Tag: সায়রা বানু

  • বিচ্ছেদের পর সাবেক স্বামী রহমানের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন সায়রা

    গত বছরের শেষ দিকে ভারতের জনপ্রিয় সুরকার সঙ্গীত প্রযোজক ও শিল্পী এআর রহমানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা করেন সায়রা বানু। তার পর থেকে রহমানকে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ায়, শোনা যায় পরকীয়ায় জড়িয়েছেন সুরকার। সেই সময় স্বামীর হয়ে ময়দানে নামেন সায়রা।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘সব ইউটিউবার ও সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের অনুরোধ করছি, রহমানের নামে কোনো খারাপ কথা বলবেন না। তার কোনো দোষ নেই। তার মতো মানুষ হয় না। আমার দেখা সেরা মানুষ।’ এ বার গুরুতর অসুস্থ সায়রা পাশে পেলেন সেই রহমানকেই। কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কী লিখলেন স্ত্রী?

    সায়রার পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বন্দনা লেখেন, ‘কিছু দিন আগেই অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে সায়রা রহমানকে। এক জটিল অস্ত্রোপচারও হয়েছে তার। এমন এক কঠিন সময়ে দ্রুত সেরে ওঠাই তার একমাত্র লক্ষ্য। রহমানের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে অস্কারজয়ী রসুল পুকুট্টি এবং তার স্ত্রী শাহিদারও সুসম্পর্ক রয়েছে। ওই বিবৃতিতে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে লেখেন, লস অ্যাঞ্জেলেসের বন্ধু রসুল পুকুট্টি, শাহিদা, আইনজীবী বন্দনা শাহ এবং অবশ্যই এআর রহমানকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুরুতর অসুস্থ দিলীপ কুমারপত্নী সায়রা বানু

    গুরুতর অসুস্থ বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সায়রা বানু। তার শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন। তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সায়রা বানুর হাঁটুতে দুটি ব্লাড ক্লট ধরা পড়েছে।

    সংবাদ প্রতিদিন সূত্র থেকে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে অভিনেত্রী সায়রা বানুর শারীরিক অবস্থা ভালো নেই। বাড়িতে তিনি ঠিকমতো চলাফেরাও করতে পারছেন না। আপাতত বাড়িতেই চিকিৎসকদের কড়া নজরে রয়েছেন অভিনেত্রী।তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে কিনা, তা এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    দিলীপ কুমারের থেকে বয়সে ২২ বছরের ছোট ছিলেন অভিনেত্রী। বয়সকে এক পাশে সরিয়ে দিলীপ কুমারকে চুপি চুপি মনও দিয়ে ফেলেছিলেন সায়রা বানু। তবে দিলীপ কুমার একেবারেই সেটি টের পাননি প্রথমে। ততদিনে শাম্মি কাপুরের বিপরীতে বলিউডে পা দিয়ে ফেলেছেন সায়রা। তার মিষ্টি চেহারা নিয়ে বলিউডে সেই সময় নানা কথা ওঠে। দিলীপ কুমারেরও চোখ এড়িয়ে যায়নি। সায়রার মিষ্টি স্বভাবে অল্প হলেও মন মজেছিল দিলীপ কুমারের। 

    জানা গেছে, প্রথম দেখাতে নাকি সায়রার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন দিলীপ কুমার। আর তা শুনে সায়রা একেবারেই লজ্জায় লাল। সেই প্রথম আলাপের পরেই প্রেমের সূত্রপাত।

    উল্লেখ্য, ১৯৬৬ সালের ১১ অক্টোবর সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়ে হয় দিলীপ কুমারের। তখন সায়রার বয়স ছিল ২২, আর দিলীপ কুমারের ৪৪। দিলীপ কুমার তার বায়োগ্রাফিতে লিখেছিলেন— সায়রার গর্ভে এসেছিল সন্তান। তবে সন্তান ধারনের পর সায়রা অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসক বাঁচাতে পারেনি দিলীপ-সায়রার সন্তানকে। ঠিক এ ঘটনার পরেই দিলীপ কুমার ১৯৮১ সালে ফের বিয়ে করেন, যা কিনা টিকে ছিল মাত্র দুই বছর। প্রেমের টানে ফের সায়রার কাছেই ফিরে আসেন অভিনেতা। বায়োগ্রাফিতে দিলীপ কুমার জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল।

    অন্যদিকে দিলীপের সংসারে মন দিতেই নিজের ক্যারিয়ারকে ছেড়ে দিয়েছিলেন সায়রা বানু। দিলীপ কুমারকেই জীবনের মূলমন্ত্র করেছিলেন অভিনেত্রী। হঠাৎ করে স্বামী ছেড়ে যাওয়ায় ভেঙেও পড়েছিলেন সায়রা বানু। তবে দিলীপের প্রতি ভালোবাসা একটুও কমেনি। বরং দিলীপ কুমারের কথা উঠলেই সায়রা বলতেন— দিলীপ কুমার আমার কাছে কোহিনুর। যার প্রেমে সারাজীবন আবদ্ধ থাকব! ২০২১ সালের জুলাই মাসে প্রয়াত হন দিলীপ কুমার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাহমান-সায়রার পুনর্মিলন হবে কি?

    অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এআর রাহমান ও সায়রা বানু ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন। এখন তারা ভিন্ন পথে হাঁটছেন। ইতোমধ্যে এ দম্পতির বিচ্ছেদের খবর জেনে গেছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাদের আইনজীবী জানিয়েছেন, বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেও তাদের পুনর্মিলন হতেই পারে। অর্থাৎ সেই সম্ভাবনা আছে।

    কিছু দিন আগেই ডিভোর্সের কথা ঘোষণা করেছেন এআর রাহমান ও সায়রা বানু। সম্প্রতি তাদের আইনজীবী রুবি ভিকি লালওয়ানিকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। হাজির হয়েছিলেন ভিকির ইউটিউব চ্যানেলের শোর পর্বে। সেখানেই আইনজীবী বন্দনা জানিয়েছেন— বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা হলেও, পুনর্মিলনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। 

    তিনি বলেন, আমি কখনই বলিনি যে পুনর্মিলন সম্ভব না। আমি খুবই ইতিবাচক ভাবনা দেখি। আমি সবসময়ই প্রেম ও রোম্যান্সের কথা বলি। ওরা যে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন, সেটি বেশ স্পষ্ট। সেখানে যন্ত্রণা ও বিচ্ছেদের কথা আছে। ওদের বিয়েটা দীর্ঘদিনের, অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে গেছে বিয়েটা। আর সেখান থেকেই এ সিদ্ধান্ত এসেছে। কিন্তু আমি কখনই বলিনি যে পুনর্মিলন সম্ভব না।

     এআর রাহমান ও সায়রা বানুর তিন সন্তান আছে— খাতিজা, রহিমা ও আমিন। এই তিনজন কে কার সঙ্গে থাকবেন; অর্থাৎ তাদের মা নাকি বাবার সঙ্গে সেই প্রসঙ্গেও এদিন কথা বলেন বন্দনা। তিনি বলেন, ওদের মধ্যে কেউ কেউ প্রাপ্তবয়স্ক। ওরা কার সঙ্গে থাকবে সেটি ওরা নিজেরাই বেছে নিতে পারবে স্বাধীনভাবে। 

    কিন্তু এই ডিভোর্সের পর কি সায়রা বানু আদৌ কোনো খোরপোষ নেবেন? এ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কোনো মন্তব্য করেননি আইনজীবী। তবে এটুকু জানিয়েছেন যে, সায়রা অর্থলোভী নন। সাদামাটা জীবন কাটাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ নভেম্বর এআর রহমান ও সায়রা বানুর উকিল তাদের তরফে যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, তারা তাদের ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনে ইতি টানতে চলেছেন। বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রহমানের কাছ থেকে কত টাকার সম্পত্তি পাবেন সাবেক স্ত্রী, জানালেন আইনজীবী

    অস্কারজয়ী সুরকার ও সংগীত পরিচালক এআর রহমান ও সায়রা বানু ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তি টেনেছেন। সংসার জীবনের গতি থমকে দাঁড়ালেও তারা এখন ভিন্ন পথে হাঁটছেন। ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেও এআর রহমানের স্ত্রী সায়রা বানুর চোখে এখনো তার সাবেক স্বামী ‘বিশ্বের সেরা পুরুষ’ বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি রহমানপত্নী সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন— তাদের নিয়ে যেন কোনো নেতিবাচক তথ্য ছড়ানো না হয়। 

    এদিকে বিচ্ছেদের পর প্রাথমিক আইনি ধাক্কা সামলে ওঠার পরেই সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া— এমনটিই দাবি করেছেন নেটিজেনদের একটি অংশ। তাদের মতে, রহমানের বিপুল সম্পত্তির অর্ধেক অংশ নাকি পাবেন তার স্ত্রী সায়রা বানু।

    অস্কারজয়ী সুরকার ১ হাজার ৭২৮ কোটি রুপির মালিক। তার সব সম্পদের পরিমাণ টাকার অঙ্কে দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন অনুযায়ী, সেই সম্পত্তির অর্ধেক শেয়ার পাবেন তার স্ত্রী সায়রা বানু। তবে বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ।

    তিনি বলেন, অনেকের ধারণা— বিচ্ছেদের পর নাকি ভরণপোষণের জন্য স্বামীর মোট সম্পত্তির অর্ধেক অংশ তার স্ত্রী পান। কিন্তু এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। অনেক ভারতীয় এ ভুল ধারণা পোষণ করে আছেন। কিন্তু এ ধরনের কোনো আইন ভারতীয় সংবিধানে এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত করা হয়নি। তাই স্বাভাবিকভাবেই এআর রহমান ও সায়রা বানুর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য নয়।

    বন্দনা শাহ বলেন, আদালতে এআর রহমানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ জানিয়েছেন। এ সময় যদি সায়রা বানু ভরণপোষণের দাবি করেন, সে ক্ষেত্রে আদালত পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।

    এ আইনজীবী বলেন, উভয় পক্ষের জমা দেওয়া যাবতীয় তথ্য এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে। পাশাপাশি রহমান ও সায়রা বানু বন্ধুত্বপূর্ণভাবে বিচ্ছেদের পথ অবলম্বন করেছেন। তাই এ ক্ষেত্রে ভরণপোষণের কোনো জায়গা নেই।

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) হঠাৎই এআর রহমান ও সায়রা বানু মিডিয়ায় প্রকাশ করেন তাদের বিচ্ছেদের খবরটি। বিচ্ছেদের খবর একদিন যেতে না যেতেই সুরকারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে নাম জড়ায় বাঙালি ললনা মোহিনী দের। 

    এদিকে দীর্ঘ ২৯ বছরের দাম্পত্য ভেঙে যাওয়ার কারণ হিসেবে রহমান ও সায়রা জানান, অগাধ প্রেমের অভাব নয়, মানসিক চাপ ও নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক দূরত্ব তৈরি হওয়াতেই তারা বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদ হলেও এআর রহমান বিশ্বের সেরা পুরুষ: সায়রা বানু

    ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তি টেনে ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেও সুরকার এআর রহমানের স্ত্রী সায়রা বানুর চোখে এখনো তার সাবেক স্বামী ‘বিশ্বের সেরা পুরুষ’ বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি তাদের বিচ্ছেদকে ঘিরে নানা গুজব ও মিথ্যা প্রচারণার জবাবে এ মন্তব্য করেছেন রহমানপত্নী। পাশাপাশি সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন, তাদের নিয়ে যেন কোনো নেতিবাচক তথ্য ছড়ানো না হয়। 

    জীবন-সংসারের গতি থমকে দাঁড়াল তাদের জীবনে। ইতোমধ্যে এ দম্পতির বিচ্ছেদের খবর জেনে গেছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। দেশবাসীকে থম দিয়েছেন এআর রহমান। কী কারণে বিচ্ছিদ এ দম্পতির জানিয়েছেন রহমানপত্নীর আইনজীবী। গত মঙ্গলবার (নভেম্বর) রাতে এক বিবৃতিতে আইনজীবী বন্দনা শাহ জানান, তিক্ত সম্পর্কের জেরেই এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তার মক্কেল। উভয়ের সম্মতিতেই এ পদক্ষেপ। এআর রহমানের বিচ্ছেদের খবর হাওয়ার বেগে ছড়াতেই বাকরুদ্ধ গোটা দেশ।

    গতকাল রোববার (২৪ নভেম্বর)  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিওবার্তায় সায়রা বানু বলেন, আমি বর্তমানে মুম্বাইয়ে আছি। গত কয়েক মাস ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলাম। তাই আমাকে বিরতি নিতে হয়েছে সবকিছু থেকে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আমাদের নিয়ে অনেক মুখরোচক গুজব প্রতিনিয়ত ছড়াচ্ছে। আমি সবাইকে বিশেষ করে ইউটিউব ও তামিল মিডিয়াকে অনুরোধ করছি— এআর রহমানকে নিয়ে খারাপ কিছু বলবেন না। তিনি একজন অসাধারণ মানুষ, বিশ্বের সেরা পুরুষ। 

    অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী এআর রহমানের নিজের ব্যান্ডের গিটারিস্ট মোহিনি দের সঙ্গে সম্পর্কের গুজব নিয়ে সায়রা বানু বলেন, এআর রহমান কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত নন। আমি তাকে সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করি এবং খুব ভালোবাসি। কোনো নতুন সম্পর্কের জন্য আমাদের সম্পর্কে প্রভাব পড়েনি। এ বিষয়টি অন্যরকম। তিনি আমার জন্য অনেক কিছু করেছেন, এখনো করেন। তাই অনুগ্রহ করে তার সম্পর্কে মিথ্যা গুজব ছড়াবেন না। ঈশ্বর তার মঙ্গল করুন।

    সবশেষ তিনি বলেন, চিকিৎসা শেষ হলে শিগগিরই চেন্নাই ফিরে আসবেন। সবার প্রতি অনুরোধ— এআর রহমানের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। এ সময় সায়রা বানু এআর রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং শত ব্যস্ততার মধ্যেও তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার খোঁজ নেন।

    এদিকে এআর রহমান তার আইনজীবীর মাধ্যমে এক্স হ্যান্ডলে কড়া বার্তা দিয়ে একটি নোটিশ পোস্ট করেছেন। সেখানেই রীতিমতো হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সুরকার ও তার স্ত্রী সায়রা বানুর বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে। নোটিশে বলা হয়েছে— বিচ্ছেদ নিয়ে যে বা যারা আপত্তিকর পোস্ট করেছেন অথবা ভিডিও দিচ্ছেন, তারা অবিলম্বে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলুন। সেটি না হলে ভারতীয় আইন অনুযায়ী মানহানির মামলার মুখে পড়তে হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মা-বাবার বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন রাহমানের তিন সন্তান

    ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবন শেষ করে দিলেন অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী এআর রাহমান। গত মঙ্গলবার রাতে গায়কের স্ত্রী নিজের আইনজীবী বন্দনা শাহর মাধ্যমে এক বিবৃতিতে নিজেদের ডিভোর্সের খবর জানান। 

    যেখানে বলা হয়,  বিয়ের বহু বছর পর স্বামী এআর রহমানের সঙ্গে বিচ্ছেদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সায়রা বানু। মানসিক চাপের কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা সত্ত্বেও নিজেদের মধ্যে তৈরিকৃত ব্যবধান দূরত্ব ঘোচাতে পারছিলেন না তারা। সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তারা।

    আরও বলা হয়, ‘মিসেস সায়রা জোর দিয়ে বলেছেন— ব্যথা ও যন্ত্রণা থেকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে তিনি তার জীবনের এই কঠিন অধ্যায়টি পার করার সময় সবার কাছ থেকে গোপনীয়তা এবং তাদের ব্যাপারটি বোঝার অনুরোধ করেছেন।’

    এরপর এআর রহমান এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন— আমরা গ্র্যান্ড ত্রিশে পৌঁছানোর কথা ভেবেছিলাম, কিন্তু মনে হয় সব কিছুরই একটা অজানা সমাপ্তি আছে। এমনকি ভগ্ন হৃদয়ের ভারে ঈশ্বরের সিংহাসনও কেঁপে উঠতে পারে। আমরা ছিন্নভিন্ন হয়েও অর্থ খুঁজি, যদিও এই টুকরোগুলো আর আগের মতো হবে না। আমাদের বন্ধুদের বলি— যখন আমরা এই হৃদয়বিদারক অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, তখন আপনারা উদারতার সঙ্গে আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করেছেন বলে আপনাদের ধন্যবাদ।

    এআর রাহমান ও সায়রা বানু ১৯৯৫ সালে বিয়ে করেছিলেন। এই দম্পতি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের মা–বাবা। তাদের তিন সন্তানের নাম খাদিজা, রহিমা ও আমিন।

    মা-বাবার বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসতেই ছেলে আমিন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া স্টোরিতে লিখেছেন, ‘আমরা সবাইকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে এই সময়ে আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। আপনাদের বোঝার জন্য ধন্যবাদ।’ 

    রহমানকন্যা খাদিজা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের বক্তব্য শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন— আমি খুব প্রশংসা করব যদি এ বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয়তা এবং সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখা হয়। আপনাদের বিবেচনার জন্য অনেক ধন্যবাদ। 

    দুই ভাইবোনের মতো মুখ খুলেছেন রহিমাও। বাবা আর রহমানের টুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি লিখেছেন— আমাদের আপনাদের প্রার্থনায় রাখুন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কত টাকার মালিক এআর রাহমান, ডিভোর্সের পর কত পাবেন সায়রা?

    স্ত্রী সায়রা বানুর সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করার পর থেকে নেটদুনিয়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে এআর রাহমানের সম্পত্তির পরিমাণ এবং এর মূল্য নিয়ে। সবার মনে এখন একটাই জানতে চাওয়া অস্কারজয়ী এই গায়ক কত কোটির সম্পত্তির মালিক? আর ডির্ভোসের পর সায়রাই বা কত টাকা পাবেন?

    ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী গায়ক হলেন এ আর রাহমান। কেবল তাই নয়, তিনি অন্যতম গায়ক এই দেশের যিনি সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

    এআর রাহমানের সম্পদ নিয়ে ভারতে ইংরেজি দৈনিক ‘ডিএনএ’ গতকাল একটি প্রতিবেদন করেছে।  

    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এআর রাহমানের মূল সম্পত্তি প্রায় ১৭২৮-২০০০ কোটি রুপির মধ্যে। ভারতের সবথেকে ধনী গায়ক তিনি।

    রাহমান প্রতি গান গাইতে তিনি ৩ কোটি টাকা করে নেন। প্রতিটি ছবির গান কম্পোজ করতে নেন ১০ কোটি টাকা করে! এছাড়া বিজ্ঞাপন, কনসার্ট, ইত্যাদি তো আছেই।

    কী কী পুরস্কার পেয়েছেন রাহমান?

    অস্কারজয়ী রাহমান আরও একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, আর সেই তালিকায় আছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একাডেমি অ্যাওয়ার্ড, গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড। তিনি পদ্ম ভূষণ সম্মান পেয়েছেন ভারত সরকারের থেকে।

    প্রসঙ্গত, গত ১৯ নভেম্বর সায়রা বানোর উকিলের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয় তারা আলাদা হতে চলেছেন। সেই বিবৃতিতে বলা হয়, বিয়ের বহু বছর পর স্বামী এ আর রহমানের সঙ্গে বিচ্ছেদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সায়রা বানু। তাদের সম্পর্কের মধ্যে মানসিক চাপের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একে অপরের প্রতি তাদের গভীর ভালবাসা সত্ত্বেও, এই দম্পতি খেয়াল করেছেন তাদের মধ্যে অনেক ব্যবধান, দূরত্ব তৈরি হয়েছে। যা এই মুহুর্তে কোনো পক্ষই পূরণ করতে সক্ষম নয় বলে মনে করছেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে ভাঙল এ আর রাহমানের তিন দশকের সংসার?

    অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রাহমান ও সায়রা বানুর সম্পর্কে হঠাৎ-ই বেজে উঠল বিচ্ছেদের সুর।  তারা পাশাপাশি চলেছেন প্রায় তিন দশক। মঙ্গলবার বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন এ দম্পতি। 

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, বিচ্ছেদের খবর জানিয়ে এ আর রাহমান আর সায়রা বানু যে বিবৃতি দিয়েছেন, সেখানে কারণ হিসেবে ‘মানসিক দূরত্ব’কে উল্লেখ করেছেন তারা। 

    বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে এ আর রাহমান এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘ভেবেছিলাম আমরা ত্রিশে পৌঁছাব। কিন্তু মনে হয় সবকিছুরই এমন শেষ আছে, যা আগে থেকে বোঝা যায় না। ভাঙা হৃদয়ের ভার স্রষ্টার সিংহাসনও কাঁপিয়ে দিতে পারে। ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে সবকিছুর অর্থ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছি। যদিও ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের টুকরাগুলো আর আগের জায়গা ফিরে পেতে না–ও পারে।’

    বন্ধুদের উদ্দেশে রাহমান আহ্বান জানান, আমাদের জীবনের এই ভঙ্গুর অধ্যায়ে মহানুভবতা ও আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানানোয় আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।

    এর আগে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে রাহমানের স্ত্রী সায়রা বানুর একটি বিবৃতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের মাধ্যমে প্রকাশ্যে আনেন তার আইনজীবী। 

    আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ জানিয়েছেন, বিয়ের বহু বছর পর স্বামী এ আর রাহমানের সঙ্গে বিচ্ছেদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন। মানসিক দূরত্ব বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা সত্ত্বেও এক সময় বুঝলেন, তাদের মধ্যে দিনে দিনে দূরত্ব বেড়েছে। অনেক ব্যবধান, যা এই মুহূর্তে কোনো পক্ষই পূরণ করতে সক্ষম নয় বলে মনে করছেন তারা। উভয়েই আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন মিটিয়ে নিতে, কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি।

    সায়রা বানুর ভাষ্য, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া তার পক্ষে মোটেও সহজ ছিল না। অনেক ব্যথা ও যন্ত্রণা থেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। বিবৃতিতে আইনজীবী অনুরোধ করেছেন, বিষয়টি নিয়ে যেন সায়রাকে বিব্রত না করা হয়। তিনি মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে ইতি টানা সহজ নয়।

    এ আর রাহমান ও সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহর আরেকটি মন্তব্য অন্যকিছু ইঙ্গিত করে। 

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, ধোকার কারণেই সব সময় তারকাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়, তা ঠিক নয়, জরুরি নয়। একে অপরের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ার কারণে অনেক সময় সম্পর্ক ভেঙে যায়। আবার অনেক সময় স্বামী-স্ত্রীর মা–বাবা, ভাই-বোন বা অন্য কোনো আত্মীয়ের কারণে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক প্রভাবিত হয়।

    ১৯৯৫ সালে সায়রা বানুর সঙ্গে সংসার জীবন শুরু করেন এ আর রাহমান। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে শিল্পী জানিয়েছিলেন, সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়েটা হয়েছিল পারিবারিক পছন্দে, প্রেম নয়। মায়ের পছন্দে বিয়ে করেছিলেন তিনি।

    সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাহমান এমনও বলেছিলেন, স্ত্রী সায়রার সঙ্গে তার কিছু সাংস্কৃতিক মতপার্থক্য রয়েছে। যদিও তারা বিষয়টি সামলে নিয়েছেন।

    ১১ বছর বয়স থেকে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার বিভিন্ন সুরকারের সঙ্গে বাজাতে শুরু করেন এ আর রাহমান। তার নাম ছিল দিলীপ কুমার। ঘটনাচক্রে ২৩ বছর বয়সে সপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নাম রাখা হয় এ আর রহমান।

    ১৯৯২ সালে তামিল ছবি ‘রোজা’ দিয়ে সুরকার হিসেবে তার যাত্রা। পরে ১৯৯৫ সালে রাম গোপাল ভার্মার ‘রঙ্গীলা’তে সংগীত পরিচালনা করে তিনি শুরু করেন বলিউড যাত্রা।

    ড্যানি বয়েলের ‘স্লামডগ মিলিয়নিয়ার’-এর জন্য অস্কার, গ্র্যামি, বাফটা ও গোল্ডেন গ্লোব জিতেছিলেন এ আর রাহমান। এ ছাড়া তার ঝুলিতে আছে ভারতের ছয়টি জাতীয় পুরস্কার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এ আর রহমানের বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী ও সন্তান

    ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনে ইতি৷ এ আর রহমানের ঘর আর করবেন না তার স্ত্রী সায়রা বানু৷ মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন তিনি৷

    জানানো হয়েছে, বিয়ের এতগুলো বছর পর রহমানের স্ত্রী সায়রা বানু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন- তিনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটবেন৷ অনেক মানসিক চাপের পরই এ সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পেরেছেন তারা৷ নিজেদের মধ্যে অগাধ প্রেম থাকা সত্ত্বেও প্রচুর দূরত্ব তৈরি হয়েছে যা আর মেটার নয়৷ এমনই জানানো হয়েছে এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে৷

    অনেক দুঃখে এবং বেদনায় এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে সায়রাকে৷ এই কঠিন সময় তিনি অন্তরালে থাকতে চান৷ সকলের যেন তার ব্যক্তিগত জীবনে গোপনীয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করেন, এমনই অনুরোধ করেছেন তিনি৷

    ১৯৯৫ সালে বিয়ে হয় এ আর রহমান ও সায়রার৷ দেখাশোনার বিয়ে ছিল তাদের৷ রহমানের মা নিজে পুত্রবধূকে দেখে পছন্দ করেছিলেন৷ কারণ রহমান কাজে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে তার সময় ছিল না বিয়ের জন্য মেয়ে দেখার৷ ফলে মাকে এই দায়িত্ব নিতে হয়েছিল৷ একটি সাক্ষাৎকারে এমন জানিয়েছিলেন এ আর রহমান৷

    তিনি আরও জানান, কাজে তিনি এতটাই ব্যস্ত যে মেয়ে খুঁজে বিয়ে করার মতো সময় ব্যয় করতে পারবেন না৷ আর তার স্ত্রীকে হতে হবে বুঝদার, এই দাবিও ছিল রহমানের৷ কারণ সঙ্গীতই তার জীবনের প্রথম প্রেম এবং সেই সঙ্গীত সাধনায় কোনো বাধা তিনি আনে পারবেন না৷ ফলে এমন মেয়েকে তিনি বিয়ে করবেন যে তাকে তার কাজের মধ্যে বিরক্ত করবে না, এই ছিল রহমানের শর্ত৷ এ আর রহমান ও সায়রার তিনটি সন্তান রয়েছে, খতিজা, রহিমা এবং আমীন রহমান৷

    এদিকে মা-বাবার বিচ্ছেদের খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়কের ছেলে এ আর আমীন। পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জিও টিভি এক প্রতিবেদনে অনুযায়ী সবার প্রতি একটি আহ্বান জানিয়েছেন তারকপুত্র।

    মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রামে এক স্টোরিতে অস্কারজয়ী গায়কের ছেলে লিখেছেন, ‘আমাদের এই সময় পরিবারের যাবতীয় গোপনীয়তাকে সম্মান করার জন্য আপনাদের সবার প্রতি অনুরোধ করছি। বিষয়টি বুঝতে পারার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।’

    সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ মঙ্গলবার তাদের এই বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বিয়ের দীর্ঘদিন পর সায়রা বানু তার স্বামী এ আর রহমানের কাছ থেকে আলাদা হওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নানা মানসিক চাপের কারণেই এই সিদ্ধান্তে এসেছেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক