Tag: সংসার

  • আম্বানিরা টাকা ওড়ায় বলে অন্যদের সংসার চলে: গায়ক মিকা সিং

    গত বছর ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ও নীতা আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ে নিয়ে সারা বিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছিল। প্রতিদিনই আম্বানি পরিবারের বিয়ে নিয়ে গণমাধ্যম থেকে সামাজিক মাধ্যমে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল। দীর্ঘ দিন ধরে চলেছিল সেই বিয়ের অনুষ্ঠান। দেশ-বিদেশ থেকে বহু অতিথির সমাগম হয়েছিল সেই বিয়েতে। এমনকি সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও গিয়েছিলেন বিয়ের একটি অনুষ্ঠানে। 

    আম্বানির এই রাজকীয় বিয়ে নিয়ে ছিল বিশ্বব্যাপী আলোচনা। এর পাশাপাশি সমালোচনাও কম হয়নি আম্বানি পরিবার নিয়ে। কোটি কোটি টাকা ওড়ানোর কথা তুলেছিলেন নিন্দুকেরা। তাই এবার আম্বানিদের পক্ষ নিয়ে নিন্দুকদের জবাব দিলেন বলিউডের সংগীতশিল্পী মিকা সিং।

    অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলেন মিকা সিং। ভালো পারিশ্রমিকও নিয়েছিলেন তিনি।  এ গায়ক বলেন, লোকজন বলে— অনেক টাকা ওড়ানো হয়েছে। মিকা সিং বলেন, এই টাকা ওড়ানোর জন্য কত লোকের সংসার চলছে। তা হলে এটাকে তো আশীর্বাদ বলা উচিত, নাকি? আমি কিন্তু তোষামোদ করছি না।

    একটি সূত্রের খবর, বিয়ের অনুষ্ঠানে আসা অনেক অতিথিকে নাকি আম্বানিদের পক্ষ থেকে দুই কোটি রুপি দামের ঘড়ি উপহার দেওয়া হয়েছিল। যদিও মিকা সিং এমন কোনো উপহার পাননি বলে জানান। 

    এ প্রসঙ্গে সংগীতশিল্পী এর আগেও বলেছিলেন, আমি অনন্ত আম্বানির বিয়েতে গান গাইতে গিয়েছিলাম। সবাইকে অনেক টাকা দিয়েছেন তিনি। আমাকেও দিয়েছেন। কিন্তু একটা বিষয়ে আমার রাগ ছিল— কারণ আমি ওই দামি ঘড়িটা পাইনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে-সংসার নয়, স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই: মিমি

    বাংলাদেশ ও ভারত, দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বিনোদন জগত থেকে রাজনীতিতে অংশ নিয়ে ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হন মিমি।

    পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে জন্ম নেওয়া এই অভিনেত্রীর বয়স ৩৬ ছুঁই ছুঁই। অথচ এখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। আর বিয়ে নিয়ে তার তেমন কোনো আগ্রহ নেই। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সিঙ্গেল লাইফ খুব বেশি উপভোগ করেন। তাকে সঙ্গ দেয় প্রাণপ্রিয় পোষ্যরা। কাজেই তাকে কোনোরকম একাকীত্ব গ্রাস করে না, শুধু ঘুমিয়েই আনন্দে জীবন কাটাতে চান অভিনেত্রী। 

    মিমি বলেন, ‘এক মুহূর্তের জন্যও মনে হয় না, আমার একটা বিয়ে হোক, সংসার করব। আমি নিজেই পরিপূর্ণ। স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় যদি কেউ একবার একা থাকা শিখে যায়, তাহলে তার থেকে শক্তিশালী নারী আর কেউ নেই। নিজের মতো করে জীবন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। আমার শোয়ার ঘর আর পোষ্য সারমেয় ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও থাকতে চাই না আমি। ওদের মুখ দেখে ঘুমাতে যাই, ওদের মুখ দেখে ঘুম থেকে উঠি। এর বাইরে কিচ্ছু চাই না আমি।’

    কিছু মানুষের আচার আচরণে অসন্তোষ প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ঔদ্ধত্য এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, রাস্তায় লোকজনদের ওপর ঔদ্ধত্য আচরণ করে অনেকে বান্ধবী পটাতে চায়। পূজায় পৌরুষের বহর যেন আরও বেড়ে যায়! সাঁ করে জোরে বাইক চালিয়ে বেরিয়ে যায়! এই পুরুষই প্রেম করে বিয়ের পরে অত্যাচারী হয়ে ওঠে।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সংসারের জন্য নিজেকে হারিয়ে ফেলতে চাননি ঐশ্বরিয়া

    তারকাদের প্রেম, বিয়ে, সংসার নিয়ে রটনা চলতেই থাকে। ক্যারিয়ার তৈরিতে ব্যস্ত উচ্চাকাঙ্খী নায়ক-নায়িকার প্রেম ভাবনা, বিয়ে কখন করবেন, সংসার-বিচ্ছেদ এসব নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের নানা প্রশ্ন থাকে। সংসারে প্রবেশের পর অনেকের ক্ষেত্রেই ক্যারিয়ারে ভাটা পড়তে দেখা যায়।

    rnrn

    বিয়ের আগে ও পরে এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। যেখানে তিনি বলেছিলেন, বিয়ে করবেন, মাতৃত্বও উপভোগ করতে চান, তবে সংসারে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে চান না।

    rnrn

    অভিষেকের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যেই পুরোনো এক ভিডিওতে ঐশ্বরিয়ার কিছু কথা আবার সামনে এসেছে। যেখানে বিয়ে নিয়ে কথা বলেছেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী।

    rnrn

    সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সি ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে ও সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে। তখনও অবিবাহিত ঐশ্বরিয়া। 

    rnrn

    নায়িকা জানান, তিনি বিয়েতে বিশ্বাস করেন। ভবিষ্যতে বিয়ে করার পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে সঠিক সময়ে সঠিক মানুষকে বিয়ে করবেন তিনি। বিয়ের কথা বলতে বলতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ঐশ্বরিয়া। 

    rnrn

    ঐশ্বরিয়া জানান, শুধু বিয়ে নয়, বিয়ের দিনটাও তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিন হয়ে উঠবে। মাতৃত্ব উপভোগ করতে চান বলেও জানান।

    rnrn

    ২০০৭-এ অভিষেকের সঙ্গে সাত পাঁকে বাঁধা পরেন ঐশ্বরিয়া। বিয়ের পরে আরেক সাক্ষাৎকারে আবারও বিয়ে ও সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। 

    rnrn

    তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সংসারে মন দিতে গিয়ে কি অভিনয় থেকে দূরে সরে যাবেন? 

    rnrn

    অভিনেত্রীর উত্তর ছিল, তিনি সন্তানধারণের অপেক্ষা করছেন, কারণ তিনি মাতৃত্ব উপভোগ করতে চান। তবে ঐশ্বরিয়া জানিয়েছিলেন, পরিবার বা সংসারের জন্য কখনোই নিজেকে হারিয়ে ফেলতে চান না তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করে চমক বললেন, আমাকে সংসারটা করতে দিন

    সম্প্রতি আজমান নাসিরকে বিয়ে করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। মাত্র ৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন তিনি। বিয়েটা সেরেছেন মাদরাসায়, সেখানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খাইয়ে। বিয়ের খবর প্রকাশের পর শুভকামনা যেমন পেয়েছেন, তেমনি নেটিজেনদের নেতিবাচক মন্তব্যের শিকারও হয়েছেন। এসবের কড়া জবাবও দিয়েছেন অভিনেত্রী।

    rnrn

    বিদেশে  থেকেই এক ভিডিও বার্তায় চমক বলেন, ‘আমি রাজকুমারকে বিয়ে করছি নাকি রাজাকে বিয়ে করছি, রাস্তার ফকিরকে বিয়ে করছি, নাকি একজন খারাপ মানুষ বা অপরাধীকে বিয়ে করছি কিংবা অসম্ভব বাজে একজন মানুষকে বিয়ে করছি, নাকি অসাধারণ মানুষকে বিয়ে করছি, দেখতে খুব সুন্দর কিংবা দেখতে খুব অসুন্দর বা চালাক অথবা একটা বোকা—এটা মনে হয় অন্য কারও চিন্তার বিষয় হতে পারে না। সংসারটা তো আমি করব, তাই আমার সংসার আমাকেই করতে দিন।’

    rnrn

    চমক বলেছেন, ‘এই ছোট্ট জীবনে মানুষ কত খারাপ কিছু চিন্তা করে। কত হিংসা-বিদ্বেষ, কত কিছু। এত কিছু বাদ দিয়ে আমরা নাহয় একটু ভালো থাকার চেষ্টা করি। আপনার জীবনেও আপনি ভালো থাকার চেষ্টা করুন। আপনার জীবনে হতাশা থাকতে পারে। কষ্ট থাকতে পারে, চাওয়া-পাওয়ার অমিলও থাকতে পারে সবকিছুই থাকতে পারে।’ 

    rnrn

    ‘চেষ্টা করুক, সবকিছু ঠিক রাখতে। খারাপের মধ্যেও ভালো থাকার চেষ্টা করুন। অন্যরাও যখন ভালো থাকে, প্রশংসা করার চেষ্টা করুন। দেখবেন জীবনটা আসলেই সুন্দর। আমি নিজে এত কিছু নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমার যখন যেটা ভালো লাগে সেটাই করি। আমি চাই, আমার আশপাশের মানুষগুলো ভালো থাকুক, আমিও ভালো থাকি।’

    rnrn

    ভিডিও বার্তার একপর্যায়ে চমক বলেন, ‘অনেক বছর একসঙ্গে থাকার পরও জানা যায় না, মানুষটা ভালো না খারাপ। এত অল্প সময়ে আমি কী করে মানুষটাকে বিচার করব? তবে এ মুহূর্তে মানুষটার সঙ্গে সুখী আমি। এটাও সত্যি, সামনের বছর এ মানুষটার সঙ্গে আমি ভালো থাকব কি না, কিংবা আগামী বছর সে আমাকে একইভাবে ভালোবাসবে কি না বা আমিও বাসব কি না, জানি না। তাই ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা না করে, এত মানুষকে নিয়ে চিন্তা না করে, আসুন এ মুহূর্তটায় ভালো থাকার চেষ্টা করি। জীবন খুব ছোট, প্রতি মুহূর্তে ভালো থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মুহূর্ত এনজয় করাটা গুরুত্বপূর্ণ।’

    rnrn

    ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানার্সআপ হন চমক। এরপর শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন। সম্প্রতি তার সহ-অভিনেতা আরশ খানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে আলোচিত ও সমালোচিত হন চমক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভেঙে যাচ্ছে জেনিফার লোপেজের চতুর্থ সংসার

    ভেঙে যাওয়ার পথে হলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা জেনিফার লোপেজের চতুর্থ সংসার। জেনিফার এখন আর তার স্বামী অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে বসবাস করেন না। 

    শুক্রবার খবর প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেলিব্রিটি গসিপ ম্যাগাজিন ইন টাচ উইকলি।

    এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বাড়িতে একসঙ্গে বসবাস করতেন তারকা দম্পতি বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজ। গত ১৬ মে সকালে এ বাড়ি থেকে চলে যান বেন। 

    শোনা যাচ্ছে, দাম্পত্য জীবনে সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার কারণে বাড়ি থেকে চলে যান তিনি।

    সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, ‘বেন এরই মধ্যে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। সম্ভবত তারা তাদের স্বপ্নের বাড়িটি বিক্রি করে দেবেন। এজন্য গত দুই বছর ধরে চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন।’

    বেন-জেনিফার ডিভোর্সের দিকে যাচ্ছেন। এ তথ্য উল্লেখ করে সূত্রটি বলেন, ‘তারা বিবাহবিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে। তারা পরস্পরকে সবসময়ই ভালোবাসবে। কিন্তু জেনিফার তাকে (বেন) নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না এবং বেনও জেনিফারকে পরিবর্তন করতে পারবে না। সুতরাং এ সংসার স্থায়ী হওয়ার আর কোনো উপায় নেই।’

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড জানিয়েছে, অস্কার জয়ী বেন এখন ব্রেন্টউডের বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকে আসা-যাওয়া করছেন বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, ২০০২ সালে গিগলি সিনেমার শুটিংয়ের সময় সাক্ষাৎ হয় বেন-জেনিফারের। ২০০৩ সালে তাদের বাগদান হয়। তবে এর পরের বছর তাদের বাগদান ভেঙে যায়। প্রথম বাগদান ভাঙার ১৯ বছর পর অর্থাৎ ২০২২ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন তারা।

    এর আগে, ২০০৪ সালে গায়ক মার্ক অ্যান্থনিকে বিয়ে করেন লোপেজ। ২০১৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে এটি লোপেজের চতুর্থ বিয়ে। অন্যদিকে, ২০০৫ সালে অভিনেত্রী জেনিফার গার্নারকে বিয়ে করেছিলেন বেন। ২০১৮ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বেন ও গার্নার জুটির তিনটি সন্তান রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বলিউডের যেসব তারকা বিয়ের আগেই সংসার শুরু করেন

    ভারতের মুম্বাইভিত্তিক হিন্দি চলচ্চিত্রকে আগে বোম্বে সিনেমা নামে ডাকা হতো; যা বলিউড নামেও পরিচিত। আজ বলিউডের সেসব দম্পতির সম্পর্কে জানব, যারা বিয়ের আগেই সংসার জীবন শুরু করেন। 

    আমির খান এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, বিয়ের প্রায় দেড় বছর আগে কিরণ রাওয়ের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। বিয়ের ১৫ বছর পর তাদের বিচ্ছেদ হয়।

    অভিনেত্রী কারিনা কাপুরও বিয়ের আগে সাইফ আলি খানের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। তাকে প্রায়ই লিভ-ইন সম্পর্ক সমর্থন করতে দেখা গেছে।

    সাইফ আলি খানের বোন সোহা আলি খানও বিয়ের আগে কুণাল খেমুর সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন।

    অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত এবং অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডে প্রায় ছয় বছর ধরে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। এরপর তারা আলাদা হয়ে যান।

    জন আব্রাহাম এবং বিপাশা বসু বলিউডের জনপ্রিয় দম্পতি ছিলেন। প্রায় ৯ বছর ধরে তারা লিভ ইন রিলেশনশিপে ছিলেন। এখন দুজনেই স্বাধীন বিবাহিত জীবনযাপন করছেন।

    অক্ষয় কুমার এবং টুইঙ্কেল খান্নাও বিয়ের আগে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। এবার দুজনকেই সমর্থন করলেন টুইঙ্কলের মা ডিম্পল কাপাডিয়া।

    আমির খানের ভাগ্নে ইমরান খান এবং তার সাবেক স্ত্রী অবন্তিকা ছিলেন ছোটবেলার বন্ধু। বিয়ের আগে কিছু সময় লিভ-ইন রিলেশনে কাটিয়েছেন তারা। কয়েক বছর আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি রণবীর কাপুর এবং ক্যাটরিনা কাইফও প্রায় ৬ বছর ধরে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। এখন দুজনেই আলাদা আলাদা সুখে সংসার করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এশার সাজানো-গোছানো সংসার অবশেষে ভেঙে গেল

    বেশ কিছুদিন ধরেই এষা দেওল-ভরত তখতানির বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন ছিল। অবশেষে তাদের ১২ বছরের সংসার ভেঙে চুরমার। 

    rnrn

    হেমা মালিনি-ধর্মেন্দ্রর বড় মেয়ে এশা দেওল। গত কয়েক মাস ধরে মায়ের বাড়িতেই থাকতেন এষা। সেখানেই বিচ্ছেদের কানাঘুষো শুরু। অবশেষে তা বাস্তবে রূপ নিল। 

    rnrn

    ২০১২ সালের জুন মাসে হিরা ব্যবসায়ী ভরত তখতানিকে বিয়ে করেন এশা। ২০১৭ সালে তাদের প্রথম সন্তান রাধ্যার জন্ম হয়। তার দুই বছর পর দ্বিতীয় সন্তান মীরার জন্ম। তাদের সাজানো-গোছানো সংসার ছিল। কিন্তু চিড় ধরে সেই সুখের সংসারে।

    rnrn

    গুঞ্জন রয়েছে, এষার স্বামী ভরত নাকি পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ান। বেঙ্গালুরুতে প্রেমিকার সঙ্গে একত্রে থাকেন। সেই কারণে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন এশা।

    rnrn

    দিল্লি টাইমসকে এশা ও ভরত বলেন, আমরা যৌথসম্মতিতে শান্তিপূর্ণভাবে আলাদা হয়েছি। আমাদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল কারণ আমাদের দুই সন্তান। এ সময় আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে গোপনীয়তা বজায় থাকবে এটাই আশা করব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিডিয়ার মানুষদের সংসার টিকে না: সোহানা সাবা

    ভালোবেসে নির্মাতা মুরাদ পারভেজকে ২০০৯ সালে বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। কিন্তু দাম্পত্য জীবনের মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে ২০১৫ সালে বিচ্ছেদ হয় তাদের। তার পর গত ৮ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সঙ্গী হিসেবে কাউকে কখনো প্রয়োজন মনে করেননি বলেই নতুন কোনো সম্পর্কে জড়াননি এ অভিনেত্রী।

    স্বাভাবিকভাবে বিয়ে ও বিচ্ছেদ প্রতিটি মানুষের কাছে স্মরণীয়। অভিনেত্রী সাবার কাছেও তাই। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিয়েবিচ্ছেদের ৮ বছর পূর্ণ হয়েছে তার। দিনটির কথা মনে করেছেন তিনি। আর তা একটু ব্যতিক্রমভাবে উপস্থাপন করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

    বিচ্ছেদের পরের আট বছরের জীবনকে স্বাধীনতার বছর বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন― মিডিয়ায় কাজ করা মানুষদের সংসার টিকে না।

    সাবা ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন, ‘মিডিয়ায় কাজ করা মানুষদের সংসার টিকে না। এই কথা শুনে শুনে কান পচে যাওয়ার কারণেই প্রায় ১০ বছর দাঁত চেপে পড়েছিলাম। ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত পৌনে ১২টায় একা একটা রিকশা নিয়ে পুরান ঢাকায় খালামণির বাসায় যখন যাচ্ছিলাম, তখন বাসায় আবার অত্যাচারিত হওয়ার চেয়ে রাস্তায় অজানা অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে যাওয়ার ভয়কে তুচ্ছ মনে হচ্ছিল। 

    অথচ ভেবেছিলাম বড় করে এক দশক সেলিব্রেট করব। সবাইকে চমকে দেব আমরাও পারি! থাক না সে ডিকেডে সবার অজানা রক্তাক্ত ইতিহাস।’

    বিচ্ছেদপরবর্তী জীবনকে বেশ ভালোই উপভোগ করছেন এ অভিনেত্রী। সে কথা তার স্ট্যাটাসেই স্পষ্ট। সাবা লিখেছেন— যে কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই ভাবনাটা সমান্তরাল দুই পাশ থেকেই আসতে হয়। আজকে যখন নিজেকে দেখি অবাক লাগে। কত চড়াই-উতরাই পার করে আজ কি সুন্দর জীবন।

    তিনি আরও লেখেন— অলমোস্ট ৯ বছরের ছেলের মা। যে তার মায়ের দিকে তাকিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে যে, তার কোনো ভয় নেই। তার আশপাশে শক্ত আরামের দেয়াল। তার মানে কিন্তু এই নয়, আমি আমার জীবন উপভোগ করি না। আমি আমার জীবন পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করি।

    সাবা লেখেন, ‘যা হবার ছিল বা হতে পারতাম না ভেবে, প্রতিদিন নিজেকে ভেঙে গড়ি, প্রতিদিন আমি আরও সুন্দর, শক্ত, আধুনিক, পিওর হই। শুকুর আলহামদুলিল্লাহ।’ এর পরই হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে সাবা লেখেন, ‘আমার স্বাধীনতার ৮ বছর।

    প্রসঙ্গত, ছয় বছরের দাম্পত্য জীবনে ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর পুত্রসন্তানের মা হন অভিনেত্রী সাবা। ছেলের নাম রাখেন স্বরবর্ণ। এখন ছেলেকে নিয়েই সময় কাটে এ তারকার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে ভেঙে গেল রাজ-পরীমনির সংসার

    তারকাদের অভিনয় গুণের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আগ্রহ থাকে দর্শকদের। বিয়ে, দাম্পত্য, সংসার— সব কিছুরই খোঁজ রাখেন ভক্তরা। আবার কখনো কখনো তারকারা অভিনয় জগত ঠিক রাখলেও দাম্পত্য জীবন ঠিক রাখতে পারেন না। 

    ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি ও নায়ক রাজের ক্ষেত্রে এমনটিই ঘটে গেল। বিয়ের পর থেকেই তাদের সম্পর্কটা যেদিকে যাচ্ছিল তাতে সহজেই অনুমেয় ছিল যে, খুব বেশি দূর একসঙ্গে পথ চলতে পারবেন না দুজন। মাঝখানে তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের কেউ কেউ দুজনের সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাতে সম্পর্কের তলানিতে প্রলেপই লেগেছে, ভাঙন ঠেকানোর জন্য সেই প্রচেষ্টা যথেষ্ট ছিল না।

    শেষ পর্যন্ত সোমবার রাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিলেন পরীমনি। রাজের সঙ্গে সম্পর্কের যবানিকাপাত যে পরী টানতে চাচ্ছিলেন, সেটি আগেই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল।

    রাজ-পরীমনির পরিবারের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, একটা সম্পর্ক টেকসই হওয়ার জন্য যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস দরকার, সেটি তাদের ক্ষেত্রে ছিল না। সন্দেহপ্রবণতা ও কমিটমেন্টের অভাব ছিল লক্ষণীয়। এ কারণেই মূলত তাদের বন্ধন আলগা হয়ে গেল। 
    রাজের সঙ্গে ডিভোর্সের কারণ হিসাবে মনের অমিল হওয়া, বনিবনা না হওয়া, খোঁজখবর না নেওয়া, মানসিক অশান্তির কথা উল্লেখ্য করেছেন পরীমনি। 

    ইতিপূর্বে রাজ-পরী দম্পতি বেশ কয়েক দফায় অভিমান ভুলে এক হলেও বেশ কিছু দিন ধরে তাদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না।

    আরও পড়ুন:

    চলতি বছর মে মাসে অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল, তানজিন তিশা ও নাজিফা তুষির সঙ্গে শরিফুল রাজের বেশ কিছু আপত্তিকর ভিডিও ও স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকে পরীমনির সঙ্গে দাম্পত্যকলহ শুরু হয় রাজের। ওই ঘটনার পর থেকে তারা আলাদা থাকছেন।

    তবে ছেলে রাজ্যের জন্মদিনে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। পরীমনির বাসায়ও এসেছিলেন রাজ। পরে আবার বেরিয়ে গেছেন। 

    বিভিন্ন সময় পরীমনি অভিযোগ করে আসছেন যে, রাজ অগোছালো, সংসারের প্রতি তার কোনো প্রতিজ্ঞা নেই। পরীমনির প্রতি তার আলাদা কোনো টানও নেই। আর রাজের ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ, পরীমনির জীবনটাই হেয়ালিতে ভরা। 

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি হলুদ অনুষ্ঠানের পর দিন ২২ জানুয়ারি রাতে জমকালো আয়োজনে ১০১ টাকা দেনমোহরে শরিফুল রাজ-পরীমনির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়। অতিথির তালিকায় ছিলেন তিন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চয়নিকা চৌধুরী ও রেদওয়ান রনি। সঙ্গে দুই পরিবারের স্বজনরা।

    ২০১৫ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পরীমনির। সে বছর ‘রানা প্লাজা’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। পরীমনি অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ভালোবাসব তোমায়’, ‘মহুয়া সুন্দরী’, ‘রক্ত’ ও ‘স্বপ্নজাল’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভেঙে গেল রাজ-পরীর সংসার

    দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না; সে তালিকায় বরাবরই আলোচিত পরীমনি। এবার অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন ঢালিউডের এই অভিনেত্রী। 

    সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই চিত্রনায়িকা অভিনেতা শরিফুল রাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন। তালাকের সেই কপি এসেছে গণমাধ্যমের কাছে। 

    ইতিপূর্বে রাজ-পরী দম্পতির বেশ কয়েক দফায় অভিমান ভুলে এক হলেও বেশ কিছু দিন ধরে তাদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুন:

    চলতি বছর মে মাসে অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল, তানজিন তিশা ও নাজিফা তুষির সঙ্গে শরিফুল রাজের বেশ কিছু আপত্তিকর ভিডিও ও স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে যায়। এর পর থেকে পরীমনির সঙ্গে দাম্পত্যকলহ শুরু হয়। এর পর থেকে তারা আলাদা থাকছেন।

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি হলুদ অনুষ্ঠানের পর দিন ২২ জানুয়ারি রাতে জমকালো আয়োজনে শরিফুল রাজ-পরীমনির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। অতিথির তালিকায় ছিলেন তিন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চয়নিকা চৌধুরী ও রেদওয়ান রনি। সঙ্গে দুই পরিবারের স্বজনরা।

    বিনোদন ডেস্ক