফ’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শক্তিমান অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কেমন ছিল সেই প্রথম দিনের আলাপ? সেদিনের সেই ঘটনা গল্পের আকারে শোনালেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

    সম্প্রতি যিশু সেনগুপ্তের পরিচালনায় ‘অভিমান’ সিনেমার শুভ মহরত সম্পন্ন হয়। ওই একই দিনে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একটি সেলফি তুলে সেটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। গল্পের আকারে বর্ণনা করেন অটোগ্রাফ সিনেমার জন্মলগ্নের কাহিনি।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে সৃজিত লিখেছেন— এনটি ওয়ান স্টুডিও ঠিক এই জায়গায় একজন ইকোনোমেট্রিশিয়ান, যে পরিচালক হতে এসেছিল, সেই মানুষটি দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করেছিল একজন সুপারস্টারকে স্ক্রিপ্ট শোনাবে বলে। সুপারস্টার তার সেদিনের শুট শেষ করেন। সেই অফবিট ছবির নাম ছিল হাউসফুল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদ গুঞ্জনের মাঝেই সৃজিত-মিথিলা-আইরার ছবি ভাইরাল

    টালিউড নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সংসারজীবন নিয়ে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন চলছে। তাদের বিচ্ছেদ হয়েছে বলে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নানা জল্পনা চলে আসছে। সম্প্রতি এর মাঝেই হঠাৎ করে সামাজিক মাধ্যমে সৃজিত, মিথিলা ও আইরার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। 

    সেখানে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে দাবি করা হয়েছে, সব সংশয় কাটিয়ে সৃজিত-মিথিলা আবারও এক হয়েছেন এবং মেয়ে আইরাকে নিয়ে ঘুরতে গেছেন। আসলে সেই ছবিটিকে তাদের ‘পুনর্মিলন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে অনেকে পোস্ট দিয়েছেন। 

    এদিকে মিথিলার বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের আগ্রহ কম নয়। সম্প্রতি এ বিষয়ে অভিনেত্রী এক পডকাস্টে কৌশলী মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন— ‘২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত আমি কলকাতা যাইনি। আমার ভিসা নেই।’ 

    সৃজিত মুখার্জি এখনো তার স্বামী রয়েছেন কিনা? সঞ্চালকের এমন প্রশ্নের উত্তরে মিথিলা বলেন, এটা তো যারা বলছে তারা বলছে, আমি কিছুই বলব না। তবে হ্যাঁ, পাসপোর্টে তার নামটিও রয়েছে।

    অভিনেত্রীর এমন কৌশলী উত্তর বিনোদন জগতে এখন তুমুল আলোচনার বিষয়। আর ঠিক এমন আবহে পুরোনো পারিবারিক ছবি ভাইরাল হওয়ায় নতুন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা গেছে, সেই ছবিটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়। এটি তাদের বিচ্ছেদ গুঞ্জন শুরুর সময়ের ছবিও না। ছবিটি ২০২৪ সালে একটি সংবাদমাধ্যমে দেখা গিয়েছিল। অর্থাৎ এটি আরও আগের তোলা একটি ছবি। তাই সৃজিত-মিথিলা আবার এক হয়েছেন— এটি নেটিজেনদের কেবলই জল্পনা; এর কোনো সত্যতা নেই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সোহিনীর পরিবর্তে মিমি— আচমকা কেন নায়িকা বদলালেন সৃজিত?

    টালিউড নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। পরিচালকের আগামী ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ সিনেমায় একের পর এক বদল। প্রযোজক বদলের কথা আগেই জানা গিয়েছিল। এবার প্রযোজনার দায়িত্বে ‘নন্দী মুভিজ’। আর এবার নায়িকা বদল। কেন এই পরিবর্তন?

    শুরুতে জানা গিয়েছিল সৃজিতের সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী সোহিনী সরকার, আবীর চট্টোপাধ্যায় ও টোটা রায়চৌধুরীকে। কিন্তু নতুন প্রযোজনা সংস্থা যুক্ত হওয়ার পর বেশ কিছু ‘মুখ’ বদলে গেছে। যেমন— সোহিনীর জায়গায় মিমি চক্রবর্তী, রুদ্রনীল ঘোষের পরিবর্তে মঞ্চাভিনেতা বুদ্ধদেব দাসকে দেখা যাবে। সত্যম ভট্টাচার্যের পরিবর্তে অভিনয় করবেন ঋক চট্টোপাধ্যায়। প্রকাশ্যে সিনেমার প্রথম পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে।

     ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ সিনেমাটি ঘোষণার পর থেকে একের পর এক বদল হয়েছে। এক ধরনের পরিকল্পনার মাঝে এ ধরনের ব্যাঘাত হলে অসুবিধা হয় না পরিচালকের?—এমন প্রশ্নের উত্তরে সৃজিত বলেন, অবশ্যই অসুবিধা হয়। নভেম্বরে শুটিং শুরু করে দেওয়ার কথা ছিল। প্রি-প্রোডাকশনের কাজও শুরু হয়েছে। প্রচুর মানুষ জড়িয়ে, তারা বেশিরভাগই ফ্রিল্যান্সার। মাসিক বেতন নেই। সে ক্ষেত্রে পরিকল্পনায় ব্যাঘাত হলে অনেক মানুষের অসুবিধা হয়ে যায়। তবে এখন সব ঠিক থাকলে জানুয়ারি থেকে শুটিং শুরু করবেন তিনি।

    এর আগে মিমির সঙ্গে বেশ কিছু দফায় মিটিংও হয়েছে। ‘গানের ওপারে’, ‘বাপি বাড়ি যা’— দুটি সিনেমায় নায়িকার সহ-অভিনেত্রী হিসাবে কাজ করলেও, এই প্রথম সৃজিতের পরিচালনায় নায়িকা হচ্ছেন মিমি চক্রবর্তী। ছোটপর্দার সেই সাবেকি মিমিকে ফিরে পাওয়ার আভাস দিয়েছেন পরিচালক। আর এ সিনেমার উপরি পাওনা, সিনেমার সংগীত পরিচালকও সৃজিত মুখোপাধ্যায়। হাসতে হাসতে নির্মাতা বললেন, কেমন লাগবে, তা সময়ই বলে দেবে। এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে কখনো সংগীত পরিচালনার কাজ করা না হলেও, অভিজ্ঞতা আছে সেই কাজের।

    ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ সিনেমায় মোট চারটি গান থাকবে। যার মধ্যে দুটি রবীন্দ্রসংগীত। আর একটি গান লিখেছেন পরিচালক নিজে। আর অন্যটি শ্রীজাতের লেখা। কলকাতাজুড়েই সেট পড়বে এ সিনেমার। আরও একবার বড়পর্দায় আবীর-মিমির ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায় দর্শকরা।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু কেন এত বদল? সৃজিত বলেন, সোহিনীর পরিবর্তে মিমি আসার সিদ্ধান্ত কেন? তার সঠিক উত্তর দিতে পারবেন প্রযোজক। কিন্তু এখন প্রশ্ন— সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পরিচালকের সিদ্ধান্তই কি তাহলে সব নয়? এ নির্মাতা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে তা হয় না। আসলে অভিনেতাদের বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও তো অনেক বিষয় জড়িত থাকে।

    এ প্রসঙ্গে প্রযোজক প্রদীপকুমার নন্দী বলেন, প্রথমত সৃজিতদার সঙ্গে কাজ করছি। খুবই খুশি আমরা। আর আগে কী ঠিক হয়েছিল সেটি আমাদের সেভাবে জানা ছিল না। নতুন করে সবটা সাজানোর পরিকল্পনা করি আমরা। আর মিমি চক্রবর্তীও অসাধারণ অভিনেত্রী। তাই বলে সোহিনী ভালো নয়, তা বলছি না। কারণ ওর সঙ্গে আমরা সম্প্রতি কাজও করলাম। তবে বাকিদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত পরিচালকের। 

    পরিচালক বলেন, রুদ্রনীল আর আমি দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি— ওই চরিত্রে বুদ্ধদেব দাসকেই মানাবে। আর কাকাবাবুর জন্য সত্যম অনেকটা ওজন বাড়িয়েছে। এদিকে এই সিনেমার চরিত্রের জন্যও নির্দিষ্ট কিছু চাহিদা আছে। তাই ঋককে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিথিলার স্বামীর সঙ্গে সুস্মিতার নানা গুঞ্জন

    টালিউড পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক সুন্দরীকে। এটি দেখে নেটিজেনদের ধারণা—আবার বুঝি সৃজিত প্রেমে পড়েছেন।

    শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, পূজামণ্ডপে বেশ মিষ্টি হাসিতে ধরা দিয়েছেন সৃজিতের সঙ্গে সেই সুন্দরী অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। ম্যাচিং করা পাঞ্জাবি আর শাড়িতে বেশ মানিয়েছে তাদের।

    সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মহাসপ্তমীর শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে সেই সুস্মিতার সঙ্গেই ছবি শেয়ার করে নিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। আর দুজনে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন পূজার সাজে। কোনো এক বাড়ির পূজায় তোলা হয়েছে সেই ছবিটি। সৃজিতের গায়ে নীল রঙের পাঞ্জাবি। আর সুস্মিতাও পরেছেন নীল রঙের শাড়ি। 

    শারদীয় দুর্গোৎসবের রঙিন আমেজের মধ্যেই নেটিজেনদের কৌতূহল চরমে পৌঁছেছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিচালক সৃজিত ও অভিনেত্রী সুস্মিতার সম্ভাব্য প্রেমের সম্পর্ক। আর এ গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলেছেন সৃজিত নিজেই, সপ্তমীর দিনে সামাজিক মাধ্যমে সুস্মিতার সঙ্গে একাধিক ঘনিষ্ঠ ছবি শেয়ার করে নেন। এখন ভক্তদের মনে প্রশ্ন একটাই—এ কি শুধুই পূজার আনন্দ, নাকি সম্পর্কের নতুন ঘোষণা? তারা দুজনেই প্রেমের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। এমনকি এ ধরনের খবর ছড়িয়ে পড়ায় কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তবে এত সহজে কি আর লোকের মুখ বন্ধ করা যায়।

    যেখানে প্রশ্ন থাকে—একে অপরের দিকে তাকিয়ে ক্যামেরাবন্দি। আবার সুস্মিতাকে ছবিও তুলে দিচ্ছেন সৃজিত। ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশনে এ পরিচালক লিখেছেন— ‘শুভ সপ্তমী’।

    এদিকে এসব ছবি নিয়েও সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনরা বেশ আলোচনা-সমালোচনা করছেন। তাদের ধারণা— সৃজিত মুখার্জি আবারও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তবে সৃজিত বা সুস্মিতা যতই অস্বীকার করুক, যেভাবে তারা সিনেমার প্রিমিয়ার হোক বা পূজার উদ্বোধন, সর্বত্র একসঙ্গে পৌঁছাচ্ছেন, ম্যাচিং পোশাকে সাজছেন, এটাকে বন্ধুত্বের মাপকাঠিতে ফেলতে রাজি নন নেটিজেনরা। তবে ধোঁয়াশা কাটিয়ে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ে খোলামেলা কেউ কোনো কথা বলেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সৃজিত কি এখনো আপনার স্বামী, প্রশ্নে যা বললেন মিথিলা

    ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে বাংলাদেশের অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে বেশ কৌতূহল ভক্তদের। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জির সঙ্গে নাম জড়াচ্ছে সৃজিতের।

    শারদীয় দুর্গোৎসবের মধ্যে গতকাল সুস্মিতার সঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন সৃজিত। এর আগে ‘ডিয়ার মা’ সিনেমার প্রিমিয়ারেও একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন তারা। এতে করে তাদের প্রেমের গুঞ্জনের পালে হাওয়া লেগেছে।

    সম্প্রতি সৃজিতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় মিথিলাকে। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে তাকে সরাসরি উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, অনেকে বলছেন, সৃজিত মুখার্জি এখন আর আপনার হাজব্যান্ড (স্বামী) নয়—আপনি কী বলবেন? জবাবে মিথিলা বলেন, ‘এটা তো যারা বলছে, তারা বলছে। আমি কিছুই বলব না।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উনি কি এখনো আপনার স্বামী?—এমন প্রশ্নের জবাবে দুই সেকেন্ড সময় নিয়ে মিথিলা বলেন, ‘হ্যাঁ’। পাসপোর্টে তার নামটি আছে?—মাথা নেড়ে মিথিলা বলেন, ‘হ্যাঁ।’

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সৃজিতকে বিয়ে করেছেন মিথিলা। বিয়ের পর মেয়ে আইরাকে নিয়ে কলকাতায় থিতু হয়েছিলেন মিথিলা, আইরাকে কলকাতার স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন। তবে দুই বছর ধরে মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় রয়েছেন তিনি।

    সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে মিথিলার দূরত্ব নিয়ে আলোচনাও রয়েছে। একসঙ্গে দুজনের ছবিও খুব একটা দেখা যায় না। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর মিথিলা আর কলকাতা যাননি। কেন যাননি জানতে চাইলে মিথিলা বলেন, ‘ভিসা নাই।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডেবিট ক্রেডিট না ‘মাফিয়া কার্ড’— দেব কোনটি ব্যবহার করেন, প্রশ্ন সৃজিতের

    টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা দীপক অধিকারী দেবের অভিনয় জীবনের ২০ বছর পূর্তি। ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে তার পারিশ্রমিক শুরু হয়। বক্স অফিস অনুযায়ী, এখন প্রযোজক-অভিনেতার কোটি কোটি টাকা উপার্জন। টাকা-পয়সা লেনদেনের সময় দেব তাহলে কী ব্যবহার করেন— ডেবিট, ক্রেডিট, না কি ‘মাফিয়া’ কার্ড— কোনটি?— এমন প্রশ্ন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের। গতকাল শনিবার পূজার সিনেমা ‘রঘু ডাকাত’-এর ট্রেলার মুক্তি অনুষ্ঠানে এ প্রশ্ন তোলেন পরিচালক।

    এমন প্রশ্নের উত্তর জানার আগে, হঠাৎ কেন এমন প্রশ্ন, তা জানা দরকার। গত দুই বছর ধরে পূজা কিংবা বড়দিনে বাংলা সিনেমা মুক্তির আগে কিছু পরিচালক ও প্রযোজকের অভিযোগ রয়েছে— রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দেব নাকি নিজের সিনেমার জন্য বেশিসংখ্যক প্রেক্ষাগৃহ এবং প্রদর্শন সময় দখল করে থাকেন। নাম না করে তাকে কটাক্ষ করা হয়, তিনি নাকি ‘মাফিয়া কার্ড’ খেলেন। এ অভিযোগ কি সত্যি?— এটাই জানতে চেয়েছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ প্রসঙ্গে দেব বলেন, মৃত্যুর পর মানুষ স্বীকৃতি পায়। আমার মা-বাবার পুণ্যের ফল আমি ভোগ করছি। বেঁচে থাকতেই আমার পেশা জীবনের উদযাপন হচ্ছে। আমার সিনেমার ট্রেলার অনুরাগীরা টিকিট কেটে দেখছেন।

    যার পাশে জনতা জনার্দন তাকে কেন ‘মাফিয়া’ কার্ড খেলতে হবে? পাল্টা জানতে চান দেব। তিনি বলেন, আমি যা করি হৃদয় দিয়ে করি। ভালোবাসা পেলে ভালোবাসা ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করি। আমায় ‘মাফিয়া’ কার্ড খেলতে হয় না বলেও জানান দেব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তুমি আমাদের ছেড়ে চলে গেলে : সৃজিত

    টলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে একের পর এক অন্যধারার সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জি। একের পর এক ভিন্ন ধারার সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন দর্শকদের। জীবনের সমস্ত সাফল্যের মাঝেও আর পাঁচটা সন্তানের মতোই বাবার কথা ভীষণই মনে পড়ে এ পরিচালকের।

    তার পরিচালিত ছবি দেখলে কতটা খুশি হতেন তার বাবা, প্রশ্ন জাগে নিজের মধ্যেই। বাবার জন্মদিনে আবেগঘন একটি পোস্টে সেই কথাই তুলে ধরেছেন সৃজিত।

    ‘এক যে ছিল রাজা’ ছবিটি মুক্তির পরে বাবাকে হারিয়েছিলেন সৃজিত। বাবার একটি পুরোনো ছবি পোস্ট করে জন্মদিনে সৃজিত লেখেন, ‘এক যে ছিল রাজা মুক্তির পরেই তুমি আমাদের ছেড়ে চলে গেলে।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তার কথায়, ‘ইতিহাসের প্রতি তোমার ভালোলাগার কারণে বেশ কিছু ছবি তুমি দেখতে পারতে। একে একে মুক্তি পেয়েছে ‘গুমনামি’, ‘পদাতিক’-এর মতো ছবি। ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ও ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ও মুক্তির অপেক্ষায়।’

    সৃজিত আরও লিখেছেন, ‘তুমি নিশ্চয়ই ছবিগুলো দেখেছো। কয়েক বছরের মধ্যে এর উত্তর জানব। আবারও তোমার সঙ্গে আমার দেখা হবে। তাই আপাতত শুভ জন্মদিন।’

    প্রসঙ্গত, এ বছর পূজায় বড় পর্দায় তার ছবি মুক্তি না পেলেও হইচই-এ মুক্তি পেতে চলেছে ‘ফেলুদা ফেরত: যত কাণ্ড কাঠমান্ডুতে’। এ ছাড়াও চলতি বছরের ডিসেম্বরে একদিকে যেমন মুক্তি পাওয়ার কথা ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ও ২০২৬ সালের ১ মে মুক্তি পাবে ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফের জুটি বাঁধছেন আবীর-সোহিনী, কে হচ্ছেন শরৎচন্দ্র?

    বিখ্যাত ঐপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্বদেশপ্রেমের উপন্যাস ‘পথের দাবি’ প্রকাশের ১০০ বছর পূর্ণ হতে চলেছে আগামী বছরের ৩১ আগস্ট। সেই উপন্যাসের সময়কাল ও পটভূমিকায় এবার নির্মাণ করা হচ্ছে সিনেমা। 

    শ্রীকান্ত মোহতা-মহেন্দ্র সোনি ও রানা সরকারের যৌথ প্রযোজনায় পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় নির্মাণ করতে যাচ্ছেন ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’। 

    বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ্যে এসেছে সেই সিনেমার অভিনেতাদের নাম। 

    একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক সৃজিত বলেন, সিনেমার মুখ্য অভিনেতা টোটা রায় চৌধুরী, আবীর চট্টোপাধ্যায়, সোহিনী সরকার। বড় চমক ছোটপর্দার জনপ্রিয় নায়িকা দিব্যাণী মণ্ডল। 

    অনেক বছর পর সৃজিতের সিনেমায় ‘ভিঞ্চিদা’ রুদ্রনীল ঘোষ। এ ছাড়া আছেন কাঞ্চন মল্লিক, সত্যম ভট্টাচাৰ্য। কাঞ্চন এর আগে পরিচালকের ‘সত্যি বলে সত্যি কিছু নেই’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দিব্যাণীর অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ ধারাবাহিক ‘ফুলকি’ দিয়ে। বেশ কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন— ছোটপর্দার নায়িকা সৃজিতের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি। সেই খবরের সত্যতা আজ প্রকাশ পেল।

    সিনেমায় কাকে কোন ভূমিকায় দেখা যাবে? ‘শরৎচন্দ্র’ কে হবেন?—এমন প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক বলেন, আপাতত এই উত্তর তোলা থাক। ওরা চিত্রনাট্য পড়ে ভীষণ খুশি। নভেম্বর থেকে শুটিং শুরুর ইচ্ছা। ওরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমিও ওদের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছি।

    একটি সূত্র জানায়, এ ছবি দিয়েই নাকি অনেক দিন পর ক্যামেরার মুখোমুখি হবেন সৃজিতের ‘ব্লু আইড বয়’ অনির্বাণ ভট্টাচাৰ্য। তা হলে ওর নাম তালিকায় নেই কেন?—উত্তরে প্রযোজক রানা বলেন, অনির্বাণের বিষয়টি ফেডারেশনের বিবেচনাধীন। সংগঠন সবুজ সংকেত দিক। তখন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুখবর দিলেন মিথিলা, খুশি সৃজিত

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বিয়ে করেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও বাংলাদেশের নায়িকা রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। যদিও মিথিলার এটা দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। প্রথম বিয়ে হয় বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা-গায়ক তাহসানের সঙ্গে। তবে দ্বিতীয়বার সৃজিতের সঙ্গে সংসার বাঁধলেও বেশ কয়েক মাস ধরে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে নাকি দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আসলে মিথিলা আর সৃজিতকে সম্প্রতি একসঙ্গে দেখেননি দর্শকরা। তবে এই সব কিছুর মাঝে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফের মিথিলাকে নিয়ে পোস্ট করে সবাইকে চমকে দেন সৃজিত। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

    নিশ্চয়ই ভাবছেন কী হয়েছে? তবে একটু খোলসা করে বলা যাক। মঙ্গলবার মিথিলা একটি পোস্ট শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায়। সেখানে নায়িকা জানান, তিনি পিএচডিতে সফল। এবার তিনি আর শুধু রাফিয়াত রশিদ মিথিলা নন, বরং ডক্টর রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।

    ছবিগুলি পোস্ট করে নায়িকা লেখেন, ‘জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পিএইচডি থিসিস সফলভাবে শেষ করতে পেরেছি। আজ আমি খুবই আবেগপ্রবণ এবং গর্বিত! এ মুহূর্তের মধ্যে দিয়ে আমার পাঁচ বছরের একটা জার্নি শেষ হল। আমার জন্য, ‘অল্প পথ’ বেছে নেওয়ার অর্থ হল ক্যারিয়ার, মাঝে মাঝে অভিনয় এবং পারিবারিক দায়িত্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ ডিগ্রি অর্জনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা। এ অভিজ্ঞতা আমার জন্য চূড়ান্ত মাস্টারক্লাস হয়ে উঠেছিল। যা আমাকে আমি কী সামলাতে পারি তার প্রকৃত গভীরতা শিখিয়েছে। আমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীদের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা পাশে ছিলেন বলে আমি এগিয়ে যাওয়ার জ্বালানি পেয়েছি।’

    নায়িকা আরও লেখেন, ‘আজ থেকে, আমি আনুষ্ঠানিক ভাবে এবং গর্বের সঙ্গে আমার নামের সঙ্গে ‘ডক্টর’ উপাধি যোগ করতে পারব। একটা উপাধি যা অর্জনের জন্য আমি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি।’ আর তার করা এ পোস্ট সৃজিত নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করে লেখেন, ‘অবিশ্বাস্য অর্জন, আর একরাশ প্রশংসা!’ কিছু দিন আগে মিথিলার ও তাহাসানের মেয়ে আয়রা বিজ্ঞাপনের একটি পোস্টও শেয়ার করেছিলেন পরিচালক।

    ২০০৬ সালে বাংলাদেশের গায়ক-অভিনেতা তাহসান রহমান খানকে বিয়ে করেন মিথিলা। সেই সময় পড়শি দেশের ড্রিম কাপল ছিল মিথিলা ও তাহসানের জুটি। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল জন্ম হয়েছিল আইরা তাহরিম খানের। তবে ২০১৭ সালে এসে বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন তাহসান-মিথিলা। তবে তারা আলাদা হয়ে গেলেও, যৌথভাবে নিয়েছেন সন্তানের দায়িত্ব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিথিলাকন্যা আইরাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট সৃজিতের

    টালিউড পরিচালক সৃজিত মুখার্জি সম্পর্কে আইরার বাবা। সে কারণে মিডিয়ায় মেয়ের প্রথম কাজে ভীষণ খুশি তিনি। মেয়েকে পর্দায় দেখে প্রথমে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারেননি তিনি। ‘আমার রকস্টার’—এভাবেই তাহসান-মিথিলাকন্যা আইরাকে ডাকলেন পরিচালক। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক বলেন, দেখতে দেখতে বড় হয়ে গেল। আমি কি বুড়ো হচ্ছি জানি না। তবে চোখের সামনে সময় উড়ে গেল। 

    একটি বিজ্ঞাপনে মায়ের সঙ্গে একফ্রেমে হাজির হয়েছে সাবেক তাহসান-মিথিলা দম্পতির একমাত্র কন্যা ছোট্ট আইরা। সেই ভিডিওটি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সৃজিত মুখার্জি। সেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

    যদিও মিথিলা-সৃজিত দাম্পত্য নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যায়, তবে আইরার সঙ্গে সৃজিতের সম্পর্কের উষ্ণতা অটুট রয়েছে। ভবিষ্যতে কি পরিচালক হিসেবে আইরাকে নিজের সিনেমায় নেবেন? এমন প্রশ্নে উত্তরে সৃজিত বলেন, আমার কোনো সিনেমায় যদি চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে যায়, অবশ্যই ওকে নিতে চাইব।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও তাহসান খান দম্পতির মেয়ে আইরা ছোট থেকেই নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ভীষণ আদরের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়শই মেয়ের সঙ্গে নানা মুহূর্ত শেয়ার করে নিতে দেখা যায় এ নির্মতাকে।

    প্রসঙ্গত, গায়ক-অভিনেতা তাহসান রহমান খানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয়েছিল ২০০৬। এরপর তাদের সংসারে আসে আইরা তাহরিম খান। তবে ২০১৭ সালে বিচ্ছেদের পর তাহসান-মিথিলা যৌথভাবেই মেয়ের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অন্যদিকে, বিচ্ছেদের দুই বছর পর সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয়। আর সেই সূত্র ধরেই আইরার সঙ্গে সৃজিতের বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। 

    বিনোদন ডেস্ক