Tag: ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

  • ‌‌‘জাদুকর যখন মাঠে, ভয়ের কী আছে’

    জমে উঠেছে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যে শেষ আটে চলে গেছে সুইজারল্যান্ড। তারা মুখোমুখি হবে মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। 

    ফুটবলবিশ্বের অন্যতম মহাতারকা লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য জয়ে ভাসছেন ফুটবলপ্রেমীরা। আলবিসেলেস্তেদের এই ঐতিহাসিক জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন বিনোদন জগতের তারকারা। সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের উচ্ছ্বাস আর ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেছেন তারা— জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, অভিনেত্রী পূর্ণিমা, মিলা, তৌসিফ, কেয়া পায়েলের মতো তারকারা।

    উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচ দেখে রোমাঞ্চিত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী বলেছেন, ‘খুব ভয় পাইছিরে, তবে মিশর দুর্দান্ত খেলেছে।’

    অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে পূর্ণিমা লিখেছেন— আর্জেন্টিনার জন্য কী দুর্দান্ত একটি রাত! যখন সারা বিশ্ব ভেবেছিল সব শেষ, মেসি এবং তার যোদ্ধারা দেখিয়ে দিলেন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন কেমন হয়। সাহস, আবেগ আর বিশ্বাস এক নান্দনিক উপায়ে পুরো খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিল। আলহামদুলিল্লাহ।

    ছোটপর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব মেসির এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন দেখে মুগ্ধ। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে অভিনেতা লিখেছেন— ‘পৃথিবীর সেরাদের কাছ থেকে সেরা কামব্যাক।’ আরেক  ছোটপর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েলও খেলা চলাকালীন নিজের স্নায়ুচাপের কথা জানিয়ে লিখেছেন— ‘আমার হার্টবিট ফার্স্ট হয়ে গেছে।’

    মাঠে বসে খেলা দেখার দারুণ এক মুহূর্ত শেয়ার করে নিয়েছেন গায়িকা মিলা। তিনি মনে করছেন মাঠে তার উপস্থিতিই যেন ভাগ্য ফিরেছে আর্জেন্টিনার। এ সংগীতশিল্পী লিখেছেন— ‘এই যে দেখো আমি খেলা দেখতে গেলাম, আর যখনি আর্জেন্টটিনাকে ডাকলাম, ওমনি জিতে গেল আর্জেন্টিনা।’

    লিওনেল মেসির প্রতি আস্থা প্রকাশ করে সংগীতশিল্পী তাসরিফ খান লিখেছেন—‘জাদুকর যখন আছে মাঠে, ভয়ের কী আছে তবে? এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা।’

    তবে ব্যতিক্রমী এক মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেলাল খান। ম্যাচের জয়-পরাজয় আর মাঠের আমেজ নিয়ে রসিকতা করে  এ সংগীতশিল্পী লিখেছেন— ‘রূপকথাকেও হার মানালো আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত কোনো দুর্নীতি ছিল না, রেফারিও ভালোই ছিল। কিন্তু যখন থেকে আর্জেন্টিনা গোল দিয়েছে, তখন থেকে দুর্নীতি শুরু হয়েছে। হা হা হা…।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্রাজিলভক্ত রতনের আত্মহত্যার প্রসঙ্গে যা বললেন অপূর্ব

    চলছে বিশ্বকাপের ১৬-এর লড়াই। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল হেরেছে নরওয়ের কাছে। এ ঘটনায়  বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্রাজিল ভক্ত ভেঙে পড়েছেন দলটির পরাজয়ে। বিশ্বজুড়ে থাকা সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মতো বড় ধাক্কা খেয়েছেন ব্রাজিল সমর্থক বাংলাদেশের ভক্তরাও। তবে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রতন (২১) হয়তো একটু বেশিই ভেঙে পড়েছিলেন। কষ্ট আর কটাক্ষ সইতে না পেরে বেছে নিলেন ‘আত্মহত্যা’র পথ। প্রিয় দলের এই অপ্রত্যাশিত বিদায়ের পর নিজেও নিজেকে শেষ করে দিলেন রতন। 

    সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রতন ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রির ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন। পরিবারের দাবি— প্রিয় দল ব্রাজিলের পরাজয় এবং তা নিয়ে কটাক্ষের কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। 

    এমন খবরে অবাক ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। তিনি নিজেও একজন ব্রাজিল সমর্থক। সামাজিক মাধ্যম ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি নিয়ে একটি বার্তা দিয়েছেন অভিনেতা। তার ভক্ত-অনুরাগীদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন তিনি— ফুটবল শুধুই একটা খেলা। এটাকে জীবনের চেয়ে বড় করে দেখার কিছু নেই।

    সামাজিক মাধ্যম পোস্টে অপূর্ব লিখেছেন— ব্রাজিল হারায় কুষ্টিয়ার একটা ছেলে সু*সাইড করেছে, রেখে গেছে দুই মাসের শিশুসন্তান। এই নিউজটা দেখে ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। আপনারা খেলাকে বিনোদন হিসেবে নিন। এখানে হার-জিত থাকবেই। প্রিয় দল জিতলে ভালো লাগবে, হারলে খারাপ লাগবে। তবে সেটা জীবনের থেকে যেন বড় না হয়। কারণ দিনশেষে এটা শুধু একটা খেলা।

    অপূর্ব আরও বলেন, একটা দল হারলে আবার জিতবে, আজ ট্রফি না পেলে সামনে আবার পাবে। কিন্তু একটা জীবন চলে গেলে সেটি আর ফিরে আসে না।

    খেলার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই ট্রল বা কটাক্ষ জড়িত। তবে সেটাও যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয় বলে জানিয়েছেন এ ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা। অপূর্ব বলেন, ট্রল খেলার অংশ। তবে অতিরিক্ত ট্রল, অপমান বা হেয় করাটাও বন্ধ করুন। আপনার কাছে এটা মজা হতে পারে; কিন্তু অন্য কারও জন্য সেটি মানসিকভাবে অনেক কষ্টের কারণ হতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোন দল সমর্থন করেন জয়া আহসান, জানালেন অভিনেত্রী

    ঢালিউড অভিনেত্রী জয়া আহসান দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতায় নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। ওপারে কাজের অভিজ্ঞতা এবং নিজের অবস্থান নিয়ে মাঝেমধ্যেই গণমাধ্যমে কথা বলতে শোনা যায় অভিনেত্রীকে। তার কাজেই যেন শেষ কথা। আমি বাংলা ছবির জন্য কাজ করি। 

    এটা ঠিক যে আমি আরেকটি দেশের পাসপোর্ট ক্যারি করি; কিন্তু এতদিন ধরে এখানে কাজ করছি যে, কোনোভাবে মনে হয় না আমি এ ইন্ডাস্ট্রির বাইরের কেউ। যদি এখানকার বাসিন্দা হতাম, তাহলেও হয়তো যে পরিমাণ কাজ করছি_ এটুকুই করতাম বলে জানিয়েছেন জয়া আহসান। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই বললেন অভিনেত্রী।

    চলছে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের লড়াই। গ্রুপ পর্বে শেষ করে চলছে নকআউট পর্বের খেলা। বিশ্বকাপের এ উন্মাদনায় সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে এ জনপ্রিয় তারকার মাঝেও ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবল-জ্বর। 

    প্রিয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানো, সামাজিক মাধ্যমে তর্কবিতর্ক আর পছন্দের খেলোয়াড়কে নিয়ে মেতে ওঠা এ অভিনেত্রী আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের চিরন্তন দ্বৈরথের উন্মাদনা মাঝেই জানালেন প্রিয় দলের কথা। তবে এই চেনা স্রোতের বিপরীতে গিয়ে নিজের ভিন্ন পছন্দের কথা জানালেন জয়া আহসান। 

    সম্প্রত্রি সাক্ষাৎকারে ফুটবলে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে হাসতে হাসতে অভিনেত্রী বলেন, ফুটবলে আমার বেশ আগ্রহ আছে। শেষবার রাশিয়ায় গিয়ে গ্যালারিতে বসে বিশ্বকাপ দেখেছিলাম। তবে এবার আর যাওয়া হয়নি। পর্তুগালকে খুব ভালোবাসি। কিন্তু চারপাশে সারাক্ষণ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল শুনতে হয়। রোনালদোকে খুব ভালো লাগে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে— মেসিকেও ভালো লাগে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ফুটবল উন্মাদনার বাইরে উঠে এসেছে জয়া আহসানের আসন্ন সিনেমা ও ব্যক্তিগত জীবনের গল্প। আগামীকাল (১ জুলাই) এ অভিনেত্রীর জন্মদিন। 

    জন্মদিন নিয়ে জয়া আহসান বলেন, জন্মদিন থাকলেও তিনি খুব একটা উদযাপন করার মানুষ নন। তবে বন্ধুবান্ধব, কাছের আত্মীয় আর অনুরাগীরা খুব ভালোবেসে মনে রাখায় দিনটিতে নিজেকে কিছুটা স্পেশাল মনে হয়। ছোটবেলায় প্রজাপতি ড্রেস পরে কাটানো জন্মদিনের স্মৃতি মনে পড়লেও সেই সময়ে এসে এসব উদযাপনে কিছুটা লজ্জা পাই বলে জানান অভিনেত্রী।

    উল্লেখ্য, বাণিজ্যিক সফল সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’র মুক্তির তিন বছর পর এর সিক্যুয়েল নিয়ে আসছেন পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী। আগামী জুলাই মাসেই মুক্তি পেতে যাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত নতুন সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। 

    সফল সিনেমার দ্বিতীয় ভাগ পর্দায় আনার ক্ষেত্রে এক ধরনের মানসিক চাপ অনুভব করলেও জয়া আহসান আশাবাদী যে, সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের এ সিনেমাটি ভালো লাগবে। 

    তিনি বলেন, এবারের গল্পে নাটকীয় জায়গাগুলো আরও বেশি জোরালো হয়েছে এবং আগের চরিত্রগুলোর জীবনের দীর্ঘ জার্নির পাশাপাশি নতুন কিছু চরিত্রের সমাগম ঘটেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জাহিদ হাসানের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা, তবে ট্রফি দেখতে চান অন্য হাতে

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান আর্জেন্টিনার পাড়ভক্ত। কিন্তু বিশ্বকাপের ট্রফি দেখতে চান অন্য হাতে। এমন কথাই বলেছেন অভিনেতা। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। যদিও জাহিদ হাসান মনের কষ্টগুলো খুব একটা প্রকাশ করেন না। শতদুঃখের মাঝেও মুখে হাসি রাখার চেষ্টা করেন তিনি। যখন ভেতরের ভারটা বেশি বেড়ে যায়, তখন নির্জনে কোথাও একা বসে থাকেন এ অভিনেতা। মন খারাপের দিনে কখনো চলে যান মসজিদে। সেখানে নিজের সঙ্গে কথা বলেন, কখনো জমে থাকা কষ্ট থেকে নিজেকে হালকা করতে নীরবে কাঁদেন।

    সম্প্রতি দাম্পত্য জীবনের মজার কিছু স্মৃতি শেয়ার করে নিয়েছেন জাহিদ হাসান। হাসি-আনন্দের মাঝে লুকিয়ে থাকে একজন মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত গল্পও। বাস্তব জীবন আর অভিনয় জীবন কখনোই এক করে দেখেন না স্ত্রী মৌ। জাহিদ হাসানের অভিনয়ের কোনো চরিত্রের ছাপ বাস্তব জীবনে চলে এলে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে মনে করিয়ে দেন মৌ।

    জীবন নিয়ে জাহিদ হাসানের দর্শন— জীবনের সবচেয়ে কঠিন অভিনয়টা করতে হয় বাস্তব জীবনেই। মানুষ যখন কষ্টে থাকে, তখনো তাকে হাসতে হয়। পেশাদার অভিনেতা হলেও সেই বাস্তব অভিনয়টা সবচেয়ে কঠিন বলে মনে হয় তার কাছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন
     

    তবে বাস্তবে ভুলোমনা স্বভাবের জাহিদ হাসান। আধাঘণ্টা আগে কী বলেছেন, সে কথা মনে রাখতে কষ্ট হয় তার। অন্যদিকে মৌ ঠিক তার বিপরীতমুখী। অতীত সব ঘটনাই যেন তার স্মৃতিতে গাঁথা থাকে। 

    চলছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। প্রতিটি ঘরেই ভিন্ন দলের সমর্থক রয়েছে। যার যার দল নিয়ে গলা ফাটাচ্ছেন, তর্কবিতর্ক করছেন। এ অভিনেতার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। ছোটবেলা থেকেই ভক্ত ম্যারাডোনার। সময়ের সঙ্গে ভালোবেসেছেন লিওনেল মেসির ফুটবল জাদু। অভিনেতা আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও তার স্ত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ ব্রাজিলের সমর্থক। ফলে খেলা নিয়ে প্রায়ই তর্ক হয় দুজনের মধ্যে।

    তবে এবারের বিশ্বকাপে অভিনেতা জাহিদ হাসান আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও প্রত্যাশা— শিরোপা জিতুক পর্তুগাল। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি দেখতে চান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কবে থেকে আর্জেন্টিনার ভক্ত, জানালেন পারশা

    এ মুহূর্তে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ফুটবল উন্মাদনায় সারা বিশ্ব। থেমে নেই বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকারাও। নিজেদের প্রিয় দল নিয়ে মেতে উঠেছেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবীন পূর্ণি আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।  প্রিয় দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি। 

    ফুটবল নিয়ে সেই চিরচেনা ভালোবাসার কথা এবার অকপটে স্বীকার করলেন জেন-জির জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবীন পূর্ণি। ছোটবেলা থেকেই লাতিন আমেরিকার ফুটবল পরাশক্তি আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক তিনি। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে নিজের ফুটবল প্রেমের কথা শোনালেন এ সংগীতশিল্পী। 

    আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল মাঠ এবং মাঠের বাইরের এই চিরচেনা ফুটবল বৈরিতা বা দ্বৈরথ বেশ আনন্দ দেয় বলে জানান এ সংগীতশিল্পী। পারশার মাহজাবীন পূণি বলেন, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুদলের ম্যাচ মানেই মাঠের বাইরে ভক্ত-সমর্থকদের মাঝে কথার লড়াই, আবার কখনো তা হাতাহাতিতেও রূপ নেয়। 

    তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোলাগা প্রসঙ্গে পারশা মাহজাবীন পূর্ণি বলেন, আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করি ছোটবেলা থেকে। আমার বড় ভাই দেখতাম যে পতাকা নিয়ে আসত অনেক বড় বড়। তো বাসায় যে রকম পতাকা লাগাত, ওই জায়গা থেকে আর্জেন্টিনার প্রতি একটা আলাদা ভালোবাসা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্রাজিলভক্ত পড়শীর ফেসবুক পোস্ট, নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উন্মাদনায় সারা বিশ্ব, থেমে নেই বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকারাও। নিজেদের প্রিয় দল নিয়ে মেতে উঠেছেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পড়শী সামাজিক মাধ্যমে ব্রাজিলের জার্সি গায়ে একটি বিশেষ ছবি পোস্ট করেছেন। প্রিয় দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার আগে এ শুভকামনা জানান পড়শী। 

    শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ফুটবলপ্রেমী এ সংগীতশিল্পী লিখেছেন— বেস্ট অব লাক ব্রাজিল।

    সেই পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, ফুটবল মাঠে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর হলুদ জার্সি পরে, হাতে ফুটবল নিয়ে পোজ দিয়েছেন পড়শী। ছবিটির ক্যাপশনে প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে আগুনের ইমোজি ও হার্ট ইমোজি ব্যবহার করেছেন এ সংগীতশিল্পী।

    পোস্টটি শেয়ার করার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের নানা প্রতিক্রিয়ায় মুখর হয়ে উঠেছে তার কমেন্টবক্স। এর ঘণ্টা কয়েক পর পড়শী নিজেও মন্তব্য ঘরের শুরুতে লিখেছেন— অলওয়েজ ব্রাজিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সাম্প্রতিক সময়ে ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে নানা ইভেন্টে ব্যস্ত থাকা এ সংগীতশিল্পীর প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে আলাদা আনন্দও তৈরি করেছে। তবে ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমর্থকরাও কিছুটা খোঁচা মেরে মন্তব্য করেছেন। এক নেটিজেন মজা করে লিখেছেন— আপু ব্রাজিল কিন্তু আজ রাতে ভরপুর খাবে মরক্কোর কাছে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— আপনাকে এই হলুদ জার্সিতে সুন্দর মানিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপ মঞ্চে নোরার ‘সির সির’ গান, যেভাবে অনুপ্রেরণা পান অভিনেত্রী

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার সুযোগ পান বলিউডের মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। এমন সুযোগকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা বলে মনে করেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রীড়া আসরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পারফর্ম করা যে তাকে শিল্পী হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করেছে, তা স্বীকার করেন নোরা ফাতেহি।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা উঠল বিশ্বকাপের। কলম্বিয়ার পপতারকা শাকিরার গান, নাচ ও নাইজেরিয়ার পপতারকা বার্না বয়ের গান এবং কানাডায় নোরা ফাতেহির নাচ ও গানে জমকালো হয়ে রইল অনুষ্ঠান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহি ‘সির সির’ গানটি গেয়েছেন। যার অর্থ হচ্ছে— এগিয়ে চলা। তবে তার এই গানের অনুপ্রেরণা তিনি পেয়েছেন আফ্রিকার মরক্কোয় ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে। নোরা বলেন, ওই ম্যাচগুলোর সময় আমি স্টেডিয়ামে প্রায় প্রতিটি খেলাতেই দেখতাম ৭০ হাজার দর্শককে ‘সির সির’ স্লোগান দিতে। এ স্লোগানে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। এর পরেই আমাকে আমার প্রযোজক সঞ্জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং এ স্লোগানটি ব্যবহার করে একটি বিশ্বকাপ সংগীত তৈরি করতে অনুরোধ করেছিলাম তাকে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নোরা ফাতেহি বলেন, বিশ্বকাপে এমন অভিজ্ঞতা তার শিল্পীসত্তাকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। একই মঞ্চে শাকিরা, বার্না বয়, কেটি পেরির মতো আন্তর্জাতিক তারকার সঙ্গে নাম উচ্চারিত তার। এটা গর্বের বিষয়। তিনি এ জায়গা পৌঁছাতে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন বলেই জানিয়েছেন নোরা ফাতেহি।

    অভিনেত্রী বলেন, যখন বিভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্নধর্মী সুর এবং শিল্পচর্চা এক জায়গায় মিলিত হয়, তখনই বোঝা যায়— মানুষের মধ্যে সংযোগ গড়ে তুলতে সংগীত কতটা শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে। শাকিরা, বার্না বয় বা এমন কোনো শিল্পী, যাদের সৃজনশীল ভাবনা একে অপরের সঙ্গে মেলে, তাদের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেই প্রকৃত জাদু তৈরি হয়। কারণ ভিন্ন ভিন্ন জগত একসঙ্গে এসে যখন নতুন কিছু সৃষ্টি করে, তখনই জন্ম নেয় অপ্রত্যাশিত এবং স্মরণীয় মুহূর্তের।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রেমিকা কেটি পেরির সঙ্গে মাঠে বসে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ দেখলেন ট্রুডো

    লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-প্যারাগুয়ে ম্যাচে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তার সঙ্গে ছিলেন মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি, যিনি বিশ্বকাপের যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন।

    কেটি পেরির অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়াই ছিল ট্রুডোর লস অ্যাঞ্জেলেস সফরের অন্যতম প্রধান কারণ। উদ্বোধনী আয়োজনে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি দর্শকদের জন্য বিশেষ সঙ্গীত পরিবেশন করেন এই জনপ্রিয় শিল্পী। স্টেডিয়ামের একটি ভিআইপি বক্স থেকে তার পরিবেশনা উপভোগ করেন ট্রুডো।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পরে দুজনকে একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ের ম্যাচ দেখতে দেখা যায়। তবে নিজের দেশের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে উপস্থিত না থেকে যুক্তরাষ্ট্রের খেলা দেখতে যাওয়ায় অনেক কানাডীয় ফুটবল সমর্থক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    কানাডার ঐতিহাসিক ম্যাচে অনুপস্থিত থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রুডো। বিশেষ করে এক্স প্ল্যাটফর্মে অনেক ব্যবহারকারী তার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং কড়া মন্তব্য করেছেন।

    জাস্টিন ট্রুডো ও কেটি পেরির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে। পরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়।

    সবশেষে, গত ৮ জুন নিউইয়র্কের ট্রাইবেকা উৎসবে কেটি পেরির কনসার্টভিত্তিক চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ারে রেড কার্পেটে একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে তারা তাদের সম্পর্ককে আরও প্রকাশ্য করে তোলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয়

    কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ও লস অ্যাঞ্জেলেস ভিত্তিক জনপ্রিয় ডিজে ও সঙ্গীত প্রযোজক সঞ্জয়। শুক্রবার (১২ জুন) তার এই অনন্য পারফরম্যান্স দেশ ও বিদেশে ব্যাপক প্রশংসার পাশাপাশি সকলের নজর কেড়েছে। 

    উদ্বোধনী মঞ্চে বিশ্বখ্যাত নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি এবং ফরাসি গায়ক ভেজেড্রিমের সঙ্গে তাদের যৌথ গান ‘সির সির’ পরিবেশন করেন সঞ্জয়। এ সময় তার পরনে ছিল একটি চমৎকার মেরুন রঙের স্যুট, যার হাতায় নিখুঁত সুই-সুতার কারুকাজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মোটিফ।

    পোশাকটির নকশায় অত্যন্ত যত্ন সহকারে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহ ফুটিয়ে তোলা হয়। এতে স্থান পায় বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার লাল বৃত্তটি। 

    পারফরম্যান্স চলাকালীন সঞ্জয়কে বারবার তার জ্যাকেটের হাতায় থাকা এই বিশেষ এমব্রয়ডারির দিকে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। দর্শকরা এটিকে নিজের শিকড় ও মাতৃভূমির প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিশ্বকাপের মতো এত বড় বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের এই গৌরবোজ্জ্বল উপস্থাপনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দেশের নামি-দামি সঙ্গীতশিল্পী থেকে শুরু করে তারকারা এই পারফরম্যান্সের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে সঞ্জয়কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। 

    ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের ভিডিওটি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করে সঞ্জয় ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমার মানুষ। এটি কেবল একটি সুন্দর পথচলার শুরু মাত্র।’ 

    উল্লেখ্য, সঞ্জয়ের জন্ম বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গলে এবং বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। পরবর্তীতে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তিনি প্রায়শই তার সঙ্গীত জীবনে বিভিন্ন সংস্কৃতির মিশ্রণের কথা উল্লেখ করেন। এই অনন্য শৈল্পিক যাত্রার পেছনে নিজের পারিবারিক সঙ্গীত ঐতিহ্য, বিশেষ করে তার মা ও দাদির অবদানকে তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপের অ্যালবামে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ডিজে সঞ্জয়

    বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জায়গা করে নিলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ-এর অফিশিয়াল অ্যালবামে একজন অফিশিয়াল শিল্পী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও লাইভ পারফর্ম করার সুযোগ পেয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। 

    সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে সঞ্জয় নিজেই এই সুখবরটি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। 

    নিজের দীর্ঘ সংগীতযাত্রার অভিজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে সঞ্জয় জানান, দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির মাঝে বড় হওয়া এবং বিশ্বমঞ্চে নিজের সংগীতকে পৌঁছে দেওয়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখতেন, আজ তা সত্যি হতে চলেছে। এই অর্জনকে কেবল নিজের একক সাফল্য হিসেবে দেখছেন না তিনি; বরং একে দেখছেন সেইসব তরুণ স্বপ্নবাজদের অনুপ্রেরণা হিসেবে—যারা সমস্ত সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে নিজেদের বড় লক্ষ্যগুলো ছুঁতে লড়াই করে যাচ্ছেন। 

    এই অফিশিয়াল অ্যালবামে ভক্তরা খুব শিগগিরই শুনতে পাবেন সঞ্জয়ের নতুন গান ‘সির সির’। গানটিতে তার সঙ্গে যৌথভাবে কণ্ঠ দিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও তারকা নোরা ফাতেহি এবং ফরাসি শিল্পী ভেজেড্রিম। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তারকাবহুল ফিফা অ্যালবাম ও উদ্বোধনী আয়োজন 

    ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল অ্যালবামটি হতে যাচ্ছে বিশ্বসংগীতের এক মহোৎসব। এই অ্যালবামে সঞ্জয় ছাড়াও থাকছেন দ্য রোলিং স্টোনস, শাকিরা, ড্যাডি ইয়াঙ্কি, বার্না বয় এবং রেমার মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগীতশিল্পীরা। 

    যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য পারফর্মারদের একটি তালিকা ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত করেছে ফিফা। তিন আয়োজক দেশজুড়ে হতে যাওয়া এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্বসেরা তারকা কেটি পেরি এবং ব্ল্যাকপিঙ্ক-এর জনপ্রিয় সদস্য লিসার সঙ্গে একই মঞ্চে পারফর্ম করবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়। 

    উল্লেখ্য, শ্রীমঙ্গলে জন্ম নেওয়া এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা সংগীতশিল্পী ও ‍ডিজে সঞ্জয় ক্যারিয়ারের প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। নিজের অনন্য মিউজিকাল আইডেন্টিটি বা সংগীতের ধরন গড়ে ওঠার পেছনে তিনি সবসময়ই তার এই বহুসাংস্কৃতিক জীবনকে কৃতিত্ব দিয়ে এসেছেন। 

    মূলত সংগীতের এই ধারাটি তার পারিবারিক ঐতিহ্যেই মিশে আছে। তার মা এবং নানী দুজনেই সংগীতের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক