Tag: ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

  • মেসি, দয়া করে কেঁদো না, আবেগঘন পোস্ট শশীর

    ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করার পর লিওনেল মেসির আবেগঘন মুহূর্ত কোটি ভক্তের মতোই স্পর্শ করেছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী শারমীন জোহা শশীকে। ম্যাচশেষে মেসির কান্না দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি হৃদয়ছোঁয়া স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি, যা ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার এ অভিনেত্রী পোস্টের শুরুতেই মেসির প্রতি নিজের অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবেসেছি, ভালোবাসি এবং সব সময় ভালোবাসব। তুমি সর্বকালের সেরা। মেসি, তুমি দয়া করে কেঁদো না।’

    নিজেকে আর্জেন্টিনার সমর্থক উল্লেখ করে শশী লেখেন, জীবনে সবাই সবকিছু পায় না—এটাই বাস্তবতা। তাই একটি পরাজয় কখনোই মেসির অসাধারণ অর্জন ও কিংবদন্তি মর্যাদাকে ম্লান করতে পারে না। তার ভাষায়, ‘আজকের দিনটি হয়তো তোমার ছিল না। কিন্তু তাই বলে তুমি কোনো অংশেই কম নও। তোমার ছোট ছোট অপূর্ণতাগুলোই তোমাকে আরও সুন্দর করে তোলে।’

    ফাইনাল শেষে স্পেন যখন শিরোপা জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে, তখন নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘স্পেন যখন উদ্‌যাপনে ব্যস্ত ছিল, আমি দর্শকদের ভিড়ে দাঁড়িয়ে টেলিভিশনের পর্দায় শুধু ১০ নম্বর জার্সিটির দিকেই তাকিয়ে ছিলাম। আমার চোখ সেখানেই আটকে ছিল।’

    পুরো বিশ্বকাপজুড়ে মেসির নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে শশী বলেন, জয়-পরাজয়কে কীভাবে গ্রহণ করতে হয়, তা মেসিই শিখিয়েছেন। টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ ফুটবল উপহার দেওয়ার জন্য তিনি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে ধন্যবাদ জানান।

    স্ট্যাটাসের শেষেও মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের অটুট ভালোবাসার কথা পুনর্ব্যক্ত করে শশী লেখেন, ‘আজকের দিনটা একসময় হারিয়ে যাবে, কিন্তু মেসি কখনো হারিয়ে যাবে না। তাই এখনো আমার কণ্ঠে একটাই ধ্বনি—মেসি সর্বকালের সেরা, আর সেরা আর্জেন্টিনা।’

    শশীর এই আবেগঘন স্ট্যাটাসে আর্জেন্টিনা ও মেসির অসংখ্য সমর্থক একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মন্তব্যে লিখেছেন, একটি হার কখনোই লিওনেল মেসির কিংবদন্তি ক্যারিয়ার বা তার প্রতি ভালোবাসাকে ম্লান করতে পারবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘অভিনন্দন ব্রাজিল, থুক্কু স্পেন’

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক একটি পোস্ট দিয়েছেন উপস্থাপক ও অভিনেতা শারিয়ার নাজিম জয়।

    মঙ্গলবার (২০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লেখেন, ‘অভিনন্দন ব্রাজিল। থুক্কু স্পেন। তবে আর্জেন্টিনা ছাড়া অন্য যে কোনো দল হলে খেলা শেষ হতো ৮-০ গোলে।’

    পোস্টটি প্রকাশের পরই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া। অনেকের মতে, জয়ের মন্তব্যে আর্জেন্টিনার লড়াকু মানসিকতার প্রশংসাই উঠে এসেছে। তাদের দাবি, শিরোপা হারালেও শেষ পর্যন্ত শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল আর্জেন্টিনা, আর সেই বিষয়টিই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।

    অন্যদিকে, অনেকেই এটিকে ফুটবল ঘিরে স্বাভাবিক খুনসুটি ও রসিকতা হিসেবে দেখছেন। কেউ তার মন্তব্যের সঙ্গে একমত হলেও, কেউ আবার এটিকে অতিরঞ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন। ফলে পোস্টটি ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে চলছে তুমুল আলোচনা।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা আর স্পেন। ১২০ মিনিট শেষে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতল স্পেন।

    ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আর্জেন্টিনার রক্ষণে ভীতি ছড়াতে থাকে স্পেন। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে টানা দুটি আক্রমণ করে তারা। ডানপ্রান্ত ধরে আক্রমণে উঠে আর্জেন্টিনার বক্সে ভীতি ছড়ায় স্প্যানিশরা। প্রথমবার বক্সের মধ্যে ঢুকে দারুণ একটি শট নিয়েছিলেন ইয়ামাল। সেটি আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে আটকে যায় এমিলিয়ানো মার্টিনেজের শরীরে। পরের আক্রমণ ব্লক হয় আর্জেন্টিনার রক্ষণে।     

    এরপর ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে প্রতিআক্রমণ থেকে বিপদে পড়তে যাচ্ছিল স্পেন। বল নিয়ে বামপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠছিল আর্জেন্টিনা। প্রায় মধ্য মাঠে উঠে এসে সেই আক্রমণ রুখে দেন গোলরক্ষক উনাই সিমন।

    ম্যাচের ১৮তম মিনিটে আবারও আক্রমণে উঠেছিল স্পেন। নিজেদের অর্ধ থেকে বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন লামিন ইয়ামাল। সঙ্গে থাকা ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ছয় গজ বক্সে ক্রসও বাড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বল সতীর্থকে খুজে নেওয়ার আগেই গ্লাভসবন্দি করেন মার্টিনেজ।

    এরপর ম্যাচের গতি কিছুটা কমে যায়। দুই দলের মাঝমাঠে বল দখলের লড়াইয়ে ব্যস্ত হয়। তবে আক্রমণ গড়তে পারেনি কোনো দলই।

    ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে ভয় পাইয়ে দেয় স্পেন। বামপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে সুইচ করে ডানপ্রান্তে মিকেল ওইয়ারাসাবালের কাছে পাসে দেন। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ একটি শট নিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই বল আটকাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি মার্টিনেজকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আর্জেন্টিনা জিতলে বিয়ে, এবার যা বললেন পরীমনি

    আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে আবার বিয়ে করবেন চিত্রনায়িকা পরীমনির এমন একটি ফেসবুক পোস্ট কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। মজার ছলে দেওয়া সেই ঘোষণার পর অসংখ্য ভক্ত তাকে শুভকামনা জানিয়েছেন, কেউ কেউ আবার সরাসরি বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন। তবে ফাইনালের আগে এসে বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বিপাকেই পড়েছেন এ অভিনেত্রী।

    রোববার (১৯ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে হাস্যরসের সুরে পরীমনি বলেন, আগে কখনো বিয়ের ঘোষণা দিয়ে বিয়ে করেননি তিনি। বরং প্রেমের পর হঠাৎ করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু এবার আগেভাগে এমন ঘোষণা দিয়ে যেন নতুন ঝামেলায় পড়েছেন।

    পরীমনির ভাষায়, ‘আমি তো এর আগে ঘোষণা দিয়ে বিয়ে করিনি। প্রেম করেছি, এরপর হুট করে বিয়ে করে ফেলছি। এবার বিয়ের ঘোষণা দিয়ে তো মুসিবতে পড়ে গেলাম। ভাবিনি, সবাই বিষয়টাকে এত সিরিয়াসলি নেবে। এত এত সিরিয়াস বিয়ের প্রস্তাব আসছে, কিছুই বুঝতে পারছি না কী করব।’

    তবে বিয়ে নিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, বিয়ে করতে হলে একজন অভিভাবকের প্রয়োজন, আর বর্তমানে সেই জায়গায় কেউ নেই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘বিয়ের জন্য তো একজন অভিভাবক লাগে। আগে আমার অভিভাবক ছিল, এখন তো ওই পর্যায়ের কেউ নেই। ভাবছি, ছেলে বড় হোক, ছেলে বিয়ে করুক। এরপর কিংবা তার আগেই যদি ছেলে আমার অভিভাবক হয়ে বিয়ে দেয়, তাহলেই বিয়ে করতে পারব।’

    পরীমনির এই বক্তব্যে স্পষ্ট, আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলেও সঙ্গে সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন না তিনি।

    এদিকে আজ রাতেই বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। দীর্ঘদিন ধরেই আর্জেন্টিনার সমর্থক পরীমনি। তাই শিরোপার লড়াই ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত তিনি। তবে প্রতিপক্ষ স্পেনকেও যথেষ্ট শক্তিশালী দল হিসেবে দেখছেন এ অভিনেত্রী।

    তিনি বলেন, ‘লড়াইটা হবে। স্পেন খুব ভালো খেলছে। তবে মন বলছে, শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপটা মেসির হাতেই উঠবে। আর আমি চাই, আর্জেন্টিনা জিতুক, মেসি গোল্ডেন বুট পাক।’

    বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের সমর্থনের কথা বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন পরীমনি। দলের প্রতিটি জয় উদযাপন করেছেন আকাশি-সাদা জার্সি পরে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে। লিওনেল মেসিকেও নিয়ে করেছেন একাধিক পোস্ট।

    গত বুধবার দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের আগে ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করব। ফাইনাল।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মজার ছলে দেওয়া সেই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। কয়েক লাখ প্রতিক্রিয়া ও হাজারো শেয়ারের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরপর আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার পর ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে নিয়েও আরেকটি রসিকতাপূর্ণ পোস্ট করেন তিনি।

    এখন বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি পরীমনির ভক্তদের মধ্যেও কৌতূহল-আর্জেন্টিনা যদি সত্যিই শিরোপা জিতে, তাহলে কি আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এ ঢালিউড তারকা?

    বিনোদন ডেস্ক

  • আর্জেন্টিনার জয়ে খোঁচা দিয়ে যে কথা লিখলেন শাহনাজ খুশি

    চলছে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ। তাই ফুটবল খেলার দিকেই মনোযোগী বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি। খেলা ভীষণ পছন্দ করেন অভিনেত্রী। রোববার (১২ জুলাই) সকালে বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। এ লড়াকু বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছেন লিওনেল মেসি ও তার সতীর্থরা। যারপরনাই তারকা অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি ভীষণ খুশি। এ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়েছেন  তিনি।

    এর আগেও আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের সমর্থনের কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। সেমিফাইনালে ওঠার পরও প্রিয় দলের সাফল্যে নিজের আনন্দ প্রকাশ করলেন শাহনাজ খুশি।

    মেসির আর্জেন্টিনার এ জয়ে দলটি এখন বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের আরেক ধাপ কাছে পৌঁছে গেছে। দলের রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন দেশের অনেক তারকাও। আর সেই আনন্দেই সামাজিক মাধ্যমে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দিচ্ছেন মেসি-ভক্তরা, যার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন এ ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মেসিদের জয়ের পর খোঁচা দিয়েই সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন শাহনাজ খুশি? আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘আর কথা না বলি!’ 

    সেই পোস্টের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া দুটি ইমোজি দেখে বোঝাই যাচ্ছে, মাত্র কয়েকটি শব্দের এই পোস্টেই যেন লুকিয়ে ছিল সমালোচক ও নিন্দুকদের উদ্দেশে এক চিমটি খোঁচা। পোস্টটি প্রকাশের পর অনেক অনুসারী মন্তব্যে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করেন। এক নেটিজেন লিখেছেন— ‘এবার নিন্দুকদের মুখ বন্ধ, মেসি আবারও প্রমাণ করলেন’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পিওর ইমোশন পিওর প্যাশন— সেমিফাইনালিস্ট: আর্জেন্টিনার জয়ে পূর্ণিমা

    চলছে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ। জমে উঠেছে ফুটবল। এর মধ্যে সেমিফাইনালে চলে গেছে ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ড। শেষ কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পৌঁছে গেছে সেমিফাইনালে। বাংলাদেশ সময় রোববার (১২ জুলাই) সকালে এ লড়াকু বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছেন লিওনেল মেসি ও তার সতীর্থরা। যারপরনাই বাংলাদেশি বিনোদন জগতের তারকারা খুশি। 

    ফুটবলবিশ্বের অন্যতম মহাতারকা লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য জয়ে ভাসছেন ফুটবলপ্রেমীরা। আলবিসেলেস্তেদের এ জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন  বিনোদন জগতের তারকারাও। তাই আলবিসেলেস্তেদের খেলা দেখতে বাংলাদেশি তারকাদের অনেকেই বেশ কয়েকবার স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছেন। এর মধ্যে ছোটপর্দার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি নাঈম-নাদিয়া আর্জেন্টিনা বনাম মিসরের ম্যাচটি গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করেছেন। তারা দুজনেই মনেপ্রাণে আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক। প্রিয় দলের খেলা মিস করতে চান না কেউ-ই। সেই সময়ের ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে নাদিয়া উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লিখেছেন— ‘ভামোস আর্জেন্টিনা! রোড টু সেমিফাইনালস। গর্জে ওঠো আর্জেন্টিনা। কানসাস সিটি স্টেডিয়ামকে ধন্যবাদ, এই মাঠেই এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে জিতেছে আর্জেন্টিনা, আর এখন কোয়ার্টার ফাইনাল জিতল।’

    নাঈম-নাদিয়া দম্পতি ছাড়াও এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে মাঠে বসে নিজ দলের পক্ষে গলা ফাটাচ্ছেন দেশের আরও অনেক সেলিব্রেটি। এর মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, সাফা কবির, নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ, দিলারা প্রমুখ।

    আর্জেন্টিনার জয়ে বরাবরের মতোই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রিয় দলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তারকারা। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে অভিনেত্রী পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘পিওর ইমোশন, পিওর প্যাশন। সেমিফাইনালিস্ট!’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে আর্জেন্টিনার পাড় ভক্ত অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। জয়ের আনন্দ করছেনই। তবে আজকের ম্যাচে তিনি সন্তুষ্ট নন। বিশেষ করে আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনির ওপর বিরক্ত তিনি। কারণ বেঞ্চে মেধাবী খেলোয়াড় বসিয়ে রেখে ম্যাচ ঝুঁকিতে ফেলেছেন কোচ। 

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে ইরফান সাজ্জাদ লিখেছেন— ‘প্রিয় স্কালোনি, খুশি হওয়ার কিছু নেই! সেমিফাইনালে ইগোটাকে পাশে রেখে যোগ্য প্লেয়ারদের খেলাও! আনচেলেত্তির (ব্রাজিলের কোচ) মতো ভুল করো না। সেমিফাইনালের জন্য শুভকামনা।’

    অভিনেত্রী মালাইকা চৌধুরীও আর্জেন্টিনার ভক্ত। প্রতি ম্যাচেই প্রিয় দলের জন্য বার্তা দেন। আজকের জয়ের পর আর্জেন্টিনার জার্সি পরিহিত ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘আজকে আমি অনেক খুশি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চেও গাইবেন শাকিরা, সঙ্গে থাকবেন যারা

    ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলম্বিয়ান পপতারকা শাকিরা বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের মন জয় করে নিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এবার সমাপনী অনুষ্ঠানে গান গাইবেন এ পপ সংগীতশিল্পী। বিশ্বকাপ সমাপনী মানে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল। আর এই ফাইনাল ফুটবলের মাঝের বিরতির সময় দর্শককে মাতিয়ে রাখবেন কলম্বিয়ান গায়িকা শাকিরা। 

    কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী দর্শকের টান টান উত্তেজনা। আর সেই মাঠের উত্তেজনাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে মঞ্চে থাকবেন একঝাঁক বিশ্বসেরা সংগীত তারকা। ফুটবল ও সংগীতের এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধনে এবার রচিত হতে যাচ্ছে নতুন এক ইতিহাস। আর সেই ঐতিহাসিক আয়োজনের কথাই জানালেন কলম্বিয়ান পপসম্রাজ্ঞী শাকিরা।

    সম্প্রতি ‘দ্য ক্যাপিটাল ইভনিং শো উইথ জিমি হিল’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগীতশিল্পী শাকিরা বলেন, আগামী ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শো হতে যাচ্ছে ‘একেবারে ঐতিহাসিক’। যেখানে তার সঙ্গে পারফর্ম করবেন জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, কোরিয়ান ব্যান্ড বিটিএস এবং কোল্ডপ্লে।

    এ পপতারকা বলেন, ‘আমি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেছি। আর এখন ফাইনালেও গান গাইব। আমাকে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, যাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চেয়ে ফাইনালের পারফরম্যান্সটা কিছুটা আলাদা ও অনন্য করা যায়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শাকিরা আরও বলেন, এটি একটি যৌথ ‘হাফটাইম শো’ হতে যাচ্ছে…। এটি সত্যিই ঐতিহাসিক হবে। পাঁচজন শিল্পী থাকছেন এখানে যারা আসলে আমি বাদে বাকি চারজন অসাধারণ শিল্পী। সেখানে ম্যাডোনা থাকাবেন, বিটিএস, বিবার ও কোল্ডপ্লে। 

    তিনি বলেন, আমরা সবাই একসঙ্গে বসব এবং পুরো বিষয়টি কেমন হবে তা ঠিক করব। তবে সত্যি বলতে— আমি নিজেই এটি নিয়ে দারুণ কৌতূহলী। আপনাদের মনে এখন ঠিক যতটা কৌতূহল কাজ করছে, ঠিক ততটাই আমার মনেও।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আর্জেন্টিনার জন্য কী দুর্দান্ত একটি রাত: পূর্ণিমা

    ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মহাতারকা লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য জয়ে ভাসছে পুরো ফুটবলবিশ্ব। মাঠের সেই উন্মাদনা ছুঁয়ে গেছে বিনোদন জগতের তারকা ফুটবলপ্রেমীদের মাঝেও। তবে শুধু সাধারণ দর্শকই নন, আলবিসেলেস্তেদের এই ঐতিহাসিক ও রোমাঞ্চকর জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা।

    অভিনেত্রী আর্জেন্টিনার এই অবিশ্বাস্য জয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের তুমুল উচ্ছ্বাস আর ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে কোটি ভক্তের উদ্দেশে মনের অনুভূতি শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি। আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের ভালোবাসা ও মুগ্ধতা প্রকাশ করে অভিনেত্রী লিখেছেন— আর্জেন্টিনার জন্য কী দুর্দান্ত একটি রাত।

    পূর্ণিমা বলেন, যখন সারা বিশ্ব ভেবেছিল সব শেষ, মেসি এবং তার যোদ্ধারা দেখিয়ে দিলেন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন কেমন হয়। সাহস, আবেগ আর বিশ্বাস এক নান্দনিক উপায়ে পুরো খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিল। আলহামদুলিল্লাহ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রিয় দলের এমন শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে পূর্ণিমার এ আবেগঘন বার্তা সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। তার ভক্ত-অনুরাগীরাও মন্তব্যের ঘরে এসে পূর্ণিমার সঙ্গে সুর মিলিয়ে আর্জেন্টিনা দলের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা জানাচ্ছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাঠে প্রিয় দলের খেলা দেখে উচ্ছ্বসিত নাঈম-নাদিয়া

    জমে উঠেছে ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল। এ মুহূর্তে বিশ্বকাপ নিয়ে বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা তুঙ্গে। এর মধ্যে শেষ আটে চলে গেছে সুইজারল্যান্ড। তারা কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলবে।

    অন্যদিকে মিসরের বিপক্ষে ফুটবলবিশ্বের অন্যতম মহাতারকা লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য জয়ে ভাসছেন ফুটবলপ্রেমীরা। আলবিসেলেস্তেদের এই ঐতিহাসিক জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন  বিনোদন জগতের তারকারাও। আর সেই আর্জেন্টিনা বনাম মিসরের ম্যাচটি গ্যালারিতে বসে সরাসরি উপভোগ করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি এফএস নাঈম ও নাদিয়া আহমেদ। 

    তারা দুজনেই মনেপ্রাণে আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক। প্রিয় দলের খেলা মিস করতে চান না কেউ-ই। তাই আলবিসেলেস্তেদের খেলা দেখতে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছেন এ তারকা দম্পতি।

    নাঈম-নাদিয়া দম্পতি ছাড়াও এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে মাঠে বসে নিজ দলের পক্ষে গলা ফাটাতে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন দেশের আরও অনেক সেলিব্রেটি। এর মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, সাফা কবির, নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ প্রমুখ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রিয় দলের এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ গ্যালারিতে বসে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করেননি নাঈম-নাদিয়াও। মাঠে উপস্থিত থেকে সরাসরি উপভোগ করেছেন মেসিদের সেই ঐতিহাসিক জয়।

    ম্যাচশেষে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করার একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নেন এ তারকা দম্পতি। পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এ তারকা দম্পতি লিখেছেন— ‘আমরা কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেছি, অভিনন্দন টিম আর্জেন্টিনা।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেসিদের জয়ে আবেগী অপরাজিতা

    ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপে আক্ষরিক অর্থেই এক অবিশ্বাস্য রূপকথার জন্ম দিল আর্জেন্টিনা। মিসরের বিপক্ষ ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও যেভাবে শেষ মুহূর্তের কামব্যাক করে লিওনেল মেসির দল ৩-২ ব্যবধানে জিতে নিল, তা দেখে স্তম্ভিত গোটা ফুটবলবিশ্ব। এক কথায়— অবিশ্বাস্য। 

    মাঠের সেই উত্তাপ এবার আছড়ে পড়েছে বিনোদন জগতের তারকাদের মাঝেও। আলবিসেলেস্তেদের এমন রুদ্ধশ্বাস জয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন, গভীর ও শিক্ষণীয় পোস্ট দিয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।

    সামাজিক মাধ্যমে  পোস্ট করা নিজের লেখার শুরুতেই দিদিমার একটি পুরোনো প্রবাদ স্মরণ করেছেন অপরাজিতা আঢ্য— ‘গাইতে গাইতে যার গলায় সুর নেই, সেও একদিন একটু একটু গাইতে শিখে যায়।’ 

    সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন—এ কথাটি শুধু গানের জন্য নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্যই চিরন্তন সত্য। ফুটবল নিয়ে নিজের অজ্ঞতার কথা অকপটে স্বীকার করে অপরাজিতা আঢ্য বলেন, ‘আমি ফুটবলের মানুষ নই। অফসাইড, প্রেসিং, ফলস নাইন, উইং— এসব এখনো পুরো বুঝি না। কিন্তু খেলাটা দেখতে ভালোবাসি। আর দেখতে দেখতে, ভালোবাসতে ভালোবাসতেই, খেলার ভাষাটাও একটু একটু করে শিখে ফেলেছি। তাই আজকের আর্জেন্টিনা– মিসর ম্যাচ শুধু একটা ফুটবল ম্যাচ হয়ে রইল না, জীবনের একটা বড় শিক্ষা হয়ে গেল।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির সেই ঐশ্বরিক মানসিকতার প্রশংসা করে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘তখনো মেসির মুখে আতঙ্কের চিহ্ন ছিল না। ছিল এক শিশুর মতো শান্ত হাসি। সেই হাসিটা যেন বলছিল—‘শেষ বলে কিছু হয় না। শেষ মানেই— নতুন শুরুর অপেক্ষা।’ 

    তিনি বলেন, তারপরই ঘটল সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। শেষের কয়েক মিনিটে ৩ গোল। যে ম্যাচ হার নিশ্চিত মনে হচ্ছিল, সেটাই জয়ে বদলে গেল।

    তিনি বলেন, ‘মহান নেতৃত্ব মানে সব আলো নিজের ওপর টেনে নেওয়া নয়; অনেক সময় অন্যের জন্য আলো জ্বালিয়ে দেওয়া। সব গোল নিজেকে করতে হবে না। সব কৃতিত্ব নিজের হতে হবে না। কখনো কখনো অন্যকে জায়গা করে দেওয়াটাই সবচেয়ে বড় জয় বলে জানান অপরাজিতা আঢ্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফ্রান্সকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, সমালোচনার মুখে অমিতাভ বচ্চন

    ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যে শেষ আটে চলে গেছে সুইজারল্যান্ড। তারা কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ৪-৩ গোলে জয়ী হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে। 

    এদিকে বিশ্বকাপের এ উন্মাদনার মাঝেই সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়েছেন  বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। সেই পোস্ট রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে। ফ্রান্স ফুটবল দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে গিয়ে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের বেড়াজালে জড়িয়ে পড়েছেন বিগবি। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    বিশ্বকাপে ফ্রান্স দলে যেমন কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে কিংবা মাইকেল ওলিসের মতো কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলাররা মাঠ কাঁপাচ্ছেন, ঠিক তেমনি লুকাস ডিনে বা অদ্রিয়ান র্যাবিওর মতো শ্বেতাঙ্গ তারকারাও অবদান রাখছেন। দলের ভেতরে যখন কোনো বিভেদ নেই, তখন অমিতাভের মতো একজন কিংবদন্তির মুখে প্রশংসার ছলে এমন ‘বর্ণবিদ্বেষী’ মন্তব্য বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবলভক্তের মনে আঘাত হেনেছে।

    এর মধ্যেই কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স প্যারাগুয়েকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ম্যাচে একমাত্র জয়সূচক গোলটি আসে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের পা থেকে। ফরাসিদের এমন দুর্দান্ত দাপট দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন।

    দুঃখজনক হলেও সত্যি— বিগবি প্রশংসার বদলে ভাষা হিসেবে যা বেছে নিয়েছেন, তাতেই চটেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন— এবার বলেই দি। এই ফরাসি দলটায় ১১ ফুটবলার আছেন। এর মধ্যে ১০ জন কালো আর একজন সাদা। এটাই হলো কালো মানুষের শক্তি।

    তার এই ‘সাদা-কালো’ বৈষম্যমূলক মন্তব্য পোস্ট হওয়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। নেটিজেনদের একাংশ বলেছেন— খেলোয়াড়দের গায়ের রঙ বা জাতিগত পরিচয় দিয়ে বিচার না করে তাদের জাতীয়তা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত ছিল। আবার অনেকেই এ মন্তব্যকে চরম ‘অসংবেদনশীল’ এবং ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক