Tag: ফেরদৌস আহমেদ

  • ‘সরকার পড়ে যাওয়ার পর ঋতুপর্ণার বাড়িতে নাকি ছিল ফেরদৌস’

    গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গা ঢাকা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের বেশিরভাগ নেতাকর্মী। তাদের মতোই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদও। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন তিনি।

    ফেরদৌস লাপাত্তা হওয়ার পর বিভিন্ন সূত্রে গুঞ্জন শুরু হয়, ভারতে পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। যদিও ঋতুপর্ণা এটিকে স্রেফ গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দেন।

    তবে সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-র সঙ্গে আলাপে আবার সে প্রসঙ্গ ফিরিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের আরেক অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি বলেছেন, ‘সরকার পড়ে যাওয়ার পর ঋতুপর্ণার বাড়িতে নাকি ছিল ফেরদৌস। যাই হোক, ওখানে তো একটা রেভ্যুলুশন হয়েছে। ওখানকার মানুষদের চাহিদার কথা তো মাথায় রাখতেই হবে।’

    ফেরদৌসের সঙ্গে সখ্যতার কারণে বাংলাদেশের সিনেমা ‘তরী’ থেকে বাদ পড়েছেন ঋতুপর্ণা। সিনেমাটির পরিচালক নিজেই জানিয়েছেন, বিতর্ক সৃষ্টি না করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ঋতুপর্ণাকে বাদ দিয়ে শ্রীলেখা মিত্রকে সিনেমায় কাস্ট করেছেন নির্মাতা রাশিদ পলাশ। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেছেন, ’আমি জানতাম না ঋতুপর্ণার বিষয়টা। ওরা আমার সঙ্গে সিনেমার ব্যাপারে সেপ্টেম্বরের আগে যোগাযোগ করে। তখন কিছু ইস্যু হয়ে যাওয়ায়, আমার আর কাজটা করা হয়নি। পরে গল্পটা শুনে ভাল লেগেছিল। তারপর ওরা আমার সঙ্গে আলোচনা করল, কীভাবে কাজটা কি করা যায়। এভাবেই সম্পর্কটা তৈরি হলো।’

    শ্রীলেখা যোগ করেন, ‘তিনটা মেয়ের গল্প এই ছবিটা। ঐ দেশের নায়িকারা রয়েছেন। খুব ইন্টারেস্টিং একটা বিষয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফেরদৌসের বন্ধু ঋতুপর্ণা আউট, শ্রীলেখা ইন

    ঢাকাই সিনেমার নায়ক ফেরদৌসের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ ওপার বাংলার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। প্রায় অর্ধশত ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখলেই ফেরদৌসের বাড়িতে ঘুরতে যান ঋতুপর্ণা। ভারত গেলে ঋতুপর্ণার বাসায় না গিয়ে আসেন না বাংলাদেশের চিত্রনায়ক।

    জুলাই বিপ্লবের আগে আগে সেই ঋতুপর্ণাকে নিয়ে নতুন সিনেমার কাজ শুরু করেন ঢালিউডের রাশিদ পলাশ। ছবির নাম ‘তরী’। প্রথম লটের শুটিং হয়ে আটকে যায় বিপ্লবে অচলাবস্থার কারণে।

    তবে অবশেষে ৫ মাসের মাথায় জানা যায়, সিনেমা থেকে বাদ পড়েছেন ঋতুপর্ণা। যুক্ত হয়েছেন একই শহরের শ্রীলেখা মিত্র।

    রোববার (৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা রাশিদ পলাশ। তিনি বললেন, শ্রীলেখা মিত্রের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে সম্প্রতি কলকাতায় গিয়েছিলাম। গতকাল (৭ ডিসেম্বর) ফিরেছি। শ্রীলেখাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত।’

    নির্মাতা জানান, চিত্রনাট্যে ঋতুপর্ণার চরিত্রের যে পরিধি ছিলো সেটি আরও বাড়ছে শ্রীলেখাকে ভেবে।

    কিন্তু এক লটের শুটিং হয়েও ঋতুপর্ণাকে কেন বাতিল করা হলো? এমন প্রশ্নের জবাব সরাসরি না দিলেও এটুকু জানান, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এ বদল করেছেন তিনি।

    বলা দরকার, এ ক্ষেত্রে ‘তরী’ থেকে ঋতুপর্ণার বাদ পড়ার মূল কারণে রয়েছেন নায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌস। নির্মাতা চাননি, ফেরদৌসের সূত্র ধরে ছবিটির শুটিং ও মুক্তিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হোক।

    নির্মাতা বলেন, ‘আমরা ছবিটির প্রথম ধাপের শুটিং শেষ করেছি। সেপ্টেম্বরে ঢাকায় এসে শুটিংয়ে যোগ দেওয়ার কথাও ছিল ঋতুপর্ণার। জুলাইর প্রথম সপ্তাহ থেকে দ্বিতীয় ও শেষ লটের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলাম। এরই মধ্যে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শিডিউল ভেস্তে যায়। এখন নতুন করে শুটিংয়ে পরিকল্পনার কথা ভাবছি।’

    এরই মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় ছবির প্রথম ধাপের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। আগামী মাসেই সিলেটে দ্বিতীয় ধাপের শুটিংয়ে যুক্ত হবেন শ্রীলেখা।

    আহাদুর রহমানের গল্পে ‘তরী’ সিনেমার চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন তুষার খান, সুমন আনোয়ার, রেহনুমা। ২০২৫ সালে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতার।

    ঋতুপর্ণার মতো অতোটা জনপ্রিয় না হলেও শ্রীলেখা মিত্রও বাংলাদেশে ভালোই পরিচিত। এর আগে যৌথ প্রযোজনায় বেশ কিছু ছবিতে কাজ করেছেন। সর্বশেষ বাংলাদেশের ওয়েব সিনেমা ‘কলকাতা ডায়েরিজ’-এ তিনি অভিনয় করছেন। যা তৈরি করেছেন নির্মাতা রাশেদ রাহা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢালিউডে যেসব অভিনেতার ফেরার পথ কাঁটায় ঘেরা

    ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ধুঁকে ধুঁকে চলছে-এটা পুরোনো খবর। অনেক বছর ধরেই সিনেমার হাল ধরার মতো যোগ্য কাউকে যেন খুঁজে পাচ্ছে না সংশ্লিষ্টরা। যদিও ইন্ডাস্ট্রিতে সুদর্শন নায়কের অভাব নেই। কিন্তু হালআমলে অনেকে ‘রাজনীতি’ নামক এক ‘লোভনীয় ব্যবসা’র চর্চা করতে গিয়ে নিজের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে ফেলেছেন। 

    অভিনয় থেকে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়েছেন রাজনীতিতে। কোনো চিত্রনায়ক যখন রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন বা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকাশ্য সমর্থক হয়ে যান, তখন তার দর্শক কিন্তু দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। ফলে ওই অভিনেতার ক্যারিয়ার পড়ে হুমকির মুখে। 

    এ তালিকায় রয়েছেন অনেকে। যারা স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সব অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে ক্যারিয়ার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন-ফেরদৌস আহমেদ, রিয়াজ, আরিফিন শুভ, জায়েদ খান, চঞ্চল চৌধুরী, জয় চৌধুরীসহ অনেকেই। দেশের পটপরিবর্তনে এখন কাজ পাচ্ছেন না তারা। অনেকেই রয়েছেন আত্মগোপনে বা আড়ালে। তাদের ফেরার পথ কাঁটায় ভরা।

    ‘বুকের ভিতর আগুন’ সিনেমা দিয়ে ১৯৯৭ সালে সিনেমায় আসেন ফেরদৌস আহমেদ। ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমাও উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন। এ অভিনেতা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করেন। ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য তিনি। স্বৈরাচার হাসিনা ও জুলাই-আগস্ট গণহত্যাকে প্রকাশ্য সমর্থন দেওয়ায় ৫ আগস্টের পর থেকেই আত্মগোপনে এ অভিনেতা। স্বভাবতই তার অভিনয় ক্যারিয়ারের চাকা সহসাই সচল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    রাজনীতির কারণে এখন পলাতক চিত্রনায়ক রিয়াজ। তিনি বেশ কিছু হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। তবে বেশ কয়েক বছর ধরেই সিনেমায় নিয়মিত নন। চেষ্টা করেও হতে পারেননি। বরং মনোযোগী হয়েছিলেন রাজনীতির মাঠে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন তিনি। দলীয় কোনো পদ-পদবি না থাকলেও হাসিনার সমর্থনে রাজপথে বেশ সরব ছিলেন। 

    শুধু তাই নয়- ছাত্র-আন্দোলন ঠেকাতে বেশ সক্রিয় ভূমিকা ছিল তার। ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি পলাতক। অভিনয় ক্যারিয়ার তো অনেক আগেই শেষ হয়েছে বলা যায়, বাকিটুকু যা ছিল সে পথেও এখন কাঁটা। শিল্পী ইমেজের শেষটুকুও রাজনীতির দাবায় বিলীন।

    নাটক থেকে সিনেমায় এসে বড়পর্দায় প্রতিষ্ঠা পাওয়ার খুব চেষ্টা করছিলেন আরিফিন শুভ। প্রায় দুই ডজন সিনেমা করলেও কোনো অবস্থান তৈরি করতে পারেননি এ নায়ক। সর্বশেষ তিনি ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ মুজিবের চরিত্রে রূপদান করেন। আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পী হওয়ায় এর জন্য পারিশ্রমিক নেন মাত্র এক টাকা। শেখ হাসিনা তার আস্থাভাজন স্নেহের শুভর প্রতি খুশি হয়ে তাকে পূর্বাচলে দশ কাটা প্লটও দেন। অবশ্য সেই প্লট বাতিল করেছে রাজউক। 

    শুভর ক্যারিয়ার ধ্বংসের সূচনা এখান থেকেই। ৫ আগস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেই কাঁটা ছড়িয়ে পড়ে শুভর অভিনয়ের পথে। কাজ পাচ্ছেন না আর। অবশেষে গোপনে চলে যান ভারত। এখন সেখানেই কাজের খোঁজ করছেন। কবে নাগাদ দেশে আসবেন বা আদৌ আসবেন কি না এ ব্যাপারে বেশ সন্দেহ রয়েছে।

    নাটক ও সিনেমা মিলিয়ে বেশ ভালোই দিন কাটছিল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর। ঢাকা-কলকাতা, দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই জমিয়ে কাজ করছিলেন। তার দুর্বলতা একটাই, শেখ হাসিনা। এ স্বৈরাচার শাসকের প্রেমে এতটাই মত্ত ছিলেন চঞ্চল, দেখা হলেই তার পদধূলি মাথায় নিতেন। আবেগে, আয়েশে হাসিনাকে গান শুনিয়ে নিতেন বাহবা। তাই শেখ হাসিনার পতনের পর চঞ্চলের ক্যারিয়ারেরও পতন শুরু হয়েছে। চলার পথে ছড়িয়ে পড়েছে কাঁটা। সেগুলো কীভাবে সরাবেন, কিংবা সরিয়ে কাজে নিয়মিত হতে পারবেন কী তা সময়ই বলে দেবে।

    ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে জায়েদ খানই একমাত্র নায়ক, যার কোনো হিট সিনেমা না থাকলেও সবসময়ই তুমুল আলোচনায় থাকতেন। আর সেটা সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে। গত দুই বছরে সমালোচিত কর্মকাণ্ডে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ চর্চায় ছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ক্যারিয়ার শুরু করা এ অভিনেতার সর্বশেষ সিনেমা ‘সোনার চর’ও প্রেক্ষাগৃহে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। অবশ্য অভিনয় নিয়ে এ নায়কের নিজেরও তেমন মাথাব্যথা নেই। তিনি ব্যস্ত ছিলেন সিনেমার রাজনীতি নিয়ে। শিল্পী সমিতির দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

    এ ছাড়াও আওয়ামী রাজনীতি সমর্থন করতেন। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সখ্য ছিল বেশ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুজিব কোট পরে অংশ নিতেও দেখা যায় তাকে। ৫ আগস্টের পর তার বিরুদ্ধে হয়েছে মামলা। তাই ক্যারিয়ারে তার আর ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বর্তমানে আমেরিকায় অবস্থান করছেন তিনি।

    ক্যারিয়ারে ফ্লপ নায়কের তকমা পাওয়া অভিনেতা হচ্ছেন জয় চৌধুরী। ২০১২ সালে ‘এক জবান’ সিনেমা দিয়ে অভিষেক হয়। ক্যারিয়ারে নয়টি সিনেমা করলেও সবগুলোই ফ্লপ। সবশেষ মুক্তি পায় তার অভিনীত ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ নামে একটি সিনেমা। এটিতে তার বিপরীতে ছিলেন অপু বিশ্বাস। সিনেমাটি ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি বেশ সমালোচিতও হয়। অভিনয় নিয়ে তেমন সুবিধা করতে না পারলেও তিনি বনে যান শিল্পীদের নেতা। 

    বর্তমান চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের একজন সমর্থক বলেই দাবি করতেন। আওয়ামী শাসনামলে দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুজিব কোট পরে অংশ নিতেও দেখা গেছে তাকে। এদিকে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভোল পালটে ফেলেন জয়। এখন নিজেকে বিএনপির সমর্থক বলে দাবি করছেন। 

    সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট করেও নেটিজেনদের রোষানলে পড়েন এ নায়ক। রাজনীতির ভোলবদলে এ অভিনেতার ক্যারিয়ারে এখন কাঁটা বিছানো। চলার পথ খুবই সংকীর্ণ।

    ঢাকাই সিনেমায় আরও এক নায়ক সাইমন সাদিক প্রায় এক যুগ কাজ করছেন। তিনিও আওয়ামীঘনিষ্ঠ অভিনেতা। গত এক দশক ধরে সেটাই দেখা গেছে। কিছু ভালো সিনেমা উপহার দিলেও বর্তমানে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সাইমনের পথচলাও বলা যায় থমকে গেছে। দেশের পটপরিবর্তনে এখন পাচ্ছেন না কাজ।

    এ ছাড়াও নাটক-সিনেমার এমন অনেকেই আছেন যারা শিল্পী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও, বর্তমানে রাজনীতির কারণে দর্শকপ্রিয়তা হারিয়েছেন। ক্যারিয়ার নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। আওয়ামীঘনিষ্ঠ অনেক শিল্পী এখন পলাতক। অনেকেই নেটিজেনদের রোষানলে পড়ে হচ্ছেন হেনস্তার শিকার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শুল্কমুক্ত দামি গাড়ি কিনেছেন ফেরদৌস-সাকিব-সুমন, দাম কত?

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এরপর সংসদ বিলুপ্তি ঘোষণা করে নতুন বাংলাদেশের সরকার। 

    আওয়ামী সরকারের আমলে বাংলাদেশের সংসদ সদস্যরা গাড়ি আমদানিতে শুল্কমুক্তের সুবিধা পেতেন। শুল্কছাড় পাওয়া যায় বলেই কোটি টাকা দামের গাড়ি কিনেছেন শেখ হাসিনার আমলে প্রথমবার হওয়া সংসদ সদস্যরা। যারা এ সুবিধা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে আছেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা। আবার এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোটি টাকার বেশি দামের গাড়ি কিনেছেন ‘নির্দল’ সংসদ সদস্যরাও।

    কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, সব থেকে দামি গাড়ি কিনেছেন সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, যিনি ব্যারিস্টার সুমন নামে পরিচিত। চলতি বছরেই প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন তিনি। সুমন যে গাড়িটি কিনেছেন তার দাম ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা। 

    এ ছাড়া এক কোটি টাকার বেশি দামের গাড়ি কিনেছেন মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান। আওয়ামী লীগের হয়ে লড়াই করে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য হন ক্রিকেটার সাকিব। 

    শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি করার সুবিধা নিয়েছেন অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদও। তিনি ঢাকা-১০ আসন থেকে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন।

    প্রতিবেদন অনুসারে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ৫১ সংসদ সদস্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানির করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১০ জনের গাড়ি দেশে এসেছে। ছয়জন গাড়ি ‘খালাস’ করতে সমর্থ হয়েছেন। বাকি চারজনের গাড়ি ‘খালাস’ করার আগেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের জেরে গত ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। ভেঙে দেওয়া হয় দ্বাদশ সংসদ। ফলে চারজন সংসদ সদস্যের গাড়ি আটকে দিয়েছে কাস্টমস।

    কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ব্যারিস্টার সুমন কিনেছেন জাপানের টয়োটা ব্র্যান্ডের ল্যান্ড ক্রুজার এফজেএ-৩০০-ডব্লিউ মডেলের গাড়ি। সেই গাড়ি আমদানি মূল্য দেখানো হয় ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এতে ‘শুল্ককর’ দিতে হতো প্রায় ১০ কোটি টাকা। কিন্তু সেই শুল্কছাড়ের সুবিধা নিয়েই গাড়িটি তিনি কিনেছেন বলে স্বীকার করেছেন সুমন। গত ২০ জুন তিনি গাড়িটি ‘খালাস’ করলেও এখনো রেজিস্ট্রেশন করাননি বলে জানিয়েছেন তিনি। 

    অন্যদিকে সাকিব আল হাসান কিনেছেন টয়োটা এলসি স্টেশন ওয়াগন জিআর-এস। এ গাড়ির আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা। তাকে শুধু অগ্রিম কর বাবদ ৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এ ছাড়া ফেরদৌস এবং অন্যরা প্রায় ৯০ লাখ টাকা দামের গাড়ি আমদানি করেছেন। তাতেও শুল্কছাড় পেয়েছেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফেরদৌসের নামে আরও এক হত্যা মামলা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক তরুণকে হত্যার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

    rnrn

    এই মামলায় ঢাকা-১০ আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদসহ আরও ১৩৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। তালিকায় আছেন সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

    rnrn

    সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ফারাহ দিবা ছন্দার আদালতে নিহত ওই তরুণের মা মামলাটি করেছেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

    rnrn

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই ধানমন্ডি থানার ৩ নম্বর রোডে গুলিবিদ্ধ হন শুভ নামের ওই তরুণ। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন তার মৃত্যু হয়। এর আগেও ঢালিউড অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদের বিরুদ্ধে গার্মেন্টসকর্মী রুবেল হত্যার মামলা করা হয়েছে। সরকার পতনের দাবিতে সংঘর্ষ চলাকালে ৫ আগস্ট পোশাক কারখানার কর্মী রুবেল গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টালিউড সিনেমা থেকে বাদ পড়লেন ফেরদৌস 

    ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশত্যাগের পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, এমপিদের অনেকেই বিদেশে পালিয়েছেন। কেউ কেউ দেশেই গা ঢাকা দিয়েছেন। আবার কয়েকজন বিদেশ পালানোর সময় বিমানবন্দরে আটক হয়েছেন। এদের মধ্যে সংসদ সদস্য চিত্রনায়ক ফেরদৌস পিঠ বাঁচাতে ভারতে পালিয়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। 

    তবে এরই মধ্যে ফেরদৌসের এমন দুঃসময়ে আরও একটি দুঃসংবাদ ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে চেপে বসলো নায়কের ঘাড়ে। 

    জানা গেল, ছাত্র আন্দোলনে নীরব থাকায় টালিউডের একটি সিনেমা থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। অর্কদীপ মল্লিকা নাথের ‘মীর জাফর চ্যাপ্টার টু’ সিনেমায় অভিনয় করার কথা ছিল ফেরদৌসের। 

    এ বিষয়ে সিনেমার প্রযোজক রানা সরকার গণমাধ্যমকে জানালেন, এ সিনেমায় আর থাকছেন না ফেরদৌস। তার কথায়, সিনেমাটি দুই বাংলার দর্শকদের টার্গেট করে বানানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের, বিশেষত ছাত্রদের আবেগের কথা মাথায় রেখে। আমার কোনো সিনেমায় বাংলাদেশের এমন কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রীদের অভিনয় করাব না, যারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন না। সে হিসেবেই ফেরদৌসকে আমরা সিনেমাটিতে রাখছি না। 

    প্রযোজক আরও জানান, তিনি কিছুদিন ধরে কোনো সাড়া শব্দের করছিলেন না। গত জানুয়ারি থেকে বারবার যোগাযোগ করা হলেও ফেরদৌসের সাড়া পাওয়া যায়নি। 

    গত বছরের শুরুর দিকে অভিনয়শিল্পীদের লুক প্রকাশ করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়েছিল 'মীর জাফর চ্যাপ্টার টু' সিনেমার। এখনও শ্যুটিং শুরু হয়নি। ফেরদৌসের কারণেই কি এই দেরি? এমন প্রশ্নের জবাবে রানা সরকার বলেন, ২০২৩ সালেই সিনেমার শ্যুটিং হওয়ার কথা ছিল, তবে সেটা সম্ভব হয়নি। ফেরদৌসের কারণে নয়, বিভিন্ন কারণে একটু দেরি হচ্ছে। যেহেতু এটার শ্যুটিং হবে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায়, তাই সেখানে শ্যুটিং করার ক্ষেত্রে অনুমতির একটা বিষয় আছে। 

    তবে ফেরদৌসের পরিবর্তে সিনেমাটিতে কে থাকতে পারেন, সে নিয়েও কথা বলেছেন রানা সরকার। তিনি জানান, ফেরদৌসের পরিবর্তে বাংলাদেশের অভিনেতা জিয়াউল রোশান থাকতে পারেন। 

    প্রযোজক বলেন, রোশানের সঙ্গে আমাদের কোনো ঝামেলা নেই। শ্যুটিং শুরুর আগে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। সে করতে চাইলে অবশ্যই সিনেমায় থাকবে। সে সময় ফেরদৌস ভাইয়ের রিপ্লেসমেন্ট করা হবে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোথায় আছেন নায়ক ফেরদৌস?

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। রুপালি পর্দায় দাপিয়ে বেড়ানোর পর সক্রিয় হন রাজনীতির মাঠে। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছিলেন তিনি।

    rnrn

    তবে নির্বাচনের পর এক বছরও সংসদ সদস্য হিসেবে থাকার সৌভাগ্য হলো না এই নায়কের। ছাত্র-জনতার এক দফা দাবির জেরে গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। 

    rnrn

    শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবরের পর সরকারের অনেক মন্ত্রী-এমপি দেশ ছাড়েন। একদিন পরেই ভেঙে দেওয়া হয় সংসদ। 

    rnrn

    এরপরই প্রশ্ন ওঠে মন্ত্রিসভার যারা দেশে রয়ে গেছেন, তারা এখন কে কোথায় রয়েছেন? বিশেষ করে চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। এই তারকা কি দেশ ছেড়েছেন, নাকি দেশেই কোথাও গা-ঢাকা দিয়েছেন?

    rnrn

    সূত্রমতে, গত রোববার রাত পর্যন্ত ঢাকাতেই অবস্থান করছিলেন ফেরদৌস। এর দুই দিন আগেও বিটিভিতে হাজির হয়ে টেলিভিশন চ্যানেলটির ওপর হামলা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। 

    rnrn

    তবে মঙ্গলবার থেকে ফেরদৌসকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই নায়কের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও ৪ আগস্টের পর কোনো স্ট্যাটাস শেয়ার করতে দেখা যায়নি।

    rnrn

    এরই মধ্যেই গুঞ্জন উঠেছে, পরিবার নিয়ে ফেরদৌস দেশ ছেড়েছেন। যদিও নায়কের দেশ ছাড়ার খবরের এখনো কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এমনকি তার পিএসের নাম্বারও বন্ধ রয়েছে। 

    rnrn

    এদিকে ফেরদৌস গা-ঢাকা দিলেও চিত্রনায়ক রিয়াজকে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে গেলে তাকে ফেরত পাঠায় ইমিগ্রেশন পুলিশ। 

    rnrn

    মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। রিয়াজের এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কথা ছিল।

    rnrn

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গোয়েন্দা সংস্থা থেকে কিছু রাজনীতিবিদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ বেশ কয়েকজনের তালিকা চেক-ইন এবং ইমিগ্রেশন কাউন্টারে দেওয়া রয়েছে। 

    rnrn

    পাশাপাশি প্লেনে যাত্রী ওঠা ও ফ্লাইট উড্ডয়নের ক্ষেত্রেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চূড়ান্ত ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়। রিয়াজ বিকালে বিমানবন্দরে আসেন। সম্ভবত তালিকায় নাম থাকার কারণে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘শেম অন ইউ গাইজ’, ফেরদৌস-শমী কায়সারদের উদ্দেশে সাদিয়া আয়মান

    কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশের দৃশ্যমাধ্যমের শিল্পীদের মধ্যে বিভক্তি লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মামুনুর রশিদ, মোশাররফ করিমসহ একদল অভিনয়শিল্পী এবং নির্মাতা ফার্মগেটে সমাবেশ করে প্রাণহানির বিচার চেয়েছেন।

    অন্যদিকে একই দিনে সংসদ সদস্য ও অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী শমী কায়সারসহ কিছু শিল্পী বিটিভি ভবন পরিদর্শন করেন। আজ ফেরদৌস-শমীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে তরুণ অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘শেম অন ইউ গাইজ’।

    বিটিভি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেন, ‘বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।’ তার এ মন্তব্য নিয়ে বানানো কার্ডটি নিজের প্রোফাইলে শেয়ার দিয়ে ওই মন্তব্য করেন সাদিয়া।

    উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় বিচার দাবি করে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন রাজপথে নেমেছে। তারা মিছিল-সমাবেশের মাধ্যমে সব হত্যার সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নৌকা ব্যবসায়ী হলেন ফেরদৌস 

    চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও চিত্রনায়িকা শিমলা জুটি বেঁধে ‘দখিন দুয়ার’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় শুরু করেছিলেন কয়েক মাস আগে। এটি পরিচালনা করছেন সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড।

    rnrn

    সম্প্রতি জানা গেছে, সিনেমাটির কাজ প্রায় শেষের পথে। এরইমধ্যে ফেরদৌসের অংশের শুটিং শেষ হয়েছে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন। পুরো সিনেমার অল্প কিছু অংশের শুটিং বাকি আছে। পদ্মাপাড়ের মানুষের জীবন, টানাপোড়েনের গল্প নিয়ে এ সিনেমায় তুলে ধরা হচ্ছে। এতে ফেরদৌসকে দেখা যাবে নৌকা ব্যবসায়ী চরিত্রে।

    rnrn

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের ‘গঙ্গাযাত্রা’, ‘অন্তর্ধান’ সিনেমাতে কাজ করেছি। দুটি সিনেমা প্রশংসিত হয় এবং একাধিক বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। নতুন সিনেমার গল্পটা আমার ভালো লাগায় কাজটা করতে রাজি হয়েছি। আশা করছি, দর্শকদের ভালো লাগবে।’
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক