Tag: বিএনপি

  • হাসিনাকে বুকে জেঁকে বসা জগদ্দল পাথরেরে সঙ্গে তুলনা বেবী নাজনীনের

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরেছেন বিনোদন জগতের ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন। গতকাল রোববার (১০ নভেম্বর) সকালে বিমানবন্দরে নামেন তিনি। এ সময় গণমাধ্যমকর্মী ও বিএনপিকর্মীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন জনপ্রিয় এ সংগীতশিল্পী। স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির একদল কর্মী। তবে তাদের কারও হাত থেকেই ফুলের তোড়া গ্রহণ করেননি বেবী নাজনীন। জানিয়েছেন— ফুল নয়, কেবল শুভেচ্ছাই যথেষ্ট। তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি রাজনীতির সঙ্গেই আছি, মিডিয়াকর্মী হিসেবে আছি।

    বেবী নাজনীন বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাংলাদেশে শহিদ ছাত্র-জনতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। আহত ভাইবোনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তাদের আত্মত্যাগে নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। পতন হয়েছে বাংলাদেশের বুকে জেঁকে বসা জগদ্দল পাথর শেখ হাসিনা সরকারের। দীর্ঘ ১৬ বছর পর বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন বাংলাদেশের মানুষ, কথা বলতে পারছেন স্বাধীনভাবে।’

    এ সংগীতশিল্পী বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে— যে স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্বৈরাচারের বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছে ছাত্র-জনতা, তাদের সেই স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে কাজ করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তি রয়েছেন। এতে আমরা আশাবাদী হতেই পারি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারসম্পন্ন করে নির্বাচন দিয়ে একটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।’

    বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় এ সংগীতশিল্পী বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশমাতা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করছি। তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’ 

    উপস্থিত সাংবাদিকরা তার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বেবী নাজনীন বলেন, ‘আমি রাজনীতির সঙ্গেই আছি। মিডিয়াকর্মী হিসেবে আপনাদের সঙ্গেও আছি। কেবল দেশে ফিরেছি। আমার পরিকল্পনার কথা আপনাদের জানাব।

    বাংলাদেশ বেতার-টিভি-মঞ্চ— কোনো মাধ্যমেই বেবী নাজনীন স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি দেশছাড়তেই বাধ্য হন। তবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেবী নাজনীন সবসময়ই সমাদৃত ছিলেন এবং আছেন। ফলে বিদেশের মাটিতে তার কাজকর্মে কোনো বাধা আসেনি। 

    বরং এই সময়ে আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বেবী নাজনীন। সাড়ে চার দশকের ক্যারিয়ারে আধুনিক সংগীতের অর্ধশতাধিক একক অডিও অ্যালবামসহ অসংখ্য দ্বৈত অডিও অ্যালবামে গান গেয়েছেন এ ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী। ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁশলে, বাপ্পি লাহেরি, কুমার শানু, কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গেও একাধিক অডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার।

    বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিশেষ শ্রেণির তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন চলচ্চিত্র, অডিও মাধ্যমে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, আমার একটা মানুষ আছে, ওই রঙধনু থেকে, পত্রমিতা, এলোমলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল, কাল সারারাত ছিল স্বপনেরও রাত, দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর, আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেলোরে মরার কোকিলে, লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে, আজ পাশা খেলবো রে শাম, প্রিয়তমা, সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে, ও বন্ধু তুমি কই কই রে, এ প্রাণো বুঝি যায় রে-এমন অসংখ্য গানের মাধ্যমে বাংলা গানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন এই সংগীত তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরছেন বেবী নাজনীন

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ঢাকা ফিরছেন বিনোদন জগতের ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন। 

    সূত্রে জানা গেছে, আগামী রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তিনি। বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনামলে নিজের পেশাগত কাজকর্মে বারবার বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয় বেবী নাজনীনের সংগীতজীবন।

    বাংলাদেশ বেতার-টিভি-মঞ্চ— কোনো মাধ্যমেই বেবী নাজনীন স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি দেশছাড়তেই বাধ্য হন। তবে আন্তর্জাতিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেবী নাজনীন সবসময়ই সমাদৃত ছিলেন এবং আছেন। ফলে বিদেশের মাটিতে তার কাজকর্মে কোনো বাধা আসেনি। 

    বরং এই সময়ে আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন। সাড়ে চার দশকের ক্যারিয়ারে আধুনিক সংগীতের অর্ধশতাধিক একক অডিও অ্যালবামসহ অসংখ্য দ্বৈত অডিও অ্যালবামে গান গেয়েছেন এ গায়িকা। ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁশলে, বাপ্পি লাহেরি, কুমার শানু, কবিতা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গেও একাধিক অডিও অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার।

    বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিশেষ শ্রেণির তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন চলচ্চিত্র, অডিও মাধ্যমে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। 

    মানুষ নিষ্পাপ পৃথিবীতে আসে, আমার একটা মানুষ আছে, ওই রঙধনু থেকে, পত্রমিতা, এলোমলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল, কাল সারারাত ছিল স্বপনেরও রাত, দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পর, আমার ঘুম ভাঙাইয়া গেলোরে মরার কোকিলে, লোকে বলে আমার ঘরে নাকি চাঁদ উঠেছে, আজ পাশা খেলবো রে শাম, প্রিয়তমা, সারা বাংলায় খুঁজি তোমারে, ও বন্ধু তুমি কই কই রে, এ প্রাণো বুঝি যায় রে-এমন অসংখ্য গানের মাধ্যমে বাংলা গানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন এই সংগীত তারকা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিএনপির রাজনীতিতে আমি অতিথি নই: নায়ক উজ্জ্বল

    চলচ্চিত্রে এক সময় ছিল তার ব্যাপক পদচারণা। চলচ্চিত্রের নানামুখি উন্নয়নে তার ছিলো নিরলস প্রচেষ্টা। তিনি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক এবং পরবর্তীতে পরিচালক-প্রযোজক আশরাফ উদ্দিন উজ্জ্বল। 

    চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সমিতির নেতৃত্বেও ছিলেন উজ্জ্বল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত তিনি। চলতি বছরের ৫ আগষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর এফডিসিসহ সাংস্কৃতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে দেখা গেছে। রাজনীতি, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা দিক নিয়ে কথা হয় উজ্জ্বলের সঙ্গে। 

    বর্তমানে আপনাকে বিএনপির নানা কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও বক্তৃতা দিচ্ছেন। এর কারণ কী? 

    জবাবে নায়ক উজ্জ্বল বলেন, ‘আমাকে সভা সমাবেশ কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হঠাৎ দেখা যাচ্ছে বিষয়টি এমন নয়। বিএনপির রাজনীতিতেও আমি নতুন নই। ছোটবেলা থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমি জড়িত। এ কথা তো বলাই যায় যে, বিএনপির রাজনীতিতে আমি অতিথি নই। একজন একনিষ্ঠ কর্মী। নানা কৌশলে সব সময় এ দলের সঙ্গে আমি ছিলাম আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। এটা সত্যি যে, এখন আমাদের মিডিয়াতে দেখা যাচ্ছে। কারণ এখন মিডিয়া সব প্রচার করতে পারে। আগে তা পারত না। এখন আমরাও কথা বলতে পারছি। আগে তো আপনারাও লিখতে পারতেন না। চাইলে যে কোনো খবর প্রচার করতে পারতেন না।’ 

    ৫ আগস্টের পর চলচ্চিত্রাঙ্গনের অবস্থা সম্পর্কে উজ্জ্বল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই এ দেশের চলচ্চিত্র দৈন্যদশায় আছে। এ অবস্থার পরিবর্তন করা রাতারাতি সম্ভব হবে না। সেই ১৯৫৬ সালে ‘মুখ ও মুখোশ’ সিনেমা দিয়ে এ দেশে চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু হয়। এরপর বিখ্যাত সব মেধাবী নির্মাতার হাত ধরে ধীরে ধীরে এ চলচ্চিত্র একসময় একটা সোনালি সময়ে আসীন হয়। তখন ছিল এনালগ যুগ। আর এখন ডিজিটাল যুগের সূচনা হয়েছে। কিন্তু চলচ্চিত্র নির্মাণের সূতিকাগার খ্যাত এফডিসি এ ডিজিটাল ব্যবস্থার প্রবর্তনে এখনো পুরোপুরি সক্ষম হয়নি। তাই এক্ষেত্রে আগে উন্নয়ন দরকার। তারপর আমাদের চলচ্চিত্রের প্রকৃত সময় আবার ফিরবে আমার বিশ্বাস।’ 

    বিগত বছরগুলোতে দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের অবস্থা সম্পর্কে নায়ক উজ্জল বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৫ বছর রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতিসহ দেশের সব সেক্টর যেমন অন্যায় দুর্নীতিতে নিম্নগামী হয়েছে, চলচ্চিত্রও তার বাইরে নয়। এখানেও যথেষ্ট দলীয়করণ হয়েছে। আসলে তখন চলচ্চিত্রের যোগ্য লোকজনকে কোনো সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়নি। এ বিষয়গুলো পত্র-পত্রিকা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এসেছে, সবাই দেখেছে। প্রকৃতপক্ষে ক্যামেরার সামনে কোনো কাজ হয়নি। যা হয়েছে পেছনে। এতে করে চলচ্চিত্রের প্রকৃত লোকজনের হাতে কোনো কাজ ছিল না। স্বৈরাচার সরকার দেশে থাকলে দেশের অধঃপতন হয়, চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।’

    শিল্পীদের দল থাকতে নেই। এমন প্রবাদ আমরা শুনে আসছি। কিন্তু বিগত এক দশক বা তারও অধিক সময় যে দলাদলি আর রাজনৈতিক বৈষম্য দেখা গেছে সেটি কি আপনি লক্ষ করেছেন। এর ফল কি ভালো হয়েছে? 

    শিল্পীদের দল থাকতে নেই। এ প্রবাদ নিয়ে আমার দুটি কথা আছে। শিল্পীদের অবশ্যই দল থাকবে। আপনিও হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন প্রতিটি দলের সাংস্কৃতিক একটি সংগঠন থাকে। আমার দলেও একটি ভ্রাতৃপতিম সংগঠন আছেন। আমি সেটির সাধারন সম্পাদক। কথা হচ্ছে আমি দল বা রাজনীতি করবো সেটি রাজনীতির মাঠে। কর্মস্থলে নয়। আপনি আওয়ামী লীগ করেন ঠিক আছে সেটি আপনি গুলিস্তানে গিয়ে করেন। আমি বিএনপি করি ঠিক আছে আমি সেটি পল্টনে গিয়ে করবো। রাজনীতির মাঠেই রাজনীতি এফডিসি তো রাজনীতির জায়গা না। যারা রাজনীতির নামে বৈষম্য এফডিসিতে এনেছে তারা আজ কোথায়? কেউ কেউ তো শুনছি আত্মগোপনে আছে। কেউ কেউ তো শুনছি দেশের বাইরে চলে গেছে। তারা যদি ভালো রাজনীতি করতো তবে কেন পালিয়ে গেলো কেন আত্মগোপনে থাকতো হচ্ছে?

    চিত্রনায়ক রিয়াজ-ফেরদৌসের মতো যারা আত্মগোপনে আছেন তাদের নিয়ে আপনি কী বলবেন—এমন প্রশ্নে উজ্জ্বল বলেন, আমি দু চারজনের নাম বলতে চাই না। যারা যে কর্ম করেছে তারা  তার ফল পাবে। ভালো কর্ম  করলে ফলও ভালো হবে। তবে এটি বলতে চাই, এখানে আত্মশুদ্ধির সুযোগ আছে। কেউ যদি নিজের পিছনের কর্মের কথা নিজেদের ভুল স্বীকার করে নতুন করে আসতে চায় সেটির সুযোগ আছে। কিন্তু দলবাজি তেলবাজি হবে না।’

    চলচ্চিত্র নিয়ে পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে নায়ক উজ্জ্বল বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান প্রথা প্রবর্তন, চলচ্চিত্রের মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে কল্যাণ ফান্ড গঠন, একুশে পদক প্রথা চালু থেতে শুরু করে সবই করেছেন। জিয়াউর রহমানের সঙ্গে চলচ্চিত্র নিয়ে আমার আলাপ-আলোচনা হতো। তিনি দেশের এ প্রধান ও বড় গণমাধ্যমটির উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ মানুষ ছিলেন। তার হাতে গড়া রাজনৈতিক দল বিএনপির সঙ্গে আমি সবসময় যুক্ত ছিলাম। এখন আমি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানজনক পোস্ট সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আগামীতে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে চলচ্চিত্রের সময়োপযোগী সার্বিক উন্নয়নে আমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছি।

    হাসান সাইদুল

  • ‘ঘরের ছেলে ঘরেই আছি, অভিমান করে তো অন্য দলে যোগ দেইনি’

    জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান এক সময় সক্রিয় ছিলেন বিএনপির রাজনীতিতে। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। 

    তবে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন না পাওয়ার কারণে অভিমানে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি ছেড়ে দেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, মন ভেঙে গেছে। আজ বললেন, অভিমান করেছিলেন, মান ভেঙে ছয় বছর পর রাজনীতিতে ফিরছেন তিনি।

    তবে পুরোনো সেসব মান-অভিমান ভুলে আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন মনির খান। যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন দলের কেন্দ্রে। এমনই আভাস পাওয়া গেছে।

    এ নিয়ে গণমাধ্যমেও কথা বলেছেন মনির খান। তিনি বলেছেন, আমি ঘরের ছেলে ঘরেই আছি। মাঝে দলের সঙ্গে অভিমান ছিল। আর অভিমানতো পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও হয়। সেটা আবার মিটে যায়। আমার বেলায়ও তাই হয়েছে। আমি তো অভিমান করে অন্য দলে যোগ দেইনি। দলের সবার সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। দলের দুঃসময়ে কাজ করেছি। আমৃত্যু জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গেই থাকতে চাই।

    সম্প্রতি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মনির খান। সেখানে নিজের সঙ্গে হয়ে যাওয়া অন্যায় ও অনিয়মের কথা তুলে ধরে বলেন, ১৫ বছর। হ্যাঁ, ১৫ বছরই তো! বুকের মধ্যে চাপা কষ্ট আর বোবা কণ্ঠ নিয়ে কেটে গেল এতোগুলো বছর। আমি একজন সংগীতশিল্পী। কিন্ত ‘বিটিভি, বেতার কেন্দ্র, শিল্পকলা এবং সরকারি কোনো অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি এই সময়ে। এমনকি অনেক বেসরকারি অনুষ্ঠানেও ডাকা হয়নি।

    এই গায়ক বলেন, আমার নামে ১০টি ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুর, নাশকতার মতো মিথ্যা, হাস্যকর রাজনৈতিক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছিল। কী অপরাধ ছিল আমার? হয়তো ভিন্ন মতের মানুষ ছিলাম-এটাই ছিল আমার অপরাধ। কখনও বলিনি আমি।

    মনির খান বলেন, ছাত্র ও তরুণ সমাজের আত্মত্যাগ ও আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে এখন বাক স্বাধীনতার নতুন সূর্য উদিত হয়েছে, তাই বললাম। শিল্প-সংস্কৃতি চর্চায় কোনো বাঁধা বা দেয়াল থাকতে নেই। শিল্পীর কণ্ঠকে রোধ করতে নেই। আশা করি স্বাধীনতার এই নতুন সূর্যের আলোয় নতুন করে পাখা মেলবে শিল্প-সংস্কৃতি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত প্রসঙ্গে যা বললেন এসডি রুবেল

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে ঢাকা-৮ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন গায়ক এসডি রুবেল। মনোনয়ন সংগ্রহের পর ভিন্ন কারণে আলোচনায় এসেছেন তিনি। জনপ্রিয় এই গায়ক একসময় বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) রাজনীতি করতেন বলে খবর প্রকাশ্যে এসেছে। জাসাসের সঙ্গে জড়িয়ে এর আগেও বিতর্ক উঠেছিল বলে জানালেন এসডি রুবেল।

    তিনি বলেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতি উপকমিটির সদস্য হওয়ার পরও পত্রিকায় এমন খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এটি পুরোপুরি রাজনৈতিক মিথ্যাচার বলছেন এই গায়ক।    

    বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন এসডি রুবেল। তিনি বলেন, ‘২০১৭ যখন আওয়ামী লীগ উপকমিটির সদস্যপদে আমার নাম এলো, তখন একটা পত্রিকা তাদের প্রথম পৃষ্ঠায় শিরোনাম করল যে উপকমিটির এই সদস্যপদ নিয়ে আওয়ামী লীগের বঞ্চিত ও পদপদবি যারা পাননি, তাদের ক্ষোভ রয়েছে। আমার নামে একটা ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। মিথ্যা খবর দেওয়া হলো পত্রিকার পাতায়। লেখা হলো আমি জাসাসের সদস্য ছিলাম। 

    এসডি রুবেল বলেন, কিন্তু আজকে ২০২৩–এ এসে আবারও বলছি— আমি কোনো দিন বিএনপি বা জাসাসের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। পেশাগতভাবে আমি বিএনপি, জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করেছি, এতে কোনো সন্দেহ নেই। 

    ‘আবারও বলছি— প্রতিটি মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করেছি কিন্তু রাজনৈতিকভাবে কোনো দিন বিএনপি বা জাসাসের রাজনীতি করিনি। কিছু লোক আমার নাম ব্যবহার করে তাদের নেতৃত্বে প্রভাব খাটানোর জন্য খালেদা জিয়ার কাছে আমার অবর্তমানে, অজান্তে নাম প্রস্তাব করতে পারে, কিন্তু আমি জেনেশুনে দায়িত্ব নিয়ে বলছি—আমি কোনো পেপারে সাইন করিনি। কোনো মিটিংয়ে যাইনি। কোনো কমিটিতে আমি ছিলাম না। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। রাজনৈতিক মিথ্যাচার।’

    এসডি রুবেলের জন্মস্থান চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে। তিনি দাবি করেন, চাঁদপুর সরকারি কলেজে এইচএসসির শিক্ষার্থী থাকার সময় ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছিলেন। কথায় কথায় এসডি রুবেল বললেন, ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের জন্য গান করেছি ১৯৯৮।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিজভীর বিরুদ্ধে সোমবার মামলা করব: হিরো আলম

    ‘অর্ধপাগল’ ও ‘অর্ধশিক্ষিত’ বলায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করতে যাচ্ছেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম (হিরো আলম)।

    rnrn

    ঢাকা গোয়েন্দা কার্যালয়ে (ডিবি) অভিযোগের পর আদালতে মামলা করতে যাচ্ছেন তিনি। রোববার দুপুর পৌনে ২টায় ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়ে মামলা করার কথা জানান হিরো আলম।

    rnrn

    আগামীকাল সোমবার মামলা করবেন হিরো আলম। রোববার ঢাকার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেছেন তিনি।

    rnrn

    হিরো আলমের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মনসুর রিপন বলেন, হিরো আলম রোববার আদালতে এসেছিলেন। মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সোমবার ঢাকার সিএমএম আদালতে দাখিল করা হবে। রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন হিরো আলম। 

    rnrn

    হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ মামলা করব না। আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করতে এসেছি।’ 

    rnrn

    কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আরও বলেন, ‘বিএনপির সিনিয়র নেতা রুহুল কবির রিজভী অশিক্ষিত বলে গালিগালাজ করেছেন। আমি ডিবিতে এ নিয়ে অভিযোগ করতে এসেছিলাম; কিন্তু তারা বলেছে এ বিষয়ে ডিবি সরাসরি কোনো মামলা নিতে পারে না। তাই এখন আমি আদালতে মামলা করতে যাচ্ছি।’ 

    rnrn

    হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমি অশিক্ষিত; কিন্তু তার দলের নেত্রী এইট পাশ। অশিক্ষিত পাগল বলে আমার সম্মানহানি করেছেন। সবাই মনে করে আমি বিএনপির লোক। বিএনপির লোক আমাকে নিয়ে কথাবার্তা বলেছে। তারা একটা লোককে নিয়ে হেয় করে কথা বলেছে। অনেকেই নিচু করে, অপমান করে, তুচ্ছ করে আমার সম্পর্কে কথা বলেন। জাতীয় পার্টির লোকও আমাকে হেয় করে কথা বলেছেন।’ 

    rnrn

    তিনি বলেন, ‘আমি ডিবিতে অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু এখানে এ বিষয়ে কোনো মামলা করা যায় না, তাই কোর্টে যাব মামলা করার জন্য। আমি এখনই যাব। কোনো সম্মানিত লোক কাউকে পাগল-ছাগল বলে অপমান করতে পারেন না।’ 

    rnrn

    হিরো আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলকেই ভালোবাসি; কিন্তু এদের কিছু লোকের এমন কর্মের কারণে আজকে তাদের দলের এ অবস্থা।’ 

    rnrn

    গত ১৮ জুলাই রুহুল কবির রিজভী রাজশাহী নগরীর ভুবন মোহন শহিদ মিনার পার্কে পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে হিরো আলমকে নিয়ে মন্তব্য করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে দুশ্চিন্তায় হিরো আলম

    বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য ঘোষিত বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আলোচিত আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। এদিন বিকালে বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

    rnrn

    তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর যাচাই-বাছাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন হিরো আলম। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, আজ রোববার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্ধারিত দিন।

    rnrn

    হিরো আলম জানান, তাকে নিয়ে নানান ষড়যন্ত্র চলছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর থেকেই তাকে নিয়ে কারও কারও ঘুম হারাম হয়ে গেছে। তিনি প্রার্থী হয়ে অনেকের মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেছেন। মনোনয়নপত্র নিয়ে অনেকে দুশ্চিন্তায় আছেন। বাছাইয়ের দিন পার না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না।

    rnrn

    এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বগুড়া-৪ আসন থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চেয়েছিলেন হিরো আলম। কিন্তু জাতীয় পার্টি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন দাখিল করেও দুই দফায় যাচাই-বাছাই করার পর তার সেই মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

    rnrn

    পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টে গিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি। তবে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান হিরো আলম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই আসনেই আমার সমান জনপ্রিয়তা রয়েছে: হিরো আলম

    বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য ঘোষিত বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আলোচিত আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। এদিন বিকালে বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

    rnrn

    উপনির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে হিরো আলম বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের জন্য অবশ্যই প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে যাতে কড়া নিরাপত্তা থাকে, ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করছি।

    rnrn

    ভোটের প্রচারণা সম্পর্কে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, যেহেতু দুই আসনে নির্বাচন করছি, তাই একদিন এক আসনে আরেকদিন আরেক আসনে প্রচারণা চালাব।

    rnrn

    দুই আসনের কোন আসনে জনপ্রিয়তা বেশি এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, দুই আসনেই আমার সমান জনপ্রিয়তা রয়েছে। দুই আসনের সবাই আমাকে ভালোবাসে।

    rnrn

    এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বগুড়া-৪ আসন থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চেয়েছিলেন হিরো আলম। কিন্তু জাতীয় পার্টি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন দাখিল করেও দুই দফায় যাচাই-বাছাই করার পর তার সেই মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

    rnrn

    পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টে গিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি। তবে প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান হিরো আলম।

    বিনোদন ডেস্ক