Tag: মনির খান

  • অঞ্জনা বাস্তবে আছে কিনা, যা বললেন মনির খান

    নিজের প্রতিভার মাধ্যমে বাঙালির হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন সংগীতশিল্পী মনির খান। প্রায় তিন দশক ধরে নিয়মিত গান করে যাচ্ছেন এ শিল্পী। এ পর্যন্ত ৪০টিরও বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। প্রায় প্রতিটি অ্যালবামে রয়েছে ‘অঞ্জনা’ শিরোনামে গান। সুরেলা কণ্ঠে শ্রোতা হৃদয়ে ঠাঁই করে নেওয়ার পাশাপাশি ‘অঞ্জনা’ চরিত্রের কারণেও বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন এ গায়ক।

    বিভিন্ন সময় গানে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয় ‘অঞ্জনা’ চরিত্রটিকে। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য ভক্তের একটি প্রশ্ন— ‘অঞ্জনা’ চরিত্রটি কি বাস্তব, নাকি কেবলই কাল্পনিক। এ বিষয়ে কথা বলেছেন ‘আট আনার জীবন’খ্যাত গায়ক।

    সম্প্রতি রাজধানীর পার্ল হোটেলে ‘কী বাঁধনে বেঁধেছো আমায়’ শিরোনামে একটি একক অ্যালবামের প্রকাশনা উৎসব করেন মনির খান। সেখানে গায়ককে প্রশ্ন করা হয়, অঞ্জনা বলতে বাস্তবে কেউ আছে কিনা?

    গায়ক মনির খান মুচকি হাসিতে সেই প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে গানে গানেই সব বলা হয়েছে। গান ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা শোয়ে অনেক বলেছি। আমার প্রায় সব অ্যালবামেই একটি করে অঞ্জনা নামে গান রয়েছে। গানগুলো তো এমনি এমনি করা হয়নি। সব অ্যালবামে একজন মানুষকে নিয়ে গান করা, এর পেছনে তো অবশ্যই কারণ রয়েছে (হাসতে হাসতে)।

    তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ গায়ক প্রশ্নের জবাব দিলেও অবশ্য কিছুটা রহস্য থেকে যায়। আর প্রতিবছর জানুয়ারির শুরুতে এ নামে গান প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতি বাদ দেওয়ার পর দর্শক বেড়েছে: মনির খান

    শিল্পী মনির খান একসময় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ২০১৮ সালে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। এর পর থেকে তার জনপ্রিয়তা সর্বমহলে। রাজনীতি করায় গানের দিক পছন্দনীয় হলেও আদর্শিক কারণে অনেকের কাছে অপছন্দের পাত্র ছিলেন মনির খান।

    rnrn

    সম্প্রতি গণমাধ্যমে মনির খান জানিয়েছেন, আমি শিল্পী তো সবার জন্য; কিন্তু রাজনীতির কারণে একটা পক্ষের ছিলাম। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তো পক্ষ–বিপক্ষ থাকে, যখন একটা পক্ষের ছিলাম, কেউ ‘এ’তে থাকলে ‘বি’ পছন্দ করে না, ‘বি’তে থাকলে ‘এ’ পছন্দ করে না। এ রকম পরিস্থিতি তো বাংলাদেশে দেখা যায়ই, তাই সেটার কিছু বাধা তো ছিলই। সেখান থেকে যখন ঘোষণা দিয়ে ফিরে এলাম, সবার কাছে আবার তাদের প্রিয় শিল্পী হয়ে উঠলাম। এর পর থেকে প্রতিটি প্রোগামে দর্শক বেড়েছে।

    rnrn

    সেখান থেকে যখন রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলাম। সবার কাছে আবার তাদের প্রিয় শিল্পী হয়ে উঠলাম। অবাধ সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, শিল্পীদের মধ্যে বহুল জনপ্রিয় বা মানুষের কাছে অসম্ভব পছন্দের কেউ কোনো একটা পক্ষের হয়ে কাজ করলে জনগণ মনে আঘাত পায়।

    rnrn

    সাধারণ মানুষ একজন শিল্পীকে তার কর্ম দেখে পছন্দ করে। রাজনীতির কারণে তার কর্মের ওপর তখন বিতর্কের সৃষ্টি হয়। মানুষ ভাবে, এই লোকটাকে হৃদয়ে পুষে রাখি, অথচ এই লোকটা একটা পক্ষে চলে গেল! তখন একটু দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে। জনগণ একটু কষ্ট পায়।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক