Tag: নির্বাচন

  • এফডিসিতে শিল্পী সমিতির নির্বাচন শুরু, ভোটার ৫৭৩ জন

    রূপালি পর্দার শিল্পীদের জন্য আজ এফডিসিপাড়ায় বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। কেননা বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বহুল প্রতীক্ষিত ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

    বিএফডিসি প্রাঙ্গণে সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ৯টা থেকে ভোট কাউন্ট শুরু হয়, চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। মাঝে দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার জন্য নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি থাকবে। 

    এদিন আগামী দুই বছরের জন্য নিজেদের যোগ্য নেতা বেছে নেবেন চলচ্চিত্র শিল্পীরা। এবারের নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। সকাল থেকেই ভোটার, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠেছে এফডিসি প্রাঙ্গণ। জানা গেছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। 

    এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। এর মধ্যে একটি প্যানেলের নেতৃত্বে আছেন শিবা শানু ও জয় চৌধুরী। অন্যদিকে, তাদের টেক্কা দিতে আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তি গড়েছেন আরেকটি শক্তিশালী প্যানেল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শিবা সানু-জয় চৌধুরীর প্যানেলে সহ-সভাপতি পদে লড়ছেন রোজিনা ও ডিএ তায়েব, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পলি, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মোসাফকুল জামিল কাকন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে জাদু আজাদ নির্বাচন করছেন। 

    অন্যদিকে, আরমান-মুক্তির প্যানেলে সহ-সভাপতি পদে নূতন ও ইলিয়াস কোবরা, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চুন্নু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে রাসেল মিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদে কমল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

    এছাড়া ১১টি কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদের বিপরীতে দুই প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

    এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু। 

    উল্লেখ্য, গত মেয়াদে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার কোনো পদেই শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নেননি।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাত পোহালেই শিল্পী সমিতি নির্বাচন, তারকারা কে কোন পদে লড়ছেন?

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 

    রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    একটি প্যানেলে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। এই প্যানেলে সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন নূতন ও ইলিয়াস কোবরা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চুন্নু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে রাসেল মিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদে প্রার্থী হয়েছেন কমল।

    এই প্যানেলের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে লড়ছেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, দুলারী, রাকা, শারমিন আক্তার, লতিফ (চিতা), নাসরিন, সুশান্ত, শাহীন কমেডি, বাদল শেখ, আরমান খান ও শামীম খান (চিকন আলী)।

    অন্যদিকে দ্বিতীয় প্যানেলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী। সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন রোজিনা ও ডিএ তায়েব। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পলি, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মোসাফকুল জামিল কাকন এবং কোষাধ্যক্ষ পদে প্রার্থী হয়েছেন জাদু আজাদ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই প্যানেলের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলী রাজ, ফরহাদ, কাবিলা, ইয়ামিন হক ববি, কায়েস আরজু, শিরিন শিলা, শিপন মিত্র, হাসান জাহাঙ্গীর, ফাল্গুনী রহমান জলি, ফিরোজ শাহী ও জেসমিন আক্তার।

    অন্যদিকে, এবারের নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে অংশ নিতে চেয়েছিলেন বাপ্পারাজ। তবে হঠাৎই জানা গেল, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এ অভিনেতা। 

    চলচ্চিত্র অঙ্গনে কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল, আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বাপ্পারাজ। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনার ইতি টেনে তিনি নির্বাচনি দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন। 

    এর আগে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তির সঙ্গে প্যানেল গঠন করবেন বলে জানিয়েছিলেন বাপ্পারাজ। তবে বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমকে বাপ্পারাজ ও মুক্তি দুজনেই নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এই অভিনেতা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মুক্তি জানান, গতকাল বাপ্পারাজ তাকে একটি ক্ষুদেবার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন। তাই তিনি এখন নতুন সভাপতি প্রার্থী খুঁজছেন।

    ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা ও অন্যান্য কারণে বর্তমানে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে নেই বলে মনে করছেন এই অভিনেতা। ফলে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, শিল্পী সমিতির সর্বশেষ কার্যনির্বাহী পরিষদের (মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল) মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন দিতে হবে। এরই মধ্যে প্যানেল গোছানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আগ্রহী প্রার্থীরা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দিদি যেখানে আমি সেখানে’ বলা সেই ইমন চক্রবর্তী এখন বিজেপির মঞ্চে

    পশ্চিমবঙ্গে আজ চলছে নির্বাচনি হাওয়াবদলের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের পালাবদল। ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আজ প্রথমবারের মতো বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছেন। এই পালাবদলের মধ্য দিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। 

    শনিবার (৯ মে) কলকাতায় বিজেপির নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এ সংগীতশিল্পীর গান গাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ইমন চক্রবর্তীর এমন পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। 

    যদিও নির্বাচনপরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর থেকেই এ সংগীতশিল্পী সামাজিক মাধ্যমেও এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি, তা সত্ত্বেও গুঞ্জন উঠেছে— আজ বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী।

    এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। রবীন্দ্রজয়ন্তীর বিশেষ দিনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মূল পর্বে শপথের আগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন ইমন চক্রবর্তী। সেখানে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের জন্য এ সংগীতশিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কিছু জানানো হয়নি ইমন চক্রবর্তীকে। দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি, তার প্রশংসা করতেন প্রায়ই। তিনি রাজ্যসরকারের কাছ থেকে ২০২২ সালে ‘বঙ্গভূষণ’ ও ২০২৪ সালে ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মাননা লাভ করেন। এমনকি গত নির্বাচনের আগেও সরকারের হয়ে প্রচার ও সংগীত পরিবেশনায় তাকে সক্রিয় দেখা গেছে। কোনো এক অনুষ্ঠানে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে ইমন চক্রবর্তী বলেছিলেন— ‘দিদি যেখানে আমি সেখানে’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতিতে সভাপতি পদে লড়বেন বাপ্পারাজ

    বাবার পথ অনুসরণ করে আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়তে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। তার বাবা কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। এবার সেই একই পথে পা বাড়াচ্ছেন তিনি। 

    জানা গেছে, একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে দাড়াবেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। তার মা জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমও বিগত সময় কমিটিতে দায়িত্বে ছিলেন। 

    বিষয়টি বাপ্পারাজ নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘চেয়েছিলাম বাবার কবর জিয়ারত করে সুখবরটি প্রকাশ্যে আনব। তার আগেই গণমাধ্যমে চলে এসেছে। তবে একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। কারণ সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার খবরে অনেক শিল্পীই ফোন করে এবং টেক্সট করে শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। খবরটি জেনে তারা ভীষণ খুশি বলে জানান। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখলাম সবাই আমাদের ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ 

    একসময়ের জনপ্রিয় এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। বিগত সময় আমিও কমিটিতে ছিলাম। আনুদিও (আনোয়ারা বেগম) বিগত সময় কমিটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মুক্তিও দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা পরবর্তী প্রজন্ম নতুন মেয়াদের নেতৃত্বে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু পরিকল্পনা করেছি, শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে তা বাস্তবায়ন করব। আশা করছি, সম্মানিত শিল্পীরা আমাদের তাদের ভালোবাসায় রাখবেন এবং কাজের সুযোগ করে দেবেন। সেই সঙ্গে আমার ভক্ত এবং দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই।’ 

    উল্লেখ্য, সবশেষ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন মিশা সওদাগর ও ডিপজল। এই কমিটির মেয়াদ গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে। 

    গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। সেই হিসেবে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। জানা গেছে, শিগগিরই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তফসিল ঘোষণা হবে। 

    এদিকে বাপ্পা ও মুক্তি ছাড়াও আরেকটি প্যানেল হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন: রচনা

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দ্বিতীয় দফার ভোট প্রদানে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ) সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে ভোটারদের ভিড় দেখা যায়। এ গণতান্ত্রিক উৎসবে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি টালিউডের অনেক তারকাও ভোট দিতে উপস্থিত হন।

    এদিন রঞ্জিত মল্লিক, জিৎ, আবীর চট্টোপাধ্যায়, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, রাজ চক্রবর্তী, কোয়েল মল্লিকের মতো তারকারা ভোট প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ভোট দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    নিজের নির্ধারিত বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট প্রদান শেষে চলতি নির্বাচনের লড়াই নিয়ে কথা বলেন রচনা। 

    তিনি বলেন, এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন। এ বছরের লড়াই অনেক কঠিন। একেবারে মসৃণ লড়াই নয়। গত কয়েক মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও বলেন, ভোটারদের কাছে তাদের প্রধান বার্তা ছিল ভোট দেওয়ার আগে গত ১৫ বছরে রাজ্যের উন্নয়ন ও সরকারের কাজ সম্পর্কে একবার ভেবে দেখা। 

    রচনার দাবি, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ করে দেখিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিবেচনা থেকেই ভোট হওয়া উচিত।

    এর আগে ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই নির্বাচনে তিনি বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়-কে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকার মেয়র হতে চান হিরো আলম

    সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম ফের আলোচনায় এসেছেন। রাজনীতিতে সক্রিয় তিনি। বেশ কয়েকবার জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তবে আলোচনা-সমালোচনার তোয়াক্কা না করে আপন মনে কাজ করে যাচ্ছেন এ কনটেন্ট ক্রিয়েটর।  

    এবার মেয়র পদে নির্বাচনের কথা ভাবছেন হিরো আলম। ঢাকা দক্ষিণ সিটির হয়ে মেয়র পদে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। 

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এমনটিই জানিয়েছেন হিরো আলম।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। বিএনপির এ নেতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কতটা কঠিন তা জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, কোনো নির্বাচনই সহজ নয়। আমি আমার মতো কাজ করে যাচ্ছি। তবে সব কিছুই নির্ভর করে জনগণের ওপর। 

    তিনি বলেন, যদি জনগণ চায় তাহলে জাতীয় নির্বাচনেও অংশ নেব। আপাতত মেয়র নির্বাচন নিয়েই ভাবছি। অনেকে ফোন দিচ্ছেন, উৎসাহ দিচ্ছেন। আলোচনা চলছে। আমি মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ চাই বলে জানান হিরো আলম।

    এর আগে ২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। এর মধ্যে বগুড়া-৪ আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনকে ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে নৌকার প্রার্থী ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান বিজয়ী হন। 

    এ ছাড়া ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একতারা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ভোটগ্রহণের দিন তার ওপর হামলা হয়। পরে তিনি ভোট বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গুজব উড়িয়ে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ মনির খানের

    দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনির খান গানের পাশাপাশি একসময় রাজনীতিতেও বেশ সক্রিয় ছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির হয়ে রাজনীতি করেন তিনি। তবে গত কয়েক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। 

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে সে তথ্যকে গুজব হিসেবে উড়িয়ে দেন মনির খান। এ বিষয়ে তার মন্তব্য, ‘২০১৮ সালের একটি তথ্যকে বিকৃত করে সামনে আনা হচ্ছে। যেটা মোটেও সত্য নয়। আমি দলের পদ ছেড়ে দিয়েছি, দল ছাড়িনি।’

    বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ছিলেন মনির খান। তবে এখন কোনো পদে নেই। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে আমি বিএনপির ওই পদ থেকে অব্যাহতি নেই। কিন্তু আমি দল ছাড়িনি। আমি বিএনপি ছিলাম, আছি। যে গুজব ছড়ানো হয়েছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

    এদিকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছের কথা জানিয়ে জনপ্রিয় এই শিল্পী বলেছেন, ‘আমি এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। যদি দল চায়, জনগণ যদি চায়; আমাকে যোগ্য মনে করে তাহলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করব। আমার তেমনই প্রস্তুতি রয়েছে।’

    ১৯৯৬ সালে একক অ্যালবাম ‘তোমার কোনো দোষ নেই’ দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন মনির খান। এরপর ৪২টিরও বেশি একক অ্যালবাম বেরিয়েছে এই শিল্পীর। তার দ্বৈত ও মিশ্র অ্যালবামের সংখ্যাও অনেক। ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘লাল দরিয়া’ ও ‘দুই নয়নের আলো’সহ অনেক সিনেমায় গান করেছেন মনির খান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে আসিফ আকবর

    জাতীয় না স্থানীয় সরকার নির্বাচন; সাম্প্রতিক সময়ে রাজনীতির মাঠে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটি। অন্তর্বর্তী সরকার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে নানা সময় মন্তব্য করলেও সেটি কোনোভাবেই হতে দিতে চাই না বিএনপি ও এর সহযোগী দলগুলো। এবার বহুল আলোচিত এই ইস্যুতেই মুখ খুলেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর।

    জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন জরুরী বলে মনে করেন এই সংগীতশিল্পী। যা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টও দিয়েছেন তিনি।

    পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন জরুরী।’

    কেন আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন জরুরি সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এতে রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নতি বোঝা যাবে, মানুষও উপকৃত হবে।’

    আসিফের সেই পোস্টে খোকা বাবু নামে একজন কমেন্টে লিখেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন না চাওয়ার কারণ?

    নিজে এমপি হব, বউকে উপজেলা চেয়ারম্যান বানাবো। শালা ভাইস চেয়ারম‍্যান, শালিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, বড় চামচাকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ছোট চামচা গুলা মেম্বার বানাব। এই মহৎ উদ্দেশ্য সফল হলে চুরির ক্ষেত্রে আর বাধা নেই।

    যার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসিফ লিখেছেন, একশো তো একশো।

    সংগীত শিল্পী আসিফ আকবর বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন। নির্বাচন নিয়ে দেওয়ার তার এই পোস্টটি ইতোমধ্যেই বেশ সারা ফেলেছে নেটিজেনদের মধ্যে। ইতোমধ্যেই পোস্টটি ভাইরাল। পোস্টের কমেন্টে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে কোনটা আগে হওয়া উচিত তা নিয়ে নিজেদের মতামতও তুলে ধরছেন রাজনীতি সচেতন নাগরিকরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হুমকির মধ্যেই ভোট দিতে আসেন সালমান, গৌরীকে নিয়ে শাহরুখ

    মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে মুম্বাইয়ে বলিউড তারকাদের অনেকেই ভোট দিতে এসেছিলেন। তাদের দেখতে উৎসাহী জনতার ভিড় ছিল লক্ষণীয়। গতকাল বুধবার মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনের দিকে নজর ছিল সারাদেশের। মুম্বাইয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকারাও ভোট দেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে এবং সবাইকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন জানান।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে এবারও মুম্বাইয়ে তারকাদের মধ্যে সবার আগে নিজের ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে যান অভিনেতা অক্ষয় কুমার। সাদা শার্ট ও চেক ট্রাউজারে দেখা যায় তাকে। পরে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সুব্যবস্থা ছিল। বিশেষ করে, বর্ষীয়ান নাগরিকদের জন্য আলাদা বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। অক্ষয় ছাড়াও সকালের দিকে ভোট দেন অভিনেতা রাজকুমার রাও, পরিচালক জোয়া আখতার।

    দুপুরে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রণবীর কাপুর। তার পরনে ছিল সাদা টিশার্ট ও নীল জিনস। ভোট দিয়ে বেরিয়ে রণবীর বলেন, সব কিছু ভুলে মানুষের আগে ভোট দেওয়া উচিত। ভোট মানুষের অধিকার। 

    বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে বান্দ্রায় ভোট দিতে আসেন সালমান খান। সম্প্রতি একের পর এক হুমকির জেরে সালমান কখন ভোট দেবেন, তা নিয়ে শুরু থেকেই কৌতূহল ছিল। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভাইজান ভোট দিতে আসেন। অবশ্য তার আগেই কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিনেতার বাবা সেলিম খান ও মা সালমা খান। তাদের সঙ্গে ছিলেন আরবাজ খান ও সোহেল খান। বিকাল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কিছুটা আগে সপরিবারে ভোট দিতে আসেন বলিবাদশাহ শাহরুখ খান। তার পরনে ছিল সাদা শার্ট ও জলপাইরঙা ট্রাউজার। মাথায় ছিল টুপি। বলিউড বাদশার সঙ্গে ভোট দেন স্ত্রী গৌরী খান। সঙ্গে ছিলেন পুত্র আরিয়ান ও কন্যা সুহানা খান। তাদের দেখতে উৎসাহী জনতার ভিড় ছিল লক্ষণীয়।

    এ ছাড়া পরিবারের সঙ্গে ভোট দিতে আসেন অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে। তার সঙ্গে ছিলেন চাঙ্কি পান্ডে ও ভাবনা। কার্তিক আরিয়ানকে এক ঝলক দেখার জন্য তার ভোটকেন্দ্রের বাইরে উৎসাহী জনতার ভিড় জমে। অভিনেতা খুশি মনে অনুরাগীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। অবশ্য ভোট দিয়েই ব্যক্তিগত কাজে মুম্বাই ছাড়েন কার্তিক। অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান ও সাইফ আলি খান একসঙ্গে ভোট দিতে আসেন। 

    এদিকে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা শ্রদ্ধা কাপুর, অর্জুন কাপুর, গোবিন্দ, জন আব্রাহাম, সুনীল শেঠি, সোনু সুদ, তুষার কাপুর, রাহুল বোস, বিশাল দাদলানি, পরিচালক সুভাষ ঘাই, রাকেশ ওম প্রকাশ মেহেরা,সোনালি বেন্দ্রে, রাকেশ রোশন, কিয়ারা আদভানি, টাইগার শ্রফ, ফরহান আখতার, মাধুরী দীক্ষিত, জাভেদ আখতার ও অনুপম খের প্রমুখ।

     হাসিমুখে ভোট দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে অনুপম বলেন, আমি প্রত্যেকবার ভোট দিই। কারণ আমাদের যে চাহিদার কথা বলা হয়, একমাত্র ভোট দিয়েই তা পূরণ হতে পারে। তাই যারা প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন, তাদের বলব— নিয়ম করে ভোট দিতে। এটা আমাদের অধিকার।

    উল্লেখ্য মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে বুধবার মোট ২৮৮ আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর শনিবার নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক