Tag: লন্ডন

  • ১৫ মাস পর দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

    লন্ডনে চিকিৎসা নিয়েছেন নন্দিত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। দীর্ঘ ১৫ মাস পর অবশেষে দেশে ফিরছেন। বাংলাদেশ সময় আজ সকালে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছেন অভিনেতা। সঙ্গে রয়েছেন তার জামাতা আরিফুল ইসলাম কলিন্স।

    এছাড়া কাঞ্চনের সংস্থা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এ দীর্ঘদিন ধরে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন লিটন এরশাদ। তিনিও অভিনেতার দেশে ফেরার খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

    তবে এই ফেরা বেশিদিনের জন্য নয়। লিটন জানিয়েছেন, ১৪ আগস্টের আগেই তাকে আবার লন্ডনে ফিরতে হবে। কেননা ১৫ আগস্ট সেখানে তাকে পুনরায় পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হবে।

    ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত কাঞ্চন। জানা গেছে, এরই মধ্যে তাকে ৬০টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় অভিনেতার চেহারায়ও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। বিমানবন্দর থেকে তোলা একটি ছবিতে দেখা গেছে, সাদা চুল-দাড়িতে কাঞ্চন বসে আছেন চেয়ারে। তার সফরসঙ্গীরা রয়েছেন পেছনে দাঁড়িয়ে।

    লিটন এরশাদ জানান, এতদিনের চিকিৎসায় আশানুরূপ উন্নতি হয়নি অভিনেতার। তিনি বলেন, ‘আমাদের কনফিডেন্স লেভেলটা কমে এসেছে। তার পরিবার লন্ডনের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। অথচ আশানুরূপ কিছু হয়নি। কাঞ্চন ভাইও দেশে ফেরার জন্য ব্যাকুল হয়ে গেছেন। তাই পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কয়েক দিনের জন্য তাকে দেশে আনবে।’

    উল্লেখ্য, গত বছরের এপ্রিলে লন্ডনে গিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এরপর আগস্টে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়। জটিলতা ও ঝুঁকির কারণে সে সময় টিউমারের বড় একটি অংশ অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। এরপর থেকে নিয়মিত চলছিল কেমো থেরাপি।

    প্রসঙ্গত, বাংলা সিনেমার অন্যতম সফল অভিনেতাদের একজন ইলিয়াস কাঞ্চন। রেকর্ড সৃষ্টিকারী সিনেমা ‘বেদের মেয়ে জোছনা’সহ তার ঝুলিতে রয়েছে অনেক ব্যবসাসফল ও নন্দিত সিনেমা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • লন্ডনে পিটবুলের কনসার্টে গিনেস রেকর্ড, ২২ হাজার দর্শক পরলেন ‘টাক টুপি’

    ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র গরমে মাথায় আঁটসাঁট প্লাস্টিকের টুপি পরা খুব একটা আরামদায়ক বিষয় নয়। তবু লন্ডনের হাইড পার্কে ২২ হাজার ১৪১ জন মানুষ ঠিক এই কাজটিই করেছেন। পরনে ছিল সাদা শার্ট, কালো টাই এবং এভিয়েটর রোদচশমা। বিএসটি ফেস্টিভ্যালের মূল আকর্ষণ র‍্যাপার পিটবুলকে সম্মান জানাতে এবং সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের টাক টুপি পরার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়তেই তাদের এই অদ্ভুত আয়োজন।

    কালো স্যুট পরে রেকর্ড ভাঙার এই স্বীকৃতি গ্রহণ করার সময় এই র‍্যাপার বলেন, আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কে ভেবেছিল প্রথম প্রজন্মের একজন কিউবান এভাবে রেকর্ড ভাঙবে এবং গড়বে?

    পিটবুল নিজেও টাক মাথার অধিকারী, কিন্তু রেকর্ডের অংশ হতে তাকেও একটি ‘টাক টুপি’ পরতে হয়েছিল। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিশিয়াল বিচারক উইল মুনফোর্ডের মতে, এটি সবচেয়ে বেশি সংখ্যক টাক মানুষের সমাবেশের কোনো রেকর্ড ছিল না। তাই ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড’ (র‍্যাপারের ডাকনাম) হিসেবে পরিচিত পিটবুলকেও রেকর্ডভুক্ত হতে এই টুপি পরতে হয়েছে।

    মুনফোর্ড জানান, সঠিক ফলাফল নিশ্চিত করতে প্রবেশদ্বার ও অনুষ্ঠানস্থলে ৪০০ জন স্বেচ্ছাসেবক ব্যক্তিগতভাবে সবাইকে চেক করেছেন এবং ব্যাকস্টেজে ৪২ জন গণনাকারীর সাহায্যে ড্রোন ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    কনসার্টের আগে এই টুপির চাহিদা এতই বেড়ে গিয়েছিল যে, অনেকেই শেষ মুহূর্তে এটি জোগাড় করতে হিমশিম খেয়েছেন। ৩০ বছর বয়সি লুসি তার সেরা বন্ধু হান্নাহর সঙ্গে তৃতীয়বারের মতো পিটবুলের কনসার্টে এসেছিলেন। 

    তিনি বলেন, এই সপ্তাহে আমি তিনটি ভিন্ন ফ্যান্সি ড্রেসের দোকানে গিয়েছিলাম, কিন্তু সব জায়গায় টুপি শেষ হয়ে গিয়েছিল। লুসি ভয় পাচ্ছিলেন যে, টাক টুপির এই বিশাল সমুদ্রে আমরাই হয়তো একমাত্র টুপি ছাড়া থাকব। মনে হচ্ছিল, এটি যেন ৬০ হাজার মানুষের মধ্যকার নিজেদের একটি দারুণ মজার জোকস।

    এই বিশ্ব রেকর্ড গড়ার ধারণাটি পিটবুল, বিএসটি বা গিনেস কর্তৃপক্ষের কারও মাথা থেকেই আসেনি; এর শুরুটা করেছিলেন একজন ভক্ত।

    পডকাস্ট হোস্ট ও সাংস্কৃতিক বিশ্লেষক জ্যাক রেমিংটন মজা করে বলেন, এই পুরো ঘটনাটি আমার জন্যই ঘটেছে। গত বছর বিএসটি যখন পিটবুলের পারফরম্যান্সের ঘোষণা দেয়, তখন রেমিংটন টিকটকে একটি মজার ভিডিও পোস্ট করে বলেছিলেন, বিএসটি-র ৬৫ হাজার ধারণক্ষমতা পিটবুলের মতো সাজা মানুষদের দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড ভাঙার জন্য অনায়াসেই যথেষ্ট।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয় এবং শিগগিরই রেমিংটন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এবং বিবিসি রেডিও ১-এর গ্রেগ জেমসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা পিটবুলকে মেসেজ পাঠিয়ে জানতে চান যে তিনি এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত কিনা। ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড’ আনন্দের সঙ্গেই উত্তর দিয়েছিলেন, ‘দেল!’ (স্প্যানিশ ভাষায় যার অর্থ ‘এগিয়ে যাও’ বা ‘শুরু করো’, যা তার একটি অ্যালবামেরও নাম)।

    মুনফোর্ড বলেন, এই রেকর্ডটি শুধু চমক সৃষ্টির জন্য নয়। এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার কারণ হলো—এত বিশাল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ এবং এমন অনেক মানুষ রেকর্ড গড়ার অংশ হতে পেরেছেন, যারা হয়তো আগে কখনো এমন সুযোগ পাননি। পিটবুলের মতো সাজগোজ করার এই ইন্টারনেটভিত্তিক ট্রেন্ডটি আগে থেকেই বেশ জনপ্রিয় ছিল, যা এই রেকর্ড গড়তে সাহায্য করেছে।

    পিটবুলের অনুকরণ করার এই ট্রেন্ডটি ২০২১ সালে শুরু হয়েছিল, যখন কয়েকজন ভক্ত তাকে মজা করে নকল করে কনসার্টে এসেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি ভাইরাল ভিডিওর সুবাদে এটি দ্রুত একটি বিশাল ফ্যান মুভমেন্টে পরিণত হয় এবং এখন ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড’-এর শো-তে তার মতো সেজে আসাটাই যেন অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কিউবান-আমেরিকান এ র‍্যাপার এই বিষয়টিকে সাদরে গ্রহণ করে তার ভক্তদের নাম দিয়েছেন ‘দ্য বাল্ডিস’। এমনকি তিনি নিজের ওয়েবসাইটে অফিশিয়াল ‘মিস্টার ওয়ার্ল্ডওয়াইড কিট’ এবং টাক টুপি যথাক্রমে ৪০ ও ১০ পাউন্ডে বিক্রি করছেন। যার দুটিই এখন সোল্ড আউট।

    শাওনা (যিনি টাক টুপি পরেছিলেন) এবং জ্যাক (যার মাথায় সত্যিই টাক), ৩৩ বছর বয়সি এই দুই বন্ধু পিটবুলের অন্ধ ভক্ত নন, তবে তারা এসেছিলেন নস্টালজিক ও বাঁধভাঙা আনন্দের একটি রাত কাটানোর আশায়।

    শাওনা বলেন, কোনো কনসার্টে দেখা এটি আমার সবচেয়ে কম অহংকারী দর্শকসারি। পৃথিবী আক্ষরিক অর্থেই পুড়ছে, তাহলে কেন আমি মাথায় একটা টাক টুপি পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোর সেই প্রিয় পপ গানগুলোর তালে নেচে একটু ভালো অনুভব করব না?

    সূর্য অস্ত যাওয়ার পর র‍্যাপার যখন মঞ্চে ওঠেন, তখন হাজার হাজার অনুকরণকারীকে তার সঙ্গে প্রতিটি গানের কলি গাইতে দেখে তিনি দৃশ্যতই অবাক হয়ে যান। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্বীকৃতি দিয়ে তিনি বলেন, লন্ডনে ‘বাল্ডিস’দের দেখা পাওয়া আমার জন্য এক আশীর্বাদ এবং সম্মানের বিষয়।

    সূত্র: দি গার্ডিয়ান

    বিনোদন ডেস্ক

  • মুহূর্তেই বাঁধতে পারেন গান, লন্ডনের মঞ্চ মাতাচ্ছেন পাকিস্তানি র‍্যাপার

    পাঞ্জাবি ও উর্দু ভাষার উদ্যমী র‍্যাপ গান এবং কবিতার মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মধ্য দিয়ে লন্ডনে নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন পাকিস্তানি ফ্রিস্টাইল র‍্যাপার গনি টাইগার।

    প্রায় এক বছর আগে পাকিস্তান থেকে লন্ডনে যাওয়ার পর, নিজের ফ্রিস্টাইল র‍্যাপের মাধ্যমে দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন টাইগার। তার গানে প্রায়ই সমসাময়িক সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো উঠে আসে।

    সম্প্রতি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গাওয়া তার একটি র‍্যাপ গান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গানটির আকর্ষণীয় কথা এবং দেশাত্মবোধক থিমের কারণে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

    টাইগারের আসল নাম হামজা গনি। লন্ডনের বিভিন্ন ভেন্যুতে র‍্যাপ তারকা বোহেমিয়া, আবরার-উল-হক এবং বিলাল সাঈদের কনসার্টের উদ্বোধনী পর্বে পারফর্ম করে ভক্তদের বিপুল করতালিতে সিক্ত হয়েছেন তিনি।

    এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন ঘরোয়া অনুষ্ঠান, রাস্তার মোড় এবং ট্রাফালগার স্কয়ার ও পিকাডিলি সার্কাসসহ লন্ডনের বেশ কয়েকটি বিখ্যাত স্থানে পারফর্ম করেছেন।

    সংগীতজগতের অনেকেই টাইগারকে একজন প্রতিভাবান শিল্পী হিসেবে মনে করেন।

    তিনি মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি নতুন র‍্যাপ গান তৈরি করে তা গাইতে পারেন; গানটির কথা, ছন্দ এবং গায়কী প্রায় তাৎক্ষণিকভাবেই তৈরি করে ফেলেন তিনি। তাৎক্ষণিক র‍্যাপ কবিতা তৈরির এই ক্ষমতার কারণে বোহেমিয়া, আবরার-উল-হক এবং জিশান রোখরি তাকে একজন ‘ভীষণ প্রতিভাবান’ শিল্পী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    ২০২০ সালে পাঞ্জাবের পসরুর এলাকায় তার বাবাকে হত্যা করা হয় এবং তার ভাইকে গুলি করা হয়। সে সময় বিচার চেয়ে একটি আবেগঘন ভিডিও পোস্ট করেছিলেন টাইগার, যা অনলাইনে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল।

    টাইগারের দাবি, তার বাবার হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজনকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তিনি তার এই ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে পরবর্তী সময়ে প্রিয়জন হারানো, আশা ও টিকে থাকার আবেগঘন গানে রূপ দিয়েছেন।

    এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বাবার হত্যাকাণ্ড আমার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায় ছিল। তাঁকে যখন হত্যা করা হয়, আমি তখন বেশ ছোট। আমি হতাশা থেকে আশার আলো খুঁজে নিয়েছি এবং ইতিবাচকতা ও আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি পরিবারের দেখাশোনা করতে কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং নিশ্চিত করেছি যেন আমি আমার চারপাশের অভাবী মানুষদের শিক্ষিত করতে পারি।’

    পাকিস্তানে আন্ডারগ্রাউন্ড র‍্যাপ সার্কিট, লাইভ ইভেন্ট এবং অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন।

    বর্তমানে তিনি তার তীক্ষ্ণ গায়কী, রাস্তা থেকে অনুপ্রাণিত গানের কথা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শক্তিশালী অনুসারী ঘাঁটির জন্য পরিচিত। নিজেকে পাকিস্তানের অন্যতম উদীয়মান ফ্রিস্টাইল র‍্যাপ শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাস্তব জীবনের গল্প থেকে শিখেছি কীভাবে দৈনন্দিন আবেগ, সংগ্রাম এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালী র‍্যাপ পারফরম্যান্সে রূপ দেওয়া যায়। লন্ডনে আসার পর থেকে আমি বৃহত্তর ব্রিটিশ-এশীয় শ্রোতাদের কাছে পৌঁছাতে পারছি। যুক্তরাজ্যে দক্ষিণ এশীয় র‍্যাপের প্রভাব বাড়ছে, যেখানে শিল্পীরা পাঞ্জাবি, উর্দু এবং ইংরেজি শব্দের সংমিশ্রণে এমন সংগীত তৈরি করছেন যা সরাসরি প্রবাসী সম্প্রদায়ের কথা বলে। এটি আমার খুব ভালো লাগে।’

    টাইগার বলেন, ফ্রিস্টাইল র‍্যাপ ধারার শিল্পীরা তাঁদের অপরিশোধিত ও নিখাদ স্টাইলের মাধ্যমেই শ্রোতাদের আকর্ষণ করেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘র‍্যাপ শিল্পীরা সাধারণত ইন্ডাস্ট্রির খুব পরিমার্জিত কোনো শিল্পী নন। বরং তাদের সংগীতে বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, অনলাইনে নিজেদের তুলে ধরার সংগ্রাম এবং তৃণমূল পর্যায়ের জনপ্রিয়তার ছোঁয়া থাকে। এটি ঐতিহ্যবাহী, নরম এবং কাব্যিক সংগীতের চেয়ে একেবারেই আলাদা। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অভিজ্ঞতার বিষয়। নতুন প্রজন্মের বড় একটি অংশ সংগীতের এই ধারার সঙ্গে একাত্মতা অনুভব করে।’

    টাইগার জানান, ফ্রিস্টাইল র‍্যাপের মাধ্যমে স্বীকৃতি পাওয়াটা সহজ নয়।

    তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে খ্যাতি অর্জনের জন্য গতানুগতিক পথ খুঁজিনি। আমি নিজের মঞ্চ নিজে তৈরি করা, নিজের শ্রোতা খুঁজে নেওয়া এবং আমার সুরকে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় বিশ্বাস করি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ ক্ষেত্রে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে।’

    টাইগারের জন্য, লন্ডন এখন তার ফ্রিস্টাইল প্রতিভা প্রদর্শনের, বৃহত্তর শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর এবং ব্রিটিশ-পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের ভক্তদের সঙ্গে তার সংযোগ আরও দৃঢ় করার একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • থেরাপি শুরু ইলিয়াস কাঞ্চনের

    নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও খ্যাতিমান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। বর্তমানে তিনি লন্ডনে চিকিৎসাধীন আছেন।

    লন্ডনে ইলিয়াস কাঞ্চন তার মেয়ে ইসরাত জাহানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শনিবার দুপুরে ইলিয়াস কাঞ্চনের শরীরের সবশেষ অবস্থা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন তার জামাতা আরিফুল ইসলাম।

    আব্বু (ইলিয়াস কাঞ্চন) তো সব দেখছেন, বুঝছেন। ওনার মনও কিছুটা ভেঙে পড়েছে। কর্মব্যস্ত জীবন ছেড়ে লন্ডনের ঘরবন্দি জীবন তাকে বিচলিতও করছে। থেরাপির কারণে শরীরেও ক্লান্তি এসেছে। কথা বলতে কষ্ট হয়। বিশেষ করে ফোনো কথা বলা একদম নিষেধ। তাও তিনি এ অবস্থায় নিরাপদ সড়ক চাইয়ের অনেক সাংগঠনিক কাজকর্মের খবর রাখছেন।

    ইলিয়াস কাঞ্চনের জামাতা আরিফুল ইসলাম

    তিনি বলেন, ‘গত ২৬ এপ্রিল থেকে আব্বু (ইলিয়াস কাঞ্চন) আমাদের লন্ডনের বাসায় আছেন। এখানে হার্লি স্ট্রিট ক্লিনিকের অনকোলজিস্ট ভিনায়ার নেতৃত্বে তার চিকিৎসা চলছে। গত ৫ আগস্ট লন্ডনের উইলিংটন হাসপাতালে অধ্যাপক ডিমিট্রিয়াসের নেতৃত্বে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও বলেন, ‘টিউমারের কিছু অংশ এরই মধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। পুরো টিউমার অপসারণ করা হলে জীবনহানিসহ প্যারালাইজড হয়ে চলনশক্তি ও কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি ছিল বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। ডাক্তারের সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রেখেই টিউমারটির কিছু অংশ অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচারের অনুমতি আমরা দিয়েছিলাম।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    একটানা দীর্ঘদিন লন্ডনে থাকার কারণে ইলিয়াস কাঞ্চনও মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন আরিফুল ইসলাম। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আব্বু (ইলিয়াস কাঞ্চন) তো সব দেখছেন, বুঝছেন। ওনার মনও কিছুটা ভেঙে পড়েছে। কর্মব্যস্ত জীবন ছেড়ে লন্ডনের ঘরবন্দি জীবন তাকে বিচলিতও করছে। থেরাপির কারণে শরীরেও ক্লান্তি এসেছে। কথা বলতে কষ্ট হয়। বিশেষ করে ফোনো কথা বলা একদম নিষেধ। তাও তিনি এ অবস্থায় নিরাপদ সড়ক চাইয়ের অনেক সাংগঠনিক কাজকর্মের খবর রাখছেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে নিপুণকে

    চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নিপুণ আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। লন্ডন যাওয়ার সময় শুক্রবার সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল।

    এই নায়িকার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তি ছিল।এ কারণে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় তাকে আটকে দেয় ইমিগ্রেশন পুলিশ।

    বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০১ ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে যাওয়ার সময় তার পাসপোর্ট অফলোড করে দেয় ইমিগ্রেশন পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে দায়িত্বরত এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা।তিনি বলেন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তির প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে সিলেট থেকে লন্ডন গমনকালে ইমিগ্রেশন পুলিশ চিত্রনায়িকা নিপুণকে ইমিগ্রেশন কর্তৃক অফলোড করে ফেরত পাঠানো হয়।

    গত ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে শোবিজের আওয়ামীপন্থি তারকাদের অনেকে এখনো গায়েব। তারা কোথায় আছেন, সেই তথ্য অজানা। তবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার দেশেই রয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়।

    নায়িকার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিপুণ দেশেই আছেন। তবে বাসা থেকে বের হচ্ছেন না তিনি। বিভিন্ন আওয়ামী নেতার সঙ্গে এখনো তার যোগাযোগ রয়েছে। তবে মামলার ভয়ে নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন নিপুণ। আরও জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিনিয়ত নিজস্ব লোক দিয়ে মিথ্যাচার করাচ্ছেন তিনি।

    নিপুণের ক্যারিয়ারে সেভাবে ব্যবসা সফল সিনেমা না থাকলেও করছেন রাজকীয় জীবন-যাপন। মূলত শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ছত্রছায়ায় নিপুণ হয়ে উঠেন অপ্রতিরোধ্য।

    নিপুণ উচ্চমাধ্যমিকের পর ১৯৯৯ সালে রাশিয়া চলে যান। সেখানে মস্কো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৬ সাল পর্যন্ত নিপুণ তার স্বামী এবং এক মেয়ে তানিশার সঙ্গে লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকতেন। অনেকে আগেই স্বামীকে ডির্ভোসে দিয়েছিলেন তিনি।

    নিপুণ অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘রত্নগর্ভা মা’। কিন্তু সিনেমাটি আজও আলোর মুখ দেখেনি। ২০০৬ সালে এফ আই মানিক পরিচালিত ‘পিতার আসন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখেন নিপুণ। এরপর বেশকিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। তবে অধিকাংশ সিনেমায় দ্বিতীয় সারির নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে প্রেমে সিলমোহর কৃতির

    বেশ কিছু দিন ধরে জল্পনা ছিল, লন্ডন নিবাসী শিল্পপতি কবীর বহিরার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন কৃতি শ্যানন। বলিউডে বেশ কিছু দিন ‘একাকিনী’ তকমা নিয়েই ছিলেন অভিনেত্রী। তবে গত জুলাইয়ে জন্মদিনের সময় থেকে জল্পনা শুরু হয় কৃতির সম্পর্ক নিয়ে। অবশেষে সেই প্রেমেই সিলমোহর দিলেন অভিনেত্রী। প্রকাশ্যে কবীর বহিয়ার সঙ্গে ধরা দিলেন কৃতি।

    পরিবারের সঙ্গে ঘটা করে দীপাবলি পালন করেছেন অভিনেত্রী। তবে সেই উদযাপনে ছিলেন একেবারেই ঘনিষ্ঠ পরিমণ্ডল। দেখা যায় কবীরকেও। ছবি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, গুঞ্জন শুধু নয়। সত্যিই সম্পর্কে রয়েছেন তারা। আর এ বার প্রকাশ্যে এসে সেই জল্পনাই স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী। সেই ভিডিও ছড়িয়েছে নেটপাড়ায়।

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কৃতির পরনে কালো শর্টস ও কালো টপ। তার ওপরে চাপিয়ে নিয়েছেন রংচঙে জ্যাকেট। পায়ে স্নিকার্স। বিমানবন্দরে হাজির কৃতি। ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় ধরা দেন তিনি। তবে নেটাগরিকের চোখ এড়ায় না কিছুই। কিছুটা দূরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন কবীর। তার পরনে কালো টিশার্ট ও ডেনিম প্যান্ট। দীপাবলি একসঙ্গে কাটিয়ে একসঙ্গে ছুটি কাটাতে চললেন তারা? প্রশ্ন তুলেছেন নেটাগরিকেরা।

    জন্মদিনে মাইকোনস নামে গ্রিসের এক দ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন কৃতি। সেখানেই কবীরের সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিলেন অভিনেত্রী। দেখা গিয়েছিল, একটি পার্টিতে বেশ সুখী সময় কাটাচ্ছেন যুগলে। তাদের অজান্তেই সেখানে উপস্থিত কেউ ছবি তুলেছিলেন।

    কিছু দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে কৃতির ছবি ‘দো পত্তি’। দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী। অভিনয় প্রশংসিত হলেও ছবিটির সমালোচনা হচ্ছে নেটপাড়ায়। এই ছবিতেই পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • লন্ডনে শো করতে গিয়ে রহস্যে জড়িয়ে পড়েন শ্রাবন্তী

    অভীক পেশায় একজন কবি এবং গোয়েন্দা। তিনি একটি কেসের তদন্ত করতে লন্ডনে পৌঁছান। এটি একটি সিরিয়াল কিলিংয়ের কেস। অন্যদিকে একই সময় লন্ডনে আসেন হিয়াও। তার এখানে তখন একটি শো পড়ে। তিনি পেশায় রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী। স্রেফ শো করতে এসে রহস্যে জড়িয়ে পড়েন হিয়া- সেটাই এ গল্পে দেখা যাবে।

    rnrn

    আসছে নতুন বাংলা ছবি। সায়ন্তন ঘোষালের আগামী ছবি ‘রবীন্দ্র কাব্য রহস্যে’ চার বছর পর আবার জুটি বাঁধতে চলেছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় এবং ঋত্বিক চক্রবর্তী। অভীকের চরিত্রে থাকবেন ঋত্বিক এবং হিয়ার চরিত্রে দেখা যাবে শ্রাবন্তীকে। এটি একটি থ্রিলার ঘরানার ছবি হতে চলেছে। 

    rnrn

    রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন মুক্তি পেল এ ছবির প্রথম পোস্টার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, মাঝে রবিঠাকুর দাঁড়িয়ে তার চিরাচরিত ভঙ্গিমায়। একদিকে ঝুলছে তার নোবেল। সঙ্গে রয়েছে রক্তমাখা একটি ছুরি। উপর থেকে ঝুলছে একাধিক লাল মলাটের বই, সঞ্চয়িতা এবং গীতবিতান। 

    rnrn

    এ ছবির প্রযোজনা করছে এসকে মুভিজ। নিবেদনে অশোক ধানুকা এবং হিমাংশু ধানুকা। গল্পকার হলেন সৌগত বসু। সংগীত পরিচালনায় দেবজ্যোতি মিশ্র।

    rnrn

    সায়ন্তন ঘোষাল একাধিক ছবি নিয়ে আসছেন। এই গরমের ছুটিতে ১৯ মে মুক্তি পাচ্ছে টেনিদা। তার এ ছবিতে নাম ভূমিকায় দেখা যাবে কাঞ্চন মল্লিককে। সঙ্গে থাকবেন গৌরব চক্রবর্তীও। এছাড়া তার পরিচালনায় আসছে নতুন ওয়েব সিরিজ ‘হোমস্টে মার্ডারস’।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কার সঙ্গে লন্ডনে পাড়ি জমালেন শ্রাবন্তী

    লন্ডনে পাড়ি জমালেন টালিউড অভিনেতা জিতু কামাল ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। লন্ডনে যাওয়ার আগে নায়িকার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছেন জিতু। জানিয়েছেন তারা শিগগিরই শুটিং শুরু করবেন।

    নতুন বাংলা ছবির জন্য জুটি বাঁধতে চলেছেন জিতু ও শ্রাবন্তী। এ ছবিতেই তারা প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করবেন। অংশুমান প্রত্যুষের এ ছবির হাত ধরেই টালিউড পাবে নতুন জুটি। ছবির নাম ‘বাবুসোনা’।

    এ ছবির জন্য জিতু যে লুক পাল্টেছেন সেটা তার পোস্ট করা ছবি থেকেই স্পষ্ট। একই অবস্থা শ্রাবন্তীরও। একজনের লম্বা চুল, একজনের কুঁকড়ানো চুল দেখা গিয়েছে ছবিতে। জিতু এ ছবিগুলো পোস্ট করে লেখেন- ‘শ্যুট মুড। বাবুসোনা।’ তিনি এই পোস্টে শ্রাবন্তী এবং এসকে মুভিজকে উল্লেখ করেছেন।

    এ ছবিটি একটি অ্যাকশন কমেডি ধাঁচের ছবি হতে চলেছে। তবে শুধু জিতু শ্রাবন্তীই নন, তাদের সঙ্গে লন্ডন যাচ্ছেন জিতুর স্ত্রী নবনীতাও।

    ছবির গল্পে উঠে আসবে একটি শিশু অপহরণের ঘটনা। নায়ক পেশায় একজন অপহরণকারী। যদিও সবার সামনে তার কিন্তু অন্যরূপ। নিজের আসল কাজ যাতে কেউ না বোঝে তাই তিনি একটা আইটি কোম্পানি চালান।

    অন্যদিকে নায়িকা হলেন একজন চোর; কিন্তু সবাইকে তিনি বলেন যে তিনি একজন পুলিশ। এবার এই গল্পে কী করে তাদের জীবন জড়িয়ে যায়। তারা কাছাকাছি আসেন সেটাই দেখা যাবে। আর এ ছবির পুরো গল্পটাই আবর্তিত হবে লন্ডন শহরে।

    এ ছবির প্রযোজনা করছে এসকে মুভিজ। এখানে অন্যান্য চরিত্রে দেখা যাবে- পায়েল সরকার, অ্যালেকজান্দ্রা টেলর, অত্রি ভট্টাচার্য, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়কে।

    প্রসঙ্গত, জিতুকে অংশুমান প্রত্যুষের আরও একটি ছবিতে দেখা যাবে। সেখানে তিনি ঋতাভরী চক্রবর্তীর সঙ্গে জুটি বাঁধবেন। সেই ছবি নাম আপনজন।

    শ্রাবন্তীর হাতেও এখন অনেক কাজ। তাকে আগামীতে রাজর্ষি দে’র ছবি সাদা রঙের পৃথিবীতে দেখা যাবে। তিনি সদ্যই সেই ছবির কাজ শেষ করেছেন। অন্যদিকে দেবী চৌধুরানী হয়েও ধরা দেবেন এই অভিনেত্রী আগামীতে। এই ছবিটি শুভ্রজিৎ মিত্র পরিচালনা করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক