Tag: নরেন্দ্র মোদি

  • আমিরের সিনেমায় মোদির উক্তি রাখাসহ একাধিক বাধ্যবাধকতা

    শীঘ্রই মুক্তি পাচ্ছে বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট খ্যাত অভিনেতা আমির খানের বহুল প্রতিক্ষীত সিনেমা ‘সিতারে জমিন পার’। ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে সম্প্রতি ছাড়পত্র পেয়েছে সিনেমাটি। জানা গেছে, সিনেমাতে বেশ কিছু বিষয় পরিবর্তন করা হয়েছে সেন্সর বোর্ডের নির্দেশে।

    বোর্ডের নির্দেশ ছিল, সিনেমার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি উক্তি যোগ করতে হবে। বিধিসম্মত সতর্কীকরণেরও আগে মোদীর এই উক্তিটি রাখতে হবে। এখানেই শেষ নয়। কিছু দৃশ্যে ‘কমল’ (পদ্ম) শব্দের ব্যবহার ছিল। বোর্ডের নির্দেশ, সেই শব্দ সরিয়ে দিতে হবে। এই শব্দের ব্যবহার থাকলে তা রাজনৈতিক ভাবে ‘স্পর্শকাতর’ হয়ে পড়তে পারে।

    সিনেমাটিতে একটি জায়গায় এক নারী ব্যবসায়ীকে ‘বিজনেস-উইম্যান’ বলা হয়েছে। লিঙ্গসাম্য বজায় রাখার জন্য সেই জায়গায় ‘বিজনেস-পার্সন’ শব্দটি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্রয়াত পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসনের নামের বদলে ‘লাভবার্ডস’ শব্দের ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে সেন্সর বোর্ড।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, বোর্ডের এই দাবিগুলি নিয়ে আমির খুব একটা খুশি নন। এই মর্মে তিনি বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করবেন বলেও শোনা যাচ্ছিল। তবে মঙ্গলবার সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দিয়েছে সেন্সর বোর্ড।  ‘সিতারে জমিন পার’ ২ ঘণ্টা ৩৮ মিনিটের একটি সিনেমা বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন পর বলিউডে প্রত্যাবর্তন হচ্ছে আমিরের। তারকার শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘লাল সিং চাড্ডা’ বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। সেই সিনেমার পরে দীর্ঘদিন বিরতিতে ছিলেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। তাই ‘সিতারে জমিন পার’ নিয়ে তার অনুরাগীদের উত্তেজনা তুঙ্গে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বন্যপ্রাণীরা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, সাহায্য করুন স্যার’

    তেলেঙ্গানার বনাঞ্চল ধ্বংস বন্ধ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। মিমি বরাবরই পশুপ্রেমী তথা পরিবেশপ্রেমী, তার প্রমাণ এর আগেও পাওয়া গিয়েছে। আরেকবার বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য আওয়াজ তুললেন অভিনেত্রী।

    ইনস্টা স্টোরিতে গাছ কাটার ভিডিও শেয়ার করে মিমি লিখেছেন- ‘এটা মারাত্মক বিপর্যয়। এখনো কেন আমরা বুঝতে পারছি না? এত বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কিসের জন্য, যখন নিত্যদিন বাতাস এভাবে বিষিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই তো ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছি।’ 

    এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দরবারে সাহায্যের আবেদন জানান মিমি। 

    এক্স হ্যান্ডেলে মিমি লিখেন, ‘দয়া করে সাহায্য করুন স্যার, ৪০০ একর বন ধ্বংস হচ্ছে, বন্যপ্রাণীরা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, কাঁদছে। প্রতিবাদ করার জন্য ছাত্রদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমাদের আপনার সাহায্য দরকার।’

    হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনতিদূরেই ৪০০ একর জমির গাছ কাটা নিয়ে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। ওই জমিতে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেলেঙ্গানা সরকার। সেই প্রেক্ষিতেই রোববার থেকে বুলডোজার চালিয়ে গাছ কাটা শুরু হয়। বাদসাধে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা। জমি দখল নিয়ে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছিল তারা। পুলিশি ধরপাকড়ের মুখেও পড়তে হয় পড়ুয়াদের। 

    সেসব ধ্বস্তাধ্বস্তির ছবি-ভিডিও নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়। এ ইস্যুতেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে অবিলম্বে বনাঞ্চল ধ্বংসের কাজ বন্ধের আর্জি জানান মিমি চক্রবর্তী।

    রোববার হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অনতিদূরের জমিতে গাছ কাটা শুরু হতেই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিয়ে বুলডোজারের উপরে উঠে পড়েন শিক্ষার্থীরা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান একাংশ। বুধবার তেলেঙ্গানা পুলিশের লাঠিচার্জের কোপে পড়ে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরতরা।  

    শিক্ষার্থীরা বলেন, ৪০০ একর জমিতে প্রচুর জীববৈচিত্র্য রয়েছে। গাছ কেটে ফেললে তা একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাদের সঙ্গী হয় ভাটা ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও। যৌথভাবে তাদের আবেদন, ওই এলাকাটি বনাঞ্চল হিসেবে ঘোষিত হোক। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনের আওতায় ওই অঞ্চলকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে গড়ে তোলা হোক- এমনটাই প্রস্তাব দিয়েছেন তারা। 

    তেলেঙ্গানা সরকারের পালটা জবাব, হায়দরাবাদের অনেক জায়গাতেই সাপ, ময়ূর রয়েছে। সব স্থানকে বনাঞ্চল বলা যায় না।  

    সেসব ভিডিও শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি জানান অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • নিজেকে মোদি-শাহরুখের সঙ্গে তুলনা উর্বশীর

    একের পর এক বিতর্কের জালে জড়িয়ে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রৌতেলা। ‘ডাকু মহারাজ’ ছবিতে ৬৪ বছরের অভিনেতার সঙ্গে জুটি বাঁধায় তার দিকে ধেয়ে এসেছিল কটাক্ষ। তারপরেই সাইফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনাতেও তার মন্তব্যের ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। 

    নেটিজেনদের অনেকেই তাকে কটাক্ষ করে বলছেন, উর্বশী দেখতে সুন্দর হলেও তার বুদ্ধি নেই। যাকে এককথায় বলা হয়, ‘বিউটি উইথ নো ব্রেন’। তবে এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অভিনেত্রী।

    গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উর্বশী বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আমার দুই প্রিয় তারকা শাহরুখ খান ও সালমান খান। তাদেরকেও লোকে কটাক্ষ করতে ছাড়ে না। তাহলে বলুন, কী করা যায়?’

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাইফের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন ঠিকই, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে চলে যান নিজের ছবি ‘ডাকু মহারাজ’-এর সাফল্যে। 

    উর্বশীর দাবি, তার ছবি এতটাই সাফল্য পেয়েছে যে, বাবা-মা দামি দামি উপহার দিয়েছেন তাকে। তবে সাইফের ঘটনা দেখে সেই দামি উপহারগুলো ব্যবহার করতে ভয় পাচ্ছেন তিনি। এই মন্তব্যের জেরেই কটাক্ষ ধেয়ে আসতে থাকে তার দিকে।

    সেই প্রসঙ্গেই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে উর্বশী জানান, সাইফের ওপর হামলা হয়েছিল মধ্যরাতে। তারপরের দিন সকাল হতে না হতেই তাকে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখনো গোটা বিষয়টা তিনি নাকি হজমই করে উঠতে পারেননি।

    এছাড়া ‘ডাকু মহারাজ’ ছবিতে উর্বশী ও নন্দমুরি বালাকৃষ্ণের ‘দাবিডি দিবিডি’ নাচ নিয়েও নিন্দা হয়েছে। সেই নাচকে ‘অশালীন’ বলেও দাবি করেছেন অনেকে। তবে এ সবে কান দিতে নারাজ অভিনেত্রী। তিনি মনে করেন, নরেন্দ্র মোদি বা শাহরুখকেও মানুষ ছাড়ে না। তাহলে তাকে কেউ কেন রেহাই দেবে!

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিতে মোদিকে যে পরামর্শ দিলেন দিলজিৎ

    সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন সংগীতশিল্পী দিলজিৎ দোসাঞ্জ। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তে ভাইরাল হয়। সাক্ষাতে মোদিকে যে পরামর্শ দিয়েছেন সেটিও জানালেন গায়ক। 

    বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংগীতসংক্রান্ত নানা উৎসব হয়ে থাকে। এ ধরনের উৎসবে দিলজিতের অভিজ্ঞতা জানতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ উৎসবগুলোতে কোন ভাষায়, কী ধরনের গান হয়, তাও জানতে আগ্রহী ছিলেন তিনি। সেই প্রশ্নের উত্তরেই দিলজিৎ একটি আর্জি জানান। বিদেশের মতো ভারতেও এ ধরনের সংগীত উৎসব হতে পারে। 

    দিলজিৎ বলেন, স্যার, বিদেশে ‘কোচেলা’ (ক্যালিফোর্নিয়ার সংগীত উৎসব) বা অন্য সংগীত উৎসব বিরাট আকার নিয়েছে। আমরাও এমন বড় কিছু করতে পারি। এমন উৎসবে দেশ-বিদেশ থেকে অনেক মানুষ আসবে।

    বেশ কিছু অভিনব পরিকল্পনা জানিয়ে এ পাঞ্জাবি গায়ক বলেন, আমাদের সংস্কৃতিতে বৈচিত্র্য রয়েছে। যেমন— আমরা কোনো ধাবায় বসে খাবার খাচ্ছি, আর তার সঙ্গে কেউ রাজস্তানি গান গাইছেন। কী অপূর্ব শুনতে লাগবে এই গান। এমন গান শুনে মনে হয়, আমার গান গাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত। গান গাওয়া আমার পেশা। কিন্তু এই গায়কেরা কী অসাধারণ।

    দেশের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে থাকা এমন বহু সংগীতশিল্পীর পরিচিতি পাওয়া উচিত বলে মনে করেন দিলজিৎ। তাই মোদিকে পরামর্শ তিনি বলেন, ভারতেও এমন বড়মাপের উৎসব হওয়া উচিত। তা হলে সারা বিশ্ব থেকে এই দেশে মানুষ আসবে। 

    তিনি বলেন, সারা বিশ্বে সৃজনশীলতার কেন্দ্র হয়ে উঠবে ভারত। আমি একবার জার্মানির চ্যান্সেলর মেরকেলের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তিনি আমাদের দেশের সংগীত সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলেন। আমি বলেছিলাম— আমাদের এখানে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের পরে ভিন্ন ধরনের সংগীত হয়। আমাদের এখানে ভিন্ন অনুভূতির জন্য ভিন্ন ধরনের সংগীত রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অমিত শাহকে ভারতের ‘হনুমান’ বললেন বরুণ

    ভারতের রাজনীতির জগতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পেয়েছেন ‘চাণক্য’ তকমা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হলেও, তার ভূমিকাও কিছু কম নয়। এমনও দেখা গিয়েছে, সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নীরব থেকেছেন, সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে এ বার দেশের ‘হনুমান’ আখ্যা দিলেন বরুণ ধওয়ান। শুনে বিগলিত স্বয়ং শাহও।

    নিজের আসন্ন ছবি ‘বেবি জন’-এর প্রচার নিয়ে ব্যস্ত বরুণ। সেই ছবি ঘিরেই এক আলোচনাসভায় যোগ দেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে রাম ও রাবণের প্রসঙ্গ ওঠে। অমিত শাহের উদ্দেশে বরুণ প্রশ্ন রাখেন, রাম ও রাবণের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী? উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাম নিজের দায়িত্ববোধ অনুযায়ী চলেন। অন্য দিকে, রাবণ নিজের সুবিধা ও নিজের স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করেন।

    এ উত্তরে অভিভূত হয়ে বরুণ বলেন, ‘মানুষ আপনাকে রাজনীতির চাণক্য বলে। কিন্তু আমি বলব, আসলে আপনি দেশের হনুমান। কারণ, আপনি নিঃস্বার্থ ভাবে দেশের সেবা করেন। অভিনেতারাও সংলাপ মুখস্থ করে এত স্পষ্ট কথা বলতে পারে না। কিন্তু আপনি কত সহজে স্পষ্ট উত্তর দিলেন। এর থেকেই বোঝা যায়, আপনি মন থেকেই কথাটা বললেন।’

    এই মুহূর্তের ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই নানা প্রতিক্রিয়া দেন নেটাগরিকেরা। নিন্দুকদের দাবি, নিজের ছবির প্রচারের জন্যই বরুণ এই মন্তব্য করেছেন। নজর কাড়ার জন্য কত চেষ্টাই না করতে হচ্ছে!

    ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ‘বেবি জন’। এই প্রথম ‘জওয়ান’ খ্যাত পরিচালক অ্যাটলির সঙ্গে জোট বাঁধলেন বরুণ। ছবিতে জ্যাকি শ্রফ, ওয়ামিক গাব্বি, কীর্তি সুরেশও অভিনয় করেছেন। সালমান খানেরও একটি ক্যামিয়ো রয়েছে এই ছবিতে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাইফের প্রশ্নের কী জবাব দিলেন নরেন্দ্র মোদি

    সম্প্রতি দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কাপুর পরিবার সাক্ষাৎ করে কিংবদন্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে হাজির ছিলেন পরিবারের জামাই সাইফও।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বলিউড অভিনেতা অভিনেতা সাইফ আলি খান দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলেন। বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজ কাপুরের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বিশেষ আয়োজন করে কাপুর পরিবার। সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পৌঁছেছিলেন রণবীর, কারিনা ও কারিশমারা। বলিউডের ‘ফার্স্ট ফ্যামিলি’র ছোট জামাই হওয়ার সূত্রে হাজির ছিলেন সাইফ আলি খানও।

    মোদি সাক্ষাতে যে কাপুরদের প্রবীণ-নবীন প্রজন্ম বেজায় খুশি, সেসব মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে এসেছে নানান কথা। 

    প্রয়াত শোম্যান রাজ কাপুর স্মরণে আয়োজিত বিশেষ সভা সম্পর্কে এইচটি সিটির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাইফ আলি খান বলেন, ‘তিনি সংসদের কাজ সেরে হাজির হয়েছিলেন, তাই আমি ভাবছিলাম যে তিনি হয়তো ক্লান্ত থাকবেন, কিন্তু মোদিজির মুখের উষ্ণ হাসি ছিল অটুট। এবং আমাদের সবার প্রতি মনোযোগী ও মনোমুগ্ধকর ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত মঙ্গলবার মোদিজির সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর, কারিশমা কাপুর, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, নীতু সিং, আদর ও আরমান জৈনরা। সাইফ আরও বলেন, আমি খুশি যে কারিনা, কারিশমা ও রণবীরের মাধ্যমে আমিও এর অংশ হতে পেরেছি। রাজ সাহেবের শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীজির সঙ্গে এ সাক্ষাৎ পরিবারের পক্ষে কতই না গর্বের।

    মা শর্মিলা ঠাকুর ও বাবা প্রয়াত নবাব মনসুর আলি খান পতৌদির কথাও বলেন সাইফ আলি খান। তিনি বলেন,  উনি (মোদি) আমার বাবা-মা সম্পর্কে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে তিনি ভেবেছিলেন— আমরা তৈমুর ও জাহাঙ্গীরকে তার সঙ্গে দেখা করতে নিয়ে আসব। তিনি তাদের জন্য একটি কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন, যা কারিনা তাকে করতে বলেছিলেন। আমার কাছে তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যে, তিনি দেশ চালাতে খুব কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং এখনো এই স্তরে সংযোগ স্থাপনের জন্য সময় নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি মোদিজিকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আপনি কতটা বিশ্রাম পেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন— রাতে প্রায় তিন ঘণ্টা। 

    সাইফ বলেন, দিনটি ছিল আমার জন্য বিশেষ একটি দিন। আমাদের দেখার জন্য এবং পরিবারকে এত সম্মান দেওয়ার জন্য তার মূল্যবান কিছু সময় বের করার জন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হঠাৎ কেন মোদির সঙ্গে দেখা করতে গেল কাপুর পরিবার?

    সম্প্রতি সামাজিক
    যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায় পুরো কাপুর পরিবার একত্রে
    প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এই প্রস্তুতি কেন? কোথায় যাচ্ছে গোটা কাপুর পরিবার? এমন প্রশ্নই
    ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্তদের মাঝে।  

    পরে জানা গেল
    কাপুর পরিবার আসলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে দিল্লি যাচ্ছেন।

    এটি বিশেষ কারণেই
    যাওয়া হচ্ছে। আসলে প্রবীণ বলিউড অভিনেতা রাজ কাপুরের ১০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কাপুর
    পরিবার প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দিল্লি পৌঁছেছে। রাজ কাপুরকে বলিউডের
    শোম্যান বলা হয়।

    তিনি ভারতীয়
    সিনেমায় এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং বহু সুপারহিট ছবি উপহার দিয়েছেন, যেগুলি
    দর্শকরা এখনো পছন্দ করে।

    রাজ কাপুরের
    ১০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কাপুর পরিবার বিশেষ উদযাপন পরিকল্পনা করছে ১৪ ডিসেম্বর।
    এই দিনটি উদযাপন করার জন্য, কাপুর পরিবার রাজ কাপুরের আইকনিক ১০০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শন
    করবে ভারতজুড়ে ৪০টি শহর এবং ১৩৫ টি প্রেক্ষাগৃহে।  

    এদিকে ভিডিও ও ছবিতে দেখা যাচ্ছে কাপুর পরিবারের সদস্যরা যেমন সাইফ আলী খান,
    কারিনা কাপুর খান, আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর, নীতু কাপুর, এবং কারিশমা কাপুর উপস্থিত
    ছিলেন।

    এই উপলক্ষে
    পুরো কাপুর পরিবার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত ছিল। নীতু কাপুর ও কারিশমা কাপুরকে হাতির
    দাঁতের আনারকলিতে দেখা যায়। কারিনা কাপুর একটি লাল স্যুট পরেছিলেন, যার মধ্যে ফুলেল
    প্রিন্ট ছিল এবং সাইফ আলী খান কুর্তা পায়জামায় বরাবরের মতো সুদর্শন দেখাচ্ছিলেন।
    রণবীর কাপুর কোর্ট পরেছিলেন এবং আলিয়া ভাট লাল শাড়ি পরেছিলেন।

    এই বিশেষ ট্রিপে
    আদার জৈন এবং আনিসা মালহোত্রাও যোগ দিয়েছিলেন, যাদের সঙ্গে ছিলেন আদারের বাবা মনোজ
    জৈন। রাজ কাপুরের ১০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন আরও জাঁকজমকপূর্ণ করতে কাপুর পরিবার ভারতজুড়ে
    তার কিছু বিখ্যাত চলচ্চিত্র পুনরায় প্রদর্শনের উদ্যোগ নিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক