Tag: ভালোবাসা

  • সবার আগে দেশকে ভালবাসতে হবে: পূজা

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরি। ডজনখানেক সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের মন কেড়েছেন ইতোমধ্যে। কাজের উপরেই থাকছেন নিয়মিত। ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। তবে কাজের ফাঁকেই মালেশিয়া ঘুরে এসেছেন পূজা। 

    মালয়েশিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক নৈশভোজে অংশ নিয়েছিলেন। এতে নিজের অভিনয় ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলাপকালে সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পূজা বলেন, আমার এতদূর আসার পেছনে দর্শকদের পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদেরও অবদান কম নয়। তারা সবসময়ই আমাকে সাপোর্ট দিয়ে গেছেন। তাই সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আমি সবসময়ই কৃতজ্ঞ।  

    প্রবাসী বাংলাদেশি ভক্তদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমি যখন বিদেশে যাই, তখন একজন বাঙালিকে দেখলেই মনে হয় আমার বাংলাদেশকে পেয়ে গেছি। মালয়েশিয়াতে আমার এক টুকরো বাংলাদেশ আছে। এজন্যই আপনাদের টানে এখানে এসেছি।

    অভিনেত্রী বলেন, আমি সবার উদ্দেশে একটা কথাই বলব, বাংলাদেশকে বেশি বেশি করে ভালবাসতে হবে। কারণ সবার আগে দেশ। প্রিয় মাতৃভূমির সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে গভীর আবেগ-অনুভূতি। তাই ওই জায়গাটাকে ভালবাসতে হবে এবং নিজেদের মর্যাদার জায়গাটাই রেখেই সব কাজ করতে হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে বিয়ে করছেন না অহনা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনা রহমান ২০২৫ সাল থেকে অভিনয় জগতে ব্যস্ততা কমিয়ে ফেলবেন বলে জানিয়েছেন। কেন এমন সিদ্ধান্ত? তবে কী অভিনয় থেকে বিরতির নেওয়ার কারণ বিয়ের কোনো পরিকল্পনা— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, না বিয়ে করছি না। কারণ প্রেম-ভালোবাসা এখন আর বিশ্বাস করি না। সে কারণে বিয়ে নিয়েও ভাবি না বলে জানান অহনা রহমান। 

    তিনি বলেন, বিয়ের জন্য একটা সময় মা অনেক চাপ দিয়েছে। কিন্তু সে যখন বুঝেছে, আমি কিছু নিয়ে কষ্ট পেয়েছি , তারপর থেকে আর চাপ দেয় না।

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেম-বিয়ে নিয়ে কথা বলেছেন অহনা রহমান। সেখানে তিনি বলেন, সম্পর্কে থেকে কষ্ট পেয়েছেন তিনি। যে কারণে আপাতত বিয়ে নিয়ে ভাবছি না। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমি কোনো পুরুষ মানুষকে বিশ্বাস করি না। আমার মন ভেঙে গেছে, তাই আর কাউকে বিশ্বাস করতে পারি না। কেন জানি মনে হয় আমার ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা মানুষ স্বার্থপর। 

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে কাজ কমিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে অহনা রহমান বলেন, ধীরে ধীরে কাজ কমিয়ে দেব। ২০২৫ সালে পারতপক্ষে কাজ করা হবে না। আর যদি কাজ করি, তবে খুব কম করা হবে।

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সাল থেকে অভিনয় জীবন শুরু করেন অহনা রহমান। তার জনপ্রিয় কাজ ‘প্রবাসীর স্ত্রী’ নাটক। প্রবাসীর স্ত্রী হিসেবে শ্বশুরবাড়ির সীমাহীন নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়। সেই নির্মম চিত্র নাটকটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করলেন জয়া

    দুই বাংলার অভিনেত্রী জয়া আহসান। তার অভিনয়ে বরাবরই মুগ্ধ দর্শকরা। বয়স যতই হোক না কেন, তাকে দেখে সেটা একদমই বোঝায় যায় না। কিভাবে নিজেকে এত ফিট রেখেছেন তা আজও অজানা অনুরাগীদের। 

    নিজেকে সিঙ্গেল বলেই দাবি করেন অভিনেত্রী। এরই মাঝে এই তারকা নিজের ভালোবাসার কথা সকলের সামনে প্রকাশ করলেন। 

    স্বামী ফয়জাল আহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আর বিয়ে করেননি জয়া। তবে এবার তিনি সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ্যেই জানালেন ভালোবাসার বার্তা। 

    জয়ার পোষ্যপ্রেমের কথা কারোরই অজানা নয়। তার বাড়িতে তিনটা পোষ্য প্রাণী রয়েছে। ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি যে ভিডিও প্রকাশ করেছেন, সেখানে দেখা যাচ্ছে- তার কোলে একটি বিড়াল আর ঘাড়ে একটি বিড়াল উঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। 

    কখনও আবার পিঠ থেকে নেমে যাচ্ছে বিড়াল। তিনি বিড়ালের আদর খাচ্ছেন প্রাণভরে। সেই মুহূর্তের ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে জয়া লিখেছেন, ‘আমি মিউদের খুব ভালোবাসি।’ 

    বাংলাদেশে থাকলে অভিনেত্রী একদমই ঘরের মেয়ে হয়ে যান। কখনও নিজের বাগান থেকে সবজি পেড়ে নিয়ে আসেন আবার কখনও বা পোষ্যদের সঙ্গে সময় কাটান।

    জয়া আহসান একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি কখনই কোনো ডায়েট মানেন না। ভাত খেতে ভালোবাসেন। তাই ভাত তার ডায়েট চার্ট থেকে বাদ যায়নি। মাঝেমধ্যেই জয়া পান্তা ভাতের প্রেমে পড়েন। শুকনো মরিচ, পেঁয়াজ ও ভর্তা দিয়ে পান্তা ভাত পছন্দ। ত্বকের যত্নেও ঘরোয়া উপকরণকেই বেশি প্রাধান্য দেন।

    স্বামী ফয়জলের সঙ্গে ডিভোর্সের পরও তার পদবীটি ব্যবহার করেন জয়া। যদিও অভিনেত্রী তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন জয়া মাসউদ নামে। তবে মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানের সঙ্গে বিয়ের পর জয়া নিজের নামের শেষে মাসউদের বদলে জুড়ে নেন আহসান। সেই থেকে অভিনেত্রী দুই বাংলাতে জয়া আহসান নামেই পরিচিত। 

    ১৯৯৮ সালে ফয়সাল আহসানকে বিয়ের পর এই দম্পতির সুন্দরভাবেই কেটে যায় এক যুগ। কিন্তু ১৩ বছরের মাথায় সেই দাম্পত্যের ইতি টানেন। শোনা যায়, ২০১১ সালে ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে ডিভোর্স দেন জয়া। যদিও এই বিচ্ছেদের খবর তারা কেউ কখনই নিশ্চিত করেনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এক অকৃত্রিম ভালোবাসার নাম সালমান শাহ: শাবনূর

    আজ ১৯ সেপ্টেম্বর ঢালিউডের ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহর জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেতা। এদিন সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অনেকে স্মরণ করছেন প্রিয় নায়ককে।

    মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে সালমান সবচেয়ে বেশি সিনেমা করেছেন শাবনূরের সঙ্গে। সালমান-শাবনূর জুটির রসায়নে মন ভরে গিয়েছিল দেশের সিনেমাপ্রেমীদের। ঢালিউডের অন্যতম জুটিতে পরিণত হন তারা। এতটাই সমাদৃত হন যে, আজও সালমান নামটি নিলেই উঠে আসে শাবনূরের নাম।

    সালমানের জন্মদিনে সহকর্মীরা যখন তাকে স্মরণ করলেন তখন শাবনূরও প্রিয় সহকর্মীকে নিয়ে জানালেন অনুভূতি।

    নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রের যুবরাজ সালমান শাহ এক অকৃত্রিম ভালোবাসার নাম, এক ইতিহাসের নাম। প্রিয় এই নক্ষত্র এখনো আমাদের সবার হৃদয়ে, ভাবনায়, অনুভবে বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে চিরকাল।’

    এরপর লেখেন, ‘জন্মদিনে বরাবরের মতো পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি তোমাকে। আল্লাহপাক তোমাকে জান্নাতবাসী করুন।’

    ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে সালমান শাহর। স্মার্টনেস ও ব্যক্তিত্ববোধের কারণে রাতারাতি তরুণ প্রজন্মের আইকনে পরিণত হয়ে ওঠেন এ নায়ক। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি ছবি করেন। যার অধিকাংশই সুপারহিট। মৌসুমীর সঙ্গে জুটি বেঁধে চলচ্চিত্রে পা রাখলেও সালমানের বেশিরভাগ ছবির নায়িকা ছিলেন শাবনূর। এই জুটি তখন এমন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, তাদের কোনো ছবি মুক্তি পেলেই দর্শক প্রেক্ষাগৃহে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সব সময় চেষ্টা করি ভালোবাসার মানুষের কাছাকাছি থাকতে: বুবলী

    ভয়াবহ বন্যায় ডুবেছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১১টি জেলা। বন্যার পানিতে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। এ ঘটনায় এসব জেলাগুলোতে বন্যায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। 

    বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরাও উদ্ধারে কাজ করছে। পিছিয়ে নেয় চলচ্চিত্রশিল্পী, অভিনেতা-অভিনেত্রীরও। যে যেভাবে পারছেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

    এবার বন্যা কবলিত মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন টালিউড অভিনেত্রী শবনম ইয়াসমিন বুবলী। পাশাপাশি তিনি বলেন, বন্যার্তদের উপহার সামগ্রী পৌঁছানো সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও শেয়ার করেছেন বুবলী। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন- ‘বন্যার্ত মানুষ গুলোকে কাছ থেকে দেখে কষ্টগুলো আরও দ্বিগুণ অনুভব হলো। আমার মতো করে আমি সবসময় চেষ্টা করি এই ভালোবাসার মানুষগুলোর কাছাকাছি থাকতে। কারণ এটা আমার মানসিক শান্তি। সত্যিকার অর্থে সবার একাত্মতা ও ভালোবাসায় বন্যায় বিপদগ্রস্ত মানুষ এগুলোর জন্য ঢাকায় প্রচুর উপহার সামগ্রী জমা হয়েছে।’

    এ অভিনেত্রী শেষাংশে বলেন, ‘কিন্তু তাদের কাছে এসব পৌঁছান এখন সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ বন্যার পানিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার খুব নাজুক অবস্থা গ্রামের দিকে। তাই সবাইকে অনুরোধ করব বন্যার্তদের কাছে যেন তাদের প্রাপ্য উপহার সামগ্রী গুলো পৌঁছায় সেদিকে সবাই মিলে সহযোগিতা করি।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভালোবাসার থেকে নিষ্ঠুর কিছু হয় না, কেন এ কথা বললেন কঙ্গনা?

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রয়াত জওয়ান অংশুমান সিংয়ের স্ত্রীর পদকগ্রহণের ছবি ভাইরাল হয়েছে । তাকে মরণোত্তর কীর্তিচক্র পুরস্কার দেওয়া হয়, যা গ্রহণ করেন তার স্ত্রী। আর সেই ছবি দেখে হতবাক হয়ে পড়েন অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। 

    rnrn

    প্রয়াত জওয়ানের বিধবা স্ত্রীর পদক নেওয়া প্রসঙ্গে কঙ্গনা রানাউত সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন। তিনি এ ছবিটি শেয়ার করে ভালোবাসা যে কত নিষ্ঠুর হয় সেটিও জানান।

    rnrn

    কঙ্গনা রানাউত এদিন এই ভাইরাল ছবিটি তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ডিফেন্স ইনভেস্টিটার সেরেমনি ফেজ-১, যা রাষ্ট্রপতি ভবনে সদ্যই অনুষ্ঠিত হয়েছে তার এই ছবিটি পিস্ত্ভুরেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অংশুমান সিংয়ের বিধবা, যুবতী ও সুন্দরী স্ত্রী তার হয়ে পদকগ্রহণ করছেন।

    rnrn

    এই ছবিটি পোস্ট করে কঙ্গনা রানাউত লেখেন, 'অনেক সৈনিক তাদের জীবন এই দেশের জন্য দিয়ে দেন। তাদের গতকাল পুরস্কৃত করা হলো। কিন্তু মানুষের চোখে জল এসে গেছে পূর্বাঞ্চলের ক্যাপ্টেন অংশুমান সিংয়ের যুবতী সুন্দরী স্ত্রীর পুরস্কার গ্রহণের ছবিটি দেখে।

    rnrn

    একই সঙ্গে তিনি লেখেন— 'ও এখনো ওর স্বামীকে ভীষণ ভালোবাসে। ও কেঁদে ফেলেছিল, যখন ও বলছিল— কষ্টকর মৃত্যু হবে ওর এই পদক বুকে নিলে। ওর এই ভিডিও আমায় এখনো কষ্ট দিচ্ছে। ভালোবাসা সহজ নয়; বরং বিস্ময়ের কথা হলো—ভালোবাসার থেকে নিষ্ঠুর কিছু হয় না।

    rnrn

    চলতি বছরই প্রথম রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন কঙ্গনা রানাউত। বিজেপির টিকিটে লড়াই করেন হিমাচল প্রদেশের মান্ডি থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন তিনি। সেখানে কংগ্রেসের প্রার্থীকে হারান কঙ্গনা।

    rnrn

    উল্লেখ্য, ক্যাপ্টেন অংশুমান সিংকে মরণোত্তর কীর্তিচক্র পুরস্কার দেওয়া হয়, যা গ্রহণ করেন তার স্ত্রী। সাম্প্রতিক একটি অগ্নিকাণ্ডে তার এক সহকর্মীর প্রাণ বাঁচানোর জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাকে। কীর্তিচক্র পুরস্কার হচ্ছে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শান্তির বীর পুরস্কার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভালোবাসায় মাখামাখি রণবীর-আলিয়া! 

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর কাপুর ও অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। বর্তমান সময়ে তাদের একসঙ্গে ছবি মানেই সেখানে হাজির থাকে ছোট্ট রাহা। তাকে ঘিরেই এখন সব ফটোশুট। কিন্তু আলিয়া ও রণবীর তো কেবল তাদের মেয়ে রাহা কাপুরের বাবা-মা নন, তারা জনপ্রিয় তারকা দম্পতিও বটে। 

    rnrn

    তাই ‘কাপল গোল’-এর কথা মাথায় রেখে এবার একেবারে নয়া অবতারে হাজির এ তারকা জুটি। দীর্ঘদিন পর আবার রোমান্টিক ফটোশুটে মাতলেন তারা। আলিয়া তার ইনস্টাগ্রামে সেই ছবিগুলো শেয়ারও করেছেন। বর্তমানে তাদের সেই ফটোশুট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

    rnrn

    অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের দ্বিতীয় পর্বের প্রাক-বিবাহের অনুষ্ঠান হয়েছিল ইতালিতে। একটি ক্রুজ পার্টির মাধ্যমে চলেছিল উদযাপন। সেই অনুষ্ঠানেই এই বিশেষ ফটোশুট করেন আলিয়া-রণবীর।

    rnrn

    ছবিতে আলিয়ার পরনে ছিল একটি অফ শোল্ডার কর্সেট ড্রেস সঙ্গে গলায় সিল্কের ওড়না। গায়ে গহনা বলতে বিশেষ কিছুই ছিল না নায়িকার। পোশাকের সঙ্গে মানানসই একটি সাধারণ ড্রপ কানের দুল কেবল পরেছিলেন তিনি। খুব সাধারণভাবে খোঁপা করে বেঁধেছিলেন চুল। 

    rnrn

    অন্যদিকে রণবীর ধরা দিয়েছিলেন সাদা শার্ট ও কালো প্যান্টে। তার সঙ্গে পরেছিলেন মেরুন রঙের মখমলের জ্যাকেট। আর পার্টি লুককে আরও একটু ঝলমলে করতে তিনি বেছে নিয়েছিলেন একটি মুখোশ। এই ছবিগুলোতে বেশ ঘনিষ্ঠভাবে দেখা গেছে ‘রালিয়া’কে। অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলো শেয়ার করে ক্যাপশন লেখেন— ‘সানসেট ক্লাব।’

    rnrn

    তারকা দম্পতির ছবি প্রকাশ্যে আসতেই তাদের ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন তাদের ভক্তরা। তাদের ছবি দেখে আলিয়ার মা সোনি রাজদান মন্তব্য করেন, ‘অত্যাশ্চর্য। 

    rnrn

    আলিয়ার নকল করার জন্য বিখ্যাত মিমিক্রি শিল্পী চাঁদনি ভাবদা লেখেন, ‘রাহার বাবা-মা কী হট। তাদের এক ভক্ত লেখেন, ‘সিন্ডরেলা এবং প্রিন্সের ভারতীয় সংস্করণ।’

    rnrn

    খুব তাড়াতাড়ি আলিয়াকে তার হোম প্রোডাকশনের ছবি ‘জিগরা’তে দেখা যাবে। এখানে অভিনেত্রীর বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা বেদান্ত রায়না। 

    rnrn

    অন্যদিকে রণবীর বর্তমানে মহাকাব্য ‘রামায়ণ’-এর শ্যুটিং নিয়ে ব্যস্ত। এখানে তাকে শ্রীরামের চরিত্রে দেখা যাবে। অভিনেতার বিপরীতে দেবী সীতার ভূমিকায় রয়েছেন সাই পল্লবী। ছবিটির পরিচালক হলেন নীতেশ তিওয়ারি। রণবীর এবং সাই পল্লবী ছাড়াও এই ছবিতে দেখা যাবে অরুণ গোভিল এবং লারা দত্তকে। 

    rnrn

    ‘লর্ড অফ দ্য রিংস’-এর আদলে রামায়ণের ট্রিলজি বানানো হবে বলে শোনা গিয়েছে। ২০২৭ সালের অক্টোবর মাসে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘যেদিন আমাকে ভালোবাসা বন্ধ করে দেবে, সেদিনই আমার শেষ’— কাকে লিখেছিলেন সালমান?

    বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতার বয়স ৫০ পার হয়ে গেলেও আজও বিয়ে করেননি। সম্প্রতি তার একটি লেখা ভাইরাল হয়েছে। যেটি ১৯৯০ সালে লেখা। সেই সময় নিজের হাতে একটা চিঠি লিখেছিলেন সালমান খান। লম্বা সেই চিঠিটি ছিল তার প্রেমের চিঠি। 

    সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে নতুন করে ভাইরাল হয়েছে সেই চিঠি। যেখানে সালমান লিখেছিলেন, ‘যেদিন আমাকে ভালোবাসা বন্ধ করে দেবে, সেদিনই আমার শেষ।’

    কিন্তু কার উদ্দেশ্যে এই ভালোবাসার কথা লিখেছিলেন ভাইজান? ভাবছেন তো, তবে কি এটা সালমানের লেখা কোনো প্রেমপত্র?

    হ্যাঁ, প্রেমপত্র তো বটেই। তবে এখানে সালমানের প্রেমিকা হলেন তার দর্শকরা। নিজের ছবির দর্শকদের উদ্দেশ্যেই এই আবেগঘন কথাগুলো লিখেছিলেন তিনি। ১৯৮৯ সালে ২৯ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছিল তার 'ম্যায়নে পেয়ার কিয়া'। তার ঠিক পরপরই এই চিঠিটি লেখা হয়েছিল। সালমান-ভাগ্যশ্রী জুটির এই ছবি ছিল সুপারহিট। তার সেই ছবি ঘিরে দর্শকদের ভালোবাসা দেখে অভিভূত ছিলেন সালমান। লিখেছিলেন লম্বা এই চিঠি। যাতে আরও অনেক কথাই রয়েছে।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সালমান লেখেন, ‘আমি চাই আপনারা আমার সম্পর্কে একটা ছোট্ট বিষয় জানুন। প্রথমত, আমাকে গ্রহণ করার জন্য এবং আমার অনুরাগী হওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আশা করি, আমার ছবির মাধ্যমে আমি আপনাদের প্রত্যাশা পূরণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’

    তিনি লেখেন, আমি ছবি করার বিষয়ে বেশ খুঁতখুঁতে। আমি আমার বিচার বুদ্ধি থেকে ভালো চিত্রনাট্য বেছে নেওয়ার চেষ্টা করি। কারণ আমি জানি এখন আমি যাই করি না কেন তার সঙ্গে ম্যায়নে পেয়ার কিয়ার তুলনা করা হবে। তাই আপনারা যখনই কোনো আমার ছবির ঘোষণা শুনবেন, নিশ্চিত থাকুন সে একটা ভালো ছবি হতে চলেছে। আর আমি সেই ছবিতে আমার ১০০ শতাংশ দেব।

    সবশেষে তিনি আরও লেখেন, ‘আমি আপনাদের ভালোবাসি। আশা করি আপনারাও আমাকে এভাবেই ভালোবাসতে থাকবেন। কারণ যেদিন আপনারা আমাকে ভালোবাসা বন্ধ করে দেবেন, যেদিন আপনারা আমার ছবি আর দেখবেন না, সেদিনই আমার শেষ।’

    চিঠিতে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কথা বলেন সালমান। তার কথায়, তার জীবন একটা খোলা বইয়ের মতো। তিনি বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমার তেমন কিছু বলার নেই, আপনারা সবই জানেন। লোকে বলে, আমি পেরেছি। আমি অবশ্য তা মনে করি না। আমি এখনো সেটি তৈরি করতে পারিনি, তবে আমি একটা জিনিস জানি, যে আপনারা আমাকে গ্রহণ করেছেন। সব শেষে লেখেন, আপনাদের প্রিয় সালমান খান।

    এদিকে সম্প্রতি পরিচালক সুরজ বরজাতিয়া ফাঁস করেছেন স্ক্রিন টেস্টে ব্যর্থ হওয়ায় ম্যায়নে পেয়ার কিয়ার জন্য প্রথমে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন সালমান। পরে তাকে ফের ডাকা হয়।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • পাকিস্তান থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি: সঞ্জয় লীলা বনসালি

    সঞ্জয় লীলা বনসালি নির্মিত প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি: দ্য ডায়মন্ড বাজার’ সাড়া ফেলেছে। স্বাধীনতা-পূর্ব পাঞ্জাবের একটি সেট তৈরি করে সিরিজটির শুটিং হয়েছে। সেই স্থানটি এখন পাকিস্তানের অংশ।

    rnrn

    অবিভক্ত ভারতের প্রেক্ষাপটের নির্মিত এ সিরিজ নিয়ে সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিওয়্যার-এ সাক্ষাতকার দিয়েছে সঞ্জয় লীলা বানসালি।

    rnrn

    তিনি জানান, পাকিস্তান থেকে প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। সেখানকার দর্শকরা হীরামান্ডি নিয়ে সত্যিই আগ্রহী।

    rnrn

    বানসালি বলেন, আমি পাকিস্তান থেকে এত ভালবাসা পেয়েছি, তারা সবাই সিরিজটির জন্য অপেক্ষা করছে, কখন গল্পটি বলা হবে সেজন্য অপেক্ষা করছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বলতে গেলে আমাদেরকে একত্রিত করে। সমস্ত ভারত যখন এক ছিল, যখন আমরা অবিভক্ত ছিলাম তখনটার গল্প। হীরামান্ডির এই চরিত্রগুলো যতটা তাদের (পাকিস্তানি) ততটা আমাদেরও (ভারতীয়)।

    rnrn

    আমি এখনো অনুভব করি যে আমরা সবাই এক, আমি এখনো অনুভব করি যে আমরা সবাই অনেকভাবে সংযুক্ত। কিছু লোক যারা সমস্যা তৈরি করতে চায় তাদেরকে বাদ দিলে, দুপক্ষের মানুষেরই দুপক্ষের মানুষের জন্য প্রচুর ভালোবাসা রয়েছে।

    rnrn

    সমালোচনার বিষয়ে এ নির্মাতা আরও বলেন, এই চরিত্রগুলোর মধ্যে এমন কিছু জিনিস আছে যা আমার কাজের সঙ্গে মানুষকে সংযুক্ত করে। সেজন্য তারা আমার কাজ নিয়ে কথা বলে। অনেকে পছন্দ করবে, অনেকে পছন্দ করবে না। এটাই দর্শক ও চলচ্চিত্র নির্মাতার মধ্যে দেওয়া-নেওয়ার একটি অংশ। যখন দর্শক আমার প্রশংসা করে তখন সেটায় আমার আপত্তি নেই। একইসঙ্গে যখন দর্শক আমার কাজের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে না তখন সমালোচনা করে। এটায়ও আমার আপত্তি নেই।

    rnrn

    ১৯৪০ এর দশকের ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে তৈরি ‘হীরামান্ডি: দ্য ডায়মন্ড বাজার’। সিরিজটিতে দেখানো হয়েছে লাহোরের এক যৌনপল্লির গল্প। চরিত্রগুলোতে তখনকার সময়ের প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, উত্তরাধিকার ও রাজনীতির মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে। 

    rnrn

    এতে অভিনয় করেছেন মনীষা কৈরালা, সোনাক্ষী সিনহা, রিচা চাড্ডা, অদিতি রাও হায়দারি এবং ফারদিন খানসহ অনেকে।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সবার ভালোবাসায় সত্যিই আমি মুগ্ধ: মিথিলা

    গত ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কাজলরেখা’ সিনেমায় কঙ্কন দাসী চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিথিলা। সিনেমায় তার অভিনয়ের প্রশংসাও করেছেন অনেকে। এদিকে অফিসিয়াল কাজে বেশকিছুদিন কানাডায় থাকার পর ২৬ এপ্রিল রাতে ঢাকায় এসেছেন এই অভিনেত্রী। 

    জানিয়েছেন, ঢাকা ও কলকাতা মিলে তার অভিনীত চারটি সিনেমা রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। বাংলাদেশে তিনি অভিনয় করেছেন অরুণ চৌধুরীর ‘জ্বলে জ্বলে তারা’ ও লুবনা শারমিনের ‘নূলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’। 

    আরও পড়ুন:

    অন্যদিকে কলকাতায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে অর্ণব মিদ্দার ‘মেঘলা’ ও দুলাল দের ‘অরণ্যর প্রাচীন প্রবাদ’। কাজলরেখার ও মুক্তি প্রতিক্ষীত এসব সিনেমা প্রসঙ্গে মিথিলা বলেন, ‘কাজল রেখা মুক্তির পর এখন পর্যন্ত যে অভূতপূর্ব সাড়া আমি পেয়েছি, এতটা আশা করিনি। কারণ আমার পর্দায় উপস্থিতি ছিল কম এবং চরিত্রটিও ছিল নেগেটিভ। যেহেতু প্রথমবার নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করা, তাই একটু চিন্তাতেও ছিলাম। কিন্তু সবমিলিয়ে যা হলো, যেভাবে সবার ভালোবাসা পাচ্ছি, তাতে সত্যিই মুগ্ধ আমি। আর মুক্তির অপেক্ষায় থাকা চারটি সিনেমা নিয়েই আমি আশাবাদী। বিশেষত মেঘলায় আমাকে নাম ভূমিকায় দেখা যাবে। বাকিগুলোরও গল্প এবং নির্মাণ এককথায় দুর্দান্ত।’

    আরও পড়ুন:

    আনন্দনগর প্রতিবেদন